Category: হবিগঞ্জ

  • নবীগন্জে লকডাউনের ৭ম দিনে  ৭ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা

    নবীগন্জে লকডাউনের ৭ম দিনে ৭ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা

    শাহরিয়ার আহমেদ শাওন, নবীগঞ্জ

    দেশে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই ক্রমশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

    আক্রান্তের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে। এ অবস্থায় করোনা সংক্রমন রোধের লক্ষে দেশে লকডাউন জারি করেছে সরকার।

    সারাদেশের ন্যায় নবীগঞ্জে লকডাউনের ৭ম দিনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মোঃ মহিউদ্দিন, ও সহকারী ভূমি কমিশনার উত্তম কুমার দাশের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী শহরে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে টহল জোরদার অব্যাহত রেখেছে।

    এসময় পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়।মাস্ক পরিধান না করায় এবং সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করার দায়ে ৭ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা প্রদান করছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত ।

    লকডাউনের ৭ম দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য বিধি অমান্যকারি ব্যক্তিকে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল আইন অনুযায়ী মোট ১৪ টি মামলা ৭ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা প্রধান করা হয়েছে ।

    তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও (এক্সেকিউটিভ) ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শেখ মহিউদ্দিন। তিনি আরো জানান, এরকম অভিযান অব্যহত থাকবে।

  • নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে নগদ অর্থ দিলেন মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে নগদ অর্থ দিলেন মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে  নারী উদ্যোক্তা ও নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে

    গ্রামীন রক্ষনাবেক্ষন অবকাঠামো ” টি আর” থেকে হবিগন্জ সদর উপজেলার নারী সংগঠনকে নগদ অর্থ প্রদান করেন।

    আজ (২৯জুলাই) বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ থেকে এসময় (আমরা একটি পরিবার ১৮৪১)এর হাতে এই নগদ টাকা হস্তান্তর করেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম।

    নগদ টাকা হস্তান্তরকালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা সরকার নারীদের উন্নয়নের জন্য নানাবিধ পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন। তারই অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নারীদেরকে স্বাবলম্বী করে তুলার জন্য সব সময় পাশে আছে।

    এসময় তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতেও আমি নারীদের উন্নয়নের জন্য উপজেলা পরিষদ এবং আমার ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে সব ধরণের সহায়তা প্রদান করব।

  • লাখাইয়ে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে মোবাইল কোর্ট

    লাখাইয়ে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে মোবাইল কোর্ট

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহযোগিতায় আজ ২৯/০৭/২০২১ খ্রিঃ হবিগঞ্জের লাখাইয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

    মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী লুসিকান্ত হাজং।

    এসময় সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৬৬ ও ৭২ ধারা, দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ও ২৬৯ ধারা এবং সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন ২০১৮ এর ২৫(২) ধারায় মোট ০৫টি মামলায় ০৫ জনকে মোট ২৬০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।

    এসময় সকলকে মাস্ক পড়তে উদ্ধুদ্ধ করা হয় এবং বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বের না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।

  • নবীগঞ্জে কিশোরীকে হোটেলে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ১

    নবীগঞ্জে কিশোরীকে হোটেলে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ১

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে মাহমুদ আলী (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মাহমুদ আলী বানিয়াচং উপজেলার কদুপুর গ্রামের সঞ্জব আলীর ছেলে।

    পুলিশ ও মামলা বিবরণীতে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের আব্দুল কাদিরের জনৈক কিশোরী কন্যা (১৪) কে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে পাশ্ববর্তী বানিয়াচং উপজেলার কদুপুর গ্রামের মাহমুদ আলী ও তার সহযোগীরা প্রথমে সিএনজিতে ও পরে একটি আবাসিক হোটেলে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়।

    পরবর্তীতে অভিযুক্ত মাহমুদ তার নিজের বাড়িতে ওই কিশোরীকে নিয়ে আসলে মাহমুদের আত্মীয়-স্বজন কিশোরীকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

    পরে জনৈক কিশোরী ধর্ষণের বিষয়টি তার পরিবারকে অবহিত করলে (২৫ জুলাই) কিশোরী কন্যাকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) এ ঘটনায় ওই কিশোরীর পিতা আব্দুল কাদির বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

