Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জের নালুয়া চা বাগানের  ম্যানেজারের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

    হবিগঞ্জের নালুয়া চা বাগানের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

    হবগঞ্জের চুনারুঘাটের নালুয়া চা বাগানের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গাছ পাচারের অভিযোগ এনে শ্রমিকরা আন্দোলনে নেমেছেন।

    শনিবার সকাল থেকে কাজ বন্ধ করে শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করেন। এ সময় শ্রমিকরা বাগানের ফ্যাক্টরীর ও অফিসে তালা ঝুলিয়ে ম্যানাজারের অপসারণ দাবিতে শ্লোগান দিতে থাকেন।

    এ সময় বাগানে উপস্থিত ছিলেন, পঞ্চায়েত কমিটি’র সভাপতি উপেন্দ্র উড়াং, সাধারণ সম্পাদক সমাকান্ত মুন্ড, বাগানের মেম্বার নটবর রুদ্রপাল, মাখন গোস্বামী, শ্রমিক নেতা স্বপন তাঁতীসহ আরও অনেক শ্রমিক নেতা।

    শ্রমিকদের সাবেক সভাপতি নটবর রুদ্র পাল মেম্বার বলেন, বাগান ম্যানেজার ইফতেখার এনাম নালুয়া চা বাগানের সেগুন কাঠ অন্যত্র পাচার করে দিয়েছেন। যুগযুগ ধরে বাগানের এসব কাঠ পূর্বের কোনো ম্যানেজার বিক্রি করেননি৷

    বর্তমান ম্যানেজার সুপারভাইজারকে দিয়ে শুক্রবার সকালে সেগুন ও শামল গাছের ফলা বিক্রি করে দিয়েছেন৷

    বিষয়টি সম্পর্কে চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ম্যানেজারের কাছে জানতে চাইলে উল্টো তিনি শ্রমিক নেতাদের সাথে দূর্ব্যবহার করেন বলে তারা জানান৷

    এ ব্যাপারে নালুয়া চা বাগানের ম্যানেজার ইফতেখার এনাম বলেন, চা বাগানের গাছ পাচারের প্রশ্নই আসেনা৷

    একটি কুচক্রীমহল নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য কাল্পনিক কাহিনী সাজিয়ে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে৷

    এদিকে নালুয়া চা বাগানের ম্যানেজার ও শ্রমিকদের বিরোধ নিষ্পত্তি করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সনজু চৌধুরী৷

    আগামি সোমবার বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষে উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসবেন চেয়ারম্যান সনজু চৌধুরী৷

  • সড়ক দূর্ঘটনায় দু‘বন্ধুর বিদেশ যাওয়া থেমে গেল! অন্তঃস্বত্তা স্ত্রী আর অসুস্থ বাবার আর্তনাদ

    সড়ক দূর্ঘটনায় দু‘বন্ধুর বিদেশ যাওয়া থেমে গেল! অন্তঃস্বত্তা স্ত্রী আর অসুস্থ বাবার আর্তনাদ

    সড়ক দূর্ঘটনা নিহত একজনের ৩ মাসের অন্তস্বত্তা স্ত্রী বুকফাটা আর্তনাদ করছেন। আরেকজনের অসুস্থ বাবা ও ভাই বুক চাপড়ে বিলাপ করছেন। হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের দু‘বন্ধু অন্য বন্ধুদের সাথে মোটর সাইকেলে চড়ে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের পর্যটন স্পটে ঘুরতে যাচ্ছিলেন।

    শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার রোডের নতুনবাজার নামক স্থানে সিএনজি‘র সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে শাকিল মিয়া(২৪) ও জমির আহমেদ(২৯) দূর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। নিহত শাকিল মিয়া উপজেলার ২ নম্বর ইউনিয়নের চানপাড়া গ্রামের শাবাজ আহমেদের পুত্র। এছাড়া অপর নিহত জমির আহমেদ একই ইউনিয়নের রঘুচৌধুরী পাড়া গ্রামের আব্দু জব্বার মিয়ার পুত্র।

