Category: হবিগঞ্জ

  • বানিয়াচংয়ে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ২২ বছর পর নরসিংদী থেকে গ্রেফতার

    বানিয়াচংয়ে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ২২ বছর পর নরসিংদী থেকে গ্রেফতার

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে আব্দুল হক হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি সানা উল্লাহ (৪৫) কে নরসিংদী থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

    শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যার নির্দেশে ডিবির ওসি আল আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নরসিংদীর সাটিয়াপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করে।

    সে বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের দত্তপুর গ্রামের রহমত আলীর পুত্র।

    পুলিশ জানায়, ১৯৯৯ সালে ভিডিও দেখা নিয়ে ওই গ্রামের আব্দুল হকের সাথে সানা উল্লার মারামারি হয়। এক পর্যায়ে তার আঘাতে আব্দুল হক মারা যায়।

    এ ঘটনার পর থেকেই সানা উল্লা পলাতক ছিল। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করেন। এ খবর শুনে সানা উল্লা তার নাম পাল্টে সিলেটের এক ব্যক্তির আইডি কার্ড ব্যবহার করে নরসিংদী শহরে ব্যবসা করে স্বপরিবারে বসবাস করে।

    বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে তিনমাস ধরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে কললিষ্ট ও ট্যাকিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হয় পুলিশ সানা উল্লাই এ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি। দীর্ঘ ২২ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

  • বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান চৌধুরীর মাগফিরাত কামনায় ইকরা গণগ্রন্থাগারের দোয়া মাহফিল

    বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান চৌধুরীর মাগফিরাত কামনায় ইকরা গণগ্রন্থাগারের দোয়া মাহফিল

    মহান মুক্তিযুদ্ধের ১১ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, আজমিরীগঞ্জের কৃতি সন্তান, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদের পিতা মরহুম ফজলুর রহমান চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনায় এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার বাদ আছর ইকরা গণগ্রন্থাগার আয়োজিত মাস্টার মোঃ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক মো. আশিকুল ইসলামের পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে অতিথিবৃন্দ বলেন ফজলুর রহমান চৌধুরী দেশের সুয সন্তান।

    তিনি ছিলেন ৭১ এর রনাঙ্গনের সহস্র যোদ্ধা। উনার নেতৃত্বে ভাটি অঞ্চলের হবিগঞ্জ – কিশোরগঞ্জ – নেত্রকোনা জেলার বিশাল এলাকা পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে মুক্ত করেন।

    মরহুম ফজলুর রহমান চৌধুরী শুধু আজমিরীগঞ্জ এলাকার নন তিনি ছিলেন গোটা হবিগঞ্জের গুনী ব্যক্তিত্ব।

    ইকরা গণগ্রন্থাগার আয়োজিত দোয়া মাহফিলে মরহুম ফজলুর রহমান চৌধুরীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন শায়খে গুনই (রহ.) মাদরাসার প্রিন্সিপাল শায়েখ মাওলানা শাহ খলিল আহমদ।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থাগারের নিবাহী সদস্য এমদাদুল হক, জাতীয় ইমাম সমিতি বানিয়াচং উপজেলা সাধারন সম্পাদক মাওলানা সিরসজুল ইসলাম, ডা. ইলিয়াস একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ গিয়াস উদ্দিন, বায়তুল আমান জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা কামরুল ইসলাম, গ্যানিংগন্জ বাজার জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন হাফেজ আবুবকর, সমুতাজিয়া হাফিজিয়া মাদরাসার হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ ফজলুর রহমান, গ্যানিংন্জ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাফেজ সাইদুল ইসলাম খা, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সুরুজ, মাদরাসাতুল হারামাইন এর শিক্ষক হাফেজ শাহনুর আলম, কারী এখলাছ উদ্দিন প্রমুখ।

  • বানিয়াচংয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীর ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা

    বানিয়াচংয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীর ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা

    আকিকুর রহমান রুমনঃ বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ নন্দী পাড়ায় এক মাদ্রাসা ছাত্রীর ঘরে গলায় ফাঁশি লাগিয়ে আত্বহত্যা করার দৃশ্যটি দেখতে পান মা।

    তিনি এমন দৃশ্য দেখার সাথে সাথে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে জুড়ো হয়। এসময় মা মেয়েকে বাঁচাতে ফাশ দেয়া ওড়নাটি কেটে ফেলেন।

    এমনকি মা সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত লোকজন নিয়ে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে নিয়ে যান।

    সেখানে হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তার জাহানারা আক্তার বলেন, হাসপাতালে আসার পূর্বেই ছাত্রীটির মৃত্যু হয়েছে। রাত ৯ টা ১৫ মিনিটে তিনি নিশ্চিত করেন।

    আত্মহত্যার বিষয়টি থানায় জানানো হলে তাৎক্ষণিক বানিয়াচং থানার ওসি তদন্ত প্রজিত কুমারের নেতৃতে গৌতম রায়সহ একদল পুলিশ রাত দশটার দিকে হাসপাতালে আসেন।

    হাসপাতাল থেকে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশটি রাত সাড়ে ১২টার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেন কর্তব্যরত ডাঃ রাজীব ভট্টাচার্য।

    এব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ ওসি তদন্ত প্রজিত কুমার দাসের মুঠোফোনে রাত ১টা ৩৪ মিনিটে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এমন একটি সংবাদ পেয়ে থানা থেকে পুলিশকে হাসপাতালে পাটিয়ে লাশটি উদ্ধার করে হবিগঞ্জে ময়না তদন্তের পাঠানোর জন্য থানায় আনা হয়েছে।

    তবে ১২ জুন শনিবার সকালে লাশটি হবিগঞ্জে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত প্রাথমিক ভাবে কোন কিছু বলতে পারছিনা।

    তবে তিনি বলেন প্রাথমিক ভাবে যেটা শুনেছি যে, পিতৃহীন মেয়েটি নাকি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্রী ছিল। এমনকি তার মা তাকে ঘরে পড়ার মধো একা রেখে পাশেই একটি বাড়িতে কাজ করতে গিয়েছিলেন। প্রায় আধঘন্টা পরে এসে দেখতে পান তার মেয়ে গলায় ওড়না লাগানো অবস্থায় ঝুলিয়ে আছে।

    পরে তিনি নিজেই কেটে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এবিষয়টি নিয়ে আমাদের টিম কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে ১১ জুন শক্রুবার রাত সাড়ে আট ঘটিকায় ১ নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ নন্দী পাড়ায়।

    এলাকাবাসী ও বিভিন্ন সূত্রে জানাযায়, মৃত আরজান মিয়ার কন্যা মাদ্রাসা ছাত্রী। তার একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রেখে যান। তার স্রী মেয়েকে নিয়ে একাই থাকতেন এবং বড় ছেলে থাকে প্রবাসে।

    কেউ বলছে ঘটনার পূর্বে মেয়েটির মা যাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন কাজ করতে ঐ বাড়িরই এক ছেলে গিয়ে বলছে তুমার মেয়ে ফাঁস লাগিয়ে মারা গেছে! আবার কেউ কেউ বলছেন তিনি বাড়িতে এসে দরজা খুলে এই অবস্থা দেখেন। এ মৃত্যু নিয়ে নিয়ে এলাকায় রহস্যর সৃষ্টি হয়েছে।

  • নবীগঞ্জে ১৩টি বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ লুটপাট :  জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে বিশাল মানববন্ধন

    নবীগঞ্জে ১৩টি বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ লুটপাট : জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে বিশাল মানববন্ধন

    নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে ১৩টি বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ লুটপাটের প্রতিবাদে ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

    শনিবার দুপুরে নবীগঞ্জের সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে পানিউমদা ইউনিয়নের খাগাউড়া বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

     

    মানববন্ধনে পানিউমদা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কুদ্দুছ মিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি ব্যারিষ্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, গোলাম নবী তালুকদার, আব্দাল মিয়া, আউয়াল মিয়া, এডভোকেট জুনায়েদ আহমেদ, হুমায়ুন খান, মনসুর আলম, মহিবুল হাসান মামুন, অনু আহমদ, মুজিবুল হক, সুশেল আহমদ, রাজু আহমেদ, কামাল আহমদ, জুনায়েদ আহমেদ, সাজিদ তালুকদার, খালেদ আহমদ, মুহিদ মিয়া, মহসিন আহমেদসহ আরও অনেকেই।

    বক্তারা অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেফতারপূর্বক শাস্তির দাবী জানান এবং ক্ষতিগ্রস্থদের পুর্নবাসনে সরকারকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

  • লাখাইর মোড়াকরি-কৃষ্ণপুর সড়কের আংশিক নদীগর্ভে বিলীন, রক্ষায় নেই কোন উদ্যোগ

    লাখাইর মোড়াকরি-কৃষ্ণপুর সড়কের আংশিক নদীগর্ভে বিলীন, রক্ষায় নেই কোন উদ্যোগ

    লাখাই উপজেলার মোড়াকরি বাজার হইতে সন্তোষপুর ভায়া কৃষ্ণপুর সড়কের বড়পুটিয়া ব্রীজের পূর্বপাশের বিস্তীর্ণ অংশ সড়কের পাশ দিয়ে বয়ে চলা বলভদ্র নদের ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

    বলভদ্র নদের এ অংশে ভাঙ্গন প্রকট আকার ধারন করায় সড়কের এই অংশটি দিন দিন নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে।

    স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বিগত দেড় দুবছরে সড়কটি প্রায় ১০০-১৫০ ফুট পূর্বের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। নদী ভাঙ্গনের ফলে বর্তমানে এ সড়কে যানচলচল ও জনচলাচলে দুর্ভোগ চরমে।

