Category: হবিগঞ্জ

  • মাধবপুরে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

    মাধবপুরে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

    হবিগঞ্জে মাধবপুরে ৫ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই জিয়াউর রহমান এর নেতৃত্ব পুলিশের একটি টিম গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শাহজাহানপুর ইউনিয়নের নোয়াহাটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের জজ মিয়ার পুত্র মো: সোহরাব সৌরভ (২৮) ও একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের পুত্র মো: সুজন মিয়া(২৫) ।

    তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর গোলাম মোস্তফা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাধবপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

     

  • হবিগঞ্জে ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং পেশাজীবি পরিষদের মানববন্ধন

    হবিগঞ্জে ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং পেশাজীবি পরিষদের মানববন্ধন

    বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং ছাত্র -শিক্ষক পেশাজীবি সংগ্রাম পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা কমিটির উদ্যোগে ৪দফা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদান করা হয়। আজ বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    আন্তর্জাতিকমানের ৪বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং শিক্ষাকোর্সকে ৩ বছর রূপান্তরে অযৌক্তিক ও আত্মঘাতি উদ্যোক্তা বন্ধ, বিএনবিসি ২০২০ এর জনস্বার্থ বিরোধী সংঞ্জা ও ধারা ও উপধারা সংশোধন, ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং শিক্ষার সীমাহীন সংকটের সমাধান ও ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবীদের পেশাগত সমস্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি ও নির্দেশিত ৪দফা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি প্রদীপ কান্তি রায়, সহ-সভাপতি বাবু সুভাষ দাস, সাধারণ সম্পাদক মনসুর রশীদ কাজল, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুর রহমান ইকবাল, প্রচার সম্পাদক দেবাশীষ রায়, অর্থ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস শামীম।

    এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শফিকুল ইসলাম বাবুল, রিপন দেব,আশিকুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, জহিরুল ইসলাম, রাতুল বণিক, ইকরামুল হক, মুমিনুল হক, তুহিন রেজা, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

    মানববন্ধন শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানের কাছে স্বারকলিপি প্রদান করেন।

  • আতুকুড়া গ্রামের ডিঙ্গি নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    আতুকুড়া গ্রামের ডিঙ্গি নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের আতুকুড়া গ্রামের ডিঙ্গি নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

    আতুকুড়া পূর্ব হাটির যুবকরা এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। প্রতিযোগিতায় ৬টি ডিঙ্গি নৌকা অংশ গ্রহন করে। আর ব্যতিক্রমী ডিঙ্গি নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে এলাকার নারী-পুরুষ ভীড় জামান।

    প্রতিযোগিতায় জুয়েল দাসের নৌকা চ্যাম্পিয়ন হয়। আর ২য় স্থান অর্জন করে জানে আলম আখনজী ডেঙ্গি নৌকা ও ৩য় স্থান অর্জন করে শেখ সাইদুর রহমানের নৌকা।

    আতুকুড়া গ্রামের ডেঙ্গি নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
    চ্যাম্পিয়ন ডিঙ্গি নৌকার মালিকসহ প্রতিযোগীদের হাতে মোবাইল ফোন তুলে দিচ্ছেন অতিথিবৃন্দ।

     

    প্রতিযোগিতা শেষে সুবিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী তারেকুল ইসলাম খানের সৌজন্য বিজয়ী নৌকাকে ১ টি মোবাইল ফোন উপহার দেয়া হয়।

    এছাড়াও ২য় স্থান অর্জনকারী নৌকাকে ২টি পাতি হাঁস ও ৩য় স্থান অর্জনকারী নৌকাকে একটি কাপ উপহার দেয়া হয়।

    ডেঙ্গি নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা

    পুরস্কার বিতরণীয় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন- আতুকুড়া গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বী আব্দুল হেকিম আমিরুল ইসলাম আখনজী, হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এসএম সুরুজ আলী, সুবিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী তারেকুল ইসলাম খান, সায়েদুজ্জামান আখনজী, সোহাগ আখনজী, শান্তু, সলিম, সাইদুর, সেফাজ্জুল মিয়া, সাস্তু মিয়াসহ এলাকার মুরুব্বীয়ান।

  • একটি সামাজিক উদ্যোগ অসহায় পরিবারকে নতুন করে বেচে থাকার স্বপ্ন দেখাচ্ছে

    একটি সামাজিক উদ্যোগ অসহায় পরিবারকে নতুন করে বেচে থাকার স্বপ্ন দেখাচ্ছে

    দি‌লোয়ার হোসাইনঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে প্রতিবন্ধী রুবেল মিয়াকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) সাহায্য‘র জন্য একটি পোস্ট দেন সৈয়দ মিজান উদ্দিন পলাশ। ফেসবুকের পোস্টে দেশ ও প্রবাস থেকে অনেক ব্যাক্তি সাড়া দিয়ে সাহায্য‘র হাত বাড়িয়ে দেন।

    মানবিক মহৎ কাজে সাড়া দিয়ে অর্থ পাঠাতে থাকেন মানবিক গুনে গুনান্বিত মহৎ মানুষজন। তাদের দেওয়া অর্থ সাহায্যে অসহায় প্রতিবন্ধী রুবেলের পরিবারকে দুটি টমটম, একটি সেলাই মেশিন ও রুবেলের বাবাকে একটি টং দোকান করে দেওয়া হয়েছে।

    আর এভাবেই একটি সামাজিক উদ্যোগ অসহায় পরিবারকে নতুন করে বেচে থাকার স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

    রুবেলের বড় বোন ও প্রতিবন্ধী ছিল। সে মারা গেছে কয়েক বছর পূর্বে। আরেক বোনের বিবাহ হয়েছিল কিন্তু স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

    রুবেলের বাবা এক সময় একটি এনজিওতে চাকরি করতেন। অনেক বছর পূর্বে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। নিজেদের কোন বাড়ী-ঘর নাই। আত্মীয়র বাড়িতে চেয়ে থাকেন।

    শত অভাব অনটনের মাঝে থাকলেও রুবেলের বাবা তাই ইচ্ছা করলেই কারো কাছে হাত পাততে পারেন না। তাদের দূর্দশা ও অসহায়ত্ব সবাই দেখেন দূর থেকে। কিন্তু কেউ নিজ থেকে এগিয়ে আসেন না।

    তাদের দূর্দশা দিন দিন চরম অবস্থায় পৌছ যায়। এমন অবস্থায় একজন উপকারী যুবক সৈয়দ মিজান উদ্দিন পলাশ ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে একটি সামাজিক উদ্যোগ গ্রহন করে অসহায় পরিবারটির পাশে দাড়িয়েছেন।

    প্রতিবন্ধী রুবেলের পরিবারের নিকট অর্থ-সাহায্য হস্তান্তর উপলক্ষ্যে একটি আনুষ্টানিক সভার আয়োজন করা হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১১টায় স্থানীয় কামালখানী হাসান মঞ্জিলে এক সভা অনুষ্টিত হয়।

    বানিয়াচং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক পারভীন আক্তারের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক ইমদাদুল হোসেন খানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউএনও পদ্মাসন সিংহ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দারুজ্জামান খান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মলয় কুমার দাশ, সাবেক ছাত্রনেতা নকীব ফজলে রকিব মাখন, প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া, ছান্দ সর্দার আরজু মিয়া, ইউপি সদস্য মখলিছ মিয়া, এডঃ আছাদুজ্জামান খান তুহিন, সৈয়দ পলাশ মিজান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক খলিলুর রহমান, সঙ্গীত শিল্পী একে আজাদ, সমাজসেবী জসিম উদ্দিন, সাংবাদিক মখলিছ মিয়া, আনোয়ার হোসেন, আল আমিন খান, আক্তার হোসেন আল হাদী, এস কে রাজ, আশিকুর রহমান সাগর, ইউপি সদস্য মোবারক মিয়া, মিজানুর রহমান, সৈয়দ ফয়ছল, সালমান ফারসী প্রমূখ।

  • নবীগঞ্জে ২য় ডোজ টিক না নিয়ে সনদ গ্রহণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

    নবীগঞ্জে ২য় ডোজ টিক না নিয়ে সনদ গ্রহণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় করোনাভাইরাসের টিকার দ্বিতীয় ডোজ না নেয়া ৮৫৮ জনের সনদ গ্রহণের ঘটনায় চলছে ব্যপক আলোচনা সমালোচনা।

    রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ জানান, এ ঘটনায় গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার চম্পক কিশোর সাহা সুমনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, মেডিক্যাল অফিসার ইমরান আহমেদ চৌধুরী ও প্রধান অফিস সহকারী সিরাজুল ইসলাম।

    স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ আগস্ট গণটিকা কর্মসূচিতে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকাদান কেন্দ্রে এসে ৭ হাজার ৭’শ ৯০ জন প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন। এর ঠিক এক মাস পর ৭ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেন ৬ হাজার ৯’শ ৩২ জন।

    ওইদিন টিকা নিতে আসেননি প্রথম ডোজ নেয়া ৮৫৮ জন। সেদিন দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসা কিছু মানুষের কার্ডের কিউআর কোড স্ক্যান করা সম্ভব হয়নি। ফলে কারা টিকা নিয়েছেন তা শনাক্ত করা যায়নি। এর ফলে প্রথম ডোজ নেয়া সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে মর্মে মেসেজ পাঠানো হয়েছে।

