Category: হবিগঞ্জ

  • আজমিরীগঞ্জে ঝাটকা মাছ বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান ও অর্থদণ্ড প্রদান

    আজমিরীগঞ্জে ঝাটকা মাছ বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান ও অর্থদণ্ড প্রদান

    হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেওয়ে ঝাটকা ( ইলিশ) মাছ বিক্রি করার অপরাধে এক বিক্রেতাকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমান খাঁনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    একই সময় ১৭ কেজি ঝাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ঝাটকা একই এলাকার সৌলরী এতিমখানায় এতিমদের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আইন অনুযায়ী ছোট ইলিশ মাছ অর্থাৎ ৮ ইঞ্চির কম ঝাটকা মাছ নদী থেকে আহরণ ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ নিয়মের তোয়াক্কা না করে কতিপয় অসাধু জেলে নদী থেকে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের মাধ্যমে ঝাটকা ( ইলিশ) মাছ নিধন করে আসছে।

    অবৈধ ঝাটকা মাছ নদী থেকে সংগ্রহ করে সেগুলো তারা বাজারে বিক্রি করে। খবর পেয়ে, অভিযানে নামেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মতিউর রহমান খাঁন। অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনিছুর রহমান।

    আজ সোমবার সকাল অনুমানিক সাড়ে ৮ টায় আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেও চৌধুরীবাজারস্হ মাছ বাজারে সরকারি নির্দেশনা না মেনে ঝাটকা (ইলিশ) বিক্রি করার দায়ে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ অনুসারে একই এলাকার রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মাছ বিক্রেতা মোঃ মালেক মিয়ার পুত্র মোঃ শাহিন মিয়াকে নগদ ১ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমান খাঁন। অভিযান শেষে মৎস্য রক্ষায় এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

  • শায়েস্তাগঞ্জে টিসিবির পণ্য উদ্বোধন

    শায়েস্তাগঞ্জে টিসিবির পণ্য উদ্বোধন

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ(টিসিবি) ভ্রাম্যমানে ট্রাকযোগে পণ্য ৫৯০ টাকার প্যাকেজ দরিদ্র ক্রেতাদের মাঝে তেল, চিনি, মশুর ডাল, ছোলা, পিঁয়াজ বিক্রয়ের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।

    জানা যায়, রমজান উপলক্ষ্যে সারাদেশে বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) অনুমোদিত ডিলার এর মাধ্যমে ভ্রাম্যমানে ট্রাকযোগে ছয়টি নিত্যপণ্য খোলা বাজারে বিক্রি শুরু করেছে। এদিকে এসব পন্য বিক্রি আগামী ৬মে পর্যন্ত চলবে।

    ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) মুখপাত্রের দাবি, এসব পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। অপরদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম কমলে ও রমজানের আগেই লিটারে ১০টাকা বাড়িয়েছে (টিসিবি)।

    ৫ এপ্রিল সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলার পৌরশহরের থানা রোড এলাকায় ভ্রাম্যমানে ট্রাকযোগে বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিনহাজুল ইসলাম।

    সূত্রে জানা যায়, বানিজ্য মন্ত্রালয়ের অধীনে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ(টিসিবি) অনুমোদিত ডিলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি, ব্যকস সাবেক সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজ সেবক মোঃ মোজাম্মেল হক (সফিক) এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোজাম্মেল হক ট্রেডাসের মাধ্যেমে ৬টির মধ্যে ৫টি পণ্য ভ্রাম্যমান ট্রাকে করে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

    এসময় সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অসংখ্য দরিদ্র ক্রেতা নারী-পুরুষরা মুখে মাস্ক পড়ে তিন ফুট দুরত্ব রেখে লাইনে দাড় করিয়ে জনপ্রতি ৫৯০/- প্যাঁকেজ ৫টি পণ্য ক্রেতাদের নিকট বিক্রয় করা হয়।

    জনপ্রতি আমদানীকৃত ২০ টাকা কেজি দরে পেয়াজ ৩ কেজি ষাট টাকা, একশ টাকা দরে তীর মার্কা সোয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২শ টাকা, ৫৫ টাকা কেজি দরে ছোলা ২ কেজি ১শ ১০ টাকা, ৫৫ টাকা কেজি দরে মসুর ডাল দুই কেজি ১শ ১০ টাকা, ৫৫ কেজি দরে চিনি ২ কেজি ১শ ১০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

    সঠিকভাবে ওজন পরিমাপ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম শামীম কে দায়িত্ব দিয়ে যান এবং উক্ত প্রতিনিধি সারাদিন ব্যাপী বিক্রয় কার্যক্রম তদারকী করেছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ ও হবিগঞ্জের মুখ পত্রিকার প্রতিনিধি সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর সহ প্রমুখ।

