Category: হবিগঞ্জ

  • আড়াই হাজার মানুষের মাঝে সরকারি চালের কার্ড বিতরণ করলেন এমপি আবু জাহির

    আড়াই হাজার মানুষের মাঝে সরকারি চালের কার্ড বিতরণ করলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি ও গোপায়া ইউনিয়নে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় আড়াই হাজার মানুষের মাঝে দশ টাকা কেজি চালের কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

    শনিবার হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির প্রধান অতিথি হিসাবে এই কার্ড বিতরণর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

    নতুন করে দুইটি ইউনিয়নে এ কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়া আড়াই হাজার মানুষ এখন বছরের পাঁচ মাস প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন দশ টাকা কেজি দরে।

    ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে কার্ড নিতে আসেন তারা।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা পোষন করে সকল সময় নৌকার পক্ষে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন উপকার ভোগীরা।

    দুইটি ইউনিয়নের পৃথক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোপায়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন ও রিচি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়া মোঃ ইলিয়াছ।

    এ সময় সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • মাধবপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক দুই আসামি পুলিশের হাতে গ্রেফতার

    মাধবপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক দুই আসামি পুলিশের হাতে গ্রেফতার

    হবিগঞ্জের মাধবপুর থানা পুলিশ দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

    শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোর বেলা থানার এস আই মোঃ মমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে মাদক মামলায় দেড় বছরের সাজা প্রাপ্ত আাসামী মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের আঃ জাহের এর পুত্র মোঃ শহিদ মিয়া (৪৫) ও সি আর মামলার ৩ বছরের সাজা প্রাপ্ত আসামী একই উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের বানেশ্বর পুর গ্রামের আবুল হোসেন এর পুত্র খোকন মিয়াকে গ্রেফতার করে।

    মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক গ্রেফতারে সত্যতা নিশ্চিত করেন।

  • মাধবপুরে ১৬ কেজি গাঁজা সহ ডিবির হাতে মাদক ব্যবসায়ী আটক

    মাধবপুরে ১৬ কেজি গাঁজা সহ ডিবির হাতে মাদক ব্যবসায়ী আটক

    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুরের জগদিশপুর গোল চত্তর এলাকা থেকে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর একটি দল৷

    আজ শনিবার দুপরে ডিবির এস আই ধ্রুবেশ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ জগদীশপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত সিলেট ঢাকা মহাসড়কের মুক্তিযোদ্ধা চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ শফিক মিয়া (২৭) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে৷

    আটকৃত মাদক ব্যবসায়ী শফিক মাধবপুর উপজেলার পূর্ব ইটাখোলা গ্রামের আলী আকবর এর পুত্র৷

    আটকের সময় তার কাছ থেকে ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়৷

    উদ্ধারকৃত গাঁজার মূল্য ১,৬০,০০০/- টাকা স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়৷। মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

  • ৭৬ বছর বয়সেও জুটেনি বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতার কার্ড

    ৭৬ বছর বয়সেও জুটেনি বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতার কার্ড

    ৭৬ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও বিধবা বা বয়স্ক ভাতার কার্ড পায়নি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বহরা ইউনিয়নের অসহায় আয়েশা আক্তার। বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা প্রদান সরকারের একটি ভাল উদ্যোগ।

    রাষ্ট্রীয় নিয়ম অনুযায়ী এই ভাতার একজন প্রকৃত দাবিদার হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বহরা ইউনিয়নের ঘিলাতলী গ্রামের মৃত আফতাব আলীর স্ত্রী আয়েশা আক্তার। জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্ম সাল (১৯৪৫) অনুযায়ী বর্তমানে তাঁর বয়স ৭৬ বছর।

    স্থানীয়রা জানায়, ২৫ বছর পূর্বে তাঁর স্বামী মারা গেছেন। অথচ এখনও তার কপালে জুটেনি বয়স্ক ভাতা কিংবা বিধবা ভাতার কার্ড। বৃদ্ধা আয়েশা আক্তারের প্রশ্ন ‘আর কত বয়স হলে আমি বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতার কার্ড পাব?

