Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জে গণপরিবহনে মামলা ও জরিমানা

    হবিগঞ্জে গণপরিবহনে মামলা ও জরিমানা

    হবিগঞ্জে গণপরিবহনে সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি না মানার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মামলা ও জরিমান আদায় করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (১০জুন) দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বর্ণালী পাল এ ভ্রাম্যমাণ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

    এসময় সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে গণপরিবহনে যাত্রী পরিবহন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৪টি মামলা এবং ২হাজার ৭শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

    সরেজমিন দেখা যায়, গণপরিবহনে সরকারী আদেশ অমান্য করে নিজেদের ইচ্ছেমত যাত্রী পরিবহন এবং ভাড়া আদায় করছে, যাহা নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রচারিত হয়েছে।

    এবিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বর্ণালী পাল বলেন, আমাদের এধরণের অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে, সরকারী আদেশ ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে কেউ কোন ধরণের যানবাহনে যাত্রী পরিবহন করা যাবেনা।

  • হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতির পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান চৌধুরীর ইন্তেকাল, হবিগঞ্জ নিউজের শোক প্রকাশ

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতির পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান চৌধুরীর ইন্তেকাল, হবিগঞ্জ নিউজের শোক প্রকাশ

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি, চ্যানেল আই ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ১১ নং সেক্টরের কোম্পানী কমান্ডার, ভাষা সৈনিক ও জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মোঃ ফজলুর রহমান চৌধুরী বার্ধ্যক জণিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় হবিগঞ্জ শহরের ইনাতাবাদস্থ বাস ভবনে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৮ পুত্র, ১ কন্যা, নাতি, নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে মরহুমের আত্মীয় স্বজন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, সাংবাদিকসহ আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ শেষ বারের তাকে দেখান জন্য বাস ভবনে এসে ভীর করেছিলেন।

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি চৌধুরী মোঃ ফরিয়াদ এর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোকাহত হবিগঞ্জ নিউজ পরিবার৷

    হবিগঞ্জ নিউজের সম্পাদক শরিফ চৌধুরী এক বিবৃতিতে শোক জানিয়ে বলেন-হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি চৌধুরী মোঃ ফরিয়াদ এর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার মোঃ ফজলুর রহমান চৌধুরীর মৃত্যুতে হবিগঞ্জবাসী গভীর শোকাহত৷ হবিগঞ্জবাসী একজন অভিভাবককে হারালো৷ হবিগঞ্জ নিউজ পরিবার এর পক্ষ তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান৷

    তার মৃত্যুতে জেলা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ বাদ জোহর মরহুমে ১ম জানাজার নামাজ শহরের টাউন মসজিদ (চাঁন মিয়া) মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। ২য় জানাজার নামাজ মহরের গ্রামের বাড়ি আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সৌলরী গ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। পরে সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হবে।

    বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান চৌধুরী ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের কর্মসূচিগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পরবর্তীতে ১৯৭১ জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। শুরুতে তিনি ভারতে ঢাল ক্যাম্পের ট্রেনিং ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১১নং সেক্টরের কোম্পানী কমান্ডারের দায়িত্ব গ্রহন করেন। তিনি অভ্যন্তরীন সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়ে তার নেতৃত্বে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ, কিশোগঞ্জের অটগ্রাম, নিকলী, ইটনা, নেত্রকোনার কলমা কান্দ, সুনামগঞ্জের তাহেরপুর ময়মনসিংয়ে বালুকা ও ফুলপুর থানা হানাদার মুক্ত করা হয়।

    যুদ্ধ শেষে তিনি ১৯৭২ সালে আজমিরীগঞ্জ থানা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠা কমান্ডার নির্বাচিত হন। ৩২ বছর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। বীরমুক্তি ফজলুর রহমান চৌধুরী বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভাগ্নে ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সাবেক সফলমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ এর ফুফাত ভাই। তিনি হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী ও নিউয়ার্ক মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরীর আপন মামা।

  • অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহণ করায় মাধবপুরে ২টি বাসে জরিমানা

    অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহণ করায় মাধবপুরে ২টি বাসে জরিমানা

    সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করায় ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় মাধবপুরে ২ টি বাসকে ৩০০০/ জরিমানা করা হয়েছে।

