Category: হবিগঞ্জ

  • চুনারুঘাট থেকে কোটি টাকার কষ্টি পাথর উদ্ধার করেছে র‍্যাব

    চুনারুঘাট থেকে কোটি টাকার কষ্টি পাথর উদ্ধার করেছে র‍্যাব

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার দেওন্দি চা বাগানের কারখানার সামনের এলাকায় অভিযান ১ কেজি ওজনের কোটি টাকার উপরে মূল্যের একটি কষ্টি পাথর উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন র‍্যাব৷

    ৯ জুলাই শুক্রবার সকাল ১১ টায় র‍্যাব -৯ হবিগঞ্জ সিপিসি-১ এর সিইও লেঃকমান্ডার নাহিদ হাসান ও সিনিয়র এএসপি একেএম কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বে একটি টিম এই অভিযানটি পরিচালনা করেন৷

    এসময় দেওন্দি এলাকার মৃত রাম ভজন মৃধার ছেলে মহানন্দ মৃধা (৫১) কে আটক করে র‍্যাব। আটককৃতের বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে৷

  • রেড ক্রিসেন্ট হবিগঞ্জের উদ্যোগে বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যাকে সংবর্ধনা প্রদান

    রেড ক্রিসেন্ট হবিগঞ্জের উদ্যোগে বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যাকে সংবর্ধনা প্রদান

    বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি হবিগঞ্জ ইউনিটের উদ্যোগে হবিগঞ্জের বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বি.পি.এম, পি.পি.এম কে মানব সেবা ও শান্তি স্থাপনে অন্য অবদান রাখায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

    হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও রেড ক্রিসেন্ট হবিগঞ্জ ইউনিটের সেক্রেটারি আতাউর রহমান সেলিম এর সভাপতিত্বে ও রেড ক্রিসেন্ট হবিগঞ্জ ইউনিটের যুব প্রধান আশীষ কুমার কুরির সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক পৌর চেয়ারম্যন ও রেড ক্রিসেন্ট হবিগঞ্জ ইউনিটের সাবেক সেক্রেটারি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টিলিজেন্স (এন.এস.আই) এর উপপরিচালক আজমল হোসেন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি চৌধুরী মোঃ ফরিয়াদ, হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুক আলী, হবিগঞ্জ চেম্বার অফ কমার্স এর পরিচালক ও রেড ক্রিসেন্ট হবিগঞ্জ ইউনিটের কার্যনির্বাহী সদস্য মিজানুর রহমান শামীম, বিপ্লব রায় চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য ডাক্তার ইশতিয়াক রাজ চৌধুরী, সমাজ সেবক আব্দুল আউয়াল, পংকজ কান্তি পল্লব সাবেক যুব প্রধান, ছাত্রনেতা সাইদুর রহমান, সাংবাদিক সুরুজ আলী, সমাজ কর্মী বিপ্লব রায় সুজন।

    উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রেড ক্রিসেন্ট হবিগঞ্জ ইউনিটের যুব স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অথিতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কর্মের মাধ্যমে হবিগঞ্জবাসি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা’কে মনে রাখবে।

    রেড ক্রিসেন্ট হবিগঞ্জের উদ্যোগে বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যাকে সংবর্ধনা প্রদান

    অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি হিসেবে মেয়র আতাউর রহমান সেলিম বলেন, হবিগঞ্জের বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা দাঙ্গা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ও মানব সেবায় যে অবদান রেখেছেন তা হবিগঞ্জের ইতিহাসের অংশ হিসেবে তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। আমি উনার উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও পেশাগত সাফল্য কামনা করছি।

    অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, হবিগঞ্জ বাংলাদেশের মধ্যে ভৌগোলিক ভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা। হবিগঞ্জ জেলা প্রাকৃতিক ভাবে চমৎকার একটি জেলা এবং হবিগঞ্জের মানুষ অত্যন্ত সহজ-সরল। যেখানেই থাকি হবিগঞ্জের মানুষের কথা আমি ভুলবোনা।

  • আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কঠোর অভিযান

    আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কঠোর অভিযান

    কামাল আহমেদ সৌরভঃ হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা বাজারে কঠোর লকডাউন ও সরকারি বিধি নিষেধ অমান্য ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (০৮ জুলাই) সকাল ১১ টা হতে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত আজমিরীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব মতিউর রহমান খান মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

    সারাদিন ব্যাপী কঠোর লকডাউন কার্যকর করতে আজমিগঞ্জ উপজেলা শিবপাশা পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জসহ পুলিশ সদস্যগণ, একদল সেনাবাহিনী ও আনসার বাহিনী সহযোগিতা করে। এ সময় শিবপাশা বাজার এবং বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়।

    আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কঠোর অভিযান

    এ সময় সরকার নির্ধারিত বিধিনিষেধ অমান্য করে দোকানপাট খোলা রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে বিনা প্রয়োজনে বের হওয়ায় মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে তাদের কে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। বাজারের এক ব্যবসায়ীকে ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

    অভিযান চলাকালে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সরকারি বিধি নিষেধ পালন করতে সাধারণ মানুষকে আহবান জানান নির্বাহী অফিসার মতিন রহমান খান।

  • হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আকস্মিক জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আকস্মিক জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জেলা সদর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম আকস্মিক জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধার কথা শুনেন।

    বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকালে তিনি জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

    এম্বুলেন্স  ড্রাইভারদেরকে জীবানুনাশক স্প্রে ব্যবহারের জন্য নির্দেশনা প্রদান করছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম.
    এম্বুলেন্স ড্রাইভারদেরকে জীবানুনাশক স্প্রে ব্যবহারের জন্য নির্দেশনা প্রদান করছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম।

    এসময় তিনি হাসপাতালের সামনে অবস্থানরত প্রাইভেট এম্বুলেন্সের ড্রাইভারদের সাথে কথা বলেন এবং তাদেরকে সর্তক করে দেন যে, সকল গাড়ীতে জীবানুনাশক স্প্রে যেন রাখা হয়। একজন রোগী বহন করার পর সাথে সাথে গাড়ীটি জীবানুনাশক স্প্রে দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

    এরপর তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওর্য়াড ঘুরে রোগীদের সাথে কথা বলে তাদের খুঁজ খবর নেন। তাছাড়া করোনাকালীন সময়ে রোগীদের সাথে একজন করে দর্শনার্থী থাকার জন্য বলেন। এসময় তিনি হাসপাতালের প্যাথলজি এবং ইর্মাজেন্সী কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সকল রোগীদেরকে মাস্ক প্রদান করেন।

    তারপর তিনি হাসপাতালের সামনে অবস্থানরত ফার্মেসীতে গিয়ে কথা বলেন, তিনি তাদেরকে বলেন, করোনা মহামারী প্রতিরোধের লক্ষে ফার্মেসীর সামনে মানুষের ঝটলা যেন না বাধে।

    উল্লেখ্য যে, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বিগত ১বছর থেকে সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে মা ও নবজাতক সুরক্ষা সামগ্রী দিয়ে আসছেন।

  • আজমিরীগঞ্জে পোনামাছ অবমুক্তকরণ

    আজমিরীগঞ্জে পোনামাছ অবমুক্তকরণ

    কামরুল হাসান কাজলঃ “নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, মুজিব বর্ষে বাংলাদেশ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আজমিরীগঞ্জের বিভিন্ন উন্মুক্ত হাওর ও নদীতে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।

    জানা যায় যে, বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিভিন্ন হাওর ও নদীতে ২০২০-২১ অর্থ বছরে রাজস্ব খাতের আওতায় বিরাটের বিল নার্সারীর মাধ্যমে রেনু হতে রূপান্তরিত পোনামাছ উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়।

    পোনামাছ অবমুক্তকরণে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মর্ত্তুজা হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান খান, মৎস্য কর্মকর্তা আনিছুর রহমান, পি আইও মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

    এ বিল নার্সারি থেকে প্রায় ৫০০ কেজি পোনামাছ সদর ইউনিয়নের ৩টি স্পটে উন্মুক্ত হাওর ও নদীতে অবমুক্ত করা হয়।