    এ ব্যাপারে উদ্ভোধনের সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিনহাজুল ইসলাম বলেন, সরকার জনকল্যাণের কথা চিন্তা করে ভুতুর্কি দিয়ে মানুষের এসব পণ্য দিচ্ছে সরকার। এর সুষ্ঠু বন্ঠন দরকার। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে রমজান মাসে ভোগ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল থাকবে।

    এছাড়া ৬ মে পর্যন্ত ভ্রাম্যমান ট্রাকে করে উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে টিসিবির পণ্য বিক্রয় করা হবে।

     

  • করোনা প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করব – জেলা প্রশাসক

    করোনা প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করব – জেলা প্রশাসক

    করোনা মহামারী প্রতিরোধে সরকার বিভিন্ন নির্দেশনাসহ ৭দিনের জন্য সারা দেশে লকডাউন ঘোষনা করেছে। সেই অনুযায়ী পাবলিক পরিবহন এবং বিপনী বিতান বন্ধের মনিটরিং এ জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জ শহরে ৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে।

    এসময় বিভিন্ন অপরাধে ১৪টি মামলা এবং ৯ হাজার ৬ শত টাকা জরিমানা আদায় করেছে।

    এদিকে দিনের শুরুতে করোনা মহামারী প্রতিরোধের লক্ষে সরকারের নির্দেশনা অমান্যা করে দোকানপাট খোলাসহ শহরে ব্যাপক মানুষের চলাফেরা এবং যান চলাচল করে। কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে প্রসাশনের তৎপরতা বৃদ্ধির কারণে যান চলাচল সীমিত এবং দোকানপাট বন্ধ হয়ে আসে।

    খাদ্যদ্রব্যের দোকান মনিটরিং এ জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান।

    ৪টি মোবাইল কোর্টের পাশাপাশি জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় তিনি কয়েকটি দোকানে মামলা ও জরিমানা আদায় করেন।
    অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, এমনিতেই করোনা মহামারীর কারণে আমাদের ব্যবসার অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছে, আবার সামনে ১লা বৈশাখ এবং রমজানের ঈদ, এমতাবস্থায় যদি আমাদেরকে সীমিত আকারে ব্যবসা করার সুযোগ না দেওয়া হয় তাহলে আমাদের পথে বসতে হবে।

    অভিযান চলাকালে জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান বলেন, সরকার জনগনের নিরাপত্তার জন্য সচেষ্ট, করোনা মহামারী প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা প্রশাসন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করবে। কাউকে কোন রকম ছাড় দেওয়া হবে না। জরুরী প্রয়োজনে যারা ঘর থেকে বের হবেন, তারা অবশ্যই মাস্ক পরিধান করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

    অভিযানকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মর্জিনা আক্তার, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) কমান্ডার লুৎফর রহমানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • লাখাইয়ে ৭ জনকে জরিমানা

    লাখাইয়ে ৭ জনকে জরিমানা

    হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৭ জনকে জরিমানা  ও  সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ  করা হয়েছে।
    আজ মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) উপজেলার স্থানীয় বুল্লাবাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
    বর্তমানে করোনা সংক্রমণের প্রকোপ আবারো বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক পথচারীদের মাস্ক পরিধানে উদ্বুদ্ধ করা হয় এবং  এসময় বিভিন্ন অপরাধে ৭ জন পথচারী ও দোকানদারকে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ অনুযায়ী মাস্কবিহীন  চলাফেরা ও সরকারের  নির্দেশনা অমান্য করে দোকান ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে ১হাজার ২শত ৫০ টাকা জরিমানা করা হয়।
    এছাড়াও পথচারীদের মাস্ক ক্রয় করে পরিধান করতে বাধ্য করা হয় এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ করা হয়।
    প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক  বিতরণ করা হচ্ছে।
    অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুসিকান্ত হাজং এবং সহকারী  কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মোঃ ইয়াছিন আরাফাত রানা।
    মাস্ক পড়ুন ও সরকারি নির্দেশনা মান্য করুন এবং করোনা প্রতিহত করুন এই বিষয়টি সকলকে অবহিত করা হয়। অভিযানকালে সহযোগিতা করেন লাখাই থানার একদল পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় জনসাধারণ।
  • নীরবে কাঁদবে সারা দেশের সেইপ প্রকল্পের কর্মরত গেস্ট ট্রেইনাররা

    নীরবে কাঁদবে সারা দেশের সেইপ প্রকল্পের কর্মরত গেস্ট ট্রেইনাররা

    দক্ষতা জনশক্তি দেশের সম্পদ। দারিদ্র বিমোচনে ও বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দক্ষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মানুষের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের উন্নয়নে দেশ বিদেশে ব্যাপক অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ “স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেইপ)” বাস্তবায়ন প্রকল্প।

