Category: হবিগঞ্জ

  • ৩ বছরের শিশু সোনালী বাঁচতে চায়

    ৩ বছরের শিশু সোনালী বাঁচতে চায়

    হবিগঞ্জ শহরের অনন্ত পুর এলাকার সুমন চন্দ্র দেবের ৩ বছরের শিশু সোনালী ব্লাড ক্যান্সরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে কাতরাচ্ছে। গরিব পিতা অর্থ অভাবে পারছেন না সু চিকিৎসা করাতে।

    ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সোনালীর শরিরের চেকআপ (পরিক্ষা) করে রিপোর্টে ব্লাড ক্যান্সর আক্রান্ত ধরা পরেছে।

    মেডিকেলের ডাক্তার সোনালীকে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন। গরিব বাবা সুমন অর্থ অভাবে ভর্তি না করে, মেয়ে সোনালীকে বাড়িতে নিয়ে এসেছেন।

    ৩ বছরের শিশু সোনালী সু চিকিৎসার অভাবে বাড়িতে বেডে পরে কাতরাচ্ছে। মেয়ের কষ্ট দেখে নিরবে চোখের জল ফেলছেন সোনালীর মা-বাবা।

    তারা মেয়ে কে চিকিৎসা করানোর জন্য অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য সকালের নিকট হাত বাড়িয়েছেন।

    আপনার একটু সাহায্যে সহযোগিতাই বাঁচতে পারে এই শিশু জীবন।
    সুমন চন্দ্র দেব
    একাউন্ট নং- ৩২৪২১০১১০৭২৯৭
    বার লাইব্রেরী শাখা
    হবিগঞ্জ সদর।
    নগদ নং- ০১৭৮১-২১৯৪৫১
    বিকাশ নং- ০১৭৩২-০১৮৩৯৪

  • ৩ দিনে সাড়ে আট হাজার চালের কার্ড বিতরণ করলেন এমপি আবু জাহির

    ৩ দিনে সাড়ে আট হাজার চালের কার্ড বিতরণ করলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লোকড়া ও রাজিউড়া ইউনিয়নে আরও ২ হাজার মানুষের মাঝে সরকারি দশ টাকা কেজি চালের কার্ড বিতরণ করেছেন সংসদ সদস্য অ্যাডোভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    এনিয়ে গত তিনদিনে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে সাড়ে ৮ হাজার মানুষের মাঝে কার্ড বিতরণ করলেন তিনি।

    সোমবার সকালে লোকড়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৪৫ জন ও রাজিউড়া আরও ৯৬৬ জনের মাঝে কার্ড বিতরণ করা হয়।

    পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি আবু জাহির।

    সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, লোকড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আব্বাস ও রাজিউড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল ফজলসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় মুরুব্বীয়ান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে গত দুইদিনে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি, তেঘরিয়া, পইল, গোপায়া, নিজামপুর ও লস্করপুর ইউনিয়নে সাড়ে ৬ হাজার মানুষের মাঝে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড বিতরণ করেন এমপি আবু জাহির।

    এখন থেকে বছরের পাঁচ মাস দশ টাকা কেজি দরে চাল পাবেন তাঁরা। প্রতি মাসে একেকজনকে দেয়া হবে ত্রিশ কেজি করে চাল।

  • বানিয়াচংয়ে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

    বানিয়াচংয়ে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানা পুলিশ উদ্যোগে উপজেলার বড়ইউরি ইউনিয়নের কদুপুর বাজারে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব, মিথ্যা প্রচার, সাইবার বুলিং, কিশোর গ্যাং, ও নারী প্রতি ডিজিটাল ভালোলেন্স বিরোধী বিট পুলিশিং সভার আয়োজন করা হয়।

    আজ সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর বেলা ২টার সময় এ বিট পুলিশিং সভার অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত বিট পুলিশিং সভায় স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা রাকিব হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বড়ইউরি ইউ/পি আওয়ামীলীগের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন, সহকারী বিট অফিসার এএসআই মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেনসহ স্থানীয় ইউ/পি সদস্য ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    এসময় অফিসার ইনচার্জ সভায় বড়ইউরি ইউনিয়ন এলাকার আইন শৃঙ্খলার রক্ষার্থে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব, মিথ্যা প্রচার, সাইবার বুলিং, কিশোর গ্যাং, ও নারী প্রতি ডিজিটাল ভালোলেন্স, দাঙ্গা, মাদক, জুয়া, ইভটেজিং ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং জামিয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া মিজবাউল উলুম মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে ও স্থানীয় লোকজনদের মাঝে করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ করেন।

  • গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন বানিয়াচংয়ের নবাগত ইউএনও

    গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন বানিয়াচংয়ের নবাগত ইউএনও

    দি‌লোয়ার হোসাইন:  রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যম তথা গণমাধ্যমকর্মীরা। গণমাধ্যমকর্মীদের অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। প্রশাসনের অনেক কাজের সাথে গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা রয়েছে।
    সাংবাদিকগণ জাতির বিবেক। সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম ও অজানা বিষয় মানুষজন জানতে পারেন।

    বানিয়াচংয়ের কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদানকালে উপরোক্ত বক্তব্য প্রদান করেন বানিয়াচংয়ের নবাগত ইউএনও পদ্মাসন সিংহ।

    এ সময় বানিয়াচং উপজেলার প্রশাসনিক কাজ সুষ্ট সুন্দরভাবে সমাধান করতে বানিয়াচং উপজেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন বানিয়াচং উপজেলায় সদ্যই যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ।

    এ সময় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এলাকার বা এলাকার মানুষের যে কোন সমস্যা নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করে সমাধান করে নেওয়ার জন্যও আহবান জানিয়েছেন।

    বানিয়াচং উপজেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

    ১৩ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকাল ৩টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্টিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা কাওসার শোকরানা,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মলয় কুমার দাশ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বানিয়াচং প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা শেখ নমির আলী, বানিয়াচং প্রেসক্লাবের সভাপতি মোশাহেদ মিয়া,সাধারন সম্পাদক খলিলুর রহমান,উপদেষ্টা ও সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসাইন,উপদেষ্টা আক্কাছ আলী খান,দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি মখলিছ মিয়া,দৈনিক সময়ের আলো প্রতিনিধি মোঃ আশিকুল ইসলাম,এশিয়ান টিভি প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন,বাংলা টিভি প্রতিনিধি আল আমিন খান,এন টিভি প্রতিনিধি আক্তার হোসেন আলহাদী,দৈনিক খোয়াই প্রতিনিