Category: হবিগঞ্জ

  • মাধবপুরে শিশুসহ এক পরিবারের ১৩ সদস্য পানিবন্ধি

    মাধবপুরে শিশুসহ এক পরিবারের ১৩ সদস্য পানিবন্ধি

    মোঃ হাউশ মিয়াঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ৯নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের বেঙ্গাডোবা গ্রামের মৃত হাসান উল্লার ছেলে বাচ্ছু মিয়ার পরিবারে ৩ বছরের শিশু বাচ্চাসহ ১৩ সদস্য পানিবদ্ধতায় করুন পরিস্থিতিতে জীবন যাপন করছে।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাচ্ছু মিয়ার বাড়ী ঘেঁষে এড. পংকজ কান্তি রায় রিংকুর জায়গায় মাঠি ভরাটের কাজ চলছে দীর্ঘদিন যাবত। ডেজার মিশিনের সাহায্যে মাঠি ভরাটের ফলে ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় সাইট ওয়াল ভেঙে বাচ্ছু মিয়ার বসত ঘরে পড়ে যায়। যার ফলে ডেজার মেশিনের উত্তোলনের মাঠি, কাঁদা বালি ও নোংরা পানিতে বাচ্ছু মিয়ার সমস্ত ঘর, আসবাপত্র ও মালামাল ক্ষতি সাধিত হয়।

    বিষয়টি হবিগঞ্জ নিউজের কাছে পৌছালে উপজেলা সংবাদ দাতা গঠনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ও ভূমি সহকারী কমিশনার মোঃ মহিউদ্দিনকে বিষয়টি অবগত করলে তাদের নির্দেশে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ জাবেদ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে দুঃখ প্রকাশ করেন।

    সৈয়দ মোঃ জাবেদ বলেন, ঘটনাস্থলের অবস্থা দেখে সেচ মেশিনের মাধ্যমে পানি নিঃসকাশনের ব্যবস্থা করার জন্য পংকজ কান্তি রায় রিংকু কে মোবাইল ফোনে বলেছি।

    তিনি আরও বলেন, আমি ইউএনওর নির্দেশে ঘটনাস্থলে এসেছি তিনি বিষয়টি পরে দেখবেন বলে আমাকে জানিয়েছেন।

    এই বিষয়ে এড. পংকজ কান্তি রায় রিংকুর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে বাড়িতে নেই। ঘঠনা আমি শুনেছি, বাড়িতে এসে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতি পূরণ দেওয়ার চেষ্টা করবো।

  • বানিয়াচংয়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

    বানিয়াচংয়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

    আসন্ন ঈদুল আযহা কে ঘিরে যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবালায় বানিয়াচং থানা পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। ঈদকে নির্বিঘ্ন ও আনন্দময় করে তুলতে বানিয়াচং থানা পুলিশ বিশেষ অভিযানে নেমেছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলার পৈলারকান্দি ইউনিয়নের পৈলারকান্দি গ্রামে বিশেষ চিরুনি অভিযান চালিয়ে দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    ১৫ জুলাই বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এই অভিযানে ২ শতাধিক দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
    উদ্ধাকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ফিকল,কুচার শলা,বল্লম,লাঠি ও ঢাল।

    হবিগঞ্জ জেলার নবাগত পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলী’র নির্দেশ বানিয়াচং উপজেলাকে দাংগা মুক্ত করা। নির্দেশ পেয়েই বানিয়াচং সার্কেলের হবিগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রন্জন দে’র নেতৃত্বে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন ও বানিয়াচং থানা পুলিশ টিম, সুজাতপুর তদন্তকেন্দ্র, বিথঙ্গল পুলিশ ফাড়ী ও পুলিশ লাইন্স হবিগঞ্জের রিজার্ভ ফোর্সসহ ১৫ নম্বর পৈলারকান্দি ইউপি’র পৈলারকান্দি গ্রামে দিন ব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। দেশিয় অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি এ সময় নিয়মিত মামলার ৩ জন পলাতক আসামীকে আটক করা হয়।