  • হবিগঞ্জে লকডাউনের ৮ম দিনে ৪৩ ব্যক্তিকে ২৩,৬০০ হাজার টাকা জরিমানা

    হবিগঞ্জে লকডাউনের ৮ম দিনে ৪৩ ব্যক্তিকে ২৩,৬০০ হাজার টাকা জরিমানা

    কঠোর লকডাউন ও সরকারি বিধি নিষেধ প্রতিপালন করতে হবিগঞ্জ সদরসহ ৯টি উপজেলায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলা সদর ও প্রত্যেকটি উপজেলায় জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়।

    ৮ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ ঘটিকা পর্যন্ত ৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৪৩ জন ব্যক্তিকে ২৩,৬০০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

    জেলা সদরসহ কঠোর লকডাউন কার্যকর করতে জেলার নবীগঞ্জ, বাহুবল, শায়েস্তাগঞ্জ, লাখাই, চুনারুঘাট, মাধবপুর, আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং উপজেলায় পুলিশ, আনসার, র‌্যাব, বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    সকাল থেকে প্রত্যেকটি উপজেলায় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। বিভিন্নস্থানে দোকানপাট খোলা রাখায় ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সরকারি বিধি নিষেধ অমান্য করায় অর্থদণ্ড করা হয়।

  • আজমিরীগঞ্জে মুজিববর্ষের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে দেখা দিয়েছে ফাটল

    আজমিরীগঞ্জে মুজিববর্ষের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে দেখা দিয়েছে ফাটল

    ফরহাদ চৌধুরী: হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও এলাকায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহহীনদের মাঝে বরাদ্দকৃত কিছু ঘরে ফাটল দেখা দিয়েছে। ফাটলের বিভিন্ন অংশে একাধিকবার সিমেন্ট দিয়ে কাজ করে গেলেও কোন প্রকার কাজ হচ্ছেনা। দেয়াল ধসে পরার আশংকায় আতংকের মধ্যে বসবাস করছে উপকারভোগিরা। কাজের মান নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

    সুত্রে জানা যায়, উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নে কালনী-কুশিয়ারা নদীর তীর ঘেষে তৈরী করা হয়েছে মুজিববর্ষের আশ্রয়ন প্রকল্পের ৫১ টি ঘর। কিছুদিন আগে উপকার ভোগিদের মাঝে হস্থান্তর করে দেয়া হয়। কিছু পরিবার সেখানে বসবাসও করছে। তার মধ্যে ৫ টি ঘরের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। বাকি ঘরগুলো তালাবদ্ধ অবস্থায় আছে।

    স্থানীয়রা জানান, নিম্নমানের কাজের ফলে ঘর নিমার্নের কয়েকদিনের মধ্যেই দেয়ালের বিভিন্ন অংশে ফটল দেখা দিয়েছে। কয়েকদিন পরপর নিমার্ন শ্রমিকরা এসে সিমেন্ট দিয়ে ফাটল বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তাতে কোন ধরনের কাজ হচ্ছেনা। এছাড়া যে কাঠ ব্যবহার করা হয়েছে তাও নিম্নমানের।

    উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় প্রথম ধাপে ৮৮ ও দ্বিতীয় ধাপে ৩০ টি ঘর বরাদ্ধ আসে। ঘরগুলো নিমার্ন করে উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরন করা হলেও ১৫ টি ঘর তালিকায় সমস্যা থাকার কারনে বিতরন করা হয়নি।

    শচিন্ড শীল ও বিলকিছ বেগমের ঘরে গিয়ে দেখা যায়, ঘরের চারদিখে ওয়ালের গুড়ায় ফাটল। ধসে পড়ার আতংকের মধ্যে দিন যাপন করছেন তারা।

    শচিন্ড শীল বলেন, আমরা আতংকের মধ্যে এই ঘরে বসবাস করি। ফাটল দেয়া ওয়াল ধসে পড়লে হতাহতের আশংকা রয়েছে। কয়েকদিন আগে নিমার্ন শ্রমিকরা এসে ফাটলগুলো সিমেন্ট দিয়ে যায়। নিম্নমানের কাজের ফলে ফাটল দিয়েছে বলেও জানান তিনি। একই কথা বলেন আরেক ঘরের মালিক বিলকিস বেগমও।

    উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ মতিউর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি দেখছেন বলে জানান।