Category: হবিগঞ্জ

  • আর কতকাল এই নৈরাজ্য

    আর কতকাল এই নৈরাজ্য

    অমিতা বর্দ্ধনঃ একবিংশ শতাব্দিতে দাঁড়িয়ে উন্নয়নের মডেল হিসাবে যে দেশ দেখার আশা ছিল তা কি আমরা দেখতে পেরেছি? কিছু মানবরূপী দানব দেশকে করে তুলেছে উত্তেজিত, কায়েম করেছে ত্রাসের রাজত্ব। কিছুদিন আগে একের পর এক দেশের বিভিন্ন স্থানে স্মরণকালে নিকৃষ্টতম লোহমর্ষক ঘটনাবলি দেশের সাধারণ মানুষকে আতংকিত করে তুলেছে।

    কিছুদিন আগে ঝিনাইদহে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে বখাটেরা। এর রেশ কাটতে না কাটতেই আরেক অষ্টম শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রীকে কয়টি বখাটে ধর্ষণ করে অচেতন অবস্থায় ড্রেনে ফেলে রেখে যায়। ধর্ষণ মহামারিতে রূপ নিয়েছে একমাত্র বিচারহীনতার কারণে। পৃথিবীর সব দেশেই ধর্ষণের শাস্তি খুব গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয় এবং তা খুব কঠিন। ভারতে যাবজ্জীবন আবার ক্ষেত্র বিশেষে মৃত্যুদন্ডও দেয়া হয়। ফ্রান্সেও একই পদ্ধতি। চায়নাতে মৃত্যু দন্ডই একমাত্র শাস্তি।

    একজন অপরাধীর দ্রুত শাস্তি দেখে অন্য অপরাধীরা সাবধান হবে। আমরা কবে সেই দিনে পৌঁছাব। যেখানে নুসরাত, নিতু এবং আরো হতভাগা মেয়েদের বিদেহী আত্মারা সুবিচারের আশায় গুমরে কাঁদবে না? সে অপেক্ষা কি বিফলে যাবে? তনুরা আর কতদিন কাঁদবে?

    আজকাল পত্রিকার পাতা ও ইন্টারনেটে যে সমস্ত ঘটনা দৃষ্টিগোচর হচ্ছে তা কোন সভ্য দেশের জন্য শুভকর হতে পারে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোমলমতি শিশুরা দানবদের লালসার শিকার। ৩ বৎসরের শিশু থেকে ৬০ বছরের বৃদ্ধারাও রেহাই পাচ্ছে না দানবদের কুৎসিত দৃষ্টি থেকে। কিছু বিকৃত মনমানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের দ্বারাই এই নোংরা পরিস্থিতি ঘটছে আর এর শিকার হচ্ছে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েরা। মোকাবেলা করতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি এলার্ম আসছে।

    কিছুদিন আগে চলন্ত পাবলিক বাসেও এমনভাবে নিকৃষ্ট ঘটনা ঘটেছে। মেয়েরা আজ নিরাপদ কোথাও নেই। আমি আমেরিকাতে দেখেছি, সেখানে গভীর রাত পর্যন্ত মেয়েরা কি স্বাধীনভাবে চলছে। বাসে বিভিন্ন পোশাক (খোলামেলা) পরে। কেউ কারো দিকে তাকানোর প্রয়োজন মনে করে না। আইনের শাসন আছে ওদের দেশে। আমাদেরও আইন আছে কার্যকারিতা নেই। আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলাবাহিনী বুঝে না তাদের দায়িত্ব কি?

    ফলে অপরাধ দিন দিন বেড়েই চলছে নানা প্রক্রিয়ায়। এইবার অপরাধের সাথে এমন সব অপরাধী জড়িত যাদের কর্তব্য হলো অপরাধ দমন করা। সরিষায় যদি ভূত থাকে, ভূত তাড়াবে কে? তাই সক্রিয়ভাবে কেউ এগিয়ে আসছে না। থলের বেড়াল যে বেড়িয়ে আসবে। তাই ধুম্রজাল সৃষ্টি করে ধামাচাপা দেওয়ার পায়তারা। এমন সব কলংকিত অধ্যায় সৃষ্টি হচ্ছে যে স্বামীর সামনে স্ত্রী, ভাইয়ের চোখের সামনে বোন, বাবার সামনে মেয়েকে নির্যাতন করা হচ্ছে। স্ত্রী হারাচ্ছে স্বামীকে, বোন ঝুলছে ফাঁসিতে, মায়ের কোল হচ্ছে খালি।