    ইকরাম বাজারে স্থানীয় কামারদের দেশীয় অস্ত্রাদি না বানানোর জন্য কঠোর ভাবে সতর্ক করা হয়। বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় লোকজনদের সচেতন থাকতে বলা হয়। আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার লক্ষে দেশীয় অস্র উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানা ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন, হবিগঞ্জ জেলার নবাগত পুলিশ সুপার মহোদয়ের স্পষ্ট নির্দেশ বানিয়াচংকে দাংগা মুক্ত করতে হবে। স্যারের নির্দেশ পেয়েই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহোদয়ের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
    এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    দাংগাকারীদের প্রতি পুলিশ প্রশাসনের কঠোর হুশিয়ারি। দাংগা করলে কেউই রেহাই পাবেননা।
    আপনি যেই হোন।

  • চুনারুঘাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আশ্রায়নে বৃক্ষ রোপন

    চুনারুঘাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আশ্রায়নে বৃক্ষ রোপন

    হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় গাজীপুর ইউনিয়নের ইকরতলি গ্রামে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন ‘ক’ শ্রেণীর পরিবারের জন্য নির্মিত একক বাসগৃহ (প্রথম পর্যায়) সরেজমিনে পরিদর্শন ও নিয়মিতভাবে উক্ত আশ্রয়নে বসবাসকারী ৫৬ টি পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন চুনারুঘাট প্রেসকাবের নেতৃবৃন্দ।

    প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার এ বাসগৃহে উপকারভোগীদের সাথে সময় কাটানোর পর আশ্রয়ণ এলাকায় বৃক্ষরোপণ অভিযান করা হয় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে।

    প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জামাল হোসেন লিটন এর নেতৃত্বে চুনারুঘাটের সকল সিনিয়র সাংবাদিক ইকরতলি আশ্রয়ন পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শনকালে ইকরতলি আশ্রয়নের উপস্থিত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চন্দ্র পালের সাথে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ১ নং গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ইকরতলী আশ্রয়নের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির খান।

    সরেজমিন পরিদর্শনকালে প্রেসক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আশ্রয়নের নিয়মিত বসবাসকারী ৫৬ উপকারভোগীদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাদের বাসগৃহের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।

    পরিদর্শনকালে কোন বাসগৃহের সামান্যতম ত্রুটিও পরিলক্ষিত হয়নি। বরাদ্দকৃত বাসগৃহে উপকারভোগীগণ নিয়মিত বসবাস করছেন।

    উপকারভোগীগণ জানান, তারা শান্তিপূর্ণভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে বসবাস করছেন, তাদের কোনরূপ সমস্যা এই মুহূর্তে নেই। ইতোমধ্যে আশ্রয়নের বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। পূর্বের ছয়টি নলকূপের সাথে আরও দশটি গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। উক্ত আশ্রয়নের পানি ও বিদ্যুতের কোনরূপ সমস্যা নেই মর্মে উপকারভোগীগণ জানিয়েছেন।

    পরিদর্শনকালে নিয়মিত বসবাসকারী উপকারভোগীগণ জানান, বর্তমানে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি গাজীপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির খান অন্য সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত প্রকল্পের উপকারভোগীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। সে সাথে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তাগণ প্রতিনিয়ত প্রকল্প স্থলে উপস্থিত হয়ে প্রকল্প স্থলকে আরো সুন্দর করে সাজাতে এবং প্রকল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। সকল বাসগৃহ সঠিকভাবে নির্মিত হয়েছে বলে পরিদর্শনকালে উপকারভোগীরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

