Category: হবিগঞ্জ

  • বানিয়াচংয়ে পরাগায়ন সমস্যা ও লেদা পোকায় বোরো ধানের সর্বনাশ

    বানিয়াচংয়ে পরাগায়ন সমস্যা ও লেদা পোকায় বোরো ধানের সর্বনাশ

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বোরো ধানের জমিতে পরাগায়ন সমস্যা ও লেদা পোকার আক্রমনে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন কৃষকগন।

    আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে বোরো‘র আগাম জাতের ধানকাটা পুরোদমে শুরু হওয়ার কথা এর পূর্বেই আবহাওয়াজনিত কারনে পরাগায়ন না হওয়া ও লেদা পোকার আক্রমনে চলতি বছরে অনেক কৃষকই ধান কেটে গোলায় তুলতে পারবেননা।

    থোড় ও আধাপাকা ধানের ছড়া কেটে দিয়ে একরের পর একর ধানের জমি কেটে কৃষকের সর্বনাশ করে চলেছে বিগত এক সপ্তাহ যাবৎ সর্বনাশা লেদা পোকা।

    একই সময়ে আবহাওয়াজনিত সমস্যার কারনে অনেক হাওরে পরাগায়ন না হওয়ায় ধানের ছড়া বিবর্ণ রং ধারন করে মড়ে যাচ্ছে।

    সরেজমিনে ঘুরে উপজেলার ইসলামপুর মৌজার হাওর,রাজিমপুর মৌজার গুজির হাওর, মকার হাওর, আহমদপুর মৌজার হাওর সহ বেশ কয়েকটি হাওরে পোকার আক্রমন ও পরাগায়ন সমস্যা পাওয়া গেছে।

    উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানানো হয়েছে বানিয়াচংয়ের বিভিন্ন হাওরে প্রায় ৫ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

    তবে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের দাবী ক্ষতিগ্রস্থ জমির পরিমান আরও বেশি।

    ইউসুফপুর গ্রামের কৃষক মতুর মিয়া জানান, ইসলামপুর ও রাজীমপুর হাওরে ৪০ কেদার জমি চাষ করেছিলেন। কিন্ত তার সকল জমিই লেদা পোকার আক্রমনে নষ্ট হয়ে গেছে। ঋণ ও ধারদেনায় জমি চাষ করে সর্বনাশা পোকার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

    তৈয়ব আলী জানান, হোন্ডার হাওরে গরম বাতাস এসে ধানের জমি নষ্ট করে ফেলছে।

    কৃষক কালু মিয়া জানান, ইসলামপুর হাওরে লেদা পোকার আক্রমন হয়েছে।

    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এনামুল হক বলেন, বানিয়াচংয়ে হাওরের কৃষকদের আতংকিত হওয়ার কোন কারন নাই। বিক্ষিপ্তভাবে কিছু কিছু হাওরে লেদা পোকা ও আবহাওয়াজনিত পরাগায়ন সমস্যা হয়েছে।

    আমরা কৃষকদের পাশে সার্বক্ষনিক থেকে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছি।

  • বানিয়াচংয়ে নদীতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

    বানিয়াচংয়ে নদীতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে নদীতে পড়ে গিয়ে ২ বছর বয়সের শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    ৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলার ৬ নম্বর কাগাপাশা ইউনিয়নের বাতাকান্দি গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া শাখা কুশিয়ারা নদীতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে।

    একই ইউনিয়নের মুসলিমপুর গ্রামের মোশাহিদ মিয়ার শিশু কন্যা সাথী আক্তার(২) নানার বাড়ী বাতাকান্দিতে মায়ের সাথে বেড়াতে এসেছিলো।

    ঘটনার সময় অন্যান্য শিশুদের সাথে নদীর পাড়ে খেলারত অবস্থায় সাথী আক্তার সকলের অগোচরে নদীতে পড়ে যায়।

    পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন অনেক সময় খোজাখুজি করে নদী থেকে সাথীর মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

    এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য আকবর হোসেন রাজু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, লোকমুখে শুনেছি একজন শিশু বাচ্চা মারা গেছে। তবে শিশুটির বাবার বাড়ী অন্য ওয়ার্ডে।

