বাংলাদেশ দূতাবাস, বাহরাইনে কূটনীতিক পদমর্যাদায় প্রথম সচিব হিসেবে বিগত ২৪ আগস্ট যোগদান করেছেন হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান হারুন-অর-রশিদ সাগর।
এর পূর্বে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ছিলেন। হারুন ৩০তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা।
তিনি হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
কর্মজীবনে তিনি সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মৌলভীবাজারে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেব মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ এ বৈদেশিক কর্মসংস্হান মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ছিলেন।
তিনি হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান সাবেক সচিব অশোক মাধব রায়ের একান্ত সচিব হিসেবেও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।
চাকুরির পাশাপাশি হারুন একজন কৃতি স্কাউটার হিসেবে বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় উপ কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কৃতি শিক্ষার্থী হারুন চাকুরিতে প্রবেশের পর মনবুশো বৃত্তি নিয়ে জাপান থেকে পাবলিক পলিসিতে মাস্টার্স ও জাতিসংঘ ফেলোশীপ নিয়ে সুইডেন থেকে মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্সে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেছেন।
বাহরাইনে অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবা প্রদানে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনে হারুন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চারটি ইউনিয়নে আরও চার সহশ্রাধিক মানুষের মাঝে সরকারি দশ টাকা কেজি দরে চালের কার্ড বিতরণ করেছেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির।
রোববার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করেন তিনি।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়া এই চার হাজারের অধিক মানুষ এখন বছরের পাঁচ মাস প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন দশ টাকা কেজি মূল্যে।
পৃথক চারটি অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন আহমেদ, শেখ মঈনুল হক আরিফ, মাহবুবুর রহমান হিরো ও মো. আনু মিয়া সভাপতিত্ব করেন। এতে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় মুরুব্বিয়ান উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এমপি আবু জাহির বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার অস্বচ্ছল জনগোষ্ঠীকে দশ টাকা কেজি দরে চাল দেয়ার ঘোষণা দিলে খালেদা জিয়া এর সমালোচনা করেন। এ বিষয়ে মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করে বিএনপি। কিন্তু দেশজুড়েই মানুষ এখন দশ টাকা কেজির চাল পাচ্ছেন।
এতে প্রমাণ হয় খালেদা জিয়া ও বিএনপি মিথ্যার রাজনীতি করে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নৌকার পক্ষে থাকার জন্য উপকারভোগীদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
হবিগঞ্জ মাধবপুরে ঝুকিপূর্ণ টিনের ঘরে ২০ বছর ধরে চলছে কাসিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম। এই ঝুকিপূর্ণ ভবনের মধ্যেই পুলিশ সদস্যরা দাফতরিক কার্যক্রম ও বসবাস করে আসছেন।
সামান্য বৃষ্টি এলেই টিনের ছিদ্র দিয়ে বৃষ্টির পানি ভেতরে চলে আসে। কাল বৈশাখী ঝড় হলে টিনের ঘর কাঁপে থরথর করে।
সরকারি কোন নিজস্ব ভবন না থাকায় বাধ্য হয়েই পুলিশ সদস্যরা ঝুকিপূর্ণ এঘরে বসবাস করছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে মাধবপুর দক্ষিণাঞ্চলের কাসিমনগর রেলষ্টেশনের পূর্ব পাশে ইউনিয়ন পরিষদে পরিত্যক্ত একটি টিনের ঘরে পুলিশ ফাঁড়ির যাত্রা শুরু হয়।
শুরুতে জনবল ছিল ৪/৫ জন। এখন পুলিশ পরিদর্শক, উপপরিদর্শক, সহকারী উপপরিদর্শক ও কনষ্টেবল সহ জনবল রয়েছে প্রায় ২০ জন।
এত সংখ্যক পুলিশের আবাসিক কোন সুবিধা নেই। পুলিশ সদস্যরা ঝুকিপূর্ণ টিনের ঘরেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করেন। টয়লেট সহ পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা খুব নাজুক।
কাসিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক উত্তম কুমার দাশ বলেন, “ফাঁড়ি নির্মাণের জন্য ভুমি পাওয়া গেলেও ভৌগলিক কারণে ওই স্থানে ফাঁড়ি নির্মাণের জটিলতা দেখা দিয়েছে।”