    এসময় বাস মালিক সমিতির সদস্যদেরকে সতর্ক করিা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মহিউদ্দিন। মাধবপুর থানা পুলিশ এ অভিযানে সহায়তা করে।

  • নবীগঞ্জের নোয়াগাঁও গ্রামে তাণ্ডব আ.লীগের সাবেক সভাপতি মুকুল ২ দিনের রিমান্ডে

    নবীগঞ্জের নোয়াগাঁও গ্রামে তাণ্ডব আ.লীগের সাবেক সভাপতি মুকুল ২ দিনের রিমান্ডে

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে ১৩টি বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ-লুটপাটের মামলার ২য় আসামী ও গজনাইপুর ইউনিয়নের বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান এবং নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) সাবেক সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুলের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    বুধবার দুপুরে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পবন চন্দ্র বর্মণের আদালত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনের প্রেক্ষিতে ২দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    জানা যায়, গত (৩০ মে) সাতাইহাল ৬ মৌজার লোকজন কর্তৃক পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়। অগ্নিসংযোগ-লুটপাটের ঘটনায় ১৩টি ঘর-বাড়ি আগুণে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় (১ জুন) নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুস শহীদের ছেলে জামাল হোসাইন বাদী হয়ে সাতাইহাল গ্রামের নুর উদ্দিন, গজনাইপুর ইউনিয়নের বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুলসহ ৪৭জনের নাম উল্লেখ করে ও ২০০-২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে নবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    মামলা দায়েরের পর মূলহোতা ইমদাদুর রহমান মুকুল আত্মগোপনে চলে যান। পরে হবিগঞ্জ থেকে অন্য জেলায় পালিয়ে আত্মগোপনের চেষ্টা করলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইমদাদুর রহমান মুকুলকে বাহুবল-হবিগঞ্জ সড়কের মশাজান ব্রীজ এলাকায় থেকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এ মামলায় মুকুলসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    গত সোমবার (৭ জুন) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক কাওছার আলম অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মামলা তদন্তের স্বার্থে মামলার ২য় আসামী ইমদাদুর রহমান মুকুলের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। বুধবার দীর্ঘ শুনানি শেষে পত্র-পত্রিকা, ঘটনার ছবি-ভিডিও পর্যালোচনা করে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পবন চন্দ্র বর্মণের আদালত আসামী মুকুলের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    রিমান্ড শুনানিতে বাদী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন এডভোকেট মো. নুরুজ্জামান। আসামী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন এডভোকেট আবুল ফজল, এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, এডভোকেট সুলতান মাহমুদ।

    এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক কাওছার আলম বলেন, নোয়াগাঁও গ্রামে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মামলা তদন্তের স্বার্থে মামলার ২য় আসামী ইমদাদুর রহমান মুকুলের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে মহামান্য আদালত আসামীর ২দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

  • সাড়ে ৫কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উদ্ধোধন

    সাড়ে ৫কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উদ্ধোধন

    ৫কোটি ৬২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে নির্মিত হবিগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উদ্ধোধন করা হয়।

    আজ বুধবার (০৯ জুন) সকাল ১১টায় ৪তলা বিশিষ্ট নতুন এই ভবনের শুভ উদ্ধোধন করেন হবিগঞ্জ ৩আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    উদ্ধোধন শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার উন্নয়নের সরকার, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সরকার দেশকে এগিয়ে না নিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য কাজ করেছে। যার কারণে এসকল উন্নয়ন এর আগে হয় নাই।

    বঙ্গবন্ধকে হত্যার মাধ্যমে দেশকে পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশ একের পর এক উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে, স্বাস্থ্য বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার ফলে বাংলাদেশে মাতৃ মৃত্যু এবং শিশু মৃত্যুর হার কমে এসেছে।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপপরিচালক পরিবার পরিকল্পনা ডাঃ নাসিমা খানম ইভা, সহকারী পরিচালক মীর সাজেদুর রহমান, ডিসট্রিক্ট কনসালটেন্ট ডাঃ মোঃ আব্দুর রব মোল্লা, নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

  • হবিগঞ্জ থেকে অপহরনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে কিশোরীকে উদ্ধার করল র‍্যাব