    এসব অন্যায় অপরাধ সহ্য করার মতো নয়। মানবতা আজ ভুলুন্ঠিত হচ্ছে, চলছে দানবদের উত্তাল নৃত্য। এর কি শেষ নেই? এই বাংলাদেশ কি আমরা চেয়েছিলাম? বিচারদন্ড আজ নিভৃতে কাঁদে। হৃদয়ের রক্তক্ষরণ যেন থামছে না। একটি অপরাধের স্লোগান বন্ধ হতে না হতেই আরেকটি এসে নেমে যায়। এভাবে পাহাড়সম অপরাধের বোঝা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে।

    হিংস্রতা নৃশংসতা এর জাল থেকে যতক্ষণ বেরিয়ে আসা যাবে না ততক্ষণ আমরা বলতে পারবো না ‘দেশ এগিয়ে যাচ্ছে’। উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন থেকেই যাবে। মানবিকতা মনুষ্যত্ববোধ ও বিবেক এগুলি হারাতে বসছে। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না। ছাত্র যুবকদের হাতে কলমের পরিবর্তে অস্ত্রের ঝলকানি নয়। কিছু নরপশুদের অত্যাচারে দেশ আজ ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে। মূল সন্ত্রাসীরা পার পেয়ে পুণরায় লিপ্ত হচ্ছে অন্যায় কাজে।

    চলছে চাঁদাবাজি, ফুটপাতে গাড়ির স্ট্যান্ড বানিয়ে সাপ্তাহিক বা মাসিক চাঁদা গ্রহণ, অপরাধ শুধু একদিকে নয়, সর্বাঙ্গে ব্যথা ঔষধ দেব কোথায়- এ প্রবাদটি সমাজে ফুটে উঠেছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে পর্যায়ে দাড়িয়েছে তাতে সহজেই বলা যায় যে, পরিস্থিতি ক্রমেই নৈরাজ্যের দ্বারে উপনীত হচ্ছে। কোন সভ্য দেশ এভাবে চলতে পারে না। এর থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সুষ্ঠ কঠোর আইন কার্যকর করতে হবে অতি দ্রুত গতিতে।

    বর্তমানে প্রতিটি হত্যা ধর্ষণ বিশ্লেষণ করলে হিংস্রতা ও নৃশংসতা কত যে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে তা অনুধাবন করা যায়। দেশের যুব সমাজকে এক শ্রেণির উচ্চবিত্ত ও রাজনৈতিকমহল ব্যবহার করছে নানাভাবে, কারো প্রতিহিংসা বা ব্যক্তিগত প্রতিশোধ হিসাবে; মাদকের হাতিয়ায় হিসাবে যুব সমাজ আজ দিশেহারা হয়ে এসব করছে, বেকারত্ব তাদের গ্রাস করছে, উচ্চ ডিগ্রী নিয়ে মা, বাবার ঘাড়ে ওরা কতকাল কাটাবে?

    তাই মাদক ও নানা অসামাজিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে দেশের বেকার সমস্যা একটি প্রধান কারণ। যুবকদের দ্রুত কর্মসংস্থান করতে হবে। উচ্চবিত্ত যুবকরা বিদেশ পাড়ি দিচ্ছে, কাজের সন্ধানে। ফলে দেশ একসময় মেধাশূন্যও হয়ে পড়বে। বিভীষিকাময় এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ চায় দেশের সাধারণ জনগণ।

    বিচার ব্যবস্থা উন্নত করার মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আশ্রয় দেয়া যাবে না। দলীয়করণ দূর করতে হবে। ধর্ষণের ও হত্যার কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করলে অচিরেই সব অপরাধ বন্ধ হতে বাধ্য। দেশে সুবিচার আমরা দেখতে পাব সে সুদিনের অপেক্ষায় জনগণ তাকিয়ে আছে।

    লেখিকাঃ অমিতা বর্দ্ধন
    উপদেষ্টা, ড. মঞ্জুশ্রী একাডেমি।
    ইমেইলঃ hiramroy55@gmail.com

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে হবে – এমপি আবু জাহির

    স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে হবে – এমপি আবু জাহির

    সংসদ সদস্য ও হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেছেন, দুই বছর আগে যেরকমভাবে ঈদ এসেছিল, সবার প্রত্যাশা এবারও সেরকমভাবেই আনন্দ নিয়ে আসবে ঈদ। তবে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে শুধু ঈদ উদযাপনের ধরণটুকু পাল্টাতে হবে। অন্য বছরের মতো এবার ঈদ আসলে যেখানে-সেখানে ঘুরাফেরা একেবারেই দায়িত্ববান নাগরিকের কাজ হবে না। কোভিড পরিস্থিতিতে ঘরে বসে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করলে জীবন ঝুঁকিতে পারবে না। তাই নিজে, নিজের পরিবার ও দেশের মানুষের জীবন বাঁচানোর স্বার্থে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপন করতে হবে। সকলেরই উচিত সরকারি স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে প্রতিপালন করা।

    গত শনিবার ও আজ রবিবার করোনা পরিস্থতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে মানবিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

    অনুষ্ঠানে তিনি চলতি রমজান মাসে যেন বাজারে যেন হঠাৎ করে পন্যের দাম বৃদ্ধি না পায় সে ব্যাপারে প্রশাসনকে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন।

    গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় হবিগঞ্জ জালাল স্টেডিয়ামে পরিবহন শ্রমিকগণের মাঝে মানবিক সহায়তা বিতরণে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আবু জাহির।

    জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মর্জিনা আক্তার, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায়  ছিলেন পরিবহন শ্রমিক নেতা মোঃ সজিব আলী।

    এদিকে, আজ রবিবার এমপি আবু জাহির হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি ও লোকড়া ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী’র মানবিক সহায়তা বিতরণ করেন। পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগেও পৃথক স্থানে ত্রাণ বিতরণের মধ্য দিয়ে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতামূলক বক্তৃতা করেন তিনি।

  • রাখাল গোপের রোগমুক্তি কামনায় সৃজনী যুব সংঘের প্রার্থনা ও আলোচনা সভা

    রাখাল গোপের রোগমুক্তি কামনায় সৃজনী যুব সংঘের প্রার্থনা ও আলোচনা সভা

    সংযুক্ত আরব আমিরাত আওয়ামীলীগের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক বাবু রাখাল কুমার গোপের রোগমুক্তি কামনা করে বানিয়াচঙ্গে বিশেষ প্রার্থনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার ১ মে রাত ৮ ঘটিকার সময় সৃজনী যুব সংঘের উদ্দ্যোগে সংঘের সাধারণ সম্পাদক জোয়েল গোপের বাড়ীতে কালী মন্দিরে এ প্রার্থনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সৃজনী যুব সংঘের সভাপতি ইন্দ্রজিৎ গোপের সভাপতিত্বে ও বাবু নিখিল আচার্যের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রার্থনা সভায় বাবু রাখাল কুমার গোপের রোগমুক্তি কামনা করা হয় পাশাপাশি বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ হতে রক্ষা করতে ও জগতের সকল প্রানীর মঙ্গল কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

    বিশিষ্ট মুরুব্বি সৃজনী যুব সংঘের অন্যতম উপদেষ্টা তারেশ গোপের সভাপতিত্বে ও হিন্দু কমিউনিটির নেতা নারায়ন দত্তের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় রাখাল কুমার গোপের বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রিয়তোষ রঞ্জন দেব,আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা হিন্দু মহাজোটের আহবায়ক জীবন চক্রবর্তী, হিন্দু কম্যুউনিটির নেতা রনজয় দাশ বাপ্পী,প্রধান শিক্ষক সজল কান্তি গোপ,সাংবাদিক তাপস হোম প্রমূখ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্দন বিশ্বাস, অপু বিশ্বাস,দিপু চন্দ্র গোপ,রানু দত্ত, চয়ন দাস, পরেশ গোপ, রথীন্দ্র গোপ, সুরঞ্জন গোপ, সপন গোপ, রতি গোপ, জ্যোতিলাল গোপ, মতিলাল গোপ, লিটন গোপ, টিটন গোপ, দীলিপ গোপ, রিপন গোপ, প্রান্ত গোপ, কালিলেশ গোপ, শয়ন গোপ, সমীর গোপ, সুজন গোপ, অপু গোপ, জীবুলাল গোপ প্রমূখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অম্লান গোপ ও দিব্য গোপ।

    উল্লেখ্য বাবু রাখাল কুমার গোপ কিডনী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে দুবাইয়ে শারজাহ আল জাহেরা NMC প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

  • হবিগঞ্জে পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

    হবিগঞ্জে পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

    হবিগঞ্জ জেলা বাস মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

    শনিবার (১ মে) দুপুরে স্থানীয় জালাল স্টেডিয়ামে করোনাকালীন সময়ে অসহায় এবং দুঃস্থ্ শ্রমিকদের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হবিগঞ্জ জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের ৩১৮জন রেজিস্ট্রি ভুক্ত শ্রমিককে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।

    এসময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শোয়েব শাত-ঈল ইভান, সাধারণ সম্পাদক সজিব আলী প্রমুখ।