    এর মধ্যে উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের দ্বিতীয় ডোজ না নেয়া ৮৫৮ জনের কাছেও একই মেসেজ পৌঁছে। তারা অনেকেই দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ না করেই সনদ ডাউনলোড করে নিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।

    এ বিষয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ বলেন, দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ না করেই যাদের ফোনে মেসেজ গেছে তাদের আমরা চিহ্নিত করেছি।

    তাদের মধ্যে অধিকাংশই ইতোমধ্যে টিকা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া এ ঘটনা শুধুই ভুল নাকি অন্য কিছু সেটি জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে এক সপ্তাহের ভিতরে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

  • হবিগঞ্জে ২ বছরের শিশুকে অপহরণের ৩ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার

    হবিগঞ্জে ২ বছরের শিশুকে অপহরণের ৩ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার

    হবিগঞ্জের আছিরপুর গ্রাম থেকে বাড়ীর মালিকের ২ বছরের শিশুকে অপহরণের ৩ ঘন্টার মধ্যে পুলিশের অভিযানে বাহুবল থেকে উদ্ধার করেছে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। একই সাথে অপহরণকারীকে আটক করা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস পূর্বে হবিগঞ্জের আছিপুর গ্রামের শেখ আব্দাল মিয়ার বাড়িতে কৃষি কাজের চাকুরী নেয় নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের বোয়ালজুর গ্রামের ছুরাব উল্লার পুত্র জসিম মিয়া (২৫)।

    জসিম ভারতীয় সিরিয়াল ক্রাইম পেট্রোল দেখে দেখে আব্দাল মিয়ার ২ বছরের শিশু পুত্র ফারাবি আহমদকে অপহরণ করার চিন্তা মাথায় আসে। কিছু দিন চিন্তা ভাবনার পর এক পর্যায়ে গত রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে দোকান থেকে বিস্কুট এনে দেয়ার কথা বলে শিশু ফারাবিকে জসিম কোলে করে নিয়ে যায়।

    এরপর থেকে সে ঐ শিশুকে নিয়ে আত্মগোপন করে সে। পরে ঘন্টা খানেক পর শিশুর বাবার কাছে মোবাইলে কল দিয়ে মুক্তিপণ দাবী করে জসিম। এমন কি মুক্তিপণ না দিলে শিশুকে হত্যা করে গুম করে ফেলবে বলেও হুমকি প্রদান করে।

    বিষয়টি আব্দাল মিয়া সাথে সাথে হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি মাসুক আলীকে জানানে তিনি থানার এসআই ও মিডিয়া অফিসার মোঃ সজিব মিয়াকে দায়িত্ব দেন। দায়িত্ব পাওয়ার সাথে সাথে অপহৃত শিশু উদ্ধারের জন্য তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে এস. আই সজিব নিশ্চিত হন অপহরণকারী জসিম ওই শিশুকে নিয়ে বাহুবল উপজেলার ঘড়িকান্দি নামের একটি বাগানে অবস্থান করছে।

    এ দিন বিকাল ৫টার দিকে এসআই সজিব, এসআই শুভ দাশ এবং এএসআই হাবিবুর রহমানসহ একদল পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী জসিমকে আটক করে। পরে জসিমের স্বীকাররোক্তি অনুযায়ী একই স্থান থেকে শিশু ফারাবিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

    সোমবার(১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে জসিমকে হবিগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে জসিম তার দোষ স্বীকার করে। এ ঘটনায় ওই শিশুর পিতা বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মাসুক আলী জানান, জসিমকে আটক করার পর আদালতে প্রেরণ করলে সে তার দোষ স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

  • মাধবপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে আপন দুই ভাইয়ের কারাদণ্ড ও জরিমানা

    মাধবপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে আপন দুই ভাইয়ের কারাদণ্ড ও জরিমানা

    হবিগঞ্জের মাধবপুর থানাধীন তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে(মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর) মাদক পাচারের দায়ে একই পরিবারের দুই ভাই মোঃ লস্কর আলী (৩২) ও মোঃ মন্টু মিয়া (৩৮) পিতা মৃত খোরশেদ আলী গ্রাম বেজুড়া তাদেরকে দক্ষিণপাড়া গ্রামের রাস্তা থেকে আটক করে।

    এবিষয়ে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান যে,আজ দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ বেজুড়া গ্রামের রাস্তা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারতীয় একশত ৭০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়েছে।

    পরে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে গ্রেফতার কৃত দুই ভাইয়ের প্রতিজনকে ০৩ (তিন) মাসের সাজা ও জনপ্রতি একহাজার টাকা জরিমানা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।