    আয়েশা আক্তারের স্বামী মারা যাওয়ার পর দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে। তারাও স্বামীর বাড়ি চলে গিয়েছেন। নেই কোন ছেলে সন্তান।

    স্বামী মারা যাওয়ার পর মানুষের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করলেও বর্তমানে বয়সের ভারে কর্মশক্তি হারিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভিক্ষা করে। অনেকটা অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটে বৃদ্ধা আয়েশার।

    প্রতিদিন অন্যের হাতের দিকে চেয়ে থাকতে হয় তাকে। কোন কোন দিন এক বেলা খাবার জুটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয়।

    ঈদের মতো বড় উৎসবে তাঁর একটু খোঁজ নেয়ার কেউ নেই। অথচ এখনও তার কপালে জুটেনি বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতার কার্ড।

    এই বৃদ্ধা আক্ষেপ করে বলেন, আমার দেখা মতে কত চেয়ারম্যান পরিবর্তন হলো কিন্তু আমার দিকে কেউ চেয়ে দেখলোনা।

    তিনি আরও বলেন, আগে আমি অফিসে গিয়েছি কিন্তু কাজ হয়নি। তাই এখন আর তাদের কাছে যাই না।

    এ ব্যাপারে বহরা ইউ/পি চেয়ারম্যান আরিফুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমার কাছে কেউ আসেনি। বয়স্ক ভাতা বা বিধবা ভাতার কার্ড পাওয়ার যোগ্য কেউ থাকে তাহলে চেষ্টা করবো দ্রুতই ব্যবস্থা করে দিতে।

  • প্রায় দেড় বছর আগামীকাল থেকে খুলছে স্কুল-কলেজ

    প্রায় দেড় বছর আগামীকাল থেকে খুলছে স্কুল-কলেজ

    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্হিতির কারণে প্রায় দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর আগামীকাল থেকে খুলছে স্কুল কলেজ।

    দেশের প্রাথমিক মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক মাদরাসা কারিগরি সহ সবধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্টান খুলছে।

    তবে শুরুতে সব ছাত্র-ছাত্রী ক্লাসে আসবে না। কবে কোন শ্রেণির শিক্ষাথীরা কবে ক্লাসে আসবে, এবিষয়ে চুড়ান্ত গাইডলাইন দেবে শিক্ষা অধিদপ্তর।

    এছাড়া আগের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী নভেম্বরে এসএসসি এবং ডিসেম্বরের শুরুতে অনুষ্টিত হবে এইচএসসি, দুটো পরীক্ষায় হবে স্বশরীরে।

    গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন খুব তাড়াতাড়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য বলেছি।

    সে ব্যবস্হা নেওয়া হচ্ছে, সূত্র জানায়, শুরুতে এ বছর ও আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস নেওয়া হবে।

    নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস হবে সপ্তাহে দুই দিন। অন্যান্য শ্রেণিতে সপ্তাহে এক দিন ক্লাস নেওয়া হবে। যদি পরিস্থিতি ভালো হয়, তাহলে স্কুল খোলার দু-তিন সপ্তাহ পর থেকে সব শ্রেণিতে স্বাভাবিক ক্লাস নেওয়া হতে পারে।

    প্রাথমিকেও পঞ্চম শ্রেণিকে বেশি দিন স্কুলে আনা হবে। অন্যান্য শ্রেণিতে এক-দুই দিন ক্লাস হতে পারে। আর প্রাক-প্রাথমিকের ক্লাসও অবস্থা বিবেচনা করে শুরু করা হবে। এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্কুল-কলেজের সঙ্গেই আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলবে বলে জানা গেছে।

    এ ছাড়া দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কিন্ডারগার্টেনও একই দিন থেকেই খুলবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

  • অাজ প্রফেসর ড. মোঃ অাব্দুল কুদ্দুসের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

    অাজ প্রফেসর ড. মোঃ অাব্দুল কুদ্দুসের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

    অাজ (১২ সেপ্টেম্বর) বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক মরহুম ড. মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ১৯৪৮ সনের ২৫ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গ্রাম বানিয়াচং এর প্রথমরেখে জন্মগ্রহণ করেন। ড. মোঃ অাব্দুল কুদ্দুসের পিতা মরহুম মোঃ পারু মিয়া ছিলেন গ্যানিংগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অামৃত্যু সেক্রেটারি, এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, জনাব আলী সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বানিয়াচং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা। তার মা মরহুমা খায়রুন্নেসা খানম ছিলেন সাগরদিঘির পশ্চিম পারের ঐতিহ্যবাহী খান পরিবারের মেয়ে।