  • লাখাইয়ে এতিম ছাত্রদের মাঝে পুলিশ সুপারের ইফতার বিতরণ

    লাখাইয়ে এতিম ছাত্রদের মাঝে পুলিশ সুপারের ইফতার বিতরণ

    হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পবিত্র রমজানে বিভিন্ন মাদ্রাসার এতিম ছাত্রদের মাঝে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্যাহ বিপিএম,পিপিএম, কতৃক ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) লাখাই উপজেলায় পবিত্র রমজান উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসায় এতিম ছাত্রদের মাঝে পুলিশ সুপারের এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    লাখাই থানার আয়োজনে উপজেলার করাব তালিমুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা, সিংহগ্রাম ইয়াছিনীয়া ইসলামীয়া মাদ্রাসা এবং বামৈ মারুগাছ মোহাম্মদিয়া জামিয়া শরীফ এমএস মাদ্রাসায় এতিম ছাত্রদের মাঝে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্যাহ বিপিএম, পিপিএম, কর্তৃক ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন লাখাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইদুল ইসলাম, পরিদর্শক তদন্ত (ওসি) মহিউদ্দিন সুমন, এসআই আবুল বাশার, সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার মুহতামিম, শিক্ষক মণ্ডলী ও স্থানীয় মুরুব্বীরা।

  • দৈনিক প্রভাকরের ওয়েব পোর্টাল উদ্বোধন

    দৈনিক প্রভাকরের ওয়েব পোর্টাল উদ্বোধন

    ‘এবার মোরা বিশ্বজোড়া’ শ্লোগানে হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র দৈনিক প্রভাকরের অনলাইন পোর্টালের উদ্বোধন হয়েছে।

    শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রধান অতিথি হিসেবে এর উদ্বোধন করেন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি চৌধুরী মো. ফরিয়াদ। দৈনিক প্রভাকরের সম্পাদক আব্দুল হালীমের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. সহিবুর রহমানের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক দেশ রূপান্তরের জেলা প্রতিনিধি শোয়েব চৌধুরী।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চৌধুরী মো. ফরিয়াদ বলেন, ‘হবিগঞ্জের প্রথিতযশা সাংবাদিক মরহুম নোমান চৌধুরী দৈনিক প্রভাকরের প্রতিষ্ঠাতা। নোমান চৌধুরী ছিলেন হবিগঞ্জের সাংবাদিকতার বাতিঘর। তাঁর প্রতিষ্ঠিত এই পত্রিকাটি এখন পর্যন্ত বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে চলেছে। পত্রিকাটি অনলাইন ভার্সনেও সফলতা বজায় রাখবে।’

    বিশেষ অতিথি শোয়েব চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে দৈনিক প্রভাকরও ওয়েবদুনিয়ায় প্রবেশ করেছে, এটা আনন্দের বিষয়। দায়িত্বশীলতার সাথে দৈনিক প্রভাকরের নিউজপোর্টাল চালাতে হবে। যাতে করে বস্তুনিষ্ঠতার প্রশ্নে সকলের আস্থা অর্জন করতে পারে।’

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক প্রভাকরের বার্তা সম্পাদক আজহারুল ইসলাম চৌধুরী মুরাদ, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকর্মী প্রভাষক সারোয়ার পরাগ, দৈনিক প্রভাকরের বিশেষ প্রতিবেদক জাহাঙ্গীর রহমান, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাঝহারুল ইসলাম পাভেল, স্টাফ রিপোর্টার মো. শামীম মিয়া, শফিউল আলম, এস কে সুজন, মো. সমরাজ মিয়া, রাহিম আহমেদ, সার্কুলেশন ম্যানেজার ফজল মিয়া।

    ইফতারের পূর্বে দোয়া পরিচালনা করেন সাংবাদিক শেখ জওহর হোসেন ফাহাদী। দোয়ায় মরহুম নোমান চৌধুরী ও সম্পাদক আব্দুল হালীমের সদ্যপ্রয়াত মাতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। দৈনিক প্রভাকরের প্রকাশক মেহের নিগারের সুস্থতা কামনায়ও বিশেষভাবে দোয়া করা হয়। পরে সকলেই ইফতারে অংশ নেন।

  • সদর উপজেলার গোপায়া ও তেঘরিয়া ইউনিয়নে মানবিক সহায়তা বিতরণ করলেন এমপি আবু জাহির

    সদর উপজেলার গোপায়া ও তেঘরিয়া ইউনিয়নে মানবিক সহায়তা বিতরণ করলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া ও গোপায়া ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র পক্ষ থেকে ১ হাজার নারী-পুরুষের মাঝে মানিবক সহায়তা বিতরণ করেছেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় প্রথমে তেঘরিয়া ইউনিয়নের ৫০০ জন এবং পরে গোপায়া ইউনিয়নে আরও ৫০০ জনের মাঝে তিনি এ সহায়তা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

    এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বর্ণালী পাল, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহান, গোপায়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন, তেঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনু মিয়াসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহেযাগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে উপকারভোগী প্রত্যেকে ৫০০ করে নগদ অর্থ পাচ্ছেন। অর্থ বিতরণের সময় এমপি আবু জাহির করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সকলকে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন।