Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জে সন্ধ্যারাতে ছুরিকাঘাত করে ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধির সর্বস্ব লুট

    হবিগঞ্জে সন্ধ্যারাতে ছুরিকাঘাত করে ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধির সর্বস্ব লুট

    হবিগঞ্জ শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় গৌর চাঁদ দাস (২৫) নামের লিবরা ইনফিউশন হবিগঞ্জ জেলার বিক্রয় প্রতিনিধিকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে সর্বস্ব নিয়ে গেছে একদল ছিনতাইকারী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধিদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।

    বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি লাখাই উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের অষ্টলাল দাসের পুত্র। বর্তমানে শায়েস্তানগর এলাকায় একটি মেসে থেকে চাকরি করে আসছেন। গতকাল ওই সময় ওষুধ বিক্রি শেষে বাসায় ফেরার পথে স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় একদল ছিনতাইকারী তাকে ছুরিকাঘাত করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।

    এ বিষয়ে সদর থানার ওসি মোঃ মাসুক আলী জানান, বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বাহুবলে স্বামীর বন্দিশালা থেকে নারী উদ্ধার

    বাহুবলে স্বামীর বন্দিশালা থেকে নারী উদ্ধার

    বাহুবলে স্বামীর বন্দিশালা থেকে নাসিমা আক্তার (২০) নামের এক নারীকে পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সে উপজেলার ওই গ্রামের লামাতাশি ইউনিয়নের দ্বিমুড়া গ্রামের ঝাড় মিয়ার কন্যা।

    বুধবার দুপুরে বাহুবল থানা পুলিশ স্বামীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ঘরে হাত পা বাধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে স্বামী উজ্জল মিয়া ও তার পিতা আবুল কালাম পালিয়ে যায়।

    জানা যায়, ৭ মাস আগে একই গ্রামের উজ্জল মিয়ার সাথে নাসিমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই উজ্জল ও তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের জন্য তাকে মারধোর করত। মঙ্গলবার একই কারনে মারপিট করে একটি ঘরে হাত-পা বেধে রাখে তাকে।

    বিষয়টি নাসিমার পিতা পুলিশকে জানালে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  • আজমিরীগঞ্জের বদলপুর থেকে অন্যত্রে পাচারকালে ১৫ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

    আজমিরীগঞ্জের বদলপুর থেকে অন্যত্রে পাচারকালে ১৫ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

    আজমিরীগঞ্জের বদলপুর থেকে অন্যত্র পাচারকালে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১৫ বস্তা সরকারি চাল জব্দ করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমান খাঁন। এতে সহযোগীতা করেন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও স্খানীয় জনসাধারণ।

    বিষয়টি আঁচ করতে পেরে জড়িতরা পালিয়ে যায়।

    জানা যায়, আজমিরীগঞ্জের বদলপুর থেকে পরিবহণ যোগে বুধবার দিবাগত রাতে এলাকার একটি অসাধুচক্র সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ৪৫০ কেজি অর্থাৎ ৩০ কেজি ওজনের ১৫ বস্তা চাল অন্যত্র পাচারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। এদিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত অনুমানিক সাড়ে ৮ টায় অভিযান চালিয়ে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দ্যেশ্যে পরিবহন করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমান খান এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে পরিবহনকৃত ৪৫০ কেজি চাল (৩০ কেজি ওজনের ১৫বস্তা ) জব্দ করা হয়।

    এসময় অভিযানের সংবাদ আঁচ করতে পেরে অপরাধী পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয় নি। জব্দকৃত চালের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গাজী মাজহারুল আনোয়ার, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, কে দায়িত্ব দেয়া হয়। সেই সাথে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রির সাথে কে বা কারা জড়িত সে বিষয়ে স্থানীয়ভাবে তদন্ত করার জন্য বদলপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুষেনজিৎ চৌধুরীকে কে নির্দেশ দেয়া হয়।

  • তাসনুভা শামীম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাদ্যদ্রব্য ও পাঞ্জাবি বিতরণ

    তাসনুভা শামীম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাদ্যদ্রব্য ও পাঞ্জাবি বিতরণ

    হবিগঞ্জ জেলার  প্রশাসক জনাব ইশরাত জাহান এর পরামর্শে আজ হতদরিদ্র রিকশা চালকদের মাঝে খাদ্যদ্রব্য ও আসন্ন ইদ উল ফিতর উপলক্ষে পাঞ্জাবি বিতরণ করে “তাসনুভা শামীম ফাউন্ডেশন”।

