Category: হবিগঞ্জ

  • মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার

    মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার

    আজ (মঙ্গলবার) ২১ আগস্ট আনুমানিক সকাল সাড়ে আট ঘটিকার সময় হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এর অধীনস্থ মনতলা বিওপির হাবিলদার মোঃ ইউনুস খানের নেতৃত্বে টহল পরিচালনা করে মাধবপুর থানাধীন হরিণখোলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা সীমান্ত পিলার ১৯৮৬/৭ এস হতে আনুমানিক তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শিবনগর নামকস্থান হতে অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি ভারতীয় গাজা আটক করা হয়।

    আটককৃত মাদকদ্রব্যের সিজার মূল্য ৩৫ হাজার টাকা বলে জানায় বিজিবি। চোরাচালান মালামালের আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৫ বিজিবি) অধিনায়ক এস এন এম সামিউন নবী চৌধুরী।

  • বানিয়াচংয়ে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    বানিয়াচংয়ে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    আকিকুর রহমান রুমনঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ইয়াবাসহ সাইফুল নামের এক মাদক ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে বানিয়াচং পুলিশ। পুলিশের এ অভিযানে সাইফুলের সাথের অপর ব্যাবসায়ী পালিয়ে যায়।

    তাদের সাথে ইয়াবা ব্যাবসার কাজে বহনকৃত একটি পালসার মোটর সাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।

    থানা সূত্রে জানাযায়, বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমরান হুসেনের দিক নির্দেশনায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানের ধারাবাহিকতায় অভিযানে বের হয় পুলিশের একটি টিম। তাদের কাছে মাদকের একটি ডিলিং হওয়ার স্থানের গোপন সংবাদ আসে।

    সঙ্গে সঙ্গে এসআই সঞ্চয় সিকদারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বানিয়াচং উপজেলা সদরের ২নং উত্তর পশ্চিম ইউপি’র ৭নং ওয়ার্ডের শেখেরমহল্লা শরীফ উদ্দিন সড়কের পাশে (কালাদেও পুকুর পাড়ে) অভিযান পরিচালনা করে আটক করে সাইফুলকে।

    গ্রেফতারকৃত সাইফুল ইসলাম ২নং ইউপির গরিব হুসেন মহল্লার সিরাজ মিয়ার পুত্র।

    এব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি এমরান হুসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি
    ইয়াবাসহ সাইফুল ইসলামের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বানিয়াচংকে অপরাধ মুক্ত করতে রাত-দিন কাজ করে চলেছি। রাতভর আমাদের বিভিন্ন টিম অভিযানে অব্যাহত রাখছে। সচেতন সমাজ ও সাংবাদিকদেরকে আহবান জানাচ্ছি আমাদেরকে তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য।

  • বাহুবল মডেল থানার বিদায়ী ওসিকে সংবর্ধনা ও নবাগত ওসিকে বরণ

    বাহুবল মডেল থানার বিদায়ী ওসিকে সংবর্ধনা ও নবাগত ওসিকে বরণ

    জুবায়ের আহমেদঃ বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামানকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। এসময় নবাগত ওসি মোঃ রকিবুল ইসলামকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়েছে।

    সোমবার ৩০ আগস্ট রাত ৯ টার দিকে বাহুবল মডেল থানা পুলিশের আয়োজনে বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

    বাহুবল – নবীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আবুল খয়ের এর সভাপতিত্বে ও এস আই হাসান মাহমুদের পরিচালনায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠ এর মধ্যে দিয়ে উক্ত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় আবেগপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, বাহুবল মডেল থানার বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম।

    এছাড়া বক্তব্য রাখেন পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ আলমগীর কবির, পুটিজুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম, বাহুবল মডেল প্রেসক্লাব সভাপতি নুরুল ইসলাম নুর, এস আই অলক বড়ুয়া, এস আই ইদ্রিস আলী, এস আই জসিম উদ্দিন, কম্পিউটার অপারেটর সুধাংশু, মহিলা কঃ সহ বিভিন্ন অফিসার ও সদস্যবৃন্দ।

    কোরআন তিলাওয়াত করেন থানা মসজিদের ইমাম মাওলানা তাজুল ইসলাম, গীতা পাঠ করেন এ এস আই রাজু কান্তি দাস।

    সংবর্ধনা ও বিদায়ী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বাহুবল মডেল থানায় দীর্ঘ ২৬ মাসে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

    একজন ভালো মনের মানুষ হিসেবে উপস্থিত সকলই মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ও উনার পরিবারের সুস্বাস্থ্যে দীর্ঘায়ূ কামনা করেছেন।

    অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, দীর্ঘ ২৬ মাস বাহুবল মডেল থানায় কাজ করতে গিয়ে বাহুবলবাসীর সার্বিক সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেয়েছি।

