Category: হবিগঞ্জ

  • বুল্লা বাজারে নৌ-ঘাটলা ছোট হওয়ায় বানিজ্যে দুর্ভোগ

    বুল্লা বাজারে নৌ-ঘাটলা ছোট হওয়ায় বানিজ্যে দুর্ভোগ

    সুতাং নদীর তীরবর্তী বুল্লা বাজার লাখাই উপজেলার অন্যতম ব্যবসায়িক প্রাণকেন্দ্র। নদী তীরবর্তী বাজার হওয়ায় প্রায় সারা বছরই নৌ-পথে ক্রেতা বিক্রেতাগন এ বাজারে পণ্যাদি আনা নেওয়া করে থাকে। বর্ষাকালে উপজেলার দূরবর্তী গ্রামগুলোর ক্রেতাসাধারণ ও উপজেলার পার্শ্ববর্তী উপজেলার লোকজনের বাজারে আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে নৌকাই একমাত্র অবলম্বন।

    উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি গ্রাম এবং কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের লোকজন নৌকাযোগে এ বাজারে আসা যাওয়া করে থাকেন। কিন্তু এসব নৌযান বাজারে ভিড়ানোর মতো সুপ্রসস্থ ঘাটলা না থাকায় নৌকা ভিড়ানো ও যাত্রী সাধারনের উঠা নামায় চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে।

    বর্তমানে স্থানীয় ধান হাটায় নৌকা ভিড়ানোর একটি ছোট ঘাটলা থাকলেও তা খুবই অপ্রশস্ত এবং আগত নৌ সমাগমের তুলনায় অপ্রতুল। এতে বাজারে আগত ক্রেতা বিক্রেতা ও এপথে দূরবর্তী লক্ষে গমনাগমকারীদের অবর্ণনীয় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তোরনে বাজারের সুুতাং নদীর তীরবর্তী বটগাছের পাশে একটি সুপ্রসস্থ নৌ-ঘাটলা নির্মানের দাবী দীর্ঘদিনের।

    এ স্থানে ঘাটলা নির্মিত হলে আগত যাত্রী সাধারনের ভোগান্তি লাঘব হবে। এ ব্যাপারে বুল্লাবাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির আহবায়ক ও বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মুক্তার হোসেন বেনু জানান, ঘাটলা সংকটে নৌপথে আগত ক্রেতা বিক্রেতাদের ভোগান্তি চরমে। বাজারে ঘাটলা নির্মানের চেষ্টা চালাচ্ছি।

  • হবিগঞ্জের হামজা এফএ কাপ জিতে উড়ালেন ফিলিস্তিনের পতাকা

    হবিগঞ্জের হামজা এফএ কাপ জিতে উড়ালেন ফিলিস্তিনের পতাকা

    হবিগঞ্জের হামজা দেওয়ান চৌধুরী ইংলিশ এফএ কাপ জিতে উড়ালেন ফিলিস্তিনের পতাকা। প্রশংসায় ভাসছেন সাড়া বিশ্বে।

    হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার স্নানঘাট গ্রামের দেওয়ান গোলাম মোর্শেদ চৌধুরী এবং মা রাফিয়া চৌধুরীর তিন সন্তানের মধ্যে সবার বড় ঝাঁকড়া চুলের অধিকারী হামজা চৌধুরী।

    একজন বাংলাদেশী বলেই লেস্টার সিটির মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে নিয়ে গর্ব বাংলাদেশী ফুটবল সমর্থকদের। শনিবার রাতে উইম্বলিতে এফএ কাপের ফাইনালে লেস্টার সিটি-চেলসির ম্যাচে লেস্টার মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীর দিকে তাই চোখ ছিল বাংলাদেশীদের।

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালিস্ট চেলসি। ক’দিন আগে ম্যানচেষ্টার সিটিকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা। এফএ কাপের ফাইনালে তাই চেলসি ছিল ফেভারিট। তবে চেলসির গর্ব চূর্ণ করে এফএ কাপের শিরোপা জিতেছে লেস্টার সিটি।

    সর্বশেষ এফএ কাপের ফাইনালের নাগাল পেয়েছিল তারা ১৯৬৯ সালে।এর আগে তিনবার এফএ কাপের ফাইনালে উঠে ট্রফির মুখ দেখেনি তারা। ৫২ বছর অধরা থাকা  শিরোপা ধরা দিলো তাদের হাতে।ওয়েম্বলিতে শনিবার রাতে ২০ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে ইউরি তাইলিমানসের গোলে চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এফএ কাপের শিরোপা জিতেছে লেস্টার সিটি।

