Category: হবিগঞ্জ

  • নবীগঞ্জে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান ৪ মামলা ও ১৩ হাজার টাকা জরিমানা

    নবীগঞ্জে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান ৪ মামলা ও ১৩ হাজার টাকা জরিমানা

    নবীগঞ্জে লকডাউনের ৭ম দিনে উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে মাস্ক পরিধান না করা এবং সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করার দায়ে ৪ টি মামলা ও ১৩ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বুধবার (৭জুলাই) সকালে নবীগঞ্জ পৌর এলাকার বিভিন্ন বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার দাশ। অভিযানে সহযোগিতা করেন সেনাবাহিনীর একদল সেনা সদস্য।

    করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে জরুরী পণ্যর দোকান পাঠ খুলার নির্দেশ দেয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। কিন্তু অনেকেই সেটি মানছেন না।

    তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি ) উত্তম কুমার দাশ।

  • হবিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা প্রদান

    হবিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা প্রদান

    করোনা ভাইরাসজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্থ ও দুস্থদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা প্রদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে হবিগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্থ ও দুস্থদের মাঝে চাল, তেল ও অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    বুধবার (৭জুলাই) সকালে হবিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

    জেলা প্রশাসক (রুটিন দায়িত্বে) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিন্টু চৌধুরীর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া।

    এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, উপপরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর শাহ জহুরুল হোসেন প্রমুখ।

    উক্ত অনুষ্ঠানে ৪৮ জন ক্ষতিগ্রস্থ ও দুস্থদের প্রত্যেককে ৫ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ১ লিটার তেল, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি, ৫০০ গ্রাম সুজি প্রদান করা হয়।

  • মাধবপুরের সৌদি প্রবাসী স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী পলাতক

    মাধবপুরের সৌদি প্রবাসী স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী পলাতক

    হবিগঞ্জ হবিগঞ্জের মাধবপুরে সৌদি আরব ফেরত স্ত্রীকে কুপিয় হত্যা করেছে স্বামী। মঙ্গলবার (৬ জুলাই) রাত ১ টার দিকে উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামে খুনের এ ঘটনাটি ঘটে।

    নিহত পারভিন আক্তার (৩৫) তিনি মাহমুদপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে। প্রায় ৭ বছর আগে পারভিনের সঙ্গে তার খালাত ভাই পার্শ্ববর্তী নাসিরনগর উপজেলার চান্দেরপাড়া গ্রামের রেণু মিয়ার ছেলে তকদির হোসেন (৪০) এর বিয়ে হয়।

    বিয়ের পর থেকে তকদির শশুর বাড়িতেই থাকতেন। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।

    জানা যায়, পারিবারিক আর্থিক সচ্ছলতার জন্য বিয়ের কয়েক বছর পর পারভিন সৌদি আরবে পাড়ি জমান। প্রায় দেড় মাস আগে পারভিন সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরত আসেন। দেশে আসার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই বাগবিতণ্ডা হত।

    গতকাল রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে পারভিন তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরে ঘুমাতে চলে যান। রাত আনুমানিক ১টার দিকে স্বামী তকদির হোসেন তার স্ত্রী পারভিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

    পরে পারভিনের বাচ্চাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ঘুম থেকে উঠে পারভিনের ক্ষত বিক্ষত মরদেহ দেখতে পেয়ে।

    রাতেই পারভিনকে উদ্ধার করে দ্রুত মাধবপুর উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছেন।

    মাধবপুর থানার (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। এদিকে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলেও জানান ওসি।

  • নবীগঞ্জের ফাতেহা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

    নবীগঞ্জের ফাতেহা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার চাঞ্চল্যকর ফাতেহা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী রাজু কারাগারের অধিনস্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ০৬ জুলাই (মঙ্গলবার) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেছে।

    হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে দীর্ঘ ২৩ মাস ২৮দিন কারাভোগ করেছিলো এই রাজু।

    নিহত রাজু আহমেদ নবীগঞ্জ পৌর এলাকার আনমানু গ্রামের মৃত আব্দুল খালিকের ছেলে।

    জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলায় ২০০২ইং সনের আগষ্ট মাসে(ফাতেহা বেগম) নামের ৬ মাসের অন্তসত্ত্বা গৃহবধূকে গনধর্ষণ করে শ্বাসরোদ্ধ করে হত্যা করা হয়। তৎকালীন সময়ে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের ঘটনায় নবীগন্জ থানায় একটি মামলা হয়। মামলাটি নিয়েও ছিলো অনেক নাটকীয় জটিলতা। অবশেষে মামলাটি চলে আসে সিআইডির কাছে। পরে সিআইডি’র তদন্ত কার্যক্রমে সবকিছু বেড়িয়ে আসে।

    তারপর বিজ্ঞ আদালত এই মামলার সবকিছু পর্যালোচনা করে ৪ জনকে যাবজ্জীবন,২ জনকে ১ লাখ টাকা করে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদন্ড সাজা প্রদান করেন।

    এছাড়াও ২ জন আসামীকে বেকসুর খালাস করে দীর্ঘ ১৭ বছর পর রায় প্রদান করে মামলাটি শেষ করা হয়।

