Category: হবিগঞ্জ

  • চুনারুঘাটে সরকারী ত্রান পাচারের সময় চালের বস্তা উদ্ধার

    চুনারুঘাটে সরকারী ত্রান পাচারের সময় চালের বস্তা উদ্ধার

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সরকারী ত্রান পাচারের সময় ৬০০ কেজি চালের বস্তা উদ্ধার করেছে রেপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯ হবিগঞ্জ সিপিসি-১ এর একটি টিম৷

    ৬ জুলাই মঙ্গলবার চুনারুঘাট উপজেলার ১০ নং মিরাশি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড এলাকা থেকে র‌্যাব (RAB) হবিগঞ্জ সিপিসি-১ এর কমান্ডার ল্যাফটানেন্ট কমান্ডার নাহিদ হাসান ও সিনিয়র এএসপি কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বে একটি টিম ভিজিএফ এবং সরকারি ত্রাণ সহায়তার আত্নসাৎকৃত ৬০০ কেজি চাল (চোরাচালানের সময়) উদ্ধার করে৷

    এসময় পাচারকারী চান মিয়ার পুত্র কাউসার মিয়া (৩৫) পালিয়ে যায়৷ পলাতক কাউসারকে আসামী করে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

  • নবীগঞ্জে লকডাউনে জমে উটেছে পশুর হাট!

    নবীগঞ্জে লকডাউনে জমে উটেছে পশুর হাট!

    দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের নির্দেশিত  কঠোর লকডাউনের মাঝেও জমে উঠেছে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার  সালামতপুরস্থ পৌর পশুর হাট। সেখানে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি। ক্রেতা-বিক্রেতারা মাস্ক বিহীন অবস্থায় অবাধে পশু কেনাবেচা করছেন। এতে করোনা সংক্রামনের ঝুঁকি রয়েছে। যদিও ইজারাদার শহরে মাইকিং করে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পশুর হাট বসার ঘোষণা দিলেও বাস্তবে এর কোন মিল পাওয়া যায়নি।

    মঙ্গলবার ( ৬ই জুলাই) সকাল থেকেই নবীগঞ্জ শহরতলীর সালামতপুর এলাকায় বসে পৌর পশুর হাট। সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষের উপচে পড়া ভীড়।

    সারাদেশের ন্যায় লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য বিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নেয়া হচ্ছে শাস্তি মুলক ব্যবস্থা ও আর্থিক জরিমানা।

    প্রতিদিনই উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। কঠোর এই লকডাউনের মাঝে খোদ নবীগঞ্জ পৌর পশুর হাটে গরুর বাজার বসানোকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষসহ পার্শ্ববর্তী সালামতপুর গ্রামবাসীর মাঝে করোনা সংক্রামনের আতংকে রয়েছেন। কয়েক হাজার ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি ঘটেছে উক্ত বাজারে। এদের বেশীরভাগের মুখে মাস্ক নেই। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নেই কোন ভুমিকা। নীরব রয়েছেন পৌর কর্তৃপক্ষ। বিশেষজ্ঞরা জানান, যেখানে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে লোক সমাগম বেশী, সেখানেই করোনা সংক্রামন বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে। এছাড়া প্রতিদিনই নবীগঞ্জে ৪/৫ জন করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হচ্ছে।

    মঙ্গলবার ১৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করলে ৬ জনের করোনা পজেটিভ আসে। ইতিমধ্যে গত এক সপ্তাহে ২৯ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৭ জন হাসপাতালে ও বাকীরা বাড়িতে আইনোলেশনে রয়েছেন।

  • মাধবপুরে লকডাউন বাস্তবায়নে ৬ষ্ঠ দিনেও কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

    মাধবপুরে লকডাউন বাস্তবায়নে ৬ষ্ঠ দিনেও কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

    সরকার ঘোষিত ১৪ জুলাই পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউনের ষষ্ঠ দিন আজ মঙ্গলবার। গত ১ জুলাই সাত দিনব্যাপী কঠোর লকডাউন শুরুর ভেতরেই করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটলে সোমবার (৫ জুলাই) নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সময়সীমা আরও সাত দিন বাড়ানো হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল হবিগঞ্জ মাধবপুর পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও সড়কগুলোতে টহল দিতে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। এছাড়াও যানবাহন ও মানুষ চলাচল নিয়ন্ত্রণে মাধবপুরে প্রবেশদ্বারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পুলিশ চেকপোস্টে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
    জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অযৌক্তিক কারণে বের হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করছেন।

    এ ছাড়া জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিতরা পরিচয়পত্র দেখানো ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তল্লাশির সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে তারা তাদের গন্তব্যে বা কর্মস্থলে যেতে পারছেন।

    করোনা থেকে বাঁচতে হলে আগে সচেতন হতে হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ মহিউদ্দিন, তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষে একা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এটা একটা কঠিন কাজ।

    তবুও পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি,র্যাব মাঠে কাজ করে যাচ্ছে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য। নিজেরা সচেতন হলেই কঠিন এই সময়ে বেঁচে থাকা সম্ভব।

    মাধবপুর উপজেলায় কঠোর লকডাউন কার্যকর করতে পুলিশ, বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।

    মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সকাল থেকে উপজেলায় সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মোঃ মহিউদ্দিন নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, পুলিশ সদস্যদের নিয়ে টহল দিতে দেখা গেছে।

    এদিকে মঙ্গলবার লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ মেজিস্ট্রেট মোঃ মহিউদ্দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১৪ টি মামলা করা হয় এবং ২ হাজার ৮ শ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

  • হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্দোগে আবু জাহির এমপির রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্দোগে আবু জাহির এমপির রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্দোগে প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য এবং হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এবং তার সহধর্মীনির রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    মঙ্গলবার (৬জুলাই) বেলা ২টায় হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মসজিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্দোগে আবু জাহির এমপির রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ

    দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ পৌর মেয়র ও জেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ আতাউর রহমান সেলিম, প্রেসক্লাব সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, সাবেক সভাপতি এডভোকেট মনসুর উদ্দিন ইকবাল, সাবেক সভাপতি এডভোকেট শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সভাপতি এডভোকেট রুহুল হাসান শরিফ, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাসেল চৌধুরী, হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি শাকিল চৌধুরী প্রমুখ।

    এসময় এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি তার সহধর্মিণী এবং জেলা প্রশাসকসহ দেশ ও জাতির কল্যানে ও রোগ মুক্তির কামনা মোনাজাত করা হয়।

  • বানিয়াচংয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত

    বানিয়াচংয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত

    দি‌লোয়ার হোসাইন: মঙ্গলবার ৬ জুলাই বেলা সাড়ে এগারোটায় হবিগঞ্জ-বানিয়াচং কালারডুবা হইতে বানিয়াচং থানা পর্যন্ত প্রায় ৩ শতাদিক ঔষধি, ফলজ ও কাঠ জাতীয় বৃক্ষরোপন করা হয়।

    বৃক্ষরোপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহ (বিপিএম, পিপিএম)।

    আরো উপস্থিত ছিলেন বানিয়াচং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে, বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন, বানিয়াচং থানার ওসি তদন্ত প্রজিত কুমার, ১০ নং ইউপি চেয়ারম্যান জয়দেব কুমার দাস, সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন, এস এম সুরুজ আলী, আক্তার হোসেন, আল হাদীসহ প্রমুখ।

    বৃক্ষ মধ্যে কৃষ্ণচুরা, সোনালু, কাঞ্চন, একাশি, শিল কড়ই, পুলিশ ফাড়িতে সুপারী গাছসহ নানান জাতের ঔষধি, ফলজ ও কাঠের গাছ লাগানো হয়।

  • হবিগঞ্জে টিসিবির মালামালে স্বস্থি সাধারণ মানুষের মাঝে, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

    হবিগঞ্জে টিসিবির মালামালে স্বস্থি সাধারণ মানুষের মাঝে, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

    ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) হবিগঞ্জে ন্যার্যমূল্যে মালামাল বিক্রি শুরু করেছে। মহামারী করোনা প্রতিরোধের লক্ষে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের সময় এসব পণ্য হাতের কাছে পাওয়াতে সাধারণ মানুষ নিচ্ছে স্বস্থির নিঃশ্বাস।

    সোমবার (৫জুলাই) থেকে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাক দিয়ে এসব পণ্য বিক্রি শুরু হয়। তবে এসব পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় চিটি দিয়ে সহযোগীতা চাওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

    সরেজমিন দেখা যায়, ন্যার্যমূল্যে এসব মালামাল ক্রয় করতে গাদাগাদি করে সাধারণ মানুষের দীর্ঘ লাইন। পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও নেই মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি পালনের তেমন কোন চিত্র। এতে করে একজন থেকে আরেকজন সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

    সচেতন মহল মনে করে, প্রশাসনের পাশাপাশি পণ্যবিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টদেরকে এবিষয়ে আরো সচেতন এবং সক্রিয় হতে হবে।

    এবিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আমেনা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সোমবার থেকে টিসিবির মালামাল বিক্রি শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি পালনের জন্য আমরা স্থানীয় পুলিশের সহায়তা চেয়েছি। বিষয়টি এখন থেকে আমরা আরো গুরুত্ব দিয়ে দেখব।

  • লাখাইয়ে শ্যালকের আঘাতে দুলাভাই নিহত

    লাখাইয়ে শ্যালকের আঘাতে দুলাভাই নিহত

    লাখাই উপজেলার ধর্ম পুর গ্রামে জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে সালিশ বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পথে শালক নুর আলম ও শাহ আলমের আঘাতে গুরুতর আহত হন দুলাভাই আব্দুল হাই (৫০)। আহত আব্দুল হাই কে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য তাকে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

    কর্তব্যরত চিকিৎসকরা অবস্থা গুরুতর দেখে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে আর উন্নত চিকিৎসার জন্য আহতকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় গত ৪ জুলাই রবিবার দিন গত রাত বারোটার সময় আব্দুল হাই মারা যান।

    অভিযুক্ত নুর আলম ও শাহ আলম ধর্মপুর গ্রামের মৃত কালা মিয়ার পুত্র। নিহত আব্দুল হাই একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত আরজত আলীর পুত্র।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত আব্দুল হাই এর সাথে জমিজমা ও লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নুর আলম ও শাহ আলমের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। গত ৩০ জুন ওই বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ধর্মপুর গ্রামের চক বাজার নামক স্থানে সালিশ বৈঠক হয়।

    আপোষ না হওয়ায় সালিশ থেকে বাড়ি ফেরার পথে আব্দুল হাই এর সাথে তার শালা নুর আলমের সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে নুর আলমের আঘাতে আব্দুল হাই (৫০) গুরুতর আহত হন।

    এ ব্যাপারে নিহত আব্দুল হাই পুত্র আব্দুর রউফ জানান, জমিজমা টাকা-পয়সার লেনদেন জনিত ব্যাপার কে কেন্দ্র করে নুর আলম ও শাহ আলম এর হামলায় আমার পিতা আহত হলে চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

    এ বিষয়ে লাখাই থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মহিউদ্দিন সুমন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নুর আলোমের আঘাতে আব্দুল হাই (৫০) আহত হয়ে মারা গেছে বলে আমাদেরকে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা করা হয়নি হলে জানাবো।