Category: হবিগঞ্জ

  • লাখাইয়ের বুল্লাবাজারে নেই বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা, নির্বিকার সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ

    লাখাইয়ের বুল্লাবাজারে নেই বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা, নির্বিকার সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ

    লাখাই উপজেলার প্রাণকেন্দ্র খ্যাত ক্রমবর্ধমান বুল্লাবাজারে প্রায় পাঁচ শতাধিক ছোটবড় ব্যবসা প্রতিষ্টান রয়েছে। এছাড়া রয়েছে কাঁচা বাজার, মাছের বাজার ও বাঁশের হাট। বাজারে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উৎপাদনমুখী ছোট ছোট কারখানাও।

    এ সকল দোকান, কারখানা, শাকসবজি, ফলের দোকান, মৎস্য বাজারের নানা ধরনের আবর্জনা ফেলার জন্যে নেই কোন সুনির্দিষ্ঠ স্থান। তাই দোকানীরা যে যার মতো করে আবর্জনা, অব্যবহৃত দ্রব্যাদি যত্র তত্র ফেলে থাকে।

    কেউবা বাজারের পাশদিয়ে বয়ে চলা সুুতাং নদীতে, কেউবা প্বার্শবর্তী খালে, বাজারের প্রবেশ পথের পাশেও আবর্জনা ফেলছে। দীর্ঘদিন যাবৎ বাজারের বিভিন্ন স্থান ময়লা আবর্জনা ফেলে স্তূপীকৃত করে রাখলেও তা অপসারনের কোন কার্যকরী উদ্যোগ লক্ষনীয় নয়।

    এভাবে বছরের পর বছর ময়লা আবর্জনা জমতে জমতে এ স্থানগুলো যেন আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। আর এসব আবর্জনার ভাগাড় থেকে প্রতিনিয়ত দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দূষিত হচ্ছে বাজারের পরিবেশ। এমন দুর্গন্ধময় স্থানে চলাচলে ক্রেতাসাধারণের নাকেমুখে রুমাল দিয়ে চলতে হচ্ছে।

    বাজারের এমন বেহাল অবস্থায় ক্রেতা বিক্রেতাদের ভোগান্তি চরমে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যেন তা দেখার কেউ নেই। এদিকে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক ও অলি-গলি গুলো নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং ঝাড়ু দেওয়ায় বিধান থাকলেও নেই কোন ঝাড়ু ধার।

    সরেজমিন বুল্লাবজার পরিদর্শনে দেখা যায় বাজারের শাহবায়েজিদ সড়কের আমিন মার্কেট সংলগ্ন পূর্বপাশে, সিংহগ্রাম সড়কের পশ্চিমাংশের খালে, ধানহাটের ঘাটলার সন্নিকটে, মাল্টি পারপাস সেডের সামনে, উইমেনস্ কর্নারের পাশে, গনশৌচাগারের সন্নিকটে ময়লা আবর্জনা স্তূপীকৃত রয়েছে। এতে তীব্র দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

    এছাড়াও বাজারের অভ্যন্তরীন সকল রাস্তায় ও অলি-গলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ময়লা আবর্জনা।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুসিকান্ত হাজং এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, বাজারের ইজারাদারের দায়িত্ব বাজার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। নিয়মিত ঝাড়ু দেওয়ার ব্যাবস্থা করা। আমি বিষয়টি দেখছি।

  • হবিগঞ্জে লকডাউনের এক সপ্তাহ: ৬৯৫ ব্যক্তিকে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা

    হবিগঞ্জে লকডাউনের এক সপ্তাহ: ৬৯৫ ব্যক্তিকে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা

    কঠোর লকডাউন ও সরকারি বিধি নিষেধ প্রতিপালন করতে হবিগঞ্জ সদরসহ ৯ টি উপজেলায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন।

    ১ জুলাই থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত জেলা সদর ও প্রত্যেকটি উপজেলায় জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর টহল অব্যহত রয়েছে।

    জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলের দায়িত্বে নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম জানিয়েছেন ১ জুলাই থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত বিগত এক সপ্তাহে হবিগঞ্জ জেলায় মোট ১০৪ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। ৬৯৫ জন ব্যক্তিকে ৫,৮৭,৭০০ (পাঁচ লক্ষ সাতাশি হাজার সাতশ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

    আরো পড়ুনঃ

    হবিগঞ্জে লকডাউনের ৮ম দিনে ৪৩ ব্যক্তিকে ২৩,৬০০ হাজার টাকা জরিমানা

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আকস্মিক জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন

    আজমিরীগঞ্জে মুজিববর্ষের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে দেখা দিয়েছে ফাটল

    জেলা সদরসহ কঠোর লকডাউন কার্যকর করতে জেলার নবীগঞ্জ, বাহুবল, শায়েস্তাগঞ্জ, লাখাই, চুনারুঘাট, মাধবপুর, আজমিরীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলায় পুলিশ, আনসার, র‌্যাব, বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করে কঠোর লকডাউন পালনে টহল জোরদার অব্যাহত করা হয়েছে৷

    বিভিন্নস্থানে দোকানপাট খোলা রাখায় ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সরকারি বিধি নিষেধ অমান্য করায় অর্থদণ্ড করা হচ্ছে৷

  • হবিগঞ্জে নতুন করে ৪৬ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত

    হবিগঞ্জে নতুন করে ৪৬ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত

    হবিগঞ্জ জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ১৩০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। যার হার ৩৫.৩৮%।

    হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন (৮ জুলাই) বৃহস্পতিবার রাত ১১.৫০ এ বিষয়টি জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ২০ জন, মাধবপুরে ৮ জন, নবীগঞ্জে ৭ জন, বাহুবলে ৬ জন, চুনারুঘাটে ২ জন এবং লাখাই, বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জে ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

    মোট আক্রান্ত হয়েছে ৩০৪৮ জন। এবং সুস্থ হয়েছে ২১১৮ জন, মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের।

  • হবিগঞ্জে আরো ৫১ জন আক্রান্ত ।। সনাক্তের হার ৩৩.১%

    হবিগঞ্জে আরো ৫১ জন আক্রান্ত ।। সনাক্তের হার ৩৩.১%

    গতকাল ৭ জুলাই বুধবার হবিগঞ্জ জেলায় নতুন করে আরো ৫১ জন করোনায় সনাক্ত হয়েছেন। তার মধ্যে হবিগঞ্জ সদরে ২৫ জন,চুনারুঘাটে ৪জন,লাখাইয়ে ২জন,নবীগঞ্জে ৫ জন,বানিয়াচংয়ে ৬জন,বাহুবলে ৪জন ও মাধবপুরে ৫ জন শনাক্ত হয়েছেন৷

    এ পর্যন্ত জেলায় মোট আক্রান্ত ৩০০২ জন,সুস্থ ২১১৮ জন,মৃত্যু ২২ জন।

    গতকাল ১৫৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সনাক্তের হার ছিলো ৩৩.১% ।

    খবরটি হবিগঞ্জ নিউজকে নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোখলিছুর রহমান উজ্জ্বল৷

  • সদরে লকডাউনের ৭ম দিনে মোবাইল কোর্টের মামলা ও জরিমানা

    সদরে লকডাউনের ৭ম দিনে মোবাইল কোর্টের মামলা ও জরিমানা

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় সরকারের কঠোর লকডাউনের ৭ম দিনে ২টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মামলা ও জরিমানা আদায় করা হয়।

    বুধবার (৭ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বর্ণালী পাল এবং অপর একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

    দিনব্যাপি ২টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে ৮টি মামলা দায়ের করা হয়। এসময় তাদেরকে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল আইন, ২০১৮ এর ২৫ ধারায় ৪ হাজার ৩শত টাকা জরিমানা করা হয়।

    মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সেনাবাহিনী এবং পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহয়তা প্রদান করেন।

  • লকডাউনের ৭ম দিনে জেলায় ৪৭ জনকে জরিমানা

    লকডাউনের ৭ম দিনে জেলায় ৪৭ জনকে জরিমানা

    লকডাউনের ৭ম দিনে হবিগঞ্জে কোভিড -১৯ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য বিধি পালনের লক্ষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং পুলিশের টহল এবং ভ্রাম্যমাণ মোবাইল কোর্ট অব্যাহত ছিল।

    বুধবার (৭ জুলাই) জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সেনা, বিজিবি এবং পুলিশের টহল ছিল চোখে পড়ার মত।

    এসময় হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল নিয়ে অযথা ঘোরাঘুরি এ মাস্ক ব্যবহার না করায় বিভিন্নজনকে শাস্তি প্রদান করা হয়। অন্যদিকে যারা শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে ঝাটলা বেধে যারা আড্ডা দেয় তাদেরকে কঠোর সর্তক করা হয়।

    এদিকে জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, সমগ্র জেলায় বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ৭টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৪৭ জন ব্যক্তিকে মোট ৩৪ হাজার ৩শত টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

  • সদর উপজেলার পক্ষ থেকে মসজিদ ও মন্দিরে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

    সদর উপজেলার পক্ষ থেকে মসজিদ ও মন্দিরে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

    বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে করোনা মহামারী প্রতিরোধের লক্ষে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মাস্ক ও স্যানেটাইজার বিতরণ করা হয়।

    বুধবার (৭জুলাই) হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে এসকল মাস্ক ও স্যানেটাইজার বিতরণ করা হয়।
    এসময় হবিগঞ্জ পৌরসভার ৭৫ টি মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের হাতে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানেটাইজার তুলে দেওয়া হয়।
    একই সময় সদর উপজেলার ৭টি মন্দিরে স্বাস্থবিধি মেনে চলার জন্য মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের হাতে মাস্ক ও স্যানেটাইজার তুলে দেওয়া হয়।

    সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল, ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান আউয়াল প্রমুখ।

    এসময় বিভিন্ন মসজিদে ইমামগণ বলেন, আমরা সরকারের পাশাপাশি করোনা মহামারী প্রতিরোধের লক্ষে নামাজের সময় সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা এবং নিয়মিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য জনসাধারণকে সচেতন করে থাকি।