    এরপর থেকেই হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে নিহত রাজু সহ অপর সকল আসামীদের বন্দি জীবন শুরু হয়।

    এদিকে হঠাৎ রাজু অসুস্হতা বোধ করলে তাৎক্ষণিক জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ অসুস্থ অবস্থায় রাজুকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ১ লা জুলাই রাজু আহমদকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে কারা কর্তৃপক্ষ।

    সেখানেই চিকিৎসা চলাকালীন অবস্হায় (মঙ্গলবার) সকালে মারা যায় রাজু।

    এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের মামলার এজাহার ও বিভিন্ন তথ্য সূত্র থেকে জানা যায়, ২০০২ইং সালের ২০ আগষ্ট রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় স্বামী-স্ত্রীর পূর্ব বিরোধ মিমাংসার কথা বলে ফাতেহাকে বাবার বাড়ি থেকে জনৈক বাবুল মিয়ার বাড়িতে নেওয়া হয়। নিহত গৃহবধূ ফাতেহা নবীগঞ্জ পৌর এলাকার হরিপুর গ্রামের আরব আলীর মেয়ে। গৃহবধু ফাতেহা বেগম (২৪) কে যখন তার পিত্রালয় থেকে বিরোধ মিমাংসার জন্য নেওয়া হয়েছিল তখন তিনি ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলেও জানা যায়। এমন অবস্থাতে তার পাষন্ড স্বামী সাইদুল মিয়া ও অন্যান্য আসামীরা তাকে ফুঁসলিয়ে আসামী বাবুল মিয়ার বাড়ির কথা বলে নিয়ে যায়।

    কিন্তু সকল আসামীরা সেইদিন বাবুল মিয়ার বাড়ীতে না নিয়ে একটি নৌকায় উঠিয়ে তাকে নিয়ে যায় শাখাবরাক নামের এক নদীতে।

    সেই নদীতে নিয়ে নৌকার মধ্যেই তাকে জোরপুর্বক পালাক্রমে সবাই ধর্ষণ করে। পরে আসামীরা ফাতেহাকে শ্বাসরোদ্ধ করে হত্যা করে এবং মৃতদেহটি নদীর পাড়ে একটি ধান ক্ষেতে ফেলে চলে আসে।

    এই ঘটনার পরদিন ২১ আগষ্ট সকাল ১১টায় সংবাদ পেয়ে শাখাবরাক নদীর পাড় থেকে ফাতেহার মৃতদেহটি উদ্ধার করে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ এবং লাশটি থানায় নিয়ে আসেন তারা।

    এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নবীগঞ্জ থানায় নিহত ফাতেহার বোন রওশনারা বেগম, বাদী হয়ে ফাতেহার স্বামী সাইদুল হক, রাজু আহমদ, আব্দুল মন্নাফ,বাবুল মিয়া,আলাল মিয়া ও আব্দুল খালিকের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-২৭। তারিখ ২১/০৮/২০০২ইং।

    মামলা দায়েরের সাথে সাথে তড়িৎ গতিতে নিহত ফাতেহার স্বামী সাইদুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে সাইদুল হককে ব্যাপক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তখন তার স্বীকারোক্তিতে পুলিশ ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত নৌকাসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেন।

    এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব হিসেবে তখনকার সময়ের এসআই কামাল উদ্দিনকে নিয়োগ করেছিলেন থানার ওসি।

    মামলার আইও এসআই কামাল মিয়া ২০০২ইং সনের ১লা ডিসেম্বরে ৫ জন আসামীর বিরুদ্ধে চার্জসীট দাখিল করেন। এছাড়া এই নিহত রাজু আহমদকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন।

    এমন চার্জসীট দেখে মামলার বাদী এটার বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি দরখাস্ত প্রদান করেন।

    বিজ্ঞ আদালত নারাজির বিষয়টি আমলে নিয়ে হবিগঞ্জ সিআইডিকে এই মামলার পুনঃরায় তদন্তভারের দায়িত্ব প্রদান করেন।

    পরে দায়িত্ব পাওয়া সিআইডি পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা নিহত রাজুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জসীট দাখিল করেন।

    এদিকে চাঞ্চল্যকর গৃহবধু ফাতেহা হত্যাকান্ডের ঘটনায় ময়না তদন্তের রিপোর্টও চলে আসে। এই রিপোর্ট পর্যালোচনা করে ফাতেহার ৬ মাসের অন্তসত্তা ও হত্যার পূর্বে ধর্ষণের বিষয়টিরও সত্যতা পাওয়া যায় রিপোর্ট থেকে।

    পরবর্তীতে মামলার বিচার কার্যক্রম নিঃস্পত্তির জন্য হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলাটি স্থানান্তরিত হয়। যাহার নং নাঃশিঃ ১৩২৫/১৮।

    ঘটনার প্রায় দীর্ঘ ১৭ বছর পর হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-৩ এর বিচারক এই মামলার সকল কাগজপত্র, স্বাক্ষীদের জবানবন্দি,উভয় পক্ষের কৌশলীদের বক্তব্য পর্যালোচনা করেন।