“এখন এলাকবাসী ফাঁড়ি করার জন্য কেউ জমি দিলে ফাঁড়ি নির্মাণ করা সম্ভব। অন্যথায় সরকারি অথ্যায়নে জমি ক্রয় করে ফাঁড়ি নির্মাণ কত হবে। এখন পুরাতন ভবনে খুব কষ্ট করে পুলিশ সদস্যদের থাকতে হচ্ছে। এখানে থাকার মত উপযুক্ত কোন পরিবেশ নেই।”
বহরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান আরিফ বলেন, “মাধবপুর দক্ষিণাঞ্চল এক সময় অপরাধের জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু ফাঁড়ি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ওই এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”
“কিন্তু ফাঁড়ির অবকাঠামোগত অবস্থা খুবই খারাপ। পুলিশের একটি আধুনিক ভবন হলে উন্নত পরিবেশে পুলিশ কাজ করতে পারত এবং জনগণ এর সুফল পাবে।”
মাধবপুর চুনারুঘাট সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার মহসিন আল মুরাদ বলেন, “কাসিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির অবস্থা খুব সুবিধাজনক নয়। ওই এলাকায় ফাঁড়ি করার জন্য আমরা জমি খুজছি। জমি পেলেই সরকারি ভবন নির্মাণ করে ফাঁড়ি স্থানান্তর করা হবে। তাহলে পুলিশ সদস্যদের কষ্ট দুর হবে।”
সৈয়দ সালিক আহমেদ।। সারা দেশে একসাথে ৫টি নতুন বিদুৎ কেন্দ্রের উদ্ধোধন করা হয়। এগুলো হচ্ছে হবিগঞ্জের বিবিয়ানা-৩ এ ৪০০ মেঘাওয়াট সিসিপিপি, আপগ্রেডশনে ৮৯ মেঘাওয়াট সিসিপিপি, জুলদায় ১০০ মেগাওয়াট, মেঘনাঘাটে ১০৪ মেগাওয়াট এবং মধুমতি ১০০ মেঘাওয়াট।
আজ রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসকল বিদুৎ কেন্দ্রের উদ্ধোধন করেন।
এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সকল মৌলিক চাহিদা পুরণে জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু যখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তখনি জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়। ৭৫ পরবর্তী সময়ে খুন হত্যা রাহাজানি শুরু হয়ে যায়। ষড়যন্ত্রকারীরা একের পর এক ক্ষমতায় আসীন হয়ে দেশকে পিছনে ঠেলে দিয়েছে।
আমরা আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর একে একে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানে মনোনিবেশ করি, একে একে সরকারী বেসরকারী খাতে বিদুৎ কেন্দ্র নিমার্ণ হতে শুরু করে এবং দেশের এখন প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে গেছে।
আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশে বিদুৎ উৎপাদন ছিল ১৩০০ মেগা, তখনি আমরা তখন ৪৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নির্মানের কাজ শুরু করি। বিদুৎ লস কমে গেছে ৬% শতাংশ। তাই আমাদের সবাইকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যায়ী হতে হবে।
উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে বিবিয়ানা বিদুৎ কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরীসহ রাজনৈতিক ও প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ।
হবিগঞ্জ নিউজ এজেন্সির, বার্তা সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়িক মোহাম্মদ সিজিল মিয়ার দাদা মোহাম্মদ চেরাগ আলী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে ওনার বয়স হয়েছিল ১০৫ বছর।
রাত ১২ টার সময় সদর উপজেলার ৪নং পইল ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে মারা যান।
মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে ২ মেয়ে ও নাতি সিজিল সহ অসংখ্যা আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।
আজ বাদ যোহর ঐতিহাসিক সুলতানশির মাঠে জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
সৈয়দ সালিক আহমেদঃ মুজিববর্ষে প্রধান মন্ত্রীর উপহার হিসেবে আশ্রয়ন প্রকল্পের ৮৪ টি ঘর বরাদ্দ পেয়ে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারে বইছে আনন্দের বন্যা।
আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রথমপর্বে ৭৭ টি ও দ্বিতীয় পর্বে ৭ টি সহ মোট ৮৪ টি গৃহ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে লাখাই উপজেলার ৮৪ টি গৃহহীন পরিবারের মধ্যে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলো তাদের স্বপ্নের ভূমি সহ ঘর পেয়ে খুবই উল্লাসিত।
এক সময় যারা অন্যের বাড়ীতে আশ্রিত ছিল আজ তারা নিজ আধুনিক সুযোগ সুবিধা সমেত বাড়ির বাসিন্দা। তাই তাদের চোখে মুখে তৃপ্তির হাসি। আশ্রয়ন প্রকল্প- ২ এর আওতায় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পাকাবাড়ি পেয়ে তারা কৃতজ্ঞ। তারা প্রধান মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁর দীর্ঘায়ূ কামনা করছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর পাওয়ার আনন্দিত নারী।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যার গৃহ বরাদ্দপ্রাপ্ত পরিবার গুলো ইতিমধ্যে তাদের ঘরে বসবাস করছে। যারা এখনো আসেনি তারাও ২/৪ দিনের মধ্যেই এসে যাবে এমনই প্রস্তুতি চলছে। ঘরের বাসিন্দাদেরকে বিদ্যুতের ব্যবস্থা ও পানীয়জলের জন্য নলকূপ বসানে হয়েছে।ঘরগুলো সুন্দর পরিপাটি সাজানো গোছানো রয়েছে।
