Category: হবিগঞ্জ

  • বাহুবলে পলাতক আসামী র‍্যাবের হাতে আটক

    বাহুবলে পলাতক আসামী র‍্যাবের হাতে আটক

    র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানা এলাকা থেকে পুলিশ এ্যাসল্ট মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত ১জন পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে।

    মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট দুপুর ১:৩৫ মিনিটের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-১ (হবিগঞ্জ ক্যাম্প, সিলেট) এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার মোহাম্মদ নাহিদ হাসান এর নেতৃত্বে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানাধীন বসিনা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে জিআর মামলা নং- ০৫ তারিখ ০৮/০৪/২০১৯ ধারাঃ ১৪৩/১৪৪/১৪৭/ ৩৩২/৩৩৩/ ৩৫৩/১৮৬/১১৪ আইনের পেনাল কোড মূলে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী বাহুবল উপজেলার বশিনা গ্রামের মৃত আফসার উদ্দিনের ছেলে খায়ের উদ্দিন (৪২)কে আটক করে।।

    পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে আটক আসামী’কে বাহুবল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

  • নবীগঞ্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১ জন

    নবীগঞ্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১ জন

    শাহরিয়ার আহমেদ শাওন ঃ নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের আমড়া খাই গ্রামে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের মধ্য রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কামাল মিয়া (৩৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। নিহত কামাল ওই গ্রামের আব্দুল হেকিমের পুত্র। এতে গুরুতর আহত মামুন মিয়া (৩৫)কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জের ।
    আমড়াখাই গ্রামের নজরুল ইসলাম ও তার চাচাতো ভাই বদরুল আলমের মধ্য দীর্ঘদিন ধরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে।

    এর জের ধরে মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে উভয়ের লোকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৩০মিনিটের মতো উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র- শস্ত্রসহ ইট পাটকেল নিক্ষেপ করেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন।

    আহতদেরকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে নজরুল ইসলামের পক্ষের ও অপর পক্ষ বদরুল আলমের চাচাতো ভাই কামাল মিয়াকে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। অপর গুরুতর আহত মামুনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

    এ ঘটনাট খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডালিম আহমেদ একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

    সংঘর্ষে অন্যান্য আহত সিরাজুল ইসলাম (৪০), জোতি মিয়া (৩০) সহ অন্যান্য আহতদের নবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সহ বিভিন্ন চিকিৎসালয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

    এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ডালিম আহমেদ জানান, মামলা হয়নি। তবে, অপরাধী যেই হোক না কেন তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

  • মাধবপুরে গাঁজাসহ পুলিশ সদস্য গ্রেফতার

    মাধবপুরে গাঁজাসহ পুলিশ সদস্য গ্রেফতার

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে গাঁজা পাচারকালে এক পুলিশ সদস্য সহ ২ জন কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ ( মঙ্গলবার ) বিকেলে গ্রেফতারকৃতদের হবিগঞ্জ বিচারিক আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরন করেন। ঘটনা

    তদন্তে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হল
    মাধবপুর থানার পুলিশ কনস্টবল মনির হোসেন (কংনং ১৩১১, বিপি নং ৯৯১৮২০৬৫১৯)
    ও উপজেলার উত্তর বেজুড়া গ্রামের রঙ্গু মিয়ার ছেলে শাকিল মিয়া (২৮)।

    এ ঘটনায় মনতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এস.আই) রতন লাল দেব বাদী
    হয়ে আজ মঙ্গলবার থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন।

    মাধবপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে সীমান্তবর্তী মনতলা এলাকা থেকে একটি
    মোটরসাইকেল যোগে মনির হোসেন তার বন্ধু শাকিল কে নিয়ে মাধবপুরের দিকে
    আসছিল। এসময় মনতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ পরিদর্শক রতন লাল দেবের
    নেতেৃত্বে টহল দ্বায়িত্বে থাকা একদল পুলিশ উল্লেখিত এলাকায় তাদের গতিরোধ করে
    তল্লাশী চালিয়ে তাদের হেফাজত থেকে ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। পরে পুলিশ
    কনস্টবল মনির হোসেন ও শাকিলকে গাঁজাসহ মাধবপুর থানায় সোর্পদ করে।