    এই দু‘জনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
    ঘটনাটি ঘটেছে (২৯ মে) শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায়।
    নিহতদের পরিবার ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, জমির আহমেদ দীর্ঘ ৯ বৎসর মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইন চাকুরী করছিলেন। গত নভেম্বর মাসে দেশে আসেন। ৪ মাস পূর্বে পার্শ্ববর্তী  গ্রামের তানভীর নাহার(২৩) নামের একজনকে বিবাহ করেন। তানভীর নাহার বর্তমানে ৩ মাসের অন্তস্বত্তা। জমিরের আকস্মিক মৃত্যুতে তার অনাগত সন্তানের জন্মই হবে হয়তো এতিম শিশু হিসেবে। জুন মাস শেষে জমিরের আবারও মধ্যপ্রাচ্যে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।

    জমিরের আর ফিরে যাওয়া হবেনা কোথাও। তার স্ত্রী ও পরিবারের লোকজনের বুকফাটা আর্তনাদে উপস্থিত লোকজনও চোখের পানি ধরে রাখতে পারছেননা।

    অন্যদিকে নিহত শাকিলের পিতা ১ বৎসর পূর্বে স্টোক করে বিছানায় শয্যাশায়ী। একমাত্র বড়ভাই ৩ মাস পূর্বে পরিবহন দূর্ঘটনায় পা ভেঙ্গে হাটা চলায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছেন।

    পরিবারের একমাত্র সক্ষম ব্যাক্তি শাকিলকে জমি বিক্রি করে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর জন্য পাসপোর্ট করানো হয়েছিলো।

    এখন পরিবারটির সব আশা আর স্বপ্ন একটি দূর্ঘটনায় শেষ হয়ে গেল।
    পক্ষাঘাতগ্রস্থ বাবা ও দূর্ঘটনায় অচল শাকিলের বাবা ও ভাই বুক চাপড়ে বিলাপ করছেন। দূর্ঘটনায় নিহত দু‘জনের পরিবারের লোকজন ও স্বজনদের কান্না দেখে পাড়া প্রতিবেশী ও কাদছেন।

    এ ব্যপারে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা বলেন, খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। নিহতদের জন্য শোক জানাচ্ছি। তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। তাদের পরিবার যদি সরকারী সহায়তা পাওয়ার মত হয় তাহলে, যথাসাধ্যভাবে সহায়তা করা হবে।

    যুব সমাজ যেন এই ঘটনা দেখে বাইক চালাতে অন্তত সেফটি নিশ্চিত করে এবং আরও সচেতন থাকে সেই কামনা রইল।

    নিহত দু‘জনের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার দিবাগত রাতেই জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।

  • দেশে নিষিদ্ধ হচ্ছে ফ্রি ফায়ার পাবজি গেম

    দেশে নিষিদ্ধ হচ্ছে ফ্রি ফায়ার পাবজি গেম

    ফ্রি ফায়ার ও পাবজির মতো জনপ্রিয় দুই গেম বন্ধ হচ্ছে বাংলাদেশে। এর আগে পাবজি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হলেও পরে আবার চালু করা হয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে এরইমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সুপারিশ করা হয়েছে ।

    বিষয়টি নিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও আলোচনা হয়। সেখানে ওই দুই গেমের আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। সম্প্রতি ফ্রি ফায়ার ও পাবজি নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই দুটি গেম কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করেছে।

    হঠাৎ করে বন্ধ করতে গেলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে। তাই ধীরে সুস্থে বিকল্প পদ্ধতিতে গেম দুটি বন্ধের উদ্যোগ নেয়া হবে। যারা এ ধরনের গেমে আসক্ত তারা ভিপিএনসহ নানা বিকল্প উপায়ে গেমটি খেলতে পারবেন। আমরা সেসবও বন্ধে পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করবো।