    বৃহস্পতিবার ভোর রাতে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. ডালিম আহমেদের নেতৃত্বে ও ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলামসহকারে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ বাজার থেকে মূলহোতা মাহমুদ আলীকে গ্রেফতার করা হয়।

    নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ডালিম আহমেদ গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সিলিন্ডার আছে অক্সিজেন নাই

    হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সিলিন্ডার আছে অক্সিজেন নাই

    হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সিলিন্ডার আছে অক্সিজেন নাই। এমন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে জেলা সদর হাসপাতালে। জরুরী মুহূর্তে মুর্মষ রোগীকে অক্সিজেন দিতে গেলে পাওয়া যায় না অক্সিজেন। পরপর ৩টি সিলিন্ডার স্টোর রুম আনার পর ৪র্থ সিলিন্ডারে পাওয়া যায় অক্সিজেন (৪টি সিলিন্ডারের মধ্যে ৩টি ছিল খালি)। এনিয়ে রোগীদের মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ।

    বুধবার রাত ১.৪৫ মিনিটে এক মহিলাকে মেডিসিন ও সার্জারী ওয়ার্ডে জরুরি ভর্তি করার পর জরুরি অক্সিজেন সিলিন্ডার দেওয়ার প্রয়োজনের সময় এ চিত্র ফুটে উঠে। ইতিমধ্যে এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

    আব্দুস সালাম মজনু নামে এক ভুক্তভোগী জানান, আমার এক আত্মীয়কে মহিলা মেডিসিন ও সার্জারী ওয়ার্ডে জরুরি ভর্তি করার পর জরুরি অক্সিজেন সিলিন্ডার দেওয়ার প্রয়োজনের সময় ভোক্ত পরিস্থিতিতে। অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে কিন্তু পর পর ৩টি সিলিন্ডার লাগানোর পর দেখা যায় বোতলে অক্সিজেন গ্যাস নেই। তাহলে ঠিক সেই সময়ে কত সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে রোগীর নিকট কি সেই সময়টুকু ছিল। যদিও ডিউটিরত সিস্টারের আন্তরিকতায় অনেক খোজাখুজির পর একটি সিলিন্ডার অন্য ওয়ার্ড থেকে সরবরাহ করেন।

    এবিষয়ে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বলেন, “এটা দ্বায়িত্বরত ডাক্তার নার্সদের অবহেলা ও ব্যর্থতার কারণে হয়েছে। করোনাকালীন মহামারীর এই সময়ে কাজের ক্ষেত্রে আরো সর্তক হওয়া দরকার।”

    হাসপাতাল সুপার ডাঃ আমিনুল ইসলাম সরকার বলেন, “ভুলবশত স্টোর রুম থেকে খালি বোতল নিয়ে আসার কারণে এমনটি হয়েছে। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।”

  • হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী আর নেই

    হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী আর নেই

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক মহাপরিচালক, দেশের খ্যাতিমান ঐতিহাসিক, লেখক ও গবেষক, সরকারের অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব এবং বৃহত্তর সিলেটের কৃতি সন্তান দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী গতকাল সকালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাষহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন )। সততার মূর্ত প্রতীক মরহুম দেওয়ান নূরুল আনোয়ার চৌধুরী ছিলেন সিভিল সার্ভিসের আইকন৷ তিনি ১৯৩৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ মহকুমার নবীগঞ্জের দিনারপুর সদরঘাট গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ৷

    তিনি সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার পাশাপাশি একজন লেখক, অনুবাদক, সম্পাদক, ইতিহাস গবেষক এবং গবেষণা সংগঠক ছিলেন। তিনি একজন উচুঁমাপের গবেষক ও শিকড় সন্ধানী লেখক ছিলেন৷ বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত জালালাবাদের কথা , সিলেট বিভাগের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সংগ্রামে সিলেটসহ প্রায় ৩০টির অধিক মূল্যবান গ্রন্থের রচয়িতা ৷