    হবিগঞ্জ থেকে অপহরনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে কিশোরীকে উদ্ধার করল র‍্যাব

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং থেকে অপহরণের ২৪ ঘন্টার পর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে স্কুলছাত্রী কিশোরীকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ এর হবিগঞ্জ ক্যাম্পের একটি টিম ।

    এ সময় অপহরণকারী চক্রের মূলহোতা তন্নি (১৯) নামের এক যুবতীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার স্বামী শামীম মিয়া (২২) পালিয়ে যায়। এ ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    জানা যায়, হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা সদরের ত্রিকর মহল্লা গ্রামের খালেদ হাসান মিলুর কন্যা স্থানীয় বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ডাক্তার ছেলের সাথে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তন্নি ও তার স্বামী শামীম মিয়া কৌশলে নারায়ণগঞ্জ নিয়ে যায়। সেখানে যাবার পর তাকে একটি ঘরে আটকে রেখে ওই কিশোরীর উপর নির্যাতন চালায় তারা।

    এদিকে মেয়েকে না পেয়ে তার পিতা খালেদ হাসান মিলু গত সোমবার সকালে বানিয়াচং থানায় জিডি করেন।

    জিডির প্রেক্ষিতে ও মোবাইল ফোনের কললিষ্টের সূত্র ধরে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯, সিপিসি-১ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প এর একটি দল মেজর সৌরভ মোঃ অসীম শাতিল এবং সিনিয়র এএসপি এ,কে,এম কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জের উত্তর মাসাবো এলাকায় আমিনুল ইসলাম ভূইয়া এর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

    তখন বানিয়াচং উপজেলার মিয়াখানী গ্রামের মৃত ছালেক মিয়ার মেয়ে অপহরণকারী মোছাঃ তন্নী আক্তার (১৯) কে গ্রেফতার করা হলেও তার স্বামী মোঃ শামীম মিয়া (২২) কৌশলে পালিয়ে যায়।

    গ্রেফতারকৃত আসামীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপহৃত কিশোরী রিতু আক্তার (১৩) কে উদ্ধার করে র‍্যাব। অপহরনকারী যুবতি ও অপহৃত কিশোরীকে মঙ্গলবার (৮ জুন) বিকেলে বানিয়াচং থানার হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার ওসি এমরান হোসেন জানান, ওই কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বুধবার

  • হবিগঞ্জ শহরে যাত্রীদেরকে জিম্মি করেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে টমটম চালকরা

    হবিগঞ্জ শহরে যাত্রীদেরকে জিম্মি করেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে টমটম চালকরা

    করোনাকালে মানুষের হাতে প্রয়োজনীয় টাকা নেই। সংকুচিত হয়েছে কর্মক্ষেত্র। চাকরিও হারিয়েছেন অনেকে। অনেকের বেতন হয়ে গেছে অনিয়মিত। আবার অনেকের হাফ বেতনে করছেন চাকরি। এ দুঃসময়ে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহণ চালুর অনুমতি দিয়েছে সরকার।

    দেশে করোনা থাকলেও শুধুমাত্র স্কুল-কলেজ ছাড়া শর্তসাপেক্ষে সবকিছু আগের মতো স্বাভাবিক হয়েছে। কিন্তু স্বাভাবিক হয়নি হবিগঞ্জে গণপরিবহণ খ্যাত টমটম ভাড়ার বিষয়টি।

    হবিগঞ্জ পৌর শহর ছাড়া শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা এমনকি পার্শ্ববর্তী মৌলভীবাজার জেলাতেও আগের ভাড়ায় ফিরে গেছে শহরের ভেতরে চলাচলত গণপরিবহণ। আর তা সম্ভব হয়েছে মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ও কয়েকজন কাউন্সিলরের বলিষ্ট ভূমিকার কারণে।

    জনদাবির সাথে একমত পোষণ করে সেখানকার মেয়র পৌর শহরের ভেতর চলাচলত গণপরিবহণ টমটম ও সিএনজির পূর্বের ৫ টাকা ভাড়া বহাল করেছেন।

    কিন্তু করোনার অজুহাতে হবিগঞ্জ শহরে যাত্রীদের এক প্রকার জিম্মি করেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। বাড়তি ভাড়ার কারণে দৈনন্দিন খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত। প্রতিবাদ করেও সুফল মিলছে না।