    বিদায়ী অনুষ্ঠানে তিনি স্থানীয় সাংবাদিক সহ বাহুবলবাসীর সুস্বাস্থ, দীর্ঘায়ূ ও কামনা করেছেন। নতুন কর্মস্থল মৌলভীবাজার জেলায় যেনো সফলভাবে কাজ করতে পারেন সেজন্য সকলের দোয়া চেয়েছেন।

    সমাপনী বক্তব্য রাখেন বাহুবল – নবীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আবুল খয়ের। এসময় তিনি থানায় কর্মরত সকল অফিসার ও সদস্যদের সমন্বয়ে কাজ করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

  • পনের আগস্টের ঘটনা পরাজিত শক্তির প্রতিশোধমূলক আঘাত – এমপি আবু জাহির

    পনের আগস্টের ঘটনা পরাজিত শক্তির প্রতিশোধমূলক আঘাত – এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন, “১৫ আগস্ট জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।”

    “খুনিরা এ হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে জঘন্যতম বর্বরতা, নির্মমতা, পৈশাচিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনা সুপরিকল্পিত। এটি ছিল বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ওপর মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তির প্রতিশোধমূলক সবচেয়ে ভয়ংকর আঘাত।”

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬ তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আজ সোমবার হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। জেলা শহরের শিরিষতলা প্রাঙ্গণে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় এমপি আবু জাহির আরও বলেন, “পাকিস্তান পন্থীরা ভেবেছিল বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কোন সদস্য বেঁচে থাকলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে তারা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরিকল্পনা করে।”

    “সেদিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই সন্তান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেঁচে থাকায় দেশ আজ মাথা উুঁচ করে দাঁড়িয়েছে। ১৫ আগস্টের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রজন্ম এখন উন্নয়নের ধারাকেও ব্যহত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদেরকে ব্যাপারে আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি মানুষ তথা দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে।”

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ মোত্তালিব ও সঞ্চালনায় ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল মুকিত।

    সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

    সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী, সহ সভাপতি আক্রাম আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান হোসাইন মো. আদিল জজ মিয়া।

    বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মো. সফর আলী, আব্দুল আউয়াল তালুকদার, নুরুজ্জামান চৌধুরী, লোকড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আব্বাস, গোপায়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, লস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান হিরো, জবেদ আলী মাস্টার, ফরিদ আহমেদ, সাহেব আলী, জালাল আহমেদ, মীর হোসেন, আহম্মদ আলী, মহিউদ্দিন চৌধুরী পারভেজ প্রমুখ।

  • নবীগঞ্জে মসজিদের দ্বন্দ্ব নিরসনে ব্যর্থ সর্বমহল, প্রশাসনের তদন্ত সম্পন্ন

    নবীগঞ্জে মসজিদের দ্বন্দ্ব নিরসনে ব্যর্থ সর্বমহল, প্রশাসনের তদন্ত সম্পন্ন

    শাহরিয়ার আহমেদ শাওনঃ নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের ইনাতগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ নিয়ে প্রায় ৩০ বছর ধরে বিরোধ নিরসনে ব্যর্থ হয়েছেন সর্বমহল।

    একাধিকবার শালিস বৈঠকে মসজিদ নিয়ে চলমান দ্বন্দ্ব নিষ্পত্তির রায় ঘোষণা করলেও তা বাস্তবায়ন করতে অনিহা জানাচ্ছে মসজিদ কমিটি।

    উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের আহবানে বর্তমান মসজিদ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে কমিটির লোকজন শালিস বৈঠকে উপস্থিত হয়ে শালিসে রায় মানলেও বাস্তবে তা বাস্তবায়ন করতে নারাজ তারা।

    এনিয়ে লোকমুখে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা বলছেন, মসজিদ নির্মাণ দেখিয়ে লন্ডন প্রবাসী সালেহা বেগমের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা নেন মসজিদ কমিটির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমানের আপন চাচা।

    এরপর থেকেই ইনাতগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ পরিবর্তন করে তার নাম হয় সালেহা জামে মসজিদ। এতে করে এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি দেখা দেয়। পরে ১৯৯৩ সালে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ আহমেদ জিহাদীর নেতৃত্বে এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে পড়ে তৎকালীন কমিটি।

    ইনাতগঞ্জ বাজার নাম পরিবর্তন কেন করা হলো এমন প্রশ্নের জবাব চাওয়া হয় কমিটির কাছে। তৎকালীন কমিটির লোকজন স্থানীয়দের প্রশ্নের জবাবে সঠিক কোনো কারণ দেখাতে না পারলে স্থানীরা সালেহা বেগমের নামের নাম ফলক ভেঙে ফেলেন।