    ​ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকেও তার অনক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। হজরত শাহজালাল (রহ.) ও সিলেটের ইতিহাস পুনর্গঠনের মাধ্যমে তিনি একাজটি করতে প্রয়াস পেয়েছেন। সাথে বাংলাদেশকেও তিনি তুলে আনতে সক্ষম হয়েছেন। স্বকীয় ইতিহাস-ঐতিহ্যকে গাইড করাও তার লেখালেখির অন্যতম উদ্দেশ্য। দেশি-বিদেশি লেখকদের আগ্রাসন থেকে সঠিক ইতিহাসকে যথার্থ ভাবে রক্ষা করেছেন তিনি। এ কারণে গেজেটিয়ার (১৯০৫) প্রণেতা বি সি এলেন, অধ্যাপক আর এম ইটন, অধ্যাপক ডেভিড লাদেন, এইচ ব্লকম্যান, ড. আহমদ শরীফ, ড. এ এ ইরানী ও অন্যদের তার মতে বিভ্রান্তিকর মতবাদের চ্যালেঞ্জ করতে হয়েছে তাকে। এ কারণে তাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। তার ‘জালালাবাদের কথা’, ‘সিলেটী নাগরী’, ‘শিলালিপি ও সনদ’, ‘ঐতিহাসিক রূপরেখা, ‘হজরত শাহজালাল (রহ.)’ সংক্রান্ত গ্রন্থাদি লেখক ও গবেষকদের উদ্বুদ্ধ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। কর্মজীবনে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা ছিলেন। আইনের ওপর তার পাণ্ডিত্য, সকল মহলে স্বীকৃত।

    উল্লেখ্য, সিলেট জজ কোর্টে আইন পেশায় যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন ৷১৯৬৯ সালে ইস্ট পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন৷ সুদীর্ঘ কর্মজীবনে পাবনা সদর মহকুমার SDO, পাবনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, শ্রম ও কর্মসংস্থান, সংস্থাপন ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, দূর্নীতি দমন ব্যুরোর ডাইরেকটর এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ছিলেন৷ ১৯৯৭ সালে যুগ্ম সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন ৷

    দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী সহজ সরল জীবনে অভ্যস্থ মানুষটি ছিলেন নিরহংকারী, সদালাপী ও খোদাভীরু। মৃত্যুকালে ৩ পুত্র রেখে গিয়েছেন৷ তাঁর স্ত্রী সৈয়দা তাহেরা খাতুন চৌধুরী ছিলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ এ বি মাহমুদ হুসেন সাহেবর কন্য৷ তাহেরা খাতুন গত বছর ইনতেকাল করেন৷
    মরহুমকে তাঁর স্ত্রীর কবরের পাশে আজিমপুর কবরাস্থানে দাফন করা হবে৷

    আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

  • বানিয়াচংয়ে করোনা বিষয়ক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত

    বানিয়াচংয়ে করোনা বিষয়ক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত

    বানিয়াচং উপজেলার মানুষজনকে কভিড-১৯ মহামারী থেকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বানিয়াচং উপজেলা সমন্বয় সভার বক্তাগন।

    ২৮ জুলাই বুধবার দুপুর ১২টায় বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ভার্চুয়ালি সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী।

    সভায় ভার্চুয়ালি সংযোগে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা।

    সভায় বানিয়াচংয়ে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় উদ্ধেগ প্রকাশ করা হয়।

    জনসচেতনতায় মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে ইতিমধ্যে প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংবাদকর্মীগন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তাদের রোগমুক্তি কমনা করা হয়।

    করোনা মোকাবেলা করেই প্রশাসনের সর্বস্তরে সঠিকভাবে কাজ করার মাধ্যমে দেশ ও রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যও আহবান জানানো হয়েছে।

    জনসাধারনকে আরও বেশি সচেতন হওয়ার জন্য বক্তাগন জোর দাবী জানিয়েছেন।

    এ সময় ভার্চুয়ালি সংযোগে ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ এনামূল হক,ইউএইচও শামীমা আক্তার,মৎস্য কর্মকর্তা একরামুল হক,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাফর ইকবাল,খাদ্য কর্মকর্তা খবির উদ্দিন,সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রধান,সমবায় কর্মকর্তা সৈয়দ হোসেন,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মলয় কুমার দাশ,পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল হাদী,বানিয়াচং প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া,ইউপি চেয়ারম্যান শেখ শামসুল হক,গিয়াস উদ্দিন আহমেদ,ওয়ারিশ উদ্দিন খান,মৌঃ হাবিবুর রহমান,রেখাছ মিয়া,লুৎফুর রহমান,এরশাদ আলী,আনোয়ার হোসেন,জয়কুমার দাশ,আব্দুল কুদ্দুছ শামীম,মোতাহের হোসেন,ফজলুর রহমান প্রমুখ।