    ড. মোঃ অাব্দুল কুদ্দুস শিক্ষাজীবন শুরু করেন চৌধুরী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এখানে দুই বছর পড়াশোনা করে ভর্তি হন উপমহাদেশের শতোর্ধ্ব প্রাচীন বিদ্যাপীঠ বানিয়াচং এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। স্কুলে বরাবরই প্রথম স্থান অধিকার করতেন। এ স্কুল থেকে ১৯৬৪ সনে বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন।
    মেট্রিক পাসের পর তিনি সিলেট এমসি কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৬৬ সনে প্রথম বিভাগে আইএসসি পাস করেন। ১৯৭০ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অনার্সসহ প্রথম শ্রেণীতে এমএসসি পাস করেন। তিনি সেই সময় চাকরিতে যোগদান না করে ১৯৭২ সনে পিএইচ.ডি গবেষণা শুরু করেন এবং ১৯৮১ সনে প্রফেসর ড. মোঃ রমজান আলী সরদারের তত্ত্বাবধানে পিএইচ.ডি ডিগ্রী অর্জন করেন। তার পিএইচ.ডির বিষয় ছিল- theory of generalized function. এটি বিশুদ্ধ গণিতের (pure mathematics) একটি অত্যন্ত কঠিন বিষয় কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    উল্লেখ্য যে, অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র থাকাকালীনই তার সাথে পরিচয় ঘটে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা, নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুস সালামের সাথে। কথায় বলে, রতনে রতন চেনে। সালাম সাহেব কিশোর অাব্দুল কুদ্দুসের জ্ঞানের প্রখরতা দেখে যারপরনাই মুগ্ধ হন এবং বিশ বছরের জুনিয়রের সাথে বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হন। ড. অাব্দুস সালাম তার প্রতিষ্ঠিত ইটালীর ট্রিয়েস্টিতে অবস্থিত international centre for theoretical physics এ উচ্চতর গবেষণার জন্য ১৯৮১ সনে পত্র প্রেরণ করেন। সেই চিঠিটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গায়েব করে ফেলে। সেখানে শুধু বিশ্বের নামকরা প্রফেসররাই সুযোগ পায়। পরের বছর তিনি সেখানে গবেষণা করেন। পরে তিনি অস্ট্রিয়ায়ও পোষ্ট ডক্টরেট করেন। ড. আব্দুল কুদ্দুসের প্রায় অর্ধশত প্রবন্ধ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এবং সেসব বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ানো হয়। দীর্ঘ ষোল বছর পর তিনি ১৯৮৬ সনের ১৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি ১৯৮৮ সনের ১ অক্টোবর সহকারী অধ্যাপক, ১৯৯৩ সনের ২১ জুলাই সহযোগী অধ্যাপক, ২০০১ সনের ২৭ মার্চ অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। তিনি অাপাদমস্তক একজন শিক্ষক ছিলেন। যেকারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করেননি।
    তার সম্পর্কে চমৎকার মূল্যায়ন করেছেন সেই সময় ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে তার পাশের কক্ষের গবেষক বিখ্যাত লেখক অাহমদ ছফা ” পুষ্প, বৃক্ষ ও বিহঙ্গ পুরাণ বইটিতে- কুদ্দুসের দুটি ধনুক ভাঙা পণের কথা আমরা সকলেই জানি। প্রথমটি হল কুদ্দুস ম্যাথমেটিক্স ডিপার্টমেন্টে এসিসট্যান্ট প্রফেসরের চাকরির জন্য অপেক্ষা করবেন। লেকচারার পোস্টে ডাকা হলেও যাবেন না। কারণ, ডক্টরেট পেতে তাকে দশ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর থেকে শুরু করলেই এই এতগুলো বছর পুষিয়ে নিতে পারবেন। তাঁর দ্বিতীয় পণটি ডাক্তার ছাড়া অন্য কোনো পেশার মেয়েকে বিয়েই করবেন না। কুদ্দুসকে সাধারণত আমরা মিথ্যা বলতে দেখিনি। অার অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত মুহূর্তটিতেও একটি খারাপ কথা তাঁর মুখটি থেকে বেরিয়ে আসতে শুনিনি। আমাদের কেমন যেন একটা বিশ্বাস জন্মে গেছে আল্লাহতালা কুদ্দুসের উভয় দাবিই পূরণ করবেন।
    তিনি অবশেষে নবীগঞ্জের বেতাপুর চৌধুরী বাড়ির কাস্টমসের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মরহুম গোলাম রব্বানী চৌধুরীর কন্যা ডাঃ সাহিরা চৌধুরীর সাথে ১৯৯০ সনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
    ১৯৯৩ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর ড. আব্দুস সালামকে ডিলিট ডিগ্রী দেয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে তৎকালীন সহকারী অধ্যাপক ড. আব্দুল কুদ্দুস অংশগ্রহণ করেননি। বিষয়টি নজরে আসে ড. আব্দুস সালামের। অনুষ্ঠান শেষে তিনি ভিসি প্রফেসর এমাজ উদ্দীন আহমেদকে কৈফিয়ত তলব করে বলেন-where is my friend dr. abdul quddus? সাথে সাথে বেশ কয়েকজন শিক্ষক ড. আব্দুল কুদ্দুসকে বাসা থেকে সসম্মানে ড. সালামের কাছে নিয়ে আসেন এবং দুই ঘন্টা তারা একান্তে আলাপ করেন। বিষয়টা তখন তোলপাড় সৃষ্টি করে।
    ড. অাব্দুল কুদ্দুস আপাদমস্তক শিক্ষক ছিলেন। যে কারণে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ করেননি। দেশে সম্ভবত তিনিই একমাত্র উচ্চ শিক্ষিত যিনি টার্গেট পূরণের জন্য ষোল বছর বেকার ছিলেন। তিনি ছিলেন বানিয়াচং উপজেলার প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, প্রথম ডক্টরেট, প্রথম সর্বোচ্চ চাকরিজীবী (সচিব পদমর্যাদা), সিলেট বিভাগে গণিত শাস্ত্রে প্রথম ডক্টরেট। দেশপ্রেমিক ড. কুদ্দুসকে ড. আব্দুস সালাম তার ইটালিস্থ প্রতিষ্ঠানে ঢাবি শিক্ষকদের চেয়ে ১৫ গুণ বেশি বেতনে চাকরি দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দেশপ্রেমিক ড. অাব্দুল কুদ্দুস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য কোথাও চাকরি করতে চাইতেন না।
    ড. আব্দুল কুদ্দুস সাতটি ভাষা জানতেন- বাংলা, ইংরেজি, হিন্দী, আরবি, ফরাসি, উর্দু ও জর্মন । তিনি পাকিস্তান, ভারত, ইটালি ও অস্ট্রিয়া ভ্রমণ করেন।
    নিঃসন্তান ড. আব্দুল কুদ্দুস ২০০৬ সনের ১২ সেপ্টেম্বর চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
    ড. আব্দুল কুদ্দুস ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত প্রচারবিমুখ, সৎ, দেশপ্রেমিক, ধার্মিক ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ ছিলেন।
    মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন। আমীন।

  • সরকারি চালের কার্ড বিতরণ করলেন এমপি আবু জাহির

    সরকারি চালের কার্ড বিতরণ করলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি ও গোপায়া ইউনিয়নে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় আড়াই হাজার মানুষের মাঝে দশ টাকা কেজি চালের কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির প্রধান অতিথি হিসাবে এই কার্ড বিতরণর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

    নতুন করে দুইটি ইউনিয়নে এ কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়া আড়াই হাজার মানুষ এখন বছরের পাঁচ মাস প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন দশ টাকা কেজি দরে। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে কার্ড নিতে আসেন তারা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা পোষন করে সকল সময় নৌকার পক্ষে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন উপকার ভোগীরা।

    দুইটি ইউনিয়নের পৃথক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোপায়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন ও রিচি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়া মোঃ ইলিয়াছ। এ সময় সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।