    দক্ষ জনশক্তি রূপান্তরে ২০১৪ সালের জুলাই মাসে শুরু এ প্রকল্পের কার্যক্রম, প্রকল্পের লক্ষ্য উদ্দেশ্যে হচ্ছে ২০২০ সালের মধ্যে দেশে ৫ লক্ষ দুই হাজার দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা । সম্পূর্ণ সরকারি খরচে এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ৭০ শতাংশে চাকুরি সুযোগ করে দেওয়া।

    কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে কর্মসংস্থানের সহায়তা করা। প্রশিক্ষণ চলাকালে বৃহত্তজনগোষ্ঠিকে প্রশিক্ষণ ভাতার পাশা-পাশি বিশেষ বৃত্তি প্রদান করয়েছে উল্লেখ্য বিষয় নিয়ে। সব কিছু সুনামের সহিত কাজ করে যাচ্ছে এ প্রকল্পটি।

    এ সুনামের বড় অংশিদারের সিংহ ভাগ ভূমিকা রাখছেন দক্ষ প্রশিক্ষকরা অর্থাৎ যাদের কাগজে কলমে বলা হয় (গেস্ট ট্রেইনার)। ২০১৪ সাল থেকে বেশির ভাগ অতিথি প্রশিক্ষকরা দেশ উন্নয়নের অগ্রণী ভূমিকা পালন করলেও নীরবে সইতে হচ্ছে নানা দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণা। কুল রাখি না শ্যাম রাখি (চাকুরি রক্ষা ও চাকুরি হারানোর) ভয়ে সব কিছু আপন করে সইছেন প্রশিক্ষকরা।

    সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে শিক্ষা মন্ত্রনালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রনালয়, পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), শিল্প সংস্থাসমুহ চলছে এ (সেইপ) প্রকল্প।

    আর এই প্রকল্প পরিচালনা করতে দেখা যায় সারা দেশে বিভিন্ন সরকারি ও আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তার মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য ভূমিকা পালন করছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধিনে থাকা (টিটিসি) গুলো।

    সারা দেশে প্রশিক্ষণের উল্লেখ্যযোগ্য বিষয় সমুহের মধ্যে রয়েছেন- গ্রাফিক্স ডিজাইন, আইটি সাপোর্ট টেকনিশিয়ান, ওয়েব ডিজাইন, সুইং বেসিকস এন্ড সুইং মেশিন, কোয়ালিটি কন্ট্রোল সুপার ভাইজার, মার্চেন্ডাইজিং, ওয়েল্ডিং, রিফ্রেজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং, রাজমিন্ত্রী, প্ল্যাম্বিং পাইপ ফিটিং, অটোমোবাইল মেকানিক, মোবাইল সার্ভিসিং,ড্রাইভিং, টাইলস এন্ড মোজাইক সেটিং, আউটসোসিং,আইটি সেলস ম্যানেজেমেন্ট, ফুড এনড বেভারেজ সার্ভিসেস সহ নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন দক্ষ প্রশিক্ষকরা।

    জানা যায়, সর্ব সময় দক্ষতার মানুষ গড়তে প্রকল্পে কর্মকরত অতিথি প্রশিক্ষকরা নানা স্বপ্ন দেখেন দেশে উন্নয়ন নিয়ে। কিন্তু স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস। বিশ্ব ব্যাপী করোনা সংক্রামনের প্রেক্ষিতে লকডাউনের বাংলাদেশ ২০২০ লাকডাউন ঘোষণার পর প্রকল্পে কর্মকরত অতিথি প্রশিক্ষকরা ২/১ মাস ভালো চলেই পরবর্তীতে শুরু ওদের পরিবার পরিজন নিয়ে নানা দুঃখ কষ্ট যন্ত্রণা, পড়তে হয় অর্থনৈতিক বিপাকে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিলেট টিটিসির একজন গেস্ট ট্রেইনার জানান, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে আমাদের বেতন ভাতা বন্দ হয়ে প্রকল্প থেকে অক্টোবর পর্যন্ত কোন বেতন ভাতা না পাওয়ার কারণে অনেকে পরিবার নিয়ে রাস্তায় নেমে গেছি।

