Category: হবিগঞ্জ

  • শায়েস্তাগঞ্জে জুয়া খেলার সরঞ্জাম সহ ১৩ জুয়ারি গ্রেফতার

    শায়েস্তাগঞ্জে জুয়া খেলার সরঞ্জাম সহ ১৩ জুয়ারি গ্রেফতার

    শায়েস্তাগঞ্জ থেকে জুয়া খেলার সরঞ্জাম সহ ১৩ জুয়ারীকে গ্রেফতার করেছে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ।

    শনিবার (১৪ আগষ্ট) সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ অজয় চন্দ্র দেব এর নির্দেশে ওসি (তদন্ত) মোরশেদ কামালের নেতৃত্বে একদল পুলিশ জুয়া খেলা অবস্থায় জুয়ারীদের গ্রেফতার করেন।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার দক্ষিণ লেঞ্জাপাড়া হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পিছনের জনৈক ব্যক্তির ঘরে অভিযান পরিচালনা চালিয়ে ১৩ জন জুয়ারী দের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত জুয়ারীরা হল শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকার দক্ষিন লেঞ্জাপাড়ার রেনু মিয়ার ছেলে ফরিদ আহমেদ (৩১) এক ই এলাকার রমিজ মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া (২৬), মাজেদ আলীর ছেলে আব্দুল মন্নান (৬০),
    টেনুমিয়ার ছেলে কবির মিয়া (৩০),মোস্তফা আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম স্বপন (২৪), আওয়াল মিয়ার ছেলে লিপু (৩২),বিরামচর এলাকার আতিকুল্লার ছেলে মাহফুজ মিয়া (২৯), পশ্চিম নছরতপুর এলাকার আবদুল লতিফের ছেলে আব্দুল মালেক (৩০), নুরপুর ইউনিয়নের মালু মিয়ার ছেলে মোঃ আবদাল মিয়া (২৭), বিরাম চরের আবদুল মালিকের ছেলে সুজন মিয়া (৩০), দক্ষিন লেঞ্জা পাড়ার মন্নর মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (২৯), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গোপায়া ইইউনিয়নের যাত্রা বাড়ির মিরাজ মিয়ার ছেলে মোঃ জবরু মিয়া (৩০), নিজাম পুর ইউনিয়নের দরিয়াপুর গ্রামের মোঃ আব্দুল সালামের ছেলে জুয়েল মিয়া (৩২)।

    গ্রেফতারের বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ অজয় চন্দ্র দেব। তিনি জানান, চুরি ডাকাতি জুয়া মাদকের বিরুদ্ধে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে৷

  • আজমিরীগঞ্জের ১১ বছরের কিশোরী নিখোঁজ

    আজমিরীগঞ্জের ১১ বছরের কিশোরী নিখোঁজ

    আজমিরীগঞ্জের শিবপাশায় জুই আক্তার নামে ১১ বছরের এক কিশোরীকে গত ৩ দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা৷

    নিখোঁজ কিশোরী শিবপাশা গ্রামের আটপাড়া মহল্লার নজরুল ইসলামের মেয়ে৷ নিখোঁজ কিশোরীটি স্থানীয় নুরপুর প্রাইমারী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী৷

    ৩ দিন ধরে কোথায় খুঁজে না পেয়ে নিখোঁজ কিশোরীর মা রুকেয়া বেগম শনিবার দুপুরে আজমিরীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন৷ (ডায়েরী নং-৬০০৷ তাং-১৪.৮.২১)

    ডায়েরীতে নিখোঁজ কিশোরীর মা রুকেয়া বেগম উল্লেখ করেন, গত ১২ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টার দিকে বাড়ির পাশ্ববর্তী আটপাড়া মহল্লার মক্তব থেকে কায়দা পড়ে কিশোরী জুই বাড়িতে আসে৷

    এসময় তার বড় ভাই রায়হান তাকে ভাত খেতে বললে সে আসি বলে বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে চলে যায়৷ এরপর থেকে সে আর বাড়ি আসেনি৷

    নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই ৩ দিন ধরে ওই কিশোরীর অভিভাবকরা আত্মীয়স্বজনদের বাড়িসহ সর্বত্র খোঁজাখোজি করেও তাকে পায়নি৷

    অভিভাবকরা জানায়, এক বছর পূর্বেও সে এভাবেই বাড়ি থেকে হারিয়ে যায়৷ পরে অনেক খুঁজাখুজি করে বানিয়াচং থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়৷

  • বাংলাদেশ প্রেসক্লাব হবিগঞ্জ জেলার আহবায়ক কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ প্রেসক্লাব হবিগঞ্জ জেলার আহবায়ক কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ প্রেসক্লাব (৯৮৭৩৬/১২) হবিগঞ্জ জেলার আহবায়ক কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। হবিগঞ্জ জেলা ও উপজেলা সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের পরিচিতি ও আলোচনা সভায় বিশিষ্ট সাংবাদিক আবদুল কাদির কাজল এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এম এ হান্নান এর পরিচালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

    শনিবার (১৪আগষ্ট) ২১ ইং দুপুর ১২.৩০ ঘঠিকায় হবিগঞ্জ পুরাতন পৌরসভা রোড়ের এর অস্থায়ী কার্য্যলয় অনুষ্টিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মুজিবুর রহমান খান, যুগ্ম আহবায়ক দৈনিক বর্তমান দিনকাল হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মীর দুলাল, যুগ্ম আহবায়ক আসাদুজ্জামান সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক সময়ের বাণী প্রতিনিধি মোতালিব তালুকদার দুলাল,
    অর্থ সম্পাদক সাহানা আক্তাতার, সৈয়দ রুবায়েল আহমেদ জুয়েল, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আহবায়ক জুনাইদ আহমেদ, বানিয়াচং উপজেলার আহবায়ক নজরুল ইসলাম, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আহবায়ক জমির আলী, লাখাই উপজেলার আহবায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ রিপন, সদস্য সচিব বিলাল আহমেদ, নবীগঞ্জ উপজেলা আহবায়ক সামসুল ইসলাম, আঃ কাইয়ুম, বহুবল উপজেলা আহ্বায়ক সাদিকুর রহমান।

    সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিকতা হল একটি মহান পেশা। সত্য বস্তুনিষ্ঠ, সচ্ছতা ও জবাবদিহি মূলক সংবাদ প্রচারের জন্য সাবাইকে আহবান করেন ।

  • বাহুবল মডেল থানায় পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি(পুনাক) এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    বাহুবল মডেল থানায় পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি(পুনাক) এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ বাহুবল মডেল থানায় হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ নারী পুনাক এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, শনিবার ১৪ই আগস্ট বিকাল ৪টার দিকে বাহুবল মডেল প্রাঙ্গনে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    হবিগঞ্জ জেলা পুনাকের সভাপতি ও পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলির সহধর্মিণী মিসেস তাহেরা রহমানের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন-অপরাধ) এর সহধর্মিণী এ্যমি চাকমার পরিচালনায় উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন বানিয়াচং সার্কেলের সহধর্মিণী শর্মিলা দেব,বাহুবল-নবীগঞ্জ সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আবুল খয়ের,বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো ডালিম আহমেদ,বাহুবল মডেল প্রেসক্লাব সভাপতি নুরুল ইসলাম নুর,পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ আলমগীর কবির,পুটিজুরী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম,সাংবাদিক জুবায়ের আহমেদ, বাহুবল ও নবীগঞ্জ থানার অন্যান্য অফিসার ও সদস্যবৃন্দ। উক্ত সাধারণ আলোচনা সভায় জেলা পুনাকের সভানেত্রী মিসেস তাহেরা রহমান,পুনাকের কার্যক্ষম নিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা বক্তব্য রাখেন।

  • মাধবপুরে লাল সবুজের গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    মাধবপুরে লাল সবুজের গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    লাল সবুজের প্রচেষ্টা, সবুজ করব দেশটা’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলার অপরূপা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যায়তনে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করেছে সামাজিক সংগঠন লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ।

    শনিবার সকালে বিদ্যালয় মাঠে সংগঠনটির আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ ওয়ালিদ মিয়া, সাংবাদিক হামিদুর রহমান, লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় সভাপতি কাওসার আলম সোহেল, হবিগঞ্জ জেলা শাখার নারী সম্পাদিকা হ্যাপী আক্তার, সদস্য সালমার শ্রাবন, মাসুদুর রহমান, জহিরুল ইসলাম শাহীন, আতিকুর রহমান শান্ত ও তানভীর সামি প্রমুখ।

    লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় সভাপতি কাওসার আলম বলেন, ‘লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের সদস্যরা তাদের জমানো টাকায় গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছেন। আগামী তিন মাস এ কার্যক্রম সারাদেশে পরিচালনা করা হবে। গত ৫ বছরে সংগঠনটি ৪ লাখ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করেছেন।

    এ বছরও সারাদেশে লাল সবুজের স্বেচ্ছাসেবীরা ১ লাখ গাছের চারা বিতরণ করবে বলে জানান।

  • হবিগঞ্জের অলিপুরে ট্রাক এবং  প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ

    হবিগঞ্জের অলিপুরে ট্রাক এবং প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ

    হবিগঞ্জের অলিপুরে ট্রাক এবং প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২জন আহত হয়েছেন, আহতদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

    শনিবার ১৪ আগস্ট সকাল ৯টায় জেলার নুরপুর ইনিয়নের অলিপুরে সিলেট থেকে আসা গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি একটি ট্রাকের সাথে প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়, এসময় ট্রাকটি রাস্তারপাশে উল্টে যায়, এতে ২জন আহত হয়। আহতদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

    এবিষয়ে শায়েস্তাগনজ হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাইনুল হোসেন ঘঠনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তেমন গুরুতর কেউ আহত হয় নাই, পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে এবং গাড়ী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

  • যুদ্ধাপরাধী মামলায় আমৃত্যু সাজাপ্রাপ্ত আসামী সাবেক চেয়ারম্যান আঙ্গুর মিয়ার কারাগারে​ মৃত্যু

    যুদ্ধাপরাধী মামলায় আমৃত্যু সাজাপ্রাপ্ত আসামী সাবেক চেয়ারম্যান আঙ্গুর মিয়ার কারাগারে​ মৃত্যু

    সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মারা গেছেন।

    শুক্রবার দুপুরে মুজিবুর রহমান আঙ্গুর মিয়া (৬৮) নামের ওই ব্যক্তি মারা যান। এরআগে সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কারাগার থেকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই মারা যান মুজিবুর।

    আমৃত্যু সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী মুজিবুর রহমান ওরফে আঙ্গুর মিয়া হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার কুমারছানা গ্রামের মৃত দরছ উদ্দিনের ছেলে।

    তিনি বানিয়াচং উপজেলার খাগাউড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন৷

    যুদ্ধাপরাধের দায়ে ২০১৬ সালে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন আদালত।

    মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন বলেন, ‘বার্ধক্যজনিত রোগে ভোগেই মারা যান তিনি।’

    কারাগার সূত্র জানায়, মুজিবুরকে গ্রেপ্তারের পর ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। ২০১৬ সালের ১ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করেন।

    পরবর্তীতে তাকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। চলতি বছরের ২৫ মে তাকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

    শুক্রবার বুকের ব্যথাসহ নানা রোগে অসুস্থ হয়ে পড়লে সহকারী সার্জন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মুজিবুরকে মৃত ঘোষণা করেন।

    জানা যায়, মুজিবুর ও তার আরও দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পেয়ে দণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। এরমধ্যে একজনকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়।