  • বানিয়াচংয়ে ভর্তুকি‘র কৃষিযন্ত্র বিতরন

    বানিয়াচংয়ে ভর্তুকি‘র কৃষিযন্ত্র বিতরন

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে কৃষি ভর্তুকি‘র ধান কর্তন ও মাড়াইয়ের সমন্বিত মেশিন বিতরন করা হয়েছে।
    সরকারীভাবে ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে কম্বাইন হারভেষ্টার নামের মেশিন কৃষকদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    কম্বাইন হারভেষ্টার মেশিন দিয়ে একই সাথে ধান কাটা,মাড়াই ও ঝাড়াইয়ের কাজ শেষে বস্তাবন্দী করা যায়।

    বেসরকারিভাবে একটি মেশিনের মূল্য ৩১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।

    সরকার থেকে ভর্তুকির ১৯লক্ষ ৬০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার কারনে কৃষককে দিতে হচ্ছে মাত্র ১১লক্ষ ৯০হাজার টাকা।

    মাত্র ১১ লক্ষ ৯০হাজার টাকা দিয়ে কৃষক সম্পূর্নভাবে মেশিনটির মালিক হয়ে গেলেন।
    চলতি বছরে ভর্তুকির কৃষিযন্ত্র বিতরনের প্রথম কিস্তির মেশিন বিতরন করা হয়েছে ৪ জন কৃষকের মধ্যে। চারটি মেশিনই কম্বাইন হারভেষ্টার।

    ৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে মেশিন হস্তান্তর অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা।
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ এনামূল হকের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন, হাসিনা আক্তার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মলয় কুমার দাশ, প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া, সিনিয়র সাংবাদিক শেখ জোবায়ের জসিম, মখলিছ মিয়া, পল্লী সঞ্চয় অফিসার সুদীপ দেব,

    [contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”true” /][contact-field label=”Email” type=”email” required=”true” /][contact-field label=”Website” type=”url” /][contact-field label=”Message” type=”textarea” /][/contact-form]

    ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।

  • রশিদপুরের গ্যাস ফিল্ডে অগ্নিকাণ্ড

    রশিদপুরের গ্যাস ফিল্ডে অগ্নিকাণ্ড

    হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুরে সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ফ্রাক্সেনেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটের প্রায় দেড় ঘন্টার চেষ্টার পর রাত পৌনে ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমান এখনও জানাযায়নি।

    বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এঘটানটি ঘটেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কোথা থেকে তা এখনও জানা যায় নি।

    বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা তালুকদার বিষয়টি নিশ্চত করেছেন

  • মাধবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক খামার কর্মচারীর মৃত্যু

    মাধবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক খামার কর্মচারীর মৃত্যু

    মাধবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে লাল মিয়া (৬০) নামে এক মোরগ খামার কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে। লাল মিয়া দক্ষিন সুরমা গ্রামের মৃত মহর উদ্দিনের ছেলে।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, লাল মিয়া তার বাড়ির পাশে শাহজাহান চৌধুরী মোরগের খামারের কর্মচারী ছিল। প্রতিদিনের ন্যায় লাল মিয়া বুধবার সকাল ৬টায় মোরগের খামারে পানির পাম্প চালু করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • বানিয়াচঙ্গে ভাইয়ের হাতে বোন খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের

    বানিয়াচঙ্গে ভাইয়ের হাতে বোন খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের

    বানিয়াচং উপজেলার ভাই ও ভাইপো হাতে বোন খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। তবে এজাহারে অভিযুক্তদের নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রকৃত আসামি ছাড়াও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিরীহ লোকদের ফাঁসানো হয়েছে। যাদেরকে ফাঁসানো হয়েছে তারা বাড়ি ঘর ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাড়িঘরে মালপত্র লুটপাট ও ভাংচুর হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

    গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার রতনপুর গ্রামের নিহত সামছুন্নাহার (৫০) এর পুত্র আলী নুর বাদি হয়ে একই গ্রামের মৃত হোসন মিয়ার পুত্র নিহতের আপন ভাই হাদিস মিয়া, ভাইপো সুবেল মিয়াসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন।

    স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিহত সামছুন্নাহারের সাথে হাদিস মিয়ার বাড়ির সীম-সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জের ধরে গত ২ এপ্রিল দুপুরে হাদিস মিয়া ও তার ছেলে সুবেল ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং সামছুন্নাহারকে টেটা দিয়ে উপর্যুপুরি আঘাত করে পালিয়ে যায়।

