Category: হবিগঞ্জ

  • ময়নাতদন্ত শেষে নেত্রকোনায় গ্রামের বাড়িতে লাশ দাফন

    ময়নাতদন্ত শেষে নেত্রকোনায় গ্রামের বাড়িতে লাশ দাফন

    হবিগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ধুলিয়াখালে পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। তার পিতা ও চাচার দাবি তাদের মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার বিকালে তানিয়ার মরদেহ তার পিতা ও স্বজনদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

    অপরদিকে তার স্বামী পুলিশ সদস্য সফিকুল ইসলামকে পুলিশের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। মঙ্গলবার ৪টায় সে অসুস্থ হয়ে পড়লে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনাটি নিয়ে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে। গতকাল রাতে তারাবিহ নামাজের পর তানিয়ার মরদেহ নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বাগবেড় গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

    গত ৩ মে সোমবার বিকেলে ধুলিয়াখাল পুলিশ লাইন সংলগ্ন এলাকার একটি বাসা থেকে স্বামী সফিকুল ইসলাম স্ত্রী তানিয়ার ঝুলন্ত দেহ নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে এলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সদর থানার এসআই সাইদুর রহমান লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।

    মঙ্গলবার সকালে তানিয়ার পিতা বুলবুল মিয়া, চাচা আলমগীরসহ স্বজনরা পুলিশকে জানান, তাদের মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে সফিকুল ইসলাম হত্যা করে আত্মহত্যার চেষ্টা বলে চালিয়ে দিচ্ছে। এতে পুলিশেরও সন্দেহের সৃষ্টি হয়। সদর থানার ওসি মাসুক আলী মর্গে গিয়ে লাশ দেখে আসেন। তানিয়ার পিতা ও চাচা আরও জানান, ৬ মাস আগে একই উপজেলার মর্নকান্দা গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের পুত্র পুলিশ কনস্টেবল সফিকুল ইসলামের নিকট বিয়ে দেয়া হয় তানিয়াকে।

    বিয়ের পর থেকেই সফিকুল বিভিন্ন কারণে তাকে নির্যাতন করতো। বিষয়টি ফোনে তানিয়া তাদেরকে জানাতো। এমনকি তানিয়াকে সফিকুল বাইরে যাবার সময় তালাবদ্ধ করে যেতো এবং মাঝে মাঝে ব্যবহৃত ফোনটিও নিয়ে যেতো। ৩ মে সকালে তানিয়া ফোনে তার পিতাকে জানায়, সফিকুল তাকে মারধোর করেছে। বিকালের দিকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কিন্তু তানিয়ার মৃত্যুর খবর সফিকুল দেয়নি। পাশের বাসার এক ব্যক্তি ফোন করে তাদেরকে জানালে মঙ্গলবার তারা হবিগঞ্জ আসেন। ফলে তাদের সন্দেহ আরও বাড়তে থাকে। এ বিষয়ে তানিয়ার পিতা বাদি হয়ে সফিকুল ও তার ভাই রুবেল এবং মা রাশেদাকে অভিযুক্ত করে তার মেয়েকে যৌতুকের জন্য হত্যা করা হয়েছে মর্মে গতকাল রাতে হবিগঞ্জ সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

  • হবিগঞ্জ শহরে ড্রেন থেকে জীবিত নবজাতক উদ্ধার

    হবিগঞ্জ শহরে ড্রেন থেকে জীবিত নবজাতক উদ্ধার

    হবিগঞ্জ শহরের মোহনপুর এলাকার পানি নিষ্কাশনের ড্রেন থেকে জীবিত এক নবজাতক উদ্ধার করে মহানুভবতার পরিচয় দিলেন এক নারী। পরে ওই নবজাতককে চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    মঙ্গলবার সকালে ওই নবজাতককে পড়ে থাকতে দেখে ওই এলাকার ভাড়াটিয়া মৃত রমজান মিয়ার স্ত্রী জোসনা আক্তার তাকে পানি নিষ্কাষনের ড্রেন থেকে উদ্ধার করে পরিষ্কার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

    তিনি বলেন, ‘আমি বাজারে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে। যদি ওই নবজাতকের পিতা-মাতা না পাওয়া যায় তবে আমিই ওই নবজাতককে লালন পালন করব।’ তিনি আরও বলেন, কোন মানুষের পক্ষে এ ধরণের কাজ সম্ভব নয়।

    এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে হাসপাতালে গেলে দেখা যায় ফুটফুটে ওই শিশুকে দত্তক নিতে অনেকেই ইচ্ছাপোষণ করছেন।

    হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের স্ক্যানো ওয়ার্ডের চিকিৎসক ডা. তানভীর বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া ছেলে নবজাতক আগের চেয়ে অনেকটা সুস্থ হয়েছে। তাকে সব ধরণের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।’

    হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া নবজাতকের পিতা-মাতাকে পুলিশ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। পাওয়া না গেলে কেউ দত্তক নিতে চাইলে দেয়া হবে।

  • বানিয়াচংয়ে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

    বানিয়াচংয়ে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারিভাবে ধান ক্রয় কার্যক্রম সুষ্টভাবে সম্পন্ন করতে উন্মুক্ত লটারীর মাধ্যমে কৃষক বাছাই করা হয়েছে।
    এবছর লটারীর মাধ্যমে ১ হাজার ৬শ‘৩৭জন কৃষককে বাছাই করা হয়েছে।

    উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের জন্য বরাদ্ধ করা হয়েছে মোট ৩ হাজার ২শ‘৬৯ টন বোরো ধান।

    প্রতিজন কৃষকের জন্য ২টন করে বোরো ধান বরাদ্ধ করা হয়েছে। সরকারীভাবে ধানের মূল্য নির্ধারন করা হয়েছে ১হাজার ৮০ টাকা।

    ৪ মে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় কৃষক নির্বাচন করতে উন্মুক্ত লটারী কার্যক্রমের উদ্ধোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডঃ আব্দুল মজিদ খান।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা‘র সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী,ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন,হাসিনা আক্তার,সহকারী কমিশনার(ভূমি) ইফফাত আরা জামান ঊর্মি,অফিসার ইনচার্জ মোঃ এমরান হোসেন,উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আমীর হোসেন মাষ্টার,উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারন সম্পাদক তজিমুল হক চৌধুরী,সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া,উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা শেখ শাহনেওয়াজ ফুল,নজরুল ইসলাম,আবুল হোসেন,প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া,ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আলী,ফজলুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মোতাকিন বিশ্বাস,কৃষ্ণদেব, যুবলীগ নেতা শাহিবুর রহমান,স্বোচ্চাসেবকলীগ নেতা আশরাফ সোহেল,আশসাফ চৌধুরী বাবু,ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এজেডএম উজ্জ্বল,রিপন চৌধুরী প্রমূখ।

    উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাফর ইকবাল,মলয় কুমার দাশ,সমবায় কর্মকর্তা সৈয়দ হোসেন,খাদ্য কর্মকর্তা খবির উদ্দিন,কৃষি কর্মকর্তা মোঃ এনামূল হক,পরিসংখ্যান কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন,পল্লী সঞ্চয় কর্মকর্তা সুদীপ কুমার দেব।

  • সদর হাসপাতালে তাসনুভা শামীম ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ২টি হুইল চেয়ার প্রদান

    সদর হাসপাতালে তাসনুভা শামীম ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ২টি হুইল চেয়ার প্রদান

    ০৪ মে ২০২১ তারিখে ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে আগত রোগীদের সুবিধার্থে দুইটি হুইল চেয়ার প্রদান করেছে “তাসনুভা শামীম ফাউন্ডেশন”।

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান এর উপস্থিতিতে হুইল চেয়ার দুইটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে তানসুভা শামীম ফাউন্ডেশন।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উপসচিব) জনাব মর্জিনা আক্তার, ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের আরএমও জনাব মোমিন উদ্দিন চৌধুরী, তাসনুভা শামীম ফাউন্ডেশনের সভাপতি জনাব মহসিন চৌধুরী, প্রতিষ্ঠানটির সদস্য জনাব শাহ জয়নাল আবেদীন রাসেল ও অন্যান্য সুধীজন।

    জেলা প্রশাসক তাসনুভা শামীম ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং সাধারণ মানুষ যাতে সহজে স্বাস্থ্যসেবা পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানান।