    এদিকে এ সড়কে চলাচল নির্বিঘ্ন করার লক্ষে বড়পুটিয়া খালের উপর ব্রীজ নির্মিত হলেও ব্রীজের এক পার্শ্বের সড়ক ক্রমাগতভাবে সড়ে যতে থাকায় ব্রীজটি রয়েছে ঝুঁকিতে। সড়কের ভাঙ্গন ঠেকাতে না পারলে হয়তো ব্রীজটিই বিলীন হয়ে যেতে পারে।

    স্থানীয় বাসিন্দা মোড়াকরি গ্রামের কাউছার মিয়া, কৃষ্ণপুর গ্রামের লিটন দাস, হরিপদ সরকার সহ এলাকার লোকজনের সাথে আলাপকালে জানান, এ সড়কের প্রভুত উন্নয়নমূলক কাজ এবং ব্রীজ নির্মিত হওয়ায় চলাচলের পথ সুগম হয়েছে।

    “তবে দীর্ঘদিন যাবৎ সড়কের বড়পুটিয়া ও ছোট পুটিয়া খালের মধ্যবর্তী অংশে নদীভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় আমাদের ভোগান্তি চরমে।”

    “বিগত কয়েক বছরে সড়কটি প্রায় ২০০-৩০০ মিটার সরে এসেছে। এ অবস্থায় নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের জোর দাবী জানাচ্ছি।”

    “আমরা মনে করি, নদীর এ অংশে যে বাঁক নিয়েছে তা যদি ব্রীজের বরাবর সোজা করে খনন করা যেত তবে ভাঙ্গন রোধ করা সহজ হতো।”

    সড়কের এ অংশটি সরেজমিন পরিদর্শনে ও স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে জানা যায়, ঐ স্থানে নদীটি পূর্বে অনেক দক্ষিণে ছিল। নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে নদীটি বর্তমানে প্রায় ৩০০-৪০০ ফুুট উত্তরে চলে আসায় বড় একটি বাঁকের সৃষ্টি হয়েছে।

    এতে ভাঙ্গন প্রবনতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর এতে লক্ষ লক্ষ টাকায় নির্মিত ব্রীজটিও আজ হুমকীতে পড়েছে। বছরের পর বছর ভাঙ্গন চলতে থাকায় একদিকে ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে অন্যদিকে নদীর অপর তীরে চর জাঁকছে।

    এ বিষয়ে লাখাই উপজেলা এল.জি.ই.ডি প্রকৌশলী শাহ আলম জানান, নদী ভাঙ্গনে গত দুই বছরে সড়কটি অনেক সরে এসেছে। ভাঙ্গনরোধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী।

    এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ নেওয়াজ জানান, আমরা নদীর তীরবর্তী রাস্তা, ব্রীজের ক্ষেত্রে শুধু পরামর্শ দিয়ে থাকি। নির্মাণ করে এল.জি.ই.ডি। আর নদী ভাঙ্গনের বিষয়ে অবগত নই। জানালে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদীর সংবাদ সম্মেলন

    নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদীর সংবাদ সম্মেলন

    নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ।

    শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন।

    এর জের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক।

    তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি।

    পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ।

    এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি।

    মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।

    অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন।

    এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে।

    সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।

    বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না। বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।

    ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

  • করোনাকালীন সময়ে সংক্রমণ প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা

    করোনাকালীন সময়ে সংক্রমণ প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় কোবিড১৯ পরিস্থিতিতে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে অপূর্ন চাহিদা পুরণের লক্ষ্যে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ রোধকল্পে আইপিসি ও মা এবং নবজাতকের সেবা বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    শনিবার (১২জুন) সকাল ১০টায় জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ কর্মশালায় সভাপতিত্বে করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রওশন আরা বেগম।
    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, উপপরিচালক পরিবার পরিকল্পনা ডাঃ নাসিমা খানম ইভা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল, ডিসট্রিক্ট কনসালটেন্ট ডাঃ মোঃ আব্দুর রব মোল্লা, মামনি জেলা সমন্বয়কারী দিলীপ চন্দ্র দাস প্রমুখ।

    এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, আমরা উপজেলা পরিষদের জাইকা বাজেট হতে চলতি বছরে সদর উপজেলার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ডেলিভারী বেড এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতিসহ প্রায় ০২ লক্ষ টাকার জিনিসপত্র সরবরাহ করা হবে।

    করোনাকালীন সময়ে সংক্রমণ প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা
    বক্তব্য রাখছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল।

    তাছাড়া বক্তাগণ বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনাকালীন সময়ে সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং মা ও নবজাতকের অত্যাবশ্যকীয় প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য মাঠ পর্যায়ে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরদেরকে নিবীড়ভাবে কাজ করতে হবে।

    কর্মশালায় আরো জানানো হয়, মাঠ পর্যায়ে যেসব ব্যাক্তির আগে থেকেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, দীর্ঘদিনের ফুসফুসের রোগ, কিডনি রোগ, ক্যানসার আছে এমন রোগীদের মারাত্মক অসুস্থতার ঝুকি অন্যদের চাইতে ঝুকি বেশী।