    প্রথমার্ধে গোলশুন্য থাকা ম্যাচে জয়সূচক গোলটি করেন এই বেলজিয়ান খেলার ৬৩ মিনিটে। ২৫ গজ দূর থেকে কোনাকুনি শটে চেলসি গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।

    ফাইনাল শেষে যখন উইম্বলিতে চলছে লেস্টার সিটির ট্রফি উৎসব,ল্যাপ অব অনার, তখন সবার দৃষ্টি ফিরিয়ে আনলেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত হামজা চৌধুরী। একজন মুসলমান হিসেবে ফিলিস্তিনী জনগনের উপর ইসরাইলের ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদমূখর হয়ে উঠেছেন তিনি।

    পবিত্র রমজান মাসে ফিলিস্তিনী জনগনের উপর ইসরাইলের বর্বরতা,বোমারু বিমান দিয়ে জনবসতির উপর হামলা,ঈদ এর আনন্দ মাটি করে দেয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে ফিলিস্তিন জনগনের পাশে দাঁড়াতে ফিলিস্তিনের পতাকা নিয়ে ল্যাপ অব অনার দেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে হামজা চৌধুরী ছবি।

  • লাখাই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে হাফেজ বশির আহমদকে ঈদ উপহার প্রদান

    লাখাই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে হাফেজ বশির আহমদকে ঈদ উপহার প্রদান

    লাখাই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে হাফেজ বশির আহমেদ ও তার পরিবারকে ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ উপহার দেওয়া হয়েছে ।

    উপজেলা প্রশাসন লাখাইর পক্ষ হতে হাফেজ বশির আহমেদ ও তার পরিবারকে ঈদের শুভেচ্ছা ও ঈদ উপহার দেওয়া হয় ।

    উল্লেখ্য পিএইচপি কুরআনের আলো প্রতিভার সন্ধানে হেফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় ২০২১ এ প্রথম স্থান অর্জন করেন হাফেজ বশির আহমেদ প্রথম স্থান অধিকারী হিসেবে পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ৪ লক্ষ টাকা ও সনদপত্র এনটিভির কুরআনের আলো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান থেকে তিনি এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

    হাফেজ বশির আহমেদ হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের বেগুনাই গ্রামের বাসিন্দা ও জিরুন্ডা মানপুর তোফাইলিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আব্দুর রশিদ এর পুত্র।

  • লাখাইয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    লাখাইয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    লাখাইয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১নং লাখাই ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামের তুলসী রানী দাস (৩৫) নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্বহত্যা করে।

    সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ তুলসী রানী দাস প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল (১২ মে) বুধবার রাত আনুমানিক ১১.৩০ মিনিটে ঘুমিয়ে পড়ে।

    পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ৪ ঘটিকায় তুলসী রানী দাস কে তার স্বামী শ্যামল চন্দ্র দাস বিছানায় দেখতে না পেয়ে খোঁজাখোঁজির এক পর্যায়ে ঘরের পাশের পেয়ারা গাছের ডালের সহিত ফাঁস লাগিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

    বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে জানালে সংবাদ পেয়ে লাখাই থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (এস.আই) মোবারক হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে।

    স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, ঐ গৃহবধূ তুলসী রানী দাস মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। মাঝে মধ্যে অসুস্থতা বেড়ে গেলে চিকিৎসায় কিছু দিন ভাল যেত, আবার অসুস্থ হয়ে পড়তো। এ ঘটনায় লাখাই-স্বজনগ্রাম তদন্ত কেন্দ্রে সাধারন ডায়েরী করা হয়। তদন্ত কেন্দ্রের সাধারণ ডায়েরি নং ২৩৫/১৩/০৫/২০২১।

    এ ব্যাপারে লাখাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • হবিগঞ্জে ড্রেন থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতকের মা দাবি করলো ১৭ বছরের কুমারী কিশোরী

    হবিগঞ্জে ড্রেন থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতকের মা দাবি করলো ১৭ বছরের কুমারী কিশোরী

    হবিগঞ্জ শহরে মাতৃত্বের মায়ায় ১০ দিন পর শিশুকে আনতে ছুটে গেলেন এক কুমারী মা। এ ঘটনাটি নিয়ে শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে মায়ের দাবি নিয়ে প্রশাসন পড়েছেন বিপাকে। সে কি প্রকৃত মা নাকি কারো শিখানো মা। এ নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে মা দাবি করা কিশোরী হাসপাতালে আসার পর কুড়িয়ে পাওয়া অভিভাবক জোসনাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