    ওই টাকার আসায় ঋণ করতে করতে বড় অংকের ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। অথচ করোনা পরিস্থিতিতে ছাত্র ছাত্রীদের ৫ হাজার টাকা উপবৃত্তি ও জব প্লেসম্যানন্ট অফিসার নিয়মিত বেতন ভাতা প্রদান করা হয়। যারা মাসের পর মাস গেস্ট ট্রেইনার নিঃস্বার্থে কাজ করেছেন তাদের প্রতি কোন মানবিক কোন দৃষ্টি দেয়ি প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে প্রকল্পের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    বিষয়টি সারা দেশে কর্মকরত গেস্ট ট্রেইনার প্রকল্প কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে তেমন কোন সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

    আরও জানান, মানবিক দৃষ্টি কোন থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন টিটিসির অধ্যক্ষরা বার প্রকল্প পরিচালক সহ বিভিন্ন জনকে অবগতি করা হয় গেস্ট ট্রেইনারদের এই দূযোর্গ পরিস্থিতিতে তাদের সহযোগীতা করার জন্য। ২০২১ সালে জানুয়ারি থেকে পুণরায় প্রকল্প কার্যক্রম শুরু হলে কিছুটা আলোর মুখ দেখেন গেস্ট ট্রেইনাররা। তাও এপ্রিলের ৫ তারিখ থেকে সারা দেশে লকডাউন ঘোষণার পর বন্ধ হয়ে গেছে ক্লাসের সকল কার্যক্রম।

    আবারও অনিশ্চিতায় পড়ে গেছে গেস্ট ট্রেইনাররা এবং উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। করোনা পরিস্থিতি ভয়ংকর অর্থনৈতিক সংকট থেকে কি ভাবে উত্তরণ পাবেন তা নিয়ে নীরবে কাঁদছেন ।

  • হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান

    হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান

    মহামারী করোনা প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় তিনি কয়েকটি দোকানে মামলা ও জরিমানা আদায় করেন।

    অভিযানকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মর্জিনা আক্তার, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাবের) কমান্ডার লুৎফর রহমানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ।

    বিস্তারিত আসতেছে

  • গরম ও হালকা বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং

    গরম ও হালকা বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং

    গরম ও হালকা বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হবিগঞ্জ শহরে বিদ্যুতের লোডশেডিং। শহরে দিনে রাতে অসংখ্যবার লোডশেডিং হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় বিদ্যুতের লো বোল্ডেজ হচ্ছে। এতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকরা।

    তবে শায়েস্তানগর, ঈদগাহ বাইপাস সড়কে গত ১ সপ্তাহ ধরে ভোল্টেজ ওঠানামা করায় বিভিন্ন ইলেকট্রিক সামগ্রী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় সারাদিনই থাকছে লোডশেডিং। আর সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই শুরু হয় থেমে থেমে লোডশেডিং, চলে রাতভর। প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরমের মধ্যে বিদ্যুত না থাকায় মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। সব মিলিয়ে বিদ্যুতের এই ভেলকিবাজিতে অতিষ্ট গ্রাহক।

    লোডশেডিং, টেকনিক্যাল সমস্যা, ওভার লোড ও লো-ভোল্টেজ ছাড়াও রয়েছে ঘন ঘন ট্রিপ ও সোর্স লাইন রক্ষণা-বেক্ষণের কাজ। সর্বোপরি বর্ষা মৌসুমে আকাশে মেঘ জমতে দেখলেই শুরু হয় লোডশেডিং। আর একটু বৃষ্টি হলে তো আর কয়েক ঘণ্টার জন্য বিদ্যুত সংযোগ বন্ধ থাকবেই। সেটা যেন নিয়মেই পরিণত হয়েছে। বিদ্যুতের লো ভোল্টেজের কারণে ইলেকট্রিক সামগ্রী ফ্রিজ, পানির মোটর, টিভি, লাইটসহ সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

    বারবার পিডিবির অভিযোগ কেন্দ্রে বলার পরও তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।
    অন্যদিকে বিদ্যুত থাক বা না থাক মাস শেষে মোটা অঙ্কের বিদ্যুত বিল ধরিয়ে দিতে ভুল করেনা বিদ্যুৎ বিভাগ।

    অভিযোগ রয়েছে বিদ্যুত সরবরাহ ঠিক না থাকলেও বিদ্যুত বিল বেড়েই চলেছে। আবার এক মাস অথবা সর্বোচ্চ দুই মাস বিল বকেয়া পড়লেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে খুবই ওস্তাদ বিদ্যুত বিভাগের লাইন ম্যানেরা।

    জানা যায়, দিনের বেলায় কমপক্ষেও ৭-৮ বার বিদ্যুত যাওয়া-আসা করে। গত কয়েক দিন ধরে তো দিনের বেশির ভাগ সময়ই বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ দেখা যাচ্ছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন গ্রাহকরা। গ্রাহকরা বলছেন, সামনে রমান মাস। রমজান মাসের প্রচণ্ড দাপদ