    পরবর্তীতে আবারও নাম ফলক লাগানো হয়। তবে দুই নামে। এসময় বাদ পড়ে ভূমিদাতা পরিবার গুলো। দীর্ঘ ৩০ বছরের অধিক আন্দোলন সংগ্রাম করে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে মসজিদ রক্ষায় অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেন ভূমিদাতা পরিবারের সদস্য সাংবাদিক আশাহিদ আলী আশা।

    ভূমি দাতা হিসাবে আশাহিদ আলী আশা বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনে আবেদন করেন মসজিদ কমিটির অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এরই প্রেক্ষিতে ওয়াকফের পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন (৩০ আগষ্ট) সোমবার সকাল ১১ টায় সরজমিনে ইনাতগঞ্জ বাজার মসজিদ পরিদর্শন এবং মসজিদ কমিটি ও আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করে তদন্ত সম্পন্ন করেন।

    মসজিদ কমিটির প্রতিনিধি আমিনুর রহমান ও দাতা সদস্য আশাহিদ আলী আশা’কে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ৫ দিনের ভেতরে জমা দেয়ার নির্দেশনা দেন। তদন্তকালীন সময় উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ দাতা পরিবারের সদস্য, গ্রাম্য শালিস বিচারক, মসজিদের মুসল্লিগণসহ অনেকে।

    বিশেষসুত্রে জানাগেছে, গত ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিস কক্ষে সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিতির মাধ্যমে ইনাতগঞ্জ বাজার জামে মসজিদের প্রায় ৩০ বছরের বিরোধ কাগজপত্র পর্যালোচনা করে রায় ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ।

    রায়ে বলা হয় মসজিদের প্রতিষ্টাতা ভূমিদাতা সাংবাদিক আশাহিদ আলী আশার পরিবার। ভূমিদাতা হিসাবে আশাহিদ আলীর পরিবারকে ভূমিদাতা স্বীকৃতি দিয়ে নামফলক ব্যবহার করবেন। কিন্তু ১৫ দিন ৩ শুক্রবার অতিবাহিত হলেও এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। এ রায় বাস্তবায়ন না হওয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    ভূমিদাতা আশাহিদ আলী আশা ও তার পরিবার জানান, ৩০ বছর যাবত জুলুম অত্যাচার সহ্যশক্তি নিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে ভয়ংকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের স্থলে নবীগঞ্জের ৪নং মোস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।

    জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ১৯৯৪ ইং সালে বাংলাদেশ ওয়াকফ এ টেষ্ট ১৭৭১০ নং নথিতে তালিকা ভুক্তি করেছেন সালেহা জামে মসজিদ। মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে ৩০ বছর যাবত ভুমিদাতা পরিবারের উপর হামলা মামলাসহ জুলুম অত্যাচার নির্যাতন করেও প্রতিবাদ থামিয়ে রাখতে পারেনি।

    বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রতিনিধি মৌলভীবাজার থেকে আসা সাখাওয়াত হোসেন জানান, সরেজমিনে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মসজিদ কমিটি এবং দাতা সদস্য কে ৫ দিনের ভেতরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা অল্প সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন প্রদান করবো।

  • মাধবপুরে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

    মাধবপুরে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

    হবিগঞ্জের মাধবপুর থানা পুলিশ ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আবিদ মিয়া (৩০) নামক এক পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে।

    আজ (সোমবার) দুপুরে ছাতিয়াইন এলাকা থেকে
    পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। আবিদ মাধবপুর উপজেলার শিমুলঘর গ্রামের নবাব মিয়ার ছেলে।

    মাধবপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান,আবিদ মিয়ার বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলায় ২ বছরের সাজা হলেও সে পলাতক ছিল।

  • মাধবপুরে মাদ্রাসার ছাত্র কে পিটিয়ে আহত, শিক্ষক আটক

    মাধবপুরে মাদ্রাসার ছাত্র কে পিটিয়ে আহত, শিক্ষক আটক

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক মাদ্রাসার ছাত্র কে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় মইন উদ্দিন (৪২) নামে শিক্ষক কে আটক করেছে পুলিশ।

    আজ (সোমবার) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। মাধবপুর বাজার দারুল কোরআন কাওমী হাফিজিয়া নুরানীয়া মাদ্রাসার হাফিজি বিভাগের ছাত্র পৌর শহরের আলাকপুর
    গ্রামের মোঃ সাহেদ মিয়ার ছেলে মোঃ মোস্তফা রহমান কে সকালে মাদ্রাসার শিক্ষক মইন উদ্দিন পিটিয়ে মারাত্বক আহত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় মোস্তফা
    রহমান কে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    এ ঘটনায় ছাত্রের পিতা সাহেদ মিয়া মাধবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ সোমবার দুপুরে মাদ্রাসার শিক্ষক মইন উদ্দিন কে আটক করে।

    মাধবপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে শিক্ষক কে থানায় আনা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।