    এ ঘটনায় এস আই রতন লাল দেব বাদী হয়ে থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা
    দায়ের করেন। পুলিশ কনস্টবল মনির হোসেন ও শাকিল মিয়াকে মঙ্গলবার বিকেলে
    আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    মাধবপুর-চুনারুঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মহসিন আল মুরাদ এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এ ঘটনায় হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলীর নির্দেশে পুলিশ কনস্টবলসহ শাকিলের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

    এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মোঃ মাহমুদুল হাসানকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের পর তার বিরুদ্ধে
    বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হব।

  • হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইনে বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা (সাপ্লিমেন্টারি) ২০২০ এএসআই (নিঃ) হতে এসআই (নিঃ) প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে এ পদোন্নতি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা (সাপ্লিমেন্টারি) ২০২০ এএসআই (নিঃ) হতে এসআই (নিঃ) প্যারেড পরীক্ষায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

    প্যারেড পরীক্ষায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলি। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা বোর্ডের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • নবীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ : সংঘর্ষে নিহত ১

    নবীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ : সংঘর্ষে নিহত ১

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কামাল হোসেন (৩৮) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন।

    মঙ্গলবার (৩১ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের আমড়াখাই গ্রামে এঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার আমড়াখাই গ্রামের কামাল হোসেনের পৈতৃক ১৭ একর জমি নিয়ে তার চাচাতো ভাই নজরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

    এ ঘটনায় গত কয়েকমাস ধরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ বসে। সালিশ বৈঠকে বিরোধের বিষয়টি সুরাহা হয়নি।

    মঙ্গলবার সকালে বিরোধপূর্ন জমিতে কামাল হোসেনের লাগানো ধান নজরুল ইসলাম ও তার লোকজন তুলে নিতে গেলে দুই পক্ষের লোকজনের মাঝে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ বাধে।

    সংঘর্ষ চলাকালে পিকলের আঘাতে কামাল হোসেন (৩৮) গুরুতর জখম হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের আহত হন আরও ২০ জন।

    পরে গ্রামবাসী এগিয়ে এসে দুই পক্ষকে শান্ত করেন এবং গুরুতর আহত কামাল হোসেনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    হামলায় আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে ।

    নিহতের ছোট ভাই বদরুল ইসলাম জানান, আমার ভাইকে একা পেয়ে প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলামের লোকজন হামলা করে দেশীয় পিকল দিয়ে হত্যা করেন।

    আমরা তাকে বাঁচাতে গেলে তাদের হামলায় আমাদের আরো অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত হন।

    এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ডালিম আহমেদ বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এব্যাপারে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান চলছে।

  • আনন্দঘন পরিবেশে বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাবের আনন্দ ভ্রমণ

    আনন্দঘন পরিবেশে বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাবের আনন্দ ভ্রমণ

    শত কর্মব্যস্ততা থেকে নিজেদের কিছুটা প্রশান্তি দিতে এবং প্রকৃতির সাথে নিজেদের অবগাহন করাতে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যরা প্রতি বছরের ন্যায় এবারো আনন্দ ভ্রমণ উদযাপন করেছেন।

    ৩০ আগস্ট সোমবার সকাল থেকে রাত ১০ ঘটিকা পর্যন্ত এই আনন্দ ভ্রমণ শেষে সকলে নিরাপদে নিজ নিজ কর্মস্থল বানিয়াচং এসে পৌঁছেছেন।

    বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এস এম খোকনের নেতৃত্বে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং, জলসুখা, আজমিরীগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামসহ বেশ কয়েকটি পর্যটন স্পট ভ্রমণ করেন বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাব সদস্যরা।

    এই আনন্দ ভ্রমণে প্রেসক্লাবের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য অংশ নেন। ২৪ জন সদস্যের বহর নিয়ে ভ্রমণে আসেন প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।

    বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও হবিগঞ্জ জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মুফতি মাওলানা আতাউর রহমান, বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান কাজল, যুগ্ম-সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত মিল্টন, সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নাসিম, অর্থ সম্পাদক উমর ফারক শাবুল, প্রচার সম্পাদক এস এম খলিলুর রহমান রাজু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রিয়াদ আল আসাদ, সমাজকল্যণ সম্পাদক মাওলানা বদরুল আলম আনসারী, প্রেসক্লাব সদস্য এস এম সাইফুল ইসলাম সেলিম, শেখ যোবায়ের আহমদ, ইমরান আহমদ উসমানী, আরিফুল রেজা, তফসির মিয়া, আব্দুর রউফ আশরাফসহ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।

    এছাড়াও শুভাকাঙ্কিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী রায়হান উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন, ব্যবসায়ী ইবাদুল বিশ্বাস ও সুবেল মিয়া।

    সোমবার ভোরে আনন্দ ভ্রমনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়ে যায়। সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয় থেকে মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে শুরু হয় আনন্দ ভ্রমনের যাত্রা।

    বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ সড়কের দু’পাশে বর্ষার পানিসহ প্রাকৃতিক ভাবে জন্ম নেয়া গাছগাছালীর বেষ্টনী দেখলে মনে হয় দুইদিকে সাগর এবং সড়কে সবুজের সমারোহ। এই পরিবেশ যেকোন পর্যটকের মনকেড়ে নেবে।

    বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যরাও ব্যতিক্রম নয়। মোটর সাইকেল থামিয়ে সবাই আটকে পড়েন। প্রায় আধাঘন্টা ঘুড়াঘুড়ির পরে আবারো মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে আজমিরীগঞ্জ থানা চত্তরে যাওয়ার পরে ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তার আমন্ত্রণে চা বিরতি।

    পরবর্তীতে দুইটি নৌকাযোগে যাওয়া হয় ইটনা গোদারাঘাট । সেখান থেকে মোটর সাইকেল ও অটোযোগে বিকাল ৩ টার দিকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ এডভোকেট’র গ্রামেরবাড়ী কিশোরগঞ্জ জেলার মিটামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে পৌঁছেন।

    এখানে কাঁচালঙ্কা রেষ্টুরেন্টে দুপুরের খাবার শেষে এখানকার দর্শনীয় স্পট গুলো সবাই ঘুরে দেখেন এবং আনন্দ উল্লাস করেন।

    বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাবের এই বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে সফলতার সাথে সম্পন্ন হওয়ায় আনন্দ ভ্রমণে অংশ গ্রহণকারী সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম খোকন, সাধারণ সম্পাদক কমরুল হাসান কাজলসহ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।

  • মাধবপুরে থ্যালাসেমিয়া রোগীর বাড়ীতে অনুদান নিয়ে হাজির সমাজ সেবা কর্মকর্তা

    মাধবপুরে থ্যালাসেমিয়া রোগীর বাড়ীতে অনুদান নিয়ে হাজির সমাজ সেবা কর্মকর্তা

    মাধবপুরে থ্যালাসেমিয়া রোগীর বাড়ীতে অনুদানের চেক নিয়ে হাজির সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ আশরাফ আলী তাপস।

    জানাযায় মাধবপুর পৌরসভার কৃষ্ণনগর এলাকা সুমাইয়া আক্তার (১৯) দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিল। শারীরিক চিকিৎসা ও পরীক্ষা শেষ থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত বলে ডাক্তার সনাক্ত করেন।

    পরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে সরকারি অনুদানে জন্য আবেদন করলে ওই রোগীর নামে ৫০ হাজার টাকার চেক বরাদ্দ হয়।

    আজ (মঙ্গলবার) সকালে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুমাইয়া আক্তারের বাড়ীতে গিয়ে সরকারের বরাদ্দকৃত চেকটি তার হাতে তুলে দেন।