    জেলা প্রশাসকের পক্ষে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মিন্টু চৌধুরী, সহকারী কমিশনার জনাব নাভিদ সারওয়ার, সহকারী কমিশনার জনাব মঈন খান এলিস, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জনাব চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, তাসনুভা ফাউন্ডেশনের সভাপতি জনাব মহসিন চৌধুরী, প্রতিষ্ঠানটির সদস্য জনাব শাহ জয়নাল আবেদীন রাসেল এবং অন্যান্য শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মিন্টু চৌধুরী।

    এসময় জনকল্যাণমূলক কাজে এগিয়ে আসার জন্য তাসনুভা শামীম ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান।

  • মাধবপুরে অসহায় তাম্বুনেছার বাড়িতে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে হাজির ইউএনও

    মাধবপুরে অসহায় তাম্বুনেছার বাড়িতে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে হাজির ইউএনও

    আবুল হোসেন সবুজঃ হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলা ধর্মঘর ইউনিয়নের খাদ্য সংকটে থাকা আশি বছর বয়সী বিধবা তামবুনেছার ঘরে খাদ্য নিয়ে হাজির হলেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা।

    বুধবার (৫ মে) সকালে ইউএনও নিজে প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ উপহার তামবুনেছা হাতে তুলে দেন। খাদ্য সহায়তার মধ্যে ছিল শাড়ি, ১০কেজি চাল, তেল ১লিটার, ১কেজি ডাল ও লবন, চিড়া, ইত্যাদি।

    জানা গেছে, স্থানীয় সাংবাদিক জাকির হোসেন অসহায় এ বিদ্বাকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট করলে নজরে আসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরার। তামবু নেছার চরম খাদ্য সংকটে আছে এমন খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান ইউএনও ফাতেমা তুজ জোহরা এবং প্রধানমন্ত্রীর উপহারস্বরূপ খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন।

  • হবিগঞ্জে সাংস্কৃতিক কর্মীদের মধ্যে মানবিক সহয়তা প্রদান

    হবিগঞ্জে সাংস্কৃতিক কর্মীদের মধ্যে মানবিক সহয়তা প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে আজ জেলা প্রশাসন, হবিগঞ্জ করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্থ সাংস্কৃতিক কর্মী ও অন্যান্য দুঃস্থ ব্যক্তিদের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করে।

    জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে আয়োজিত কর্মসূচির মাধ্যমে আজ মোট ১২৬ জন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

    জেলা প্রশাসক জনাব ইশরাত জাহান-এর সভাপতিত্বে উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উপসচিব) জনাব মর্জিনা আক্তার, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর জনাব শাহ জহুরুল হোসেন, সহকারী কমিশনার জনাব শোয়েব শাত-ঈল ইভান, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জনাব আবুল ফজল, প্রখ্যাত শিল্পী জনাব আশিকুর রহমান এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

    এসময় জেলা প্রশাসক করোনা মহামারী মোকাবেলায় বিভিন্ন সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

  • হবিগঞ্জের প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠ বিচারের দাবিতে নিরীহ পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

    হবিগঞ্জের প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠ বিচারের দাবিতে নিরীহ পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

    বানিয়াচং উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামে মোহাম্মদ আলী নামের এক ব্যক্তির বসতঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী।

    তিনি বলেন, গত ৩০ এপ্রিল মোহাম্মদ আলীর স্ত্রীর সাথে প্রতিবেশী আব্দুল কাদিরের স্ত্রীর শিশু বাচ্চার ঝগড়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডা হয়।
    এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন আব্দুল কাদিরের স্ত্রী সুলতানা বেগম, তার পুত্র মুহিবুর মিয়া, কালন মিয়া, মৃত মতি মিয়ার পুত্র রেনু মিয়া ও তার পুত্র আলী নুর দেশীয় অস্ত্র দা, লাঠি, লোহার রড দিয়ে তার স্ত্রীকে আক্রমন করে। এ সময় তার স্ত্রী প্রাণ রক্ষার্থে দৌড়ে বসতঘরে প্রবেশ করলে উল্লেখিতরা তাকে ধাওয়া করে জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি মারধরসহ ঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।

    উল্লেখিতরা মোহাম্মদ আলীর স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তার চিৎকারে ছেলে ইয়াহিয়া, জাকারিয়া ও মেয়ে শাবনুর এগিয়ে এলে তাদেরকেও মারপিট করে আহত করা হয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভতিসহ চিকিৎসা দেয়া হয়। হামলাকালীন সময়ে উল্লেখিতরা ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর, সাড়ে ৬ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ দেড় লাখ টাকাসহ মূলব্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়।

    এ বিষয়ে বানিয়াচং থানায় অভিযোগ দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। কিন্তু এরপর থেকে উল্লেখিতরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে েবলে জানান তিনি। কিন্তু পুলিশ এখন পর্যন্ত মামলা রুজু করেনি। ফলে তিনি পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এর সুষ্ঠ বিচার দাবি করেছেন।