    এবং ৮জুলাই সোমবার ২০১৯ ইং এই মামলাটির রায় প্রদান করা হয়।

    নিহত ফাতেহার স্বামী উপজেলার গহরপুর গ্রামের মকলিছ মিয়া ছেলে সাইদুল হক। পৌর এলাকার হরিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল নুরের ছেলে আব্দুল মন্নাফ। মৃত বজলা মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া এবং আনমনু গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে রাজু আহমদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, সাইদুল হক ও আব্দুল মন্নাফকে ১ লাখ টাকা করে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ১ বছর করে কারাদন্ড এবং অপর আসামী হরিপুর গ্রামের মৃত রয়মান আলীর ছেলে আলাল মিয়া ও মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে আব্দুল খালিককে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়।

    এদিকে যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত আসামী পক্ষের আত্মীয় স্বজনরা উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন বলে জানা গেছে।

  • হবিগঞ্জে নতুন করে ৩১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত

    হবিগঞ্জে নতুন করে ৩১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত

    ৬ জুলাই মঙ্গলবার হবিগঞ্জ জেলায় নতুন করে ৩১ জনের দেহে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে।

    সদরে ১৭জন, নবীগঞ্জ ৭জন, মাধবপুর ৪জন, বানিয়াচং ২জন ও বাহুবলে ১জন।

    এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ২৯৫১ জন,সুস্থ ২১১৭ জন,মৃত্যু ২২ জন। গতকাল সনাক্তের হার ছিলো ৪০.৭% ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোখলেছুর রহমান উজ্জ্বল৷

  • হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে জীবন চলে লাখাইয়ের এনাম মিয়ার

    হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে জীবন চলে লাখাইয়ের এনাম মিয়ার

    ‘আসেন ভাই আসেন, হাওয়াই মিঠাই খান” এভাবে ডেকে ডেকে ছেলেমেয়েদের আকৃষ্ট করে লাখাই উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের চল্লিশোর্ধ্ব এনাম মিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলার হাটবাজারে ও গ্রামে গ্রামে ঘুরে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

    এনাম মিয়া প্রতিদিন ঠেলা গাড়িতে ফেরি করে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে থাকে।

    পুরনো লোহা লক্কর সহ নানারকম ভাঙ্গারী মালের বিনিময়ে এবং নগদ টাকার বিনিময়ে সে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে। তার ঠেলা গাড়ি দেখা মাত্রই বিভিন্ন বয়সের ছেলেমেয়েরা ভাঙ্গারী বা নগদ টাকা নিয়ে তার সামনে ভিড় জমায়।

    এনাম মিয়া জানান আমি দীর্ঘ দিন যাবৎ এই হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করছি। এতে যা রোজগার হয় তাতে কোন রকমে সংসার চলে যাচ্ছে।

    এক সময় আমি রঙিন হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করতাম। একদিন এক স্কুলের সামনে মিঠাই বিক্রয় কালে একজন শিক্ষক আমাকে জানান, রং মেশানো মিঠাই স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর। সেই থেকে দীর্ঘ আট বছর যাবৎ রং বিহীন সাদা মিঠাই বিক্রি করছি।

    তিনি আরো জানান এই মিঠাই এভাবে বিক্রিতে আমার প্রতিদিন প্রায় ৭/৮ শত টাকা বিক্রি হয়ে থাকে। এতে যে লাভ হয় তাতে আমার ছয় সদস্যের পরিবারে ভরন পোষন কোনরকমে চলে যাচ্ছে।

  • মসজিদে জামাতে নামাজ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জরুরী বিজ্ঞপ্তি

    মসজিদে জামাতে নামাজ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জরুরী বিজ্ঞপ্তি

    বর্তমান করোনা মহামারী সময়ে মসজিদে জামাতের সহিত নামাজ এবং অন্যান্য বিষয়ে দিক নিদের্শনামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    মঙ্গলবার (৬জুলাই) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক জরুরী বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানিয়েছে।
    বিজ্ঞপ্তিতে জানানে হয়, করোনা মহামারী প্রতিরোধের লক্ষে সরকার বিভিন্ন প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় মসজিদে নামাজের সময় নিম্নোলিখিত বিষয়গুলো পালনের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, মসজিদে আগত সকল মুসল্লীকে বাধ্যতামুলক মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
    সুন্নত এবং নফল নামাজ নিজ বাসায় পড়ে আসতে হবে, শুধুমাত্র ফরজ নামাজ সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জামাতে পড়া যাবে।
    নামাজ শুরু হওয়ার পূর্বে মসজিদ জীবানুনাশক দ্বারা জীবানুমুক্ত করতে হবে।
    মসজিদের ভিতরে কোন ধরণের কার্পেট ব্যবহার করা যাবেনা।
    ওজু খানায় হাত ধোয়ার জন্য সাবান রাখতে হনে।

    মঙ্গলবার রাতে হবিগঞ্জ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক শাহ মোঃ নজরুল ইসলাম এই জরুরী বিজ্ঞপ্তি স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রেরণ করেন।