Category: হবিগঞ্জ

  • শায়েস্তাগঞ্জে বিষপানে এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু

    শায়েস্তাগঞ্জে বিষপানে এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার লাদিয়া গ্রামে বিষপানে রাহেনা আক্তার নামের এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সে ওই গ্রামের বেনু মিয়ার স্ত্রী।

    গত মঙ্গলবার রাতে স্বামীর সাথে অভিমান করে সে বিষপান করে ছটফট করতে থাকে। ঘটনার পর থেকেই তার স্বামী পালিয়ে গেছে।

    পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাত ১২টায় সে মারা যায়।

    গতকাল বুধবার সদর থানা পুলিশ লাশের সুরতহাল তৈরি করে মর্গে প্রেরণ করে। পুলিশ জানিয়েছে, কি কারণে বিষপান করে তা জানা যায়নি। তদন্ত চলছে।

  • লাখাইয়ে ভাঙা কালভার্টে যানচলাচল ঝুঁকিতে, জনভোগান্তি চরমে, নেই কোন উদ্যোগ।

    লাখাইয়ে ভাঙা কালভার্টে যানচলাচল ঝুঁকিতে, জনভোগান্তি চরমে, নেই কোন উদ্যোগ।

    লাখাইয়ে বুল্লা বাজার টু গুনিপুর ভায়া সিংহগ্রাম সড়কে কালভারলাখাইয়ে ভাঙা কালভার্টে যানচলাচল ঝুঁকিতে, জনভোগান্তি চরমে, নেই কোন উদ্যোগ।

    লাখাইয়ে বুল্লা বাজার টু গুনিপুর ভায়া সিংহগ্রাম সড়কে কালভার্ট ভেঙে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে যানচলাচল, হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি।

    লাখাই উপজেলার স্থানীয় বুল্লা বাজার হইতে গুনিপুর সড়ক একটি ব্যস্ততম সড়ক। এ ব্যস্ততম সড়ক ব্যবহার করে উপজেলার করাব ইউনিয়নের গুনিপুর, আগাপুর, হরিনাকোনা, সিংহগ্রাম ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বিশাউরা, ব্রাম্মনডোরা এবং বি-বাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার দেওরত, ধরমন্ডল সহ বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার লোকজন নিয়মিত পন্য পরিবহন ও বুল্লাবাজার সহ দূরবর্তী গন্তব্যে গমনাগমন করে থাকে।

    বর্তমানে সড়কের প্রয়োজনীয় অংশে ব্রীজ, কালভার্ট নির্মিত হওয়ায় জনচলাচল ও যানচলাচলের পথ আরো সুগম হওয়ায় এ সড়কের গুরুত্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এরই মধ্যে বিগত দুমাসাধিকাল পূর্বে এ সড়কের সিংহগ্রাম দক্ষিণ মাঠের বরাং নামক স্থানের কালভার্টটির মাঝবরাবর ভেঙ্গে পড়ে। ফলে চলাচল বিঘ্নিত ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

    স্থানীয় গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত সংবাদ বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এ বিষয়ে অবগত করা হলেও কোন কার্যকরী পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

    এদিকে ঝুঁকি নিয়ে যানচলাচলের এক পর্যায়ে ঐ কালভার্ট সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ায় যানচলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন কালভার্টের স্থানে মাটি ভরাট করে কোনরকমে যানচলাচল সচল রাখে।

    এতে সামান্য বৃষ্টি হলেই স্থানটিতে কর্দমাক্ত হয়ে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া নিয়মিত যাত্রী নামিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানচলাচল করছে ভুক্তভোগীরা।

    অন্যদিকে আসন্ন বর্ষাকালে সড়ক সংলগ্ন সিংহগ্রামের দক্ষিণ মাঠে ঐ ভাঙা কালভার্ট মাটিভরাট থাকায় পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে সমন্বয়হীনতার ফলে জটিল আকারে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশংকা রয়েছে।

    তাছাড়া সম্প্রতি এ কালভার্ট দিয়ে সিংহগ্রামের দক্ষিণ মাঠে অবস্থিত সড়কের পশ্চিমাংশে বিস্তীর্ণ ফসলী জমির পানি নিষ্কাশনেও বিঘ্নের সৃষ্টি হচ্ছে। এমতাবস্থায় বৃষ্টিপাত বেশী হলে মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির চরম আশংকা রয়েছে।

    এতে করে চলমান মৌসুমে জমিতে বোনা আমন ধানের বীজ বপন ঝুঁকিতে পড়বে। এ অবস্থায় অতিদ্রুত কালভার্ট পুনঃসংস্কার করার জোর দাবী জানাচ্ছে ভুক্তভোগীরা।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ভেঙ্গে যাওয়া কালভার্ট সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কালভার্টি ভেঙে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে যানচলাচল, হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি।