    আশ্রয়নে উপস্থিত সহকারী কমিশনার ভূমি দাবি করেন “সারা দেশ জুড়ে একজন লোকও গৃহহীন থাকবে না; মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই অভিপ্রায়কে বাস্তবে রূপদান করতে চুনারুঘাটের  সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মাহবুব আলী,  প্রতিমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসন, চুনারুঘাট প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ও জেলা প্রশাসন, হবিগঞ্জের সহযোগিতায় অত্র উপজেলায় প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ১২০ টি বাসগৃহ ইতোমধ্যে নির্মাণ করেছে।

    উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রতিটি প্রকল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

    কিছুদিন পূর্বে থেকে হঠাৎ করেই স্বার্থন্বেষী একটি কুচক্রী মহল ক্রমাগত ইকরতলী আশ্রয়ন নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের কারো সাথে কথা না বলে মনগড়া মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করছে কতিপয় মহল। সংবাদের সত্যতা বাস্তবে করতে এসে কখনোই পাওয়া যায়নি। এলাকার সরকারবিরোধী একটি কুচক্রী মহল এখান থেকে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করে চুনারুঘাট সহ হবিগঞ্জবাসী কে বিভ্রান্ত করছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে এই ধরনের মিথ্যা ভিত্তিহীন বানোয়াট প্রচারণা আমি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সে সাথে সকল কে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে নিজেই ইকরতলী এসে বাস্তব অবস্থাটি দেখে যাবেন। চুনারুঘাট উপজেলা ১২০ টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন নির্মাণ ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়নি। আমরা সর্বোচ্চ সততার সাথে প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করেছি। আপনারা সাংবাদিকবৃন্দ আজ এখানে উপস্থিত হয়ে আমাদের বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে পেরেছেন। আশা করছি আপনাদের মাধ্যমে দেশব্যাপী যে মিথ্যাচার চলছে চুনারুঘাট নিয়ে তার অবসান হবে”।

    তিনি এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে ও ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পৃক্ত সকলকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সেই সাথে তিনি বিশেষ প্রতিক্রিয়াশীল সরকারবিরোধী গোষ্ঠীর অপপ্রচার সম্পর্কে চুনারুঘাটের জনগণকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করেন।

    উপস্থিত গাজীপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান ও ইকরতলী আশ্রয়নের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির খান বলেন “আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে পারি আমাদের তত্ত্বাবধানে যে আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মিত হয়েছে তা সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করে ড্রইং ডিজাইন অক্ষুন্ন রেখে করা হয়েছে। এর ফলশ্রুতিতে প্রথম পর্যায়ে গত ২৩ জানুয়ারি গাজীপুরে ইকরতলীর এই আশ্রয়ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে উদ্বোধন করায় চুনারুঘাটবাসীর পক্ষে আমরা ভীষণভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

    এ সময় উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুল ইসলাম জানান বৃক্ষরোপণ অভিযান এর উদ্যোগ নিতে পেরে খুব আনন্দিত। তিনি বলেন, “কিছু কিছু পত্র-পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আশ্রয়নে নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ আমাদেরকে বিচলিত করেছে। কিন্তু চুনারুঘাট উপজেলার ইকরতলি আশ্রয়নের বৃক্ষরোপণ অভিযান এসে আমরা বাস্তবে প্রত্যক্ষ করেছি চুনারুঘাট উপজেলার আশ্রয়নকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যেখানে সত্যতার লেশমাত্র ছিলনা। তিলকে তাল করে দেখানো হয়েছে।

  • হবিগঞ্জে অসহায় দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা প্রদান

    হবিগঞ্জে অসহায় দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা প্রদান

    করোনা ভাইরাসজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্থ দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মানবিক সহায়তা প্রদান কর্মসুচীর আওতায় হবিগঞ্জে অসহায় দুঃস্থ এবং ছিন্নমুল মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্দোগে বেলা সাড়ে ১২টায় শিল্পকলা একাডেমীতে এসহায়তা প্রদান করা হয়।

    বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা মোঃ আলতাফ হোসেন, ডেপুটি নেজারত কালেক্টর শাহ জহুরুল হোসেন প্রমুখ।

