Category: হবিগঞ্জ

  • মাধবপুরে ফেনসিডিলসহ মোটরসাইকেল আরোহী আটক

    মাধবপুরে ফেনসিডিলসহ মোটরসাইকেল আরোহী আটক

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ধর্মঘর এলাকা থেকে মোটরসাইকেলের সিটের নিচে করে ভারতীয় ফেন্সিডিল পাচারের সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এক ব্যক্তিকে আটক করেছে।

    শনিবার (১০জুলাই) সন্ধ্যা রাতে ধর্মঘর-মোহনপুর রাস্তা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

    আটককৃত ব্যক্তি নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ উপজেলার পাবই গ্রামের হাব উদ্দিনের ছেলে আল আমিন (৩০)।

    জানা যায়, ধর্মঘর বিওপি সুবেদার আঃ হামিদসহ একদল বিজিবি মোহনপুর সীমান্ত থেকে টহল শেযষে আসার পথে ধর্মঘর-মোহনপুর রাস্তায় উল্লেখিত মোটর সাইকেল আরোহীকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে।

    পরে মোটর সাইকেল তল্লাসি করে সিটের নিচে লুকিয়ে রাখা ২২ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করে।

    ৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল এসএমএন সামীউন্নবী চৌধুরী এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৮৭ জন, হবিগঞ্জে একদিনে আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড

    ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৮৭ জন, হবিগঞ্জে একদিনে আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড

    গত ২৪ ঘন্টায় হবিগঞ্জে নতুন করে আরো ৮৭ জন সনাক্ত হয়েছেন। ২২২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সনাক্তের হার ৩৯.১%।

    তার মধ্যে সদরে ৫১ জন, চুনারুঘাটে ৮ জন, মাধবপুরে ১২ জন, নবীগঞ্জে ৯ জন, বাহুবলের ৫ জন, বানিয়াচংয়ে ১ ও আজমিরীগঞ্জে ১ জন আক্রান্ত।

    ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোখলেসুর রহমান উজ্জ্বল জানিয়েছেন এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩,১৭০ জন। সুস্থ হয়েছেন ২,১২৯ জন৷ আর মৃত্যুবরণ করেছেন ২২জন।

    গতকাল ২২২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সনাক্তের হার ৩৯.১%। গত ২৪ ঘন্টায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের হবিগঞ্জ জেলার এটি সর্বোচ্চ রেকর্ড৷

  • লকডাউনের সুযোগে আজমিরীগঞ্জে চলছে অবাধে ঝাটকা ও পোনা মাছ নিধন

    লকডাউনের সুযোগে আজমিরীগঞ্জে চলছে অবাধে ঝাটকা ও পোনা মাছ নিধন

    কনৌজ ব্যানার্জিঃ আজমিরীগঞ্জে কুশিয়ারার কালনী, ভেড়ামোহনা ও বশিরা নদীতে অবাধে চলছে ঝাটকা ইলিশ ও বিভিন্ন রকমের দেশীয় প্রজাতির পোনা মাছ নিধন। সারাদেশে লকডাউনে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর করতে মাঠে কাজ করছে প্রশাসন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণীর অসাধু জেলেরা নদীতে বিভিন্ন রকমের অবৈধ জাল দিয়ে নিধন করছে ঝাটকা ইলিশ ও বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ।

    আজ বিকালে উপজেলার বিভিন্ন স্হানে ঘুরে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন মৎস্য বিক্রেতা ঝাটকা ও ছোট প্রজাতির দেশীয় মাছের পোনা হেঁটে হেঁটে বিক্রি করছেন। একই সময় ওই বিক্রেতাদের সহিত আলাপকালে তারা জানায়, কুশিয়ারার কালনী, ভেড়ামোহনা ও বশিরা নদী থেকে এই মাছ শিকার করছেন তারা। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে দায়ী করেছেন এলাকার সচেতন জনগণ।

    জানা যায়, প্রতি বছরের বর্ষা মৌসুমে উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর থেকে শুরু করে কাকাইলছেও ইউনিয়নের ভাটি এলাকা পর্যন্ত কুশিয়ারার কালনী, ভেড়ামোহনা, বশিরা নদীতে দিনে কিংবা রাতে নিষিদ্ধ ভীম, কারেন্ট, খুনা ও চায়না জাল দিয়ে চলছে ঝাটকা সহ দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ নিধন।

    সরজমিনে, আজমিরীগঞ্জ পৌরসদরের টানবাজার, চরবাজার সহ ইউনিয়ন সমূহের বিভিন্ন বাজারে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে অভিনব কায়দায় চলে এসব অবৈধ জাল বেচাকেনা। প্রশাসনের অভিযান থেকে বাঁচতে দোকানের পরিবর্তে নিষিদ্ধ জাল রাখা হয় বিভিন্ন গোপনীয় জায়গায়।

    বর্তমান সময়ে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউন নিশ্চিতে মাঠে রয়েছে প্রশাসন। এই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে এক শ্রেনীর অসাধু নিষিদ্ধ জাল বিক্রেতা। তাই অচিরেই কারেন্ট সহ বিভিন্ন ধরণের নিষিদ্ধ জাল বিক্রি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে সচেতন এলাকাবাসী। এ ছাড়া অভিযান চালিয়ে ঝাটকা ইলিশ সহ দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ নিধন বন্ধ করা না হলে অচিরেই দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির আশংকাও করছেন এলাকার সচেতন লোকরা।

    এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনিছুর রহমান হবিগঞ্জ নিউজকে বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারনে ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করার দরুন আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে পারছি না। তবে অতি শীঘ্রই আমরা অভিযান পরিচালনা করব।

  • লকডাউনের ১০দিনে হবিগঞ্জে মোবাইল কোর্টের মামলা ও জরিমানা

    লকডাউনের ১০দিনে হবিগঞ্জে মোবাইল কোর্টের মামলা ও জরিমানা

    সরকারের চলমান বিধিনিষেধ অমান্য করায় হবিগঞ্জ জেলায় লকডাউনের ১০দিনে বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মামলা ও জরিমানা করছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    ১০জুলাই শনিবার সারা জেলায় এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

    জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, করোনা মহামারী প্রতিরোধের লক্ষে সরকারের কঠোর লকডাউন এবং আইন অমান্য করায় শনিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬০ জন ব্যাক্তিকে ৪০হাজার ১শত টাকা অর্থদণ্ড করেছে ৯টি মোবাইল কোর্ট। এসময় সেনাবাহিনী, বিজিপি এবং পুলিশ সর্বাত্বক সহযোগীতা প্রদান করেছে। জেলা শহর এবং উপজেলা পর্যায়ে টহল অব্যাহত ছিল।

  • নবীগঞ্জ হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করলেন এমপি শাহ নেওয়াজ মিলাদ

    নবীগঞ্জ হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করলেন এমপি শাহ নেওয়াজ মিলাদ

    হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ মিলাদ এর ব্যক্তিগত অর্থায়নে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করা হয়েছে।

    শনিবার (১০ জুলাই) বিকেলে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিই) সৈয়দ আবু ফয়েজ তোহার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ মিলাদ, নবীগঞ্জ উপজেলা কৃষকলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রেজা আহমেদ চৌধুরী, নবীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি উত্তম কুমার পাল হিমেল, নবীগঞ্জ পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইকবাল আহমেদ বেলাল প্রমূখ।

    অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নবীগঞ্জ উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম অপু, নবীগঞ্জ পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, উপজেলা যুবলীগ নেতা রুহেল আহমেদ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ চম্পক কিশোর সাহা সুমন, মেডিকেল অফিসার ডাঃ ইমরান আহমেদ চৌধুরী, ডাঃ আসিফ আবেদীন, ডাঃ হানিফ মোতাহার, ডাঃ ফয়সল আহমেদ, ডাঃ নির্মল কান্তি ঘোষ, ডাঃ নাঈম আশরাফ, ডাঃ আফজাল আহমেদ, নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আলমগীর চৌধুরী সালমানসহ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে দুটি অক্সিজেন সিলিন্ডার তোলে দেন সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ।

  • বানিয়াচংয়ে কঠোর লকডাউন, ভ্রাম্যমান কোর্টের জরিমানা

    বানিয়াচংয়ে কঠোর লকডাউন, ভ্রাম্যমান কোর্টের জরিমানা

    দিলোয়ার হোসাইনঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে সারাদেশের ন্যায় কঠোর লকডাউন চলছে। অনুমতিহীন ব্যাবসায়ী, পরিবহন চালক ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে।

    ১০ জুলাই শনিবার দিনব্যাপি বিভিন্ন বাজার হাটে ভ্রাম্যমান কোর্ট পরিচালিত হয়েছে।

    সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মুল আইন) ২০১৮ এর ২৫(২) এবং দন্ড বিধি, ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় পরিচালিত ভ্রাম্যমান কোর্টে ১০ জুলাইয়ের অভিযানে ১৮ মামলায় ১৪ হাজার ৮ শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মাসুদ রানা‘র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান কোর্ট পরিচালিত হয়।

    এসময় লেঃ কর্ণেল রাজীব ও ক্যাপ্টেন আলআমিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপস্থিত ছিলেন ।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সময় ব্যাবসায়ী ও সাধারন জনগনকে বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের না হওয়া ও মাস্ক পরিধান করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আহবান জানান।

  • একজন করোনা যোদ্ধা ও মানবতার ফেরিওয়ালা ইউএনও লুসিকান্ত হাজং

    একজন করোনা যোদ্ধা ও মানবতার ফেরিওয়ালা ইউএনও লুসিকান্ত হাজং

    লাখাইয়ে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুসিকান্ত হাজং একজন মানবিক ও নিবেদিতপ্রাণ অফিসার হিসাবে লাখাই উপজেলার সর্বমহলে পরিচিতি লাভ করেছেন।

    তাঁর কর্মকৌশল, ন্যায় নিষ্ঠা, সময়োপযোগী কর্মকাণ্ডের জন্য লাখাইবাসীর মনের মণিকোঠায় স্থান লাভ করে চলেছেন।

    বিগত ২০২০ সালের গোড়ার দিকে ইউএনও লুসিকান্ত হাজং লাখাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে যোগদান করার পরপরই অল্পসময়ের ব্যবধানে তিনি লাখাইবাসীর মন জয় করতে সক্ষম হন।

    সরকারী সকল দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নে সফলতার স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছেন। বলতে গেলে অনেকটা করোনা ঝুঁকিকে মাথায় নিয়েই তাঁর লাখাইয়ে পদার্পণ।

    ইউএনও লুসিকান্ত হাজং

    গতবছর (২০২০ খ্রিঃ) যখন বৈশ্বিক করোনা প্রতিরোধে দেশব্যাপী আতংক চলমান এবং করোনার মোকাবেলায় প্রস্তুতি চলছে এমনি সময়ে লুসিকান্ত হাজং লাখাইয়ে করোনা প্রতিরোধে করোনা যোদ্ধা হিসাবে আবির্ভূত হন।

    করোনা প্রতিরোধে সরকারি সকল নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামেন তিনি। দেশে করোনা সংক্রমনের প্রথমদিকে ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অধিক সংক্রমণ দেখা দেয়।

    আর লাখাই প্রবাসীদের বেশীর ভাগ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম প্রবাসী হওয়ায় সেই সময় লাখাই ছিল করোনা ঝুঁকিতে।

    এমতাবস্থায় করোনা সংক্রমন এলাকা থেকে আগতদের যথাসময়ে হোম কোয়ারেন্টাইন, করোনার টেস্ট ও চিকিৎস্যা নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করে যান তিনি।

    এক পর্যায়ে তিনি নিজেই ৯ মে/২০২০ খ্রীঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন।মহান স্রষ্টার ইচ্ছায় চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে আবারও কাজে যোগ দিয়ে ময় অদ্যাবধি করোনা প্রতিরোধে ও লাখাই কে করোনা থেকে রক্ষায় দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

    করোনা প্রতিরোধে জনগনকে সচেতন করে তুলতে ও মাক্স পরিধান নিশ্চিতে এবং স্বাস্থবিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে কাজ করে চলেছেন নিরলসভাবে।

    ইউএনও লুসিকান্ত হাজং

    সাংবাদিক বান্ধব এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা করোনা প্রতিরোধে সম্মুখসারির যোদ্ধা পুলিশ প্রসাশন, স্বাস্থ্য বিভাগ, সাংবাদিকদের সমভিব্যাহারে সমন্বিত প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।

    ফলশ্রুতিতে অদ্যাবধি করোনা সংক্রমনে অনেকটা নিরাপদ অবস্থানে আছে লাখাই। দুসপ্তাহব্যাপী চলমান কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে ও তিনি সফলতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

    করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ও করোনা মোকাবেলায় তিনি কখনো কঠোর আবার কখনও কৌশলে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে যাচ্ছেন।

    করোনাকালীন সময়ে অসহায়, দুস্থ ও গৃহবন্দীদের জন্য মানবিক আচরন করে চলেছেন।

    একদিকে যেমন সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে তিনি কঠোর অন্যদিকে দরিদ্র, অসহায়ের সহায়। তিনি অসহায়, দুস্থদের মাঝে নিজে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিচ্ছেন।

    চলমান কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে তিনি উপজেলার হাট-বাজারে নিয়মিত কঠোর অভিযান পরিচালনা করে আসছেন এবং দরিদ্র অসহায় মানুষকে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

    অভিযানকালে পথচারী সহ সকলকে মাস্ক পড়তে উদ্বুদ্ধ করা সহ বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে না যাওয়ার জন্যে সকলকে অনুরোধ করে আসছেন।

    উপজেলার সচেতন মহলের প্রত্যাশা এই কর্মযোগী ইউএনও লুসিকান্ত হাজং এর করোনা মোকাবেলায় চলমান কর্মকাণ্ড এবং তাঁর সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে যে সচেতনা সৃষ্টি হয়েছে তাতে লাখাইয়ে করোনার ভয়াবহতা কাটিয়ে উঠা সম্ভবপর হতে পারে।