    স্থানীয় লোকজন আহত সামছুন্নাহারকে উদ্ধার করে প্রথমে হবিগঞ্জ এবং পরে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। গত ৪ এপ্রিল রবিবার রাতে সামছুন্নাহার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবু সিদ্দিকের পুত্র বাচ্চু মিয়া ও নিহতের ছেলে আলী নুর ও কাইয়ূমকে আটক করে সুজাতপুর ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে আলী নুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, কাইয়ুম ও বাচ্চু মিয়া ঘটনার সাথে জড়িত নয়। এ কারণে পুলিশ তাদেরকে ছেড়ে দেয়।

    কিন্তু গ্রামের কিছু কুচক্রি মহলের ইন্ধনে আলী নুর বাচ্চু মিয়া, তার পুত্র ও স্ত্রীকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করায় গ্রামবাসীর মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করছেন আলী নুর বর্শীভূত হয়ে বাচ্চু মিয়া ও তার পুত্র এবং স্ত্রীকে আসামি করেছে। এ ব্যাপারে সুজাতপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শাহরিয়ার জানান, ঘটনার দিন রাতে বাড়ি থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আলী নুর, বাচ্চু ও কাইয়ূমকে আনা হয়েছিল। কিন্তু ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা না থাকায় এবং আলী নুরের জবানবন্দি মতে মুচলেকা রেখে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

    বানিয়াচং থানার ওসি এমরান হোসেন জানান, হাদিস মিয়াকে প্রধান আসামি করে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আলী নুর বাদি হয়ে হত্যা মামলা করেছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • টমটম চালকদের কাছে যেনো অসহায় শহরবাসী

    টমটম চালকদের কাছে যেনো অসহায় শহরবাসী

    জুয়েল চৌধুরীঃ হবিগঞ্জ শহরবাসী টমটম চালকদের কাছে যেনো অসহায় হয়ে পড়েছেন। একদিকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে অন্যদিকে প্রশাসনের আদেশ উপেক্ষা করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে একাধিক যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে। এতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির আশংকা করা হচ্ছে। এ যেনো টমটম চালকদের নৈরাজ্য শুরু হয়েছে।

    হবিগঞ্জের গণপরিবহনখ্যাত টমটমে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে। ভাড়া আদায়ের নামে রীতিমতো ডাকাতির মহোৎসব শুরু হয়েছে। তবে প্রতি টমটমে কতজন যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারবে তা নিয়েও ধোয়াশা যেন কাটছে না।

    শহরের প্রতিটি রুটে প্রতি টমটমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালকসহ দুইজন বা তিনজন যাত্রী নিয়ে ১০ টাকা করে ভাড়া নেয়ার কথা বলা হলেও চালকরা কিছুতেই মানছেন না সেই নির্দেশনা।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, চালকসহ ৬ যাত্রী নিয়ে শায়েস্তানগর বাজার থেকে চৌধুরী বাজার পর্যন্ত ১৫ টাকা করে ভাড়া নিচ্ছে চালকরা। অথচ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী উল্লেখিত সড়কের ভাড়া নেয়ার কথা ১০ টাকা।

    এ তো গেলো সরাসরি বেশি দুরত্বের ভাড়ার হিসাব। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী করোনার কারণে স্বল্প দুরত্বে উঠানামা অর্থাৎ শায়েস্তানগর বাজার থেকে থানার মোড়, থানার মোড় থেকে মোদক ফার্মেসী, কিংবা চৌধুরী বাজার থেকে থানার মোড় পর্যন্তও এখন ভাড়া ১০ টাকা।

    তবে এক্ষেত্রে মানতে হবে প্রশাসনের নির্দেশনা, যাত্রী নিতে হবে দুইজন বা তিনজন করে। কিন্তু এমন নির্দেশনা কোনো চালকই মানছেন না। তারা যেনো প্রশাসনের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শন করে তাদের মতো করেই টমটম চালাচ্ছেন।

    এতে করে গণপরিবহণ টমটমের ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে মাধ্যবিত্ত ও দরিদ্র জনসাধারণের উপর। একদিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ অফিস-আদালত বন্ধ অপরদিকে যানবাহনে চলাচলে ডাবল ভাড়া দেয়ার বিষয়টি জনসাধারণের উপর যেনো ‘মরার উপর খরার গাঁ’ এ পরিণত হয়েছে।

    জেলা প্রশাসক ইশরান জাহান জানান, অতিরিক্ত ভাড়া ও যাত্রী বোঝাইয়ের কারণে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী গতকাল বুধবার শহরের বিভিন্নস্থানে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান চলবে।