    এদিকে হবিগঞ্জ শহরে গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহনের কারণে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়লেও দেখার কেউ নেই। গণপরিবহণ শ্রমিকদের দুদর্শার বিষয়টি মাথায় রেখে শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহণ চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার।

    তবে এটি বাসসহ আন্তঃজেলা গণপরিবহণের ক্ষেত্রে। পৌর শহরে চলাচলরত কোনো পরিবহণের ক্ষেত্রে নয়। তবুও জেলা প্রশাসনকম যাত্রী পরিবহনের এ ক্ষতি পোষাতে ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দেয় হবিগঞ্জ শহরে।

    কিন্তু সব শর্ত এখন কাগজেই সীমাবদ্ধ। অফ কিংবা পিক আওয়ার সব সময়ই ভাড়া ডাবল। যাত্রীও দ্বিগুণ। কেউই মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। পরিচ্ছন্নতার কোনো বালাই নেই। কোথাও যাত্রীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজারও দেওয়া হয় না। করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকা এ সময়ে গণপরিবহনই করোনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

    জেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করে সতর্ক করে। কিন্তু কে শুনে কার কথা। ডাবল যাত্রী বহন করে ডাবল ভাড়া দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে মানুষকে। আর ক্ষেত্রে গণপরিবহণ চালক-মালিকদের লোভের লাগাম টানা যাচ্ছে না।

    খবর নিয়ে জানা যায়, গেল কয়েক সপ্তাহ থেকে মৌলভীবাজারের শহরের ভেতর টমটম ও সিএনজি চালিত অটো রিকশার অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বিরক্ত হয়ে পৌর মেয়রের কাছে অভিযোগ করেন যাত্রীরা। তাদের অভিযোগ আমলে নিয়ে মাঠে নামেন পৌর মেয়র মো. ফজলুর রহমান ও কাউন্সিলররা।

    প্রথমে তারা গাড়িচালকেদের বাড়তি ভাড়া না নিতে অনুরোধ করেন। তারপরও নির্দিষ্ট রোডগুলোতে চলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়। এরপর কঠোর অবস্থানে যায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

    শহরের অন্যান্য রোডে নির্দিষ্ট ভাড়ার চাইতে অতিরিক্ত ভাড়া নিলেই জব্দ করা হবে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও টমটম এমন ঘোষণা দেয় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। তিনজন কাউন্সিলর মেয়রের পক্ষে সংশ্লিষ্ট রোডের চালকদের এই সর্তকবার্তা জানিয়ে দেন।

    দূর্ভোগগ্রস্ত যাত্রীরা জানান, শহরের চৌমোহনা থেকে কুসুমবাগ এই রোডে নিয়মিত ভাড়া ছিল ৫ টাকা। হঠাৎ করে চালকরা তা বাড়িয়ে ১০ টাকা নিচ্ছেন।

    তা ছাড়া কুসুমভাগ থেকে ঢাকা বাসট্যান্ড। কসুমভাগ থেকে কোর্ট। ৫-১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০-১৫ টাকা নিচ্ছেন চালকরা।

    এ বিষয়ে মৌলভীবাজার পৌর মেয়র ফজলুর রহমান বলেন, এই রোডগুলোতে ৫-১০ টাকা ভাড়া আগে থেকেই নির্ধারিত। যদি কোনো চালক বাড়তি ভাড়া দাবি করে যাত্রীকে হয়রানির করে। তাহলে সেই সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও টমটমের নম্বর অথবা চালকের ছবি কিংবা নাম- ঠিকানা পৌরসভায় জানানোর জন্য তিনি যাত্রীদের অনুরোধ করেন।

    মেয়র বলেন- বাড়তি ভাড়া নিলে গাড়ি জব্দ করা হবে। কোনো অবস্থায় শহরের ভেতর যাত্রী হয়রানি মানা হবে না।

    এদিকে হবিগঞ্জ জেলা সদরে চলাচলরত সাধারণ যাত্রী ও সুধীমহল মনে করেন, শুধু করুনার অজুহাতে সিএনজি ও টমটমের ভাড়া বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলা হয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি দেওয়া জরুরি।