    এসময় জনপ্রতি ৫ কেজি চাউল, ৫ কেজি আলু, ১লিটার তেল, ১কেজি লবন, ১ কেজি চিনিসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী অসহায় দুঃস্থ এবং ছিন্নমুল মানুষকে সহয়তা প্রদান করা হয়।

  • মাধবপুরে করোনায় আক্রান্ত একজনের মৃত্যু

    মাধবপুরে করোনায় আক্রান্ত একজনের মৃত্যু

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হবিগঞ্জ মাধবপুরে নোয়াপাড়া ইউনিয়নের বেঙ্গা ডুবা গ্রামে আবদুর সাত্তার (৫০) নামের একজন মারা গেছেন।

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মাধবপুরে আরও ১৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ইশতিয়াক আল মামুন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, গত ৩ জুলাই আবদুর সাত্তার করোনায় আক্রান্ত হন। উনি বাড়ীতে আইসোলেসন থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বুধবার (১৪ জুলাই) তিনি মারা যান। মৃত আবদুর সাত্তার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের বেঙ্গাডুবা গ্রামের বাসিন্দা।

    মাধবপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ জনে। বর্তমানে মোট ৯০ জন রোগী রয়েছেন। এর মধ্যে আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৯০ জন।

    এ পর্যন্ত ১৬৯৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

  • মাধবপুরে গরু মোটাতাজাকরণে সফল খামারি শফিউল বর খোকন

    মাধবপুরে গরু মোটাতাজাকরণে সফল খামারি শফিউল বর খোকন

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে গরু মোটাতাজাকরণ খামার করে সফলতা পেয়েছেন খামারি ও সরকারি কর্মচারী শফিউল বর খোকন।

    উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের নিজনগর গ্রামের আব্দুল গফুর মাস্টারের ছেলে খোকন। লেখাপড়া শেষে সরকারি চাকরি নিলে ছোটবেলা থেকে গরু পালনের উপর শখ ছিল তার।

    তাই সে কর্মের ফাঁকে সময় বের করে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে গরু মোটাতাজাকরণের উপর প্রশিক্ষণ নেন। পরে নাভা এগ্রো ফার্ম নামে একটি গরু মোটাতাজাকরণ খামার গড়ে তোলেন তিনি এবং পেয়েছেন সফলতা।

    শখের খাতিরে গরু মোটাতাজাকরণ খামার করলেও এখন তিনি ওই এলাকার একজন সফল খামারী।

    প্রতিবছরই কুরবানী ঈদের প্রায় ছয় মাস পূর্ব হতেই গরু মোটাতাজাকরণ শুরু করেন তিনি ঈদের সময় ঐ গরু বিক্রি করে প্রায় ৮/১০ লাখ টাকা আয় করেন খোকন।

    খামারের মালিক শফিউল বর খোকন জানান, যুব উন্নয়নে প্রশিক্ষণ নিয়ে খামার করার আগ্রহ সৃষ্টি হয়। প্রতি বছর ২০ থেকে ২৫টা গরু কিনে খামার বড় করার চেষ্টা করি। প্রতি বছর কোরবানির ঈদে গরু বিক্রি করে ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা আয় করার চেষ্টা করি। এবছর আমার খামারে ৬০ টি গরু আছে আশাকরি এবার বাজার ভালো হলে এক কোটি টাকা বিক্রি করতে পারব।

    খামারের শ্রমিক আবু বক্কর জানান, খোকন সাহেবের খামারে আমরা ৪ জন কাজ করি। বিগত পাঁচ বছর ধরে সেডের বাইরে গরূ পালন করা হত। বিগত ৬ মাসপূর্বে শেটের ভিতর গরু গুলো উঠানো হয়। এখানে আমরা গরু গুলো লালন পালন করি। কিন্তু খামারের মালিক খোকন সাহেব। তিনি এখানে থাকেন না তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পোষ্ট অফিসে চাকরি করেন। তিনি প্রতি মাসে এক দুবার আসেন । আমরা ৩ -৪ জন আছি গরু দেখা শুনা করি। গরুর খাবার ঘাস, খর আমরা খাওয়াচ্ছি।
    খামারে ৬০টি গরু আছে সবগুলো কোরবানির জন্য প্রস্তুত প্রস্তুত করা হয়েছে।

