Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ কোরআন শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ

    হবিগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ কোরআন শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ

    হবিগঞ্জের শহরতলীর পোদ্দারবাড়িতে ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসের পরিক্ষার ফলাফল অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার দেয়া হয়।

    ইসলামিক লাইব্রেরী এণ্ড রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশের তত্বাবধানে পরিচালিত ” ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা ” কেন্দ্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এখানে শিক্ষা দান সহ সকল শিক্ষা উপকরণ যেমন কায়দা, আ’মপারা, কোরআন মাজিদ, রেহাল, খাতা, পেন্সিল, রাবার বিন্যামূল্যে দেয়া হয়। কোরআন মাজিদ শিক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের একবেলা খাবার বিনামূল্যে পরিবেশন করা হয়।

    এখানে ৫ বছর থেকে ১৩ বছর বয়সের শিশু সহ সকল বয়সের মানুষদের কোরআন মাজিদ শিক্ষা দেয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা কেন্দ্রের লক্ষ্য হলো সরকারি মক্তবের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত, অসহায়, সকল বয়সের মানুষ তথা চাকুরীজিবী, দিন-মজুর মুসলিম নর নারীকে বিনামূল্যে ইসলামি শিক্ষা প্রদান করা। প্রতিমাসে পরিক্ষা নেয়া হয় এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মাসে সর্বচ্চো সংখ্যক দিন উপস্থিত থাকার জন্য পুরস্কৃত করা হয়। উক্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী এবং সমাজসেবক এস এম জাহেদুল হক, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, সেরাজাম হবিগঞ্জ। অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা কেন্দ্রের সেক্রেটারি মাসুদ আহমেদ, ডিরেক্টর, হেড স্ট্রার্ট, উপস্থিত ছিলেন মোঃ আল আমিন, সহকারী ট্রেজারার, অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা কেন্দ্রের উদ্দ্যোক্তা ও সভাপতি এম সাজিদ হোসেন, চেয়ারম্যান; সাজিদ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। আরও উপস্থিত ছিলেন উক্ত শিক্ষা কেন্দ্রের মহতামিম, শায়খ আব্দুল আওয়াল। উক্ত অনুষ্ঠানে বিতরণকৃত পুরস্কার স্পন্সর করেন হাজি সাবু এণ্ড সন্স, হবিগঞ্জ।

    হবিগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ কোরআন শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ
    এক শিক্ষার্থীকে পুরষ্কার দিচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা কেন্দ্রের উদ্দ্যোক্তা ও সভাপতি এম সাজিদ হোসেন।

     

    ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা আবির্ভাবের উৎসঃ

    শিক্ষা ইসলামের প্রাথমিক মৌলিক বিষয়াবলির অন্তর্ভুক্ত। আদি শিক্ষক হলেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। তাই ফেরেশতারা বলেছিলেন, ‘হে আল্লাহ, আপনি পবিত্র! আপনি যা শিখিয়েছেন, তা ছাড়া আমাদের আর কোনো জ্ঞান নেই; নিশ্চয়ই আপনি মহাজ্ঞানী ও কৌশলী।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ৩২)।

    শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনের জন্য পঠন-পাঠন অন্যতম মাধ্যম। আমাদের প্রিয় নবী (সা.)–এর প্রতি ওহির প্রথম নির্দেশ ছিল, ‘পড়ো, তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন, সৃষ্টি করেছেন “আলাক” থেকে। পড়ো, তোমার রব মহা সম্মানিত, যিনি শিক্ষাদান করেছেন লেখনীর মাধ্যমে। শিখিয়েছেন মানুষকে, যা তারা জানত না।’ (সুরা-৯৬ আলাক, আয়াত: ১-৫)।

    মুসলিম বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম ও ফকীহরা তাদের বাল্যকালে এসব মক্তবেই প্রাথমিক শিক্ষা নিয়েছেন। ইমাম শাফেয়ী নিজের বাল্যকালের কথা বলেছেন, ‘আমি ছিলাম এতীম। আমার মা আমাকে মক্তবে ভর্তি করেন। কোরআনুল কারীম খতম করার পর আমি মসজিদে প্রবেশ করি এবং উলামায়ে কেরামের মজলিসে বসি। ইবনে আব্দুল বার ‘জামেউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি’তে এই বর্ননা এনেছেন।

    ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষার উদ্দেশ্যঃ-
    ইসলামে শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো আদম সন্তানকে মানুষরূপে গড়ে তোলা। যে শিক্ষা আত্মপরিচয় দান করে, মানুষকে সৎ ও সুনাগরিক হিসেবে গঠন করে এবং পরোপকারী, কল্যাণকামী ও আল্লাহর প্রতি অনুরাগী হতে সাহায্য করে, সে শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। শিক্ষা মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে, অন্তর্দৃষ্টি উন্মোচিত করে, দূরদর্শিতা সৃষ্টি করে। তাই আল্লাহ তাআলা বাবা আদম (আ.) কে সৃষ্টি করে প্রথমে তাঁর শিক্ষাব্যবস্থা করলেন। কোরআনের বর্ণনায়, ‘আর আল্লাহ তাআলা আদমকে সকল বস্তুর পরিণতি শেখালেন।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ৩১)। যে জ্ঞানের মাধ্যমে মানুষের অন্তর হিংসা, বিদ্বেষ ও ঘৃণা থেকে মুক্ত হয়ে ভালোবাসায় পরিপূর্ণ হয়, তা–ই ইসলামি শিক্ষা।

    ” ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা ” নামকরণ করার অন্যতম কারণ হচ্ছে আমাদের এই শিক্ষা কার্যক্রম নির্দিষ্ট কোন স্থানে সীমাবদ্ধ নই। বাংলাদেশের যে কোন এলাকার মানুষের চাহিদা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ে আমাদের সেচ্চাসেবি টিম একজন আরবি শিক্ষক এবং শিক্ষা উপকরণ নিয়ে হাজির হয়ে যাবে শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে। তাই এর নামকরণ করা হয়েছে ” ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা “। বর্তমানে ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা ২ টি জায়গায় পরিচালিত হচ্ছে একটি হচ্ছে হেড স্ট্রার্ট (২ শিফটে-দুপুর এবং সন্ধায় ৩ দিন) অপরটি চৌধুরী টিম্বার, পশ্চিম্ভাদৈ মসজিদের কাছে, পোদ্দারবাড়ি। আমাদের পরিকল্পনা সমস্ত বাংলাদেশে পরিচালনা করা। আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হচ্ছে কোরআন মাজিদ শিক্ষা মানুষের দ্বার গোড়ায় পৌছিয়ে দেয়া। সকল বয়সের পুরুষ-মহিলাদের দ্বীনি শিক্ষা দেয়ার মাধ্যমে সমাজ থেকে দ্বীনের বিষয়ে অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করা।

    আমাদের এই কার্যক্রমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ” কোরআন মাজিদ শিক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবারা পরিবেশন করা হয়। সবজি খিচুড়ি,বিরিয়ানি, ডিম খিচুড়ি দেয়া হয়। বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় খাবার কার্যক্রম অব্যাহত থাকে সারা মাস জুড়ে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অবদান হচ্ছে জাহিদুল হক, এমডি, সেরাজেম হবিগঞ্জ, জেসি রহমান, স্বত্বাধিকারী, জেসি’স কিচেন হবিগঞ্জ, মুহাম্মদ আলী, ট্রেজারা, মাসজিদে খাদিজাতুল কুবরা (রাঃ) বাংলাদেশ আরও অনেকে সহায়তা করেন।

    ভ্রাম্যমাণ কোরআন মাজিদ শিক্ষা সৎ ও আল্লাহ ভীরু ব্যাক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে। উক্ত দ্বীনি কার্যক্রমের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য হচ্ছেন প্রফেসর রফিক আলী, এমপি আবু জাহির মডেল কলেজ, লাখাই, জাকারিয়া চৌধুরী, জেনারেল সেক্রেটারি, জেদ্দা যুবলীগ, এম সাজিদ হোসেন, সভাপতি, মাসুদ আহমেদ, সেক্রেটারি, মুহাম্মদ আলী ট্রেজারার, মোঃ আল আমিন, সহকারী ট্রেজারার এবং শায়খ আব্দুল আওয়াল মুহতামিম।

  • মাধবপুরে জেলা প্রশাসক বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করেছেন

    মাধবপুরে জেলা প্রশাসক বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করেছেন

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় বিনামূল্যে প্রায় ২ হাজার দুইশত কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

    মাধবপুর উপজেলা পরিষদের সামনে কৃষকদের মাঝে এসব বিতরণ করা হয়। হবিগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে সার ও বীজ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্ভোদন করেন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ জোহরা।

    আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহিউদ্দিন আহামেদ, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফারুক পাঠান, প্রেসক্লাব সেক্রেটারী সাব্বির হাসান প্রমূখ।

    প্রত্যেক কৃষককে ২০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি, ৫ কেজি বীজ দেওয়া হয়।

    পরে জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান ৫০% উন্নয়ন সহায়তার (ভতুর্কী) কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে কৃষকের মাঝে কম্বাইন হারভেষ্টার বিতরন করেন।

  • লগডাউনের ১ম দিনে কঠোর ছিল প্রশাসন, মামলা ও জরিমানা

    লগডাউনের ১ম দিনে কঠোর ছিল প্রশাসন, মামলা ও জরিমানা

    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য সরকার নির্ধারিত ৭দিনের লগডাউনে সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জে ১ম দিনে কঠোর ছিল প্রশাসন। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাহিরে চলাচলের সুযোগ দেয়নি। জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের পাশাপাশি বিজিপি, র‍্যাব এবং মোবাইল কোর্ট চলমান ছিল।

    বুধবার (১৪ এপ্রিল) হবিগঞ্জ জেলায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকল্পে জেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ১২ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

    লগডাউনের ১ম দিনে কঠোর ছিল প্রশাসন
    শায়েস্তানগর পয়েন্ট এলাকার চিত্র।

    এসময় ৭৯ টি মামলার মাধ্যমে ৭৯ জন ব্যক্তিকে মোট ৩১ হাজার ৪ শত টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। তাছাড়া স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা হয়।

    লগডাউনের ১ম দিনে কঠোর ছিল প্রশাসন
    দুপুর ২টায় হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজের সামনের চিত্র।

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলার সকল উপজেলায় সরকার নির্দেশিত সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম চলমান আছে।

  • মাধবপুরে লকডাউন নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

    মাধবপুরে লকডাউন নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

    মোঃ হাউশ মিয়াঃ করোনা ভাইরাস দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সারাদেশের মতো হবিগঞ্জের মাধবপুরেও চলছে কঠোর লকডাউন । শতভাগ লকডাউন নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ ।

    আজ (১৪ এপ্রিল) বুধবার সকাল থেকে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্হানগুলিতে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ । প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাহির হচ্ছেনা জনসাধারণ

    মাধবপুরের বেশি অংশ রাস্তা গাট ছিলো ফাঁকা জনমানব শূন্য । মাধবপুর বাজারে নৃত্যপ্রয়োজনীয় ঔষধ কাচামাল ব্যতীত দোকান গুলি ছিলো বন্ধ উপজেলার সরক গুলোতে দুই একটি অটোরিকশা ভ্যান চলাচল করতে দেখা গেলেও দূরপাল্লার সকল যানবাহন বন্ধ রয়েছে ।

    প্রতিটি এলাকায় কঠোর অবস্থান নিয়ে টইল দিচ্ছে পুলিশ সদস্যরা । প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাহিরে বের হলে পরামর্শ দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ।

    এছাড়া সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৮ দিন কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করতে মাঠে কাজ করে যাবে বলে জানিয়েছেন মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ও ওসি তদন্ত মোঃ আমিনুল ইসলাম ।

  • মাধবপুরে গ্রাম-পুলিশদের  উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাস্ক উপহার

    মাধবপুরে গ্রাম-পুলিশদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাস্ক উপহার

    মাধবপুর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং যেকোন তথ্য প্রাপ্তিতে গ্রাম পুলিশের রয়েছে গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা।

    দেশের করোনা মহামারী মোকাবিলাসহ আসন্ন রমজান মাসে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে গ্রাম পুলিশদের যথাযথ ভূমিকা পালনের জন্য আজ মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ফাতেমা-তুজ-জোহরা গ্রাম পুলিশের সকল সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন।

    মতবিনিময় শেষে গ্রাম পুলিশের মাঝে ফ্রি মাস্ক বিতরণ করা হয়।

  • সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম করোনামুক্ত

    সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম করোনামুক্ত

    হবিগঞ্জে সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম করোনামুক্ত হয়েছেন। গতকাল সোমবার করোনা পরীক্ষার রেজাল্টটি নেগেটিভ এসেছে। বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। এ জন্য তিনি মহান আল্লাহ তায়ালাসহ সকল শুভাকাঙ্খীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

    সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমতে করোনা পরীক্ষার রেজাল্টটি নেগেটিভ আসে। তবে অসুস্থতাকালীন সময়ে দোয়া, মাহফিল, প্রার্থনার আয়োজনসহ যারা সার্বক্ষনিক খোঁজ খবরসহ যোগাযোগ রেখেছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”

  • হবিগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ : আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

    হবিগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ : আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

    ভারতীয় সিরিয়াল ক্রাইম পেট্রোল, সাবধান ইন্ডিয়া, সিআইডি ও বাংলাদেশের ফিল্মকেও হার মানিয়েছে একটি গণধর্ষণের ঘটনা। তবে এটি ছবিতে নয়। বাস্তবে ঘটেছে হবিগঞ্জ শহরেই। দুই ধর্ষক আদালতে ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

    মহামারী করেনার মাঝে এ রকম একটি ঘটনা নিয়ে নিয়ে পুরো শহরজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সদর থানার ওসি মোঃ মাসুক আলী জানান, ১১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিলেট থেকে ২৫ বছরের এক নারী নতুন ব্রীজ এসে নামেন এবং বানিয়াচং উপজেলার গুনই গ্রামে যাবার জন্য অপেক্ষা করেন।

    সেখানে অপেক্ষার সময় সিএনজি চালকসহ দুই যুবক তাকে ফুসলিয়ে হবিগঞ্জে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে। তখন ওই নারী বুঝতে পারেন তাদের কুমতলব। এক পর্যায়ে একটি টমটমে উঠে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।

    তখন রাত ৮টা হয়ে যায়। এক পর্যায়ে কলিমনগরের স্পিড বেকারের নিকট এসে টমটমের চার্জ শেষ হয়ে যায়। এদিকে ওই সিএনজিটি টমটমের পিছু আসতে শুরু করে।


    মাধবপুরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নারী ধর্ষণ
    শাল্লায় ৭ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় পিতা-পুত্র গ্রেফতার
    ধর্ষণের মামলা করায় হবিগঞ্জ কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ধর্ষিতাকে অপহরণের চেষ্টা


    তখন সিএনজি চালক জনি মিয়া কৌশলে ওই নারীকে তার সিএনজিতে তুলে। তখন ওই সিএনজিতে আরও ওই যুবকরা ছিল। দ্রুত সিএনজিটি চালিয়ে ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কে প্রবেশ করে লস্করপুর ইউনিয়ন অফিসের অদূরে একটি নির্জনস্থানে সিএনজির ভেতরে ওই নারীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একের পর এক তিনজন ধর্ষণ করে। তখন নারী বলে আমাকে তুমরা হবিগঞ্জ পৌছে দাও। কাউকে কিছু বলব না।

    তারা ওই নারীকে নিয়ে হবিগঞ্জে আসার পথে চরহামুয়া পয়েন্টে আসামাত্র দোকানপাট দেখে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন ঘেরাও করে সিএনজিসহ দুই ধর্ষককে আটক করে।

    তখন সিএনজি চালক জনি মিয়া পালিয়ে যায়। আটক দুই যুবক চুনারুঘাট উপজেলার ঝিকুয়া গ্রামের রেনু মিয়ার পুত্র সুজন মিয়া (২৫), কাছম আলীর পুত্র সায়মন আহমেদ শামীম (২০)।

    স্থানীয় লোকজন আটকদের উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং ভিকটিমকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ও সিএনজি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় ভিকটিম নিজেই বাদি হয়ে গণধর্ষণের মামলা করেছে।


    মাধবপুরে উৎসব দেখানোর কথা বলে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ
    বাহুবলে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণে আটক ১
    সৎ বাবার সহায়তায় কুলাউড়ায় গণধর্ষণের শিকার


    গতকাল সোমবার বিকেলে শামীম ও সুজন মিয়াকে হবিগঞ্জ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করলে তারা ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তবে এ মামলার অপর আসামি শায়েস্তাগঞ্জের সিএনজি চালক জনিকে খুঁজছে পুলিশ।

    ওই নারী জানায়, তার বাড়ি গুনই। তিনি ওই গ্রামের কন্যা। দুই বছর আগে রাজু মিয়া নামের এক যুবকের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের ৬ মাসের মাথায় বানিয়াচংয়ে মোটর সাইকেল দূর্ঘটনায় মারা যায়। এরপর তিনি সিলেটে একটি কোম্পানীতে চাকরি করে আসছেন। লকডাউনে কোম্পানীর ছুটি থাকায় ঘটনার দিন বাড়ি আসছিলেন।