  • দোকান কর্মচারীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা প্রদান

    দোকান কর্মচারীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা প্রদান

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জেলা প্রশাসন, হবিগঞ্জ এর উদ্যোগে করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্থ দোকান কর্মচারীবৃন্দ, বিউটি পার্লারের কর্মচারীবৃন্দ ও অন্যান্য ভাসমান অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

    জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে আয়োজিত কর্মসূচির মাধ্যমে আজ ১০৭ জন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

    অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জনাব বিজেন ব্যানার্জী, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জনাব আতাউর রহমান সেলিম, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর জনাব শাহ জহুরুল হোসেন প্রমুখ।

  • মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রাতিষ্ঠানিক সন্তান কমান্ডের খাদ্যদ্রব্য বিতরণ

    মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রাতিষ্ঠানিক সন্তান কমান্ডের খাদ্যদ্রব্য বিতরণ

    মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রাতিষ্ঠানিক সন্তান কমান্ডের আয়োজনে আজ ০৪ মে ২০২১ তারিখ জেলার নিমতলা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারবর্গ এবং অন্যান্য হতদরিদ্র ব্যক্তিবর্গের মাঝে খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হয়েছে।

    উক্ত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান।

    এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জনাব তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জনাব আতাউর রহমান সেলিম।

    অনুষ্টানে আরও উপস্থিত ছিলেন বৃন্দাবন সরকারি কলেজের প্রভাষক জনাব ফকরুদ্দিন খান পারভেজ, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জনাব চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রাতিষ্ঠানিক সন্তান কমান্ডের সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য সুধীজন।

  • করোনামুক্ত হয়ে জনসন্মুখে এমপি আব্দুল মজিদ খান

    করোনামুক্ত হয়ে জনসন্মুখে এমপি আব্দুল মজিদ খান

    হবিগঞ্জ-২(বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি প্রস্তাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডঃ আব্দুল মজিদ খান করোনা আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ ছিলেন। গত ২৯ মার্চ করোনা পজিটিভ পরীক্ষার ফলাফলে সংসদ সদস্য‘র করোনা সনাক্ত হয়েছিলো।

    পরবর্তীতে তার স্ত্রী-সন্তান সহ পরিবারের আরও ৬ জনের করোনা সনাক্ত হয়।

    বর্তমানে সবাই করোনা মুক্ত হয়ে হবিগঞ্জের বাসায় সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছেন।

    দীর্ঘ প্রায় একমাস চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থানের কারনে নেতা-কর্মীগনের সাথে দেখা সাক্ষাত না হওয়ার কারনে এমপি মজিদ খান নেতা-কর্মীদের সাথে সাক্ষাত ও দোয়ার আয়োজন করেন।

    ৪ মে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সাক্ষাত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা‘র সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী,সহকারী কমিশনার(ভূমি) ইফফাত আরা জামান ঊর্মি,অফিসার ইনচার্জ মোঃ এমরান হোসেন,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর হোসেন মাষ্টার,ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন,হাসিনা আক্তার প্রমূখ।

    সংসদ সদস্য ও তার পরিবারের করোনা মুক্তি ও বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বের মানুষ করোনা সহ সকল সমস্যা থেকে মুক্ত থাকার জন্য ও রহমত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন বানিয়াচং শাহী ঈদগা‘র ইমাম মাওঃ ফজলুর রহমান।

    উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারন সম্পাদক তজিমুল হক চৌধুরী,সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া,উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা শেখ শাহনেওয়াজ ফুল,নজরুল ইসলাম,আবুল হোসেন,প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া,ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আলী,ফজলুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মোতাকিন বিশ্বাষ,কৃষ্ণদেব, যুবলীগ নেতা শাহিবুর রহমান,স্বেচ্চাসেবকলীগ নেতা আশরাফ সোহেল,আশসাফ চৌধুরী বাবু,ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এজেডএম উজ্জ্বল,রিপন চৌধুরী প্রমূখ।

    উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাফর ইকবাল,মলয় কুমার দাশ,সমবায় কর্মকর্তা সৈয়দ হোসেন,খাদ্য কর্মকর্তা খবির উদ্দিন,কৃষি কর্মকর্তা মোঃ এনামূল হক,পরিসংখ্যান কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন,পল্লী সঞ্চয় কর্মকর্তা সুদীপ কুমার দেব।