    চৌমুহনী ইউনিয়ন কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের এ আইটি নাজমুল হাসান জানান, নাভা এগ্রো বহুমুখি ফার্মের এই খামার টি আমি দেখাশুনা করি। এই খামারের মালিক সরকারি চাকরি করেন। তাই তিনি সব সময় খামারে থাকেন না। মাসে এক দুই বার আসেন। খামারটি তার শখের বসে করা।

    তিনি আরও বলেন, গরুর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহ সার্বিক সহযোগীতা আমি করি। এখানে সাধারণত ক্যামিকেল ছাড়া প্রাকৃতিক ঘাস,খর দিয়ে গরু লালন-পালন করা হয়। আসন্ন কোরবানি উপলক্ষ্যে এই এই গরু গুলো বাজারজাত করা হবে। এখানে মোটাতাজাকরণের জন্য কোন গরুকে ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয় না। এই খামারে ৬০টি গরু আছে। সবগুলো ষাড় গরু। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৭০ থেকে ৭৫ লাখ টাকা হবে বলে আমরা আশা করি।

    মাধবপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিলন মিয়া জানান, নাভা এগ্রো বহুমুখি ফার্মের সফল উদ্যোক্তা শফিউল বর খোকন। প্রাণীসম্পদ অফিসে এসে নতুন করে খামার করার অভিপ্রায় ব্যাক্ত করেন। পরে আমরা গরু মোটাতাজাকরণের পরামর্শ দেই। আমাদের পরামর্শ অনুযায়ী উনি কাজ শুরু করেন। এখন উনার ফার্মে বিভিন্ন প্রজাতির ৬০টি গরু রয়েছে। সবগুলো কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এই কুরবানীর ঈদে গরুর হাট বসছে না। সেজন্য অনলাইন প্লাটফর্মে অনলাইন পশুর হাট মাধবপুর নামে আমরা একটি পেইজ চালু করেছি। মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আমাদের কর্মীরা খামারী ভাইদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করে, এখনেই ক্রয় বিক্রয় শুরু হয়েছে। সরকারি যদি ফিজিক্যালি গরুর হাট চালু নির্দেশনা দেয় তাহলে আমরা সেদিকে মনিটর করব।

  • বানিয়াচংয়ে বিদুৎস্পৃষ্টে নিহত কিশোরের পরিবারকে সরকারি সহায়তা প্রদান

    বানিয়াচংয়ে বিদুৎস্পৃষ্টে নিহত কিশোরের পরিবারকে সরকারি সহায়তা প্রদান

    বানিয়াচংয়ে বিদুৎস্পৃষ্টে নিহতের পরিবারকে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। দূর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের অধীনে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

    ১৫ জুলাই বৃহস্পতিবার উপ‌জেলা চেয়ারম্যা‌নের কার্যাল‌য়ে বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী নিহত কিশোরের পিতা আব্দুল হান্নান মিয়ার নিকট নগদ ২০ হাজার টাকা তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মলয় কুমার দাস।

    উল্লেখ্য যে, বানিয়াচংয়ে মায়ের লাশ গোসল করানোর প্রস্তুতিকালে মর্মান্তিকভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাসুম(১৩) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয় গত ১২ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায়।

    ওই কিশোরের মা দীর্ঘদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

    একই দিনে মা ও ছেলের এরকম মৃত্যুতে এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে
    বিষয়টির মানবিক দিক বিবেচনা করে উপজেলা পরিষদ ও সরকারি দপ্তরের লোকজন পরিবারটির পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।