পরিদর্শনকালে উপজেলার কাসিমমপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা বায়োবৃদ্ধ লায়েছ মিয়া (৬০) জানান, আমি উপজেলার মোড়াকরি গ্রাম থেকে এখানে ঘর পেয়ে এসেছি। আমার কোন ঘরবাড়ি জমিজমা ছিলনা, ভিক্ষা করে জীবন চলতো। অন্যের বাড়ীতে থাকতাম, এখন আমার বাড়ি হয়েছে। সরকার আমাকে ঘর দিয়েছে, জমি দিয়েছে।
আমি খুব খুশী, আমি সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্যে দোয়া করি। বিধবা আসমা বেগম (৩৫) জানান, আমি নিরাশ্রয় ছিলাম। সরকার আমাকে ঘর দেওয়ায় সরকারের জন্য দোয়া করি। আমার এখন কোন সমস্যা নেই, সুখে আছি।আকলিমা (২৫) নামের এক মহিলা জানান, আমি আমার চাচার বাড়ীতে থাকতাম। আমার নিজের ঘর হবে কোনদিন ভাবি নাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দয়া করে আমাকে ঘর দিয়েছে।আমি তাঁর জন্যে দোয়া করি।আল্লাহ যেন বাঁচিয়ে রাখেন।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের কয়েকটি ঘর।
আশ্রয়ন প্রকল্পের লাখাই প্রকল্প কমিটি সুত্রে জানা যায়, ৮৪ টি ঘরের মধ্যে মুড়িয়াউক ইউনিয়নের মশাদিয়া গ্রামে ১৮ টি, করাব ইউনিয়নের মনতৈল গ্রামে ৯ টি, রাঢিশাল গ্রামে ১৭ টি, হরিনাকোনা গ্রামে ২ টি, মোড়াকরি ইউনিয়নের কাসিমপুরে ২০ টি ও মোড়াকরি গ্রামে ১৮ টি ঘর রয়েছে। ঘরগুলোতে ইতিমধ্যে বরাদ্দপ্রাপ্তরা এসে গেছে আর যারা এখনো আসেনি তারাও কয়েকদিনের মধ্যেই এসে যাবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুসিকান্ত হাজং এর সাথে আলাপকালে জানান, আমরা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সকল সদস্য সম্মিলিত ভাবে প্রকল্পের কাজ করেছি।
আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর পাওয়ার আনন্দিত নারী ও সন্তান।
এক্ষেত্রে আমাদের সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ সকলের মতামতে পরামর্শে প্রাক্কলিত অর্থ দিয়ে মানসম্মত গৃহ নির্মান করেছি। আমাদের বরাদ্দপ্রাপ্তরা ইতিমধ্যে যার যার ঘর বুঝে নিয়েছে। যারা এখনো আসেনি তারা এক সপ্তাহের মধ্যেই আসবে। নতুবা বিধিমত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা পানি ও বিদ্যুৎ এর ব্যবস্থা করে দিয়েছি। কোন ধরনের সমস্যা পরিলক্ষিত হয়নি।
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে রাস্তায় ফেলে যাওয়া এক নবজাতক (ছেলে) উদ্ধার করে চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিদ্ধার্থ ভৌমিক।
সমাজসেবার মাধ্যমে নবজাতকের চিকিৎসা চলছে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে। পুরোপুরি সুস্থ হলে এ নবজাতককে সিলেট ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করা হবে।
শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এতথ্য নিশ্চিত করেন চুনারুঘাটের নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিদ্ধার্থ ভৌমিক।
এর আগে শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) রায়েদ নামের এক কিশোর বাড়ি ফেরার পথে চুনারুঘাট উপজেলার উজ্জলপুর ব্রিজের নিচে নবজাতকের কান্না শুনতে পেয়ে তার মামি আফিয়াকে জানায়। আফিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান বাজারের ব্যাগ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় পড়ে আছে নবজাতক।
চেয়ারম্যান শামীম তাৎক্ষণিক ইউএনও’র সাথে কথা বলে চিকিৎসার জন্য চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেন। এ হাসপাতালে ভর্তির কিছুক্ষণ পরই নবজাতকের উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
বিষয়টি জেনে উদ্যোগ নেন ইউএনও সিদ্ধার্থ ভৌমিক। তাঁর উদ্যোগে রাত সাড়ে ৮ টায় নবজাতককে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুরু হয় উন্নত চিকিৎসা প্রদান।
সেই থেকে এ পর্যন্ত সমাজসেবার সহায়তায় চিকিৎসা চলছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করছেন উপজেলাবাসী।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিদ্ধার্থ ভৌমিক জানান, নবজাতের পিতৃপরিচয় পাওয়া যায়নি। তাকে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে ওই নবজাতক।