    ড্রেন থেকে উদ্ধারকৃত শিশু

    গত মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার ছড়িপুর গ্রামের ফারজানা (১৭) নামের এক কিশোরী মায়ের দাবি নিয়ে হাসপাতালে এসে ওই শিশুটি তার বলে দাবি করেন। কিন্তু হাসপাতাল কতৃর্পক্ষ তা মেনে নেয়নি। তারা জানিয়েছেন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বুঝা যাবে সে প্রকৃত মা কি না।

    জানা যায়, হবিগঞ্জে পরিত্যক্ত ময়লার ড্রেন থেকে উদ্ধার নবজাতকের মা দাবি করে ওই কিশোরী থানায় আবেদন করেছেন৷ তিনি শিশুটিকে নিজের কাছে রাখতে এবং পিতৃপরিচয় নিশ্চিত করতে আইনি সহায়তা চেয়েছেন। এদিকে উদ্ধারের পর যে নারী ওই নবজাতককে হাসপাতালে নিয়ে যান, তিনিও শিশুটিকে লালন-পালনে আগ্রহী। গত ৩ মে শহরের মোহনপুর এলাকার ময়লার ড্রেন থেকে একটি ছেলে নবজাতক উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। পরে শিশুটিকে ওই এলাকার জোসনা বেগম হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসার পর শিশুটি এখন সুস্থ, সে আছে জোসনা বেগমের কাছেই।
    তবে শিশুটিকে উদ্ধারের চারদিন পর নিজের সন্তান দাবি তুলেন ১৭ বছরের এক কুমারী কিশোরী। প্রবাসী এক ব্যক্তিকে পিতৃত্বের দায় দিয়ে আইনি স্বীকৃতি চেয়েছেন তিনি। এ ছাড়া শিশুটিকে নিজের জিম্মায় পাওয়ার আবেদনও করেছেন।
    ওই কিশোরীর বাড়ি হবিগঞ্জ সদর উপজেলায়।

    তিনি বলেন, ‘তার মা, বাবা, ভাই ও এক বোন হবিগঞ্জ শহরের মোহনপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকছেন। তবে তিনি থাকেন সদর উপজেলায় নানা বাড়িতে। সেখানে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয়। ওই যুবক তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এক পর্যায়ে আমি গর্ভবতী হয়ে পড়ি। তবে ভয়ে ও লজ্জায় বিষয়টি গোপান রাখি। কয়েক মাস আগে প্রেমিক দুবাই চলে যায়।’ এরপর হবিগঞ্জে মা-বাবার কাছে চলে আসেন ওই কিশোরী। তিনি দাবি করেন, মঙ্গলবার রাতে বাড়ির বাইরে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। এরপর বাড়ির কাউকে কিছু না জানিয়ে ঘরে ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন।
    ওই কিশোরীকে বুধবার সকালে ভর্তি করা হয়েছে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে। কিশোরীটির মা জানান, সন্তান জন্মের দুইদিন পর মেয়ে তাকে সবকিছু খুলে বলে। এরপর তারা শিশুটিকে ফিরে পেতে থানায় অভিযোগ করেন।
    তবে এই দাবি মানতে রাজি নন নবজাতকটিকে নিজের কাছে রাখা জোসনা আক্তার।

    তিনি বলেন, ‘আমি শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছি। এখন এক মেয়ে বলছে শিশুটি নাকি তার। আমি শিশুটিকে লালন-পালন করতে চাই।’

    হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুক আলী বলেন, ‘এক কিশোরী শিশুটিকে নিজের সন্তান দাবি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।’

  • হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    সীমিত পরিসরে হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার কাঁশবন হোটেল এন্ড রেস্তোরায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, হবিগঞ্জ জনতার এক্সপ্রেস সম্পাদক ফজলুর রহমান, হবিগঞ্জের মুখ সম্পাদক হারুনুর রশীদ চৌধুরী ও টিভি জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নাহিজ, হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এমএ হাকিম, হবিগঞ্জ নিউজ টুয়েন্টি ফোর ডটকমের সম্পাদক মোঃ শরীফ চৌধুরী, হবিগঞ্জের মুখের বার্তা সম্পাদক মঈন উদ্দিন, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ফয়ছল চৌধুরী, সাংবাদিক ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মশিউর রহমান, জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি জুয়েল চৌধুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারী এমএ আর শায়েল, বিজয়ের প্রতিধ্বনির নির্বাহী সম্পাদক আফতাবুর রহমান সেলিম, বার্তা সম্পাদক সাইফুর রহমান তারেক, বাংলাদেশ বুলেটিনের জেলা প্রতিনিধি জাহেদ আলী মামুন, প্রতিদিনের বাণীর স্টাফ রিপোর্টার এইচএম হেলিম, সমাচারের স্টাফ রিপোর্টার ইফতেখার লোদি সানি, সাংবাদিক সম্রাট ও সুজন মিয়া প্রমুখ।

    ইফতার মাহফিলে প্রতিদিনের বাণী সম্পাদক মোহাম্মদ শাবান মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এমএ হাকিমসহ অন্যান্য অসুস্থ সাংবাদিকদের সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন পৌরসভা বাজার জামে মসজিদের ইমাম ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

  • কাকাইলছেওয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ৬৭ জনকে আসামি করে থানায়  হত্যা মামলা

    কাকাইলছেওয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ৬৭ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা

    আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেওয়ের রাহেলা গ্রামে গত মঙ্গলবার সংঘর্ষের ঘটনায় বুধবার পর্যন্ত মোট ৩৫ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এরমধ্যে আটককৃত ৩৫ জনের মধ্যে ৩৩ জনকে একই দিন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি ২ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে।

    এদিকে নিহত যুবক কামাল মিয়ার পিতা মোঃ ইয়াকূব আলী বাদি হয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত- দেওয়ান আলীর পুত্র আনিসুল ইসলাম জুয়েলকে প্রধান আসামি করে মোট ৬৭ জনের নামে আজমিরীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এদিকে নিহত যুবক কামালের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার বিকাল অনুমানিক ৫ টায় গ্রামের কবরস্থানে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

    উল্লেখ্য, আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেওয়ের রাহেলা গ্রামের বাসিন্দা আনু মিয়া ও বর্তমান ইউ পি সদস্য শের আলীর মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত সোমবার বিকালে কাকাইলছেও বাজারে ভুঁইয়া মার্কেট এলাকায় ইউপি সদস্য শের আলী এবং কামাল মিয়ার মধ্যে বাক বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘঠনা ঘটে। নিহত কামাল মিয়ার পিতা ইয়াকূব আলী জানায়, এরই জের ধরে পরদিন অর্থাৎ গত মঙ্গলবার সকাল অনুমানিক ৯ টায় তার পুত্র মোঃ কামাল মিয়া (৩৫) পার্শ্ববর্তী হাওরের কৃষিজমি থেকে ধান কেটে মুরিগুলো একটি স্থানে স্তুপ করে রাখতে গেলে একই গ্রামের বাসিন্দা ও বর্তমান ইউ,পি সদস্য মোঃ শের আলী সহ তার
    স্বজনরা বাঁধা প্রদান করে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাক-বিতন্ডা বাঁধে। কিছুক্ষণ পর উভয়পক্ষের লোকজন বাক-বিতন্ডায় অংশ নেয়। এরই এক পর্যায়ে দু’পক্ষের লোকজন রামদা, ফিকল, লাঠি সহ নানা ধরণের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মোঃ কামাল মিয়া (৩৫) নামে এক যুবক ফিকলের আঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। সে একই গ্রামের বাসিন্দা মোঃ ইয়াকূব আলীর পুত্র। অনুমানিক প্রায় ১ ঘন্টব্যাপি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আরও প্রায় অর্ধ-শতাধিক লোক আহত হয়। সংঘর্ষে কমপক্ষে দেড় শতাধিক নারী পুরুষ অংশ নেয়। খবর পেয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশ নিহত কামাল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে আজমিরীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে। এদিকে, গুরুতর আহতদের আশংখাজনক অবস্থায় আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।

    এদিকে, সংঘর্ষে জড়িত মৃত- ইসমাঈল মিয়ার পুত্র বজলুর রহমান (৫৬) মৃত- হাসিন মিয়ার পুত্র আশন মিয়া (৪৫) মৃত- শামসুল হকের পুত্র মুসা মিয়া মৃত- আব্দুল বাতেনের পুত্র সাদ্দাম হোসেন (৩২) এলাছ মিয়া (২২) রজব আলীর পুত্র ডালিম (৩০) মৃত- নুর মিয়ার পুত্র দিলোয়ার হোসেন (৩৫) নবী হোসেনের পুত্র সালাউদ্দিন (২৫) সহ ৩৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।