    গেরিনা ফ্রি ফায়ার (ফ্রি ফায়ার ব্যাটলগ্রাউন্ডস বা ফ্রি ফায়ার নামেও পরিচিত) একটি ব্যাটল রয়্যাল গেম।  ২০১৯ সালে এটি বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক ডাউনলোড করা মোবাইল গেম হয়ে উঠেছে। জনপ্রিয়তার কারণে, গেমটি ২০১৯ সালে গুগল প্লে স্টোর দ্বারা ‘সেরা জনপ্রিয় ভোট গেম’ এর জন্য পুরস্কার পেয়েছিল।

    ২০২০ সালের মে পর্যন্ত ফ্রি ফায়ার বিশ্বব্যাপী দৈনিক ৮০ মিলিয়নেরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারীদের সঙ্গে একটি রেকর্ড তৈরি করে। গেরিনা বর্তমানে ফ্রি ফায়ারের উন্নত সংস্করণে কাজ করছেন যা ফ্রি ফায়ার ম্যাক্স নামে পরিচিত। গেমটি অন্য খেলোয়াড়কে হত্যা করার জন্য অস্ত্র এবং সরঞ্জামের সন্ধানে একটি দ্বীপে প্যারাসুট থেকে পড়ে আসা ৫০ জন ও তার অধিক খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

    অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে বন্দুক দিয়ে মসজিদে মুসলমানদের হত্যা এবং সেই দৃশ্য ফেসবুক লাইভের বিষয়টি অনেকেই পাবজির সঙ্গে তুলনা করেন। সম্প্রতি নেপালে পাবজি নিষিদ্ধ করে দেশটির আদালত। একই কারণে ভারতের গুজরাটেও এ গেম খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল। এমনকি গেমটি খেলার জন্য কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।

    অনলাইন গেম ‘প্লেয়ার আননোনস ব্যাটলগ্রাউন্ডস’ (পাবজি)। সমাজে এর নেতিবাচক প্রভাব ও শিক্ষার্থী- কিশোর-কিশোরীদের সহিংস করে তুলছে এমন আশঙ্কা থেকেই গেমটি বন্ধ করা উচিত বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। পাবজি গেমটির মোবাইল ভার্সনে একসঙ্গে অনেকজন মিলে অবতরণ হন এক যুদ্ধক্ষেত্রে। যতক্ষণ না পর্যন্ত একজন সিঙ্গেল সেনা বেঁচে থাকছেন যুদ্ধে ততক্ষণ খেলে যেতে হয়।

    ২০১৮ সালে অ্যাঙ্গরি বার্ড, টেম্পল রান, ক্যান্ডি ক্রাশের মতো গেমগুলোকে পেছনে ফেলে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন গেমের তালিকায় শীর্ষে জায়গা করে নেয় পাবজি। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মানবজমিনকে বলেন, বর্তমানে দেশে জনপ্রিয় তরুণ প্রজন্মের মাঝে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি।

    দক্ষিণ কোরিয়ার গেম ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ব্লু হোয়েল এর অনলাইন ভিডিও ২০১৭ সালে চালু হয়। এরপর থেকে এই গেমটি দ্রুত বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। অন্যদিকে চায়না প্রতিষ্ঠান ২০১৯ সালে তৈরি করা যুদ্ধ গেম ফ্রি ফায়ার একইভাবে তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু এই গেম দুটির ব্যবহারের ফলে দিনে দিনে এর অপব্যবহার এর মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে এর ফলে তরুণ প্রজন্ম যাকে কিশোর গ্যাং বলা হয়। এরা চরমভাবে বিপথগামী হয়ে উঠেছে।

    তিনি বলেন, বিশেষ করে করোনা মহামারির ফলে স্কুল, কলেজ, ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার ফলে অন্যদিকে অনলাইনভিত্তিক ক্লাস হওয়ার ফলে অভিভাবকরা তার সন্তানদের হাতে সহসাই ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এ সুযোগের বেশির ভাগ অপব্যবহার ঘটছে। এমনকি তরুণ প্রজন্ম এই গেম দুটির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে।

    মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, তাই এই গেম দুটি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাই। তিনি বলেন, গত ২১শে মে চাঁদপুরে মামুন (১৪) নামে এক তরুণ মোবাইলের ডাটা কেনার টাকা না পেয়ে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করে। আমরা যখন আগামীর তরুণ প্রজন্মকে সহজলভ্য দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রাপ্তির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি ঠিক তখন আগামী তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বিপথগামী হয়েছে। যা আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং নিয়ন্ত্রক কমিশনকে দ্রুত এবং দ্রুততার সহিত এই গেমগুলোর অপব্যবহার বন্ধ এবং ভালো দিক তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি জনসচেতনতা গড়তে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের গেম খেলার ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে। অনলাইনে গেম খেলার পাশাপাশি ভার্চ্যুয়ালে অর্থ লেনদেন হচ্ছে এমএমএস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। আর এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাষ্ট্র, সমাজ, ব্যক্তি ও পরিবার।

  • বাহুবলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বানিয়াচংয়ের দুই যুবকের মৃত্যু

    বাহুবলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বানিয়াচংয়ের দুই যুবকের মৃত্যু

    হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলাস্থ মিরপুরে ভয়াবহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বানিয়াচং উপজেলার দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। জানা যায়,বানিয়াচং উপজেলার বেশ কয়েকজন যুবক মোটরসাইকেল এ কোথাও ঘুরতে যাচ্ছিলেন। তারা যখন মিরপুর অতিক্রম করছিল তখনই ঘটে এই দুর্ঘটনাটি।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন এই দুই ব্যক্তি। মিরপুর রোডে তাদের সাইকেলের স্পীড ছিল খুব বেশি এবং সামনে থেকে আসছিলো একটি সিএনজি। খুব কাছাকাছি এসে সিএনজি-মোটরসাইকেল কোনটিই তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় তাদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।

    বাহুবলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বানিয়াচংয়ের দুই যুবকের মৃত্যু

    সেখানে স্পটেই মোটরসাইকেল আরোহী একজনের মৃত্যু হয় এবং অপর আরোহী ব্যক্তিকে আশংকাজনক অবস্থায় পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এদিকে সিএনজি ও ধুমরে মুচরে যায়; তবে সিএনজি ড্রাইভার বা আরোহীদের কেউ আঘাতপ্রাপ্ত হন নাই।

    নিহতরা হলেন বানিয়াচং উপজেলা সদরের চানপাড়া মহল্লার মোঃসাবাজ মিয়ার ছেলে শাকিল আহমেদ রামীম(২৫) এবং তকবজখানী মহল্লার জব্বার উল্লাহ সাহেবের ছেলে জমির উদ্দিন(৩৫)।

    বাহুবলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বানিয়াচংয়ের দুই যুবকের মৃত্যু

    এ ব্যপারে প্রশাসনের কাছ থেকে জানা যায়, তারা যথাযথ তদন্ত করে এ ব্যাপারে বিস্তারিত উপস্থাপন করবেন।

  • নবীগঞ্জে জুয়ার আসরে ইউএনওর অভিযান, ৬ জনকে কারাদণ্ড

    নবীগঞ্জে জুয়ার আসরে ইউএনওর অভিযান, ৬ জনকে কারাদণ্ড

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় জুয়া খেলার অভিযোগে ও সহযোগীতার দায়ে ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে মোবাইল কোর্ট। শুক্রবার (২৮) রাত ৯ টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহিউদ্দিন এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

    মোবাইল কোর্টে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বনগাঁও গ্রামের ইউসুফ আহমেদ চৌধুরীর ছেলে জিল্লান আহমেদ চৌধুরী (২৮), মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে নুর মিয়া (৩৭), পারকুল গ্রামের মৃত মহবত উল্ল্যার ছেলে আব্দুর রহিম (৩২), মৃত মকলিছ মিয়ার ছেলে আব্দুল আজিজ (৪২), মৃত আব্দুল মোছাব্বিরের ছেলে হাসান মিয়া (৩২), ও মৃত হুছন মিয়ার ছেলে মাইনুল ইসলাম (৩৫)।

    জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহিউদ্দিন নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ সহকারে আউশকান্দি ইউনিয়নের পারকুল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় জুয়া খেলার অপরাধে ৫ জনকে ও জুয়া খেলার স্থান করে দেয়ায় ১ জনসহ ৬ জনকে আটক করা হয় ।

    এ ঘটনায় নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহিউদ্দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বঙ্গীয় প্রকাশ্য জুয়া আইনে আটককৃত জিল্লান আহমেদ চৌধুরী (২৮), নুর মিয়া (৩৭), আব্দুর রহিম (৩২), আব্দুল আজিজ (৪২), হাসান মিয়া (৩২)কে ১ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও জুয়া খেলার স্থান করে দেয়ায় মহিনুল ইসলাম (৩৫) কে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

    নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহিউদ্দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযান অব্যাহত থাকবে, যে বা যারা দোকানে বা ঘরে জুয়া খেলার স্থান করে দিবে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • যাত্রী হয়রানী বন্ধের দাবীতে জেলা প্রশাসকের বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করবে হবিগঞ্জ যাত্রী কল্যান পরিষদ

    যাত্রী হয়রানী বন্ধের দাবীতে জেলা প্রশাসকের বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করবে হবিগঞ্জ যাত্রী কল্যান পরিষদ

    হবিগঞ্জ যাত্রী কল্যান পরিষদের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৮/৫/২০২১ রোজ শুক্রবার হবিগঞ্জ পৌর এলাকার পানির ট্যাংক রোড অস্হায়ী কার্যালয়ে।

    হবিগঞ্জ যাত্রী কল্যান পরিষদের আহ্বায়ক মো: আব্দুল্লাহ এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব শাহ জালাল উদ্দিন জুয়েলের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন যুগ্নআহ্বায়ক ফরহাদ আহমেদ চৌধুরী, এস এম হেলালুর রহমান, সদস্য মুহিনুল ইসলাম, আক্তার হোসেন, মোবাশ্বির হক রাজ।

    আলোচনা সাপেক্ষ্যে সিদ্ধান্ত হয় যাত্রী ভোগান্তি কমাতে বিভিন্ন দাবী উল্লেখ্য করে মাননীয় জেলা প্রশাসকের কাছে রবিবারে স্মারকলিপি প্রদান এবং হবিগঞ্জ পৌর শাখা কমিটিসহ প্রত্যেক উপজেলা কমিটি গঠন করা এবং আগামীসপ্তাহে আবারও মিটিং করার সিদ্বান্ত নিয়ে সভা মুলতবি ঘোষনা করা হয়।

  • হবিগঞ্জে র‍্যাব পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৩ প্রতারক গ্রেফতার

    হবিগঞ্জে র‍্যাব পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৩ প্রতারক গ্রেফতার

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে র‍্যাব অফিসারের পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিকাশের মাধ্যমে চাঁদাবাজির দায়ে তিন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ওই তিন প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আজ (শুক্রবার) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯) সিপিসি-১ এর একটি দল মেজর সৌরভ মো: অসীম শাতিল এবং সিনিয়র এএসপি এ কে এম কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়।

    এ সময় মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পাকশাইল গ্রামের মৃত আতাউর রহমানের ছেলে মো: কাউছার মিয়া (৩৯), শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব বাগুনীপাড়া গ্রামের মৃত আহম্মদ শাহর ছেলে মো: ফয়সল শাহ (৩৫) ও চুনারুঘাট উপজেলার টেকেরঘাট গ্রামের রজব আলীর ছেলে মো: কামাল মিয়াকে (২২) গ্রেফতার করা হয়।

    শায়েস্তাগঞ্জ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯) সিপিসি-১-এর কমান্ডার সিনিয়র এএসপি এ কে এম কামরুজ্জামান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা র‍্যাব অফিসারের পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরীহ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণা করে বিকাশের মাধ্যমে চঁাদাবাজি করে আসছিল।