Category: হবিগঞ্জ

  • সদর উপজেলা পরিষদ থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান

    সদর উপজেলা পরিষদ থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান

    কোভিড ১৯ মহামারিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ থেকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী মাস্ক প্রদান করা হয়।

    মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে এসকল স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

    স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদানকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস আরা বেগম প্রমুখ।

    এসময় প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের অনুরোধ করা হয় যে, করোনা মহামারী প্রতিরোধের লক্ষে এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা ও মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে।

  • বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের টহল ও মোবাইল কোর্ট

    বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের টহল ও মোবাইল কোর্ট

    কোভিড – ১৯ মোকাবেলায় কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার লক্ষে হবিগঞ্জ জেলায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশের টহল এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত ছিল। এসময় বিভিন্ন অপরাধে মামলা ও জরিমানা আদায় করা হয়।

    মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) জেলা শহর এবং উপজেলাসহ ১১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন।

    এদিকে মঙ্গলবার রাতে জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, দিনব্যাপি ১১টি মোবাইল টিম বিভিন্ন অপরাধে ৭৭ জন ব্যক্তির কাছ থেকে মোট ৪৬ হাজার ১ শত ৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

    মোবাইল পরিচালনার পাশাপাশি সকলকে সরকারী নির্দেশনা পালনসহ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে এবং সার্বক্ষণিক মাক্স পরিধান করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

  • ২৪ ঘন্টায় হবিগঞ্জে আরো ৩৮ জনের করোনা শনাক্ত

    ২৪ ঘন্টায় হবিগঞ্জে আরো ৩৮ জনের করোনা শনাক্ত

    গত ২৪ ঘন্টায় হবিগঞ্জ জেলায় নতুন করে আরো ৩৮ জন সনাক্ত হয়েছেন। তারমধ্যে সদরে ৮ জন, বাহুবলে ৭ জন, বানিয়াচংয়ে ৮ জন, চুনারুঘাটে ২ জন, লাখাইয়ে ৫ জন ও নবীগঞ্জে ৮ জন।

    এ পর্যন্ত হবিগঞ্জ জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫১১৪ জন। সুস্থ ২৫৮০ জন আর মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৫ জন।

    গতকাল ১০৬ টি নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে সনাক্তের হার ৩৫.৮%।

    নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোখলেসুর রহমান উজ্জ্বল৷

  • আজমিরীগঞ্জের বদলপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত ইউনিয়নবাসী

    আজমিরীগঞ্জের বদলপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত ইউনিয়নবাসী

    ফরহাদ চৌধুরীঃ আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের ভবানিপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রায়দিনই তালাবদ্ধ থাকে। চিকিৎসাসেবা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে হাওড়বাসীকে। কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারকে সব সময় না পাওয়া ও থাকলেও চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে কমিউনিটি ক্লিনিক তালা ঝুলানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে কমিউনিটি হেলথ কেয়ারের প্রোভাইডার সবুজ কান্তি দাশের মোবাইলে সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে কল দিলে তিনি বদলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাড়ির সামনে রাস্তায় আছেন বলে জানান।

    চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাওয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক মহিলার সঙ্গে আলাপকালে তারা বলেন, ‘সর্দিজ্বরের ওষুধের লাগি কয়েক দিন গেছি, ওষুধ নাই বলে বিদায় করে দেয়। এই ধরনের হাসপাতাল খুল্লেই কিতা না খুল্লেই কিতা’।

    শুধু ভবানিপুর কমিউনিটি ক্লিনিকেই না উপজেলার কয়েকটি ক্লিনিকের এমন চিত্র। অভিযোগ উঠেছে নিজেদের খেয়ালখুশিমতো ক্লিনিকে আসা-যাওয়া করে। এছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীদের ৩০ প্রকার ওষুধ দেওয়ার কথা থাকলেও প্রায় ওষুধই দেওয়া হচ্ছে না কাউকে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা ১৬টি। ১৫টি ক্লিনিকের ভবনে একজন করে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নিযুক্ত আছেন। তবে এ উপজেলায় ১৩টি ভবন থাকলেও দুটি ভবনের কাজ চলছে ও একটি ভবন না থাকায় অস্থায়ীভাবে ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়িতে কার্যক্রম চলছে।

    উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের সুভাষ দাস নামে একজন জানান, “মাঝেমধ্যে ক্লিনিকে যাই কিন্তু কর্মরত যে আছে তাকে পাই না।”

    উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক দেব রাজ চৌধুরী কমিউনিটি হেলথ কেয়ারের প্রোভাইডার সবুজ কান্তি দাশের বরাত দিয়ে জানান, “সোমবার একটি ডেলিভারি হয়েছিল, বাচ্চাটি মারা যায়। তাই সেখানে গিয়েছিল রোগীর খোঁজখবর নিতে।”

    উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হবে বলেও জানান।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইকবাল হোসেন জানান, “ঢাকা থেকে কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য যে ওষুধ বরাদ্দ আছে সেটাই তাদেরকে দেওয়া হয়। এখান থেকে কমবেশি করার সুযোগ নাই। এ ব্যাপারে আমি খোঁজখবর নিচ্ছি।”

  • প্রয়োজনেই মিলবে আলেয়া জাহির ফাউন্ডেশনের অক্সিজেন সিলিন্ডার

    প্রয়োজনেই মিলবে আলেয়া জাহির ফাউন্ডেশনের অক্সিজেন সিলিন্ডার

    করোনা পরিস্থিতিতে হবিগঞ্জে অক্সিজেন সংকট নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে আলেয়া-জাহির ফাউন্ডেশন। হবিগঞ্জ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ২৩ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করেছে সংস্থাটি।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬ তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধান অতিথি হিসাবে সিলিন্ডারগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আলেয়া জাহির ফাউন্ডেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি।

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় ৮টি, হবিগঞ্জ পৌরসভায় ৪টি, লাখাই উপজেলায় ৬টি, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ৩টি ও শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার জন্য দেয়া হয়েছে ২টি সিলিন্ডার।

    তিন উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ করোনায় আক্রান্ত রোগীদের প্রয়োজনে সিলিন্ডারগুলো তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দিবেন।

    হবিগঞ্জ হাইস্কুল এন্ড কলেজ মাঠে আলেয়া জাহির ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া আক্তার এর সভাপতিত্বে সিলিন্ডার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান, পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, লাখাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বর্ণালী পাল।

    যৌথভাবে অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল মুকিত ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ সাইদুর রহমান। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    পরে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ তিনটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের হাতে ২৩টি অক্সিজেন সিলিন্ডার তুলে দিয়েছেন। সিলিন্ডারে অক্সিজেন শেষ হয়ে গেলে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে এগুলো পুনরায় রিফিল করে দেয়া হবে।

    অনুষ্ঠানে আলেয়া জাহির ফাউন্ডেশনের সভাপতি এমপি আবু জাহির ও সাধারণ সম্পাদক আলেয়া আক্তার বলেন, অন্য বছর জাতির পিতার শাহাদতবার্ষিকীতে তাঁদের পক্ষ থেকে পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। কিন্তু এবার মহামারী পরিস্থিতিতে সেই আয়োজন সম্ভব হয়নি।

    কোন করোনা আক্রান্ত রোগী যেন অক্সিজেনের অভাবে মারা না যান সেই উদ্দেশ্যে বিনামূল্যে অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে। ভবিষ্যতে অক্সিজেন সিলিন্ডারের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে বলেও তাঁরা জানিয়েছেন।

    জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান ও পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলিসহ বক্তারা আলেয়া জাহির ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

    আলেয়া জাহির ফাউন্ডেশনের মতো করে সমাজের আরও বিত্তবান ব্যক্তিরা যেন করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করেন তাঁরা সেই অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

    অনুষ্ঠান শেষে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহারের নিয়মগুলো সম্পর্কে সকলকে অবহিতকরণমূলক বক্তৃতা করেন হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলিছুর রহমান উজ্জ্বল।

  • মাধবপুরে পুলিশের পৃথক অভিযানে নারীসহ আটক-২

    মাধবপুরে পুলিশের পৃথক অভিযানে নারীসহ আটক-২

    হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলী পিপিএম বিপিএম এর নির্দেশনায় মাধবপুর উপজেলার কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ি‘র চৌকস একদল পুলিশ সদস্যরা পৃথক ২টি অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্যসহ পেশাদার এক মাদক ব্যবসায়ী ও ১ নারী পাচারকারীসহ ২জনকে আটক করেছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩ আগষ্ট ( মঙ্গলবার) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে
    মাধবপুর থানার আওতাধীন কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ি‘র ইনচার্জ উত্তম কুমার দাস এর নেতৃত্বে এ এস আই গোলাম মোস্তফা সঙ্গীয় ফোর্সসহ দুইটি স্থানে পৃথক ২টি

    অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য ভারতীয় ইস্কফ ফেনসিডিল টাইফ ৩৫ বোতল সিরাপসহ ১পুরুষ ব্যবসায়ী ও
    ৬ কেজি গাঁজাসহ এক নারী পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে।

    মাদকদ্রব্যসহ আটককৃতরা হলেন উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী সন্তোষপুর গ্রামের মৃত আ: মমিনের ছেলে চলমান কয়েকটি মাদক মামলার আসামী পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪১),ও একই ইউনিয়নের ধর্মঘর সস্তামোড়া গ্রামের মোঃ মুছা মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ রাহেলা বেগম (২৬)।

    মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক সত্যতা নিশ্চিত করেন জানান, মাদকদ্রব্যসহ আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত পৃথক মাদক মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

  • বানিয়াচংয়ে জেলার ১ম  অক্সিজেন সঞ্চালন লাইন স্থাপন  হচ্ছে

    বানিয়াচংয়ে জেলার ১ম অক্সিজেন সঞ্চালন লাইন স্থাপন হচ্ছে

    হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচংয়ে কোভিড-১৯য়ে আক্রান্ত তীব্র শ্বাষকষ্টের রোগী ও সাধারন শ্বাষ কষ্টের রোগীদের দূর্ভোগ লাগবের জন্য বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন সঞ্চালন লাইন স্থাপন করা হবে।

    উপজেলা এলজিইডি অফিসের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা যায়। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটিই হবে হবিগঞ্জ জেলার মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ে অক্সিজেন সঞ্চালন লাইনের প্রথম কোন প্রকল্প।

    ইতিমধ্যে এর জন্য দরপত্র আহবান করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে দুই সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।

    বানিয়াচং উপজেলা প্রকৌশলী মিনারুল ইসলাম হবিগঞ্জ নিউজ কে জানান, জাইকার অর্থায়নে প্রকল্পটি আগামী দুই সপ্তাহর মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। এবং এটিই হবে হবিগঞ্জ জেলার মধ্যে প্রথম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন সঞ্চালন লাইন স্থাপন।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা ডাঃ শামীমা আক্তার হবিগঞ্জ নিউজকে জানান, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শ্বাষ কষ্টের রোগীদের অনেক উপকারে আসবে।
    আশা করছি খুব শীঘ্রই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা হবিগঞ্জ নিউজকে বলেন, আমরা যখন দেখি বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেনের সংকটের কারনে শ্বাষ কষ্টের রোগীদের দূর্ভোগ পোহাতে হয় বা কোন কোন ক্ষেত্রে রোগী মারা যাচ্ছেন তখন আমাদের কষ্ট লাগে।
    আরও ছয় মাস পূর্বে নেওয়া আমাদের এই সিদ্ধান্ত আশা করছি শীঘ্রই বাস্তবায়ন করা হবে।