  • বানিয়াচংয়ে পুকুরের ডুবে ২ বোনের মৃত্যু

    বানিয়াচংয়ে পুকুরের ডুবে ২ বোনের মৃত্যু

    আকিকুর রহমান রুমনঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর শিশু দুটিকে জড়াজড়ি অবস্থায় পাওয়া যায়। মর্মান্তিকভাবে শিশু দুটির মৃত্যুতে এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    শিশু দুটি বানিয়াচং উপজেলার দেশমূখ্য পাড়ার নূরমিয়ার শিশু কন্যা তাসপিয়া (৮) ও একই গ্রামের নুরফল মিয়ার শিশু কন্যা নুসরাত (৬)। ঘঠনাটি ঘটেছে আজ (১৬ জুন) বুধবার বিকাল ৫ টায়।

    এলাকাবাসী ও বানিয়াচং থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৩নং দক্ষিন-পূর্ব ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দেশমূখ্য পাড়া গ্রামের আপন দুই ভাই নুরমিয়া ও নুরফল মিয়া‘র দুই শিশুকন্যা তাসপিয়া ও নুসরাত। আপন চাচাতো বোন হওয়ায় তারা দুজন ঘোরাফেরা, খেলা করা সহ সব কিছুই একসাথে করতো।

    তাসপিয়া সাতার জানলেও সাতার জানতো না নুসরাত। সকলের অগোচরে বাড়ির পিছনের পুকুরে শিশু দুটি গোসল করতে যায়।ৎ

    অনেক সময় খোজাখোজি করে ও তাদেরকে না পেয়ে পুকুরের ঘাটে জামা দেখে পানির নীচে খোজে লাশ উদ্ধাার করা হয়।

    শিশু দুটির লাশ উদ্ধার করার সময়ও একজন অপর জনকে জড়াজড়ি করে রেখেছিলো। এ রকম হৃদয়বিদারক মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে এলাকার মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ এমরান হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান,ঘটনাটি মর্মান্তিক।শিশু দুটির পরিবার ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফনের জন্য আবেদন করেছে।

    এ রিপোর্ট লেখার সময় ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত হয় নাই।

  • মাধবপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    মাধবপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে লামিয়া বেগম নামে দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    বুধবার দুপুর একটার দিকে উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সোয়া বই গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    লামিয়ার পরিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে অন্য শিশুদের সাথে লামিয়া খেলতে বের হয়। কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে সবাই খুঁজতে থাকে এবং অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পুকুরে তার লাশ ভাসতে দেখেন।

    পরে তাকে তুলে স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শিশু লামিয়া সোয়া বই গ্রামের দুলাল মিয়ার মেয়ে।

    ধর্মঘর ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল ইসলাম ইসলাম কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

  • নবীগঞ্জের হৈবতপুরে বিদ্যালয় না থাকায় বিপদগামী হচ্ছে শিশু-কিশোর

    নবীগঞ্জের হৈবতপুরে বিদ্যালয় না থাকায় বিপদগামী হচ্ছে শিশু-কিশোর

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের হৈবতপুর, লস্করপুরসহ আশপাশের গ্রামে প্রায় ৪ হাজার মানুষের বসবাস। হৈবতপুর গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষাখাত থেকে পিছিয়ে পড়ছে ওই এলাকার মানুষ। এর ফলে বিপদগামী হচ্ছে শিশু-কিশোর ও যুবসমাজ।

    প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য বিভিন্নস্থানে ঘুরেঘুরেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এ বিষয়ে অবগত হওয়ার পর প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

    জানা যায়, উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে অবস্থিত হৈবতপুর, লস্করপুর গ্রাম। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে হৈবতপুর গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির আকুতি জানিয়ে আসছেন ওই এলাকার লোকজন।

    কিন্তু বার বার আবেদন জানালেও তারা কর্ণপাত করেনি। গ্রামগুলোর প্রায় ৪ শতাধিক শিক্ষার্থীরা দূরবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে লেখাপড়া করেন। এরফলে ঝরে পড়ছে অনেক শিক্ষার্থী।

    হৈবতপুর গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণে স্থানীয়দের অপ্রাণ চেষ্টার ফলে ১৯৯৮ সালে ৩৩ শতক জায়গা বিদ্যালয়ের নামে দান করা হয়। কিন্তু বিদ্যালয় স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

    হৈবতপুর গ্রামের মুরুব্বি আব্দুল ওয়াহিদ জানান, বয়স অনেক হলো, বৃদ্ধ হয়ে গেছি, এই গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য অনেক মানুষের দ্বারে-দ্বারে গেছি কিন্তু তার প্রেক্ষিতে পেয়েছি শুধু আশ্বাস কাজের কাজ কিছুই হয়নি, স্থাপিত হয়নি বিদ্যালয়। মৃত্যুর আগে এই গ্রামে একটি বিদ্যালয় দেখে যেতে চাই। এব্যাপারে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

    আরো পড়ুনঃ নবীগঞ্জে তরুণ বক্তা আদনান ও তার সহযোগীদের নিখোঁজের প্রতিবাদে ও সন্ধানের দাবীতে মানববন্ধন

    শিশু মিয়া নামে এক অভিভাবক জানান, আমাদের গ্রামে স্কুল না থাকায় পাশ্ববর্তী দেবপাড়া ইউনিয়নের গোপলার বাজারে আমার সন্তানকে ভর্তি করতে নিয়ে গেলে শিক্ষকরা জানান, অন্য ইউনিয়নের ছাত্র ভর্তি করার কোনো আইন নেই এর ফলে আমার সন্তানসহ হৈবতপুর গ্রামের অনেক শিশু-কিশোর ঝড়ে পড়ছে। শিক্ষার অভাবে শিশু-কিশোর ও যুবসমাজ বিপদগামী হচ্ছে।

    ওই গ্রামের শিশু মিয়া জানান, আশপাশে স্কুল না থাকায় প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে ফুটারমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমার মেয়ে ভর্তি করেছিলাম। অনেক সময় বৃষ্টি হলে রাস্তার বেহাল দশা হয়ে যায় এ জন্য ২ কিলোমিটার দূর স্কুলে যাওয়া সম্ভব হয়না। দ্বিতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করে অনেক দূর স্কুল হওয়া আমার মেয়ে পড়ালেখা ছেড়ে দেয়।

    ওই এলাকার আব্দুর রহিম নামের ব্যক্তি জানান, হৈবতপুর গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপন হলে সু-শিক্ষা গ্রহণ করে একটি সুন্দর সমাজ গঠন করতে পারবে এই এলাকার শিশু কিশোর।

    ইতোমধ্যে হৈবতপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য এলাকাবাসী গণস্বাক্ষর সহকারে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

    এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, হৈবতপুর গ্রামে একটি স্কুল প্রয়োজন। উধ্বতর্ন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে বিষয়ে যা করণীয় আমি করবো।

    নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন বলেন, হৈবতপুর গ্রামে বিদ্যালয় নেই বিষয়টি আমি পূর্বে অবগত ছিলাম না। আমি এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

    এ প্রসঙ্গে জানতে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এলাকাবাসীর আবেদন করেছেন এর প্রেক্ষিতে ওই এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনে যথাযথ প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

  • নবীগঞ্জে তরুণ বক্তা আদনান ও তার সহযোগীদের নিখোঁজের প্রতিবাদে ও সন্ধানের দাবীতে মানববন্ধন

    নবীগঞ্জে তরুণ বক্তা আদনান ও তার সহযোগীদের নিখোঁজের প্রতিবাদে ও সন্ধানের দাবীতে মানববন্ধন

    তরুণ ইসলামী আলোচক আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান ও তাঁর ৩ সহযোগী নিখোঁজ হওয়ার প্রতিবাদে ও সন্ধানের দাবীতে নবীগঞ্জ উপজেলায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার জনতার বাজারে দিনারপুর পরগণার সচেতন তরুণ সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে বক্তব্য রাখেন, মুফতি খাইরুল জহির, আলাউর রহমান বামচি, বদরুল ইসলাম, তানজিম আহমেদ, মোজাম্মেল আহমেদ, সাখাওয়াত চৌধুরী তায়েম, সাব্বির চৌধুরী, শাহ সোহান আহমেদ, অমি চৌধুরীসহ আরও অনেকেই।

    মানববন্ধনে বক্তারা, অবিলম্বে তরুণ বক্তা আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনানসহ তাঁর ৩ সহযোগীকে খুঁজে বের করে তাদের পরিবারের মাঝে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন।

  • হবিগঞ্জে তথ্য ভিত্তিক বিকেন্দ্রিকরণ কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জে তথ্য ভিত্তিক বিকেন্দ্রিকরণ কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

     

    হবিগঞ্জে তথ্য ভিত্তিক বিকেন্দ্রিকরণ বিষয়ক কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    মঙ্গলবার (১৬জুন) সকাল ১০টায় জেলা সদর হাসপাতাল কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাঃ এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান।

    স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উদ্দোগে এবং ইউএসএআইডি-র অর্থায়নে মামনি এমএনসিএস প্রকল্প সীমান্তিকের বাস্তবায়নে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর হাসপাতাল সুপার ডাঃ হেলাল উদ্দিন, গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ আরশেদ আলী, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ আশরাফ উদ্দিন, মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) ডাঃ আকলিমা তাহেরী, সেইভ দা চিলড্রেন এর জেলা ব্যবস্থাপক রওশন আরা বেগম, ম্যানেজার এমআইএস শাকিল আহমেদ খান, সীমান্তিক হবিগঞ্জ জেলা সমন্বয়কারী দিলীপ চন্দ্র দাস প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে গ্রুপ ওর্য়াক করছেন অংশগ্রহণকারীরা।
    অনুষ্ঠানে গ্রুপ ওর্য়াক করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

    এসময় হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স এবং মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ডাক্তার, নার্স এবং অন্যান্য স্টাফদের সমন্বয়ে আগামী ১বছরের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরী করেন, যাতে করে স্বাস্থ্য সেবার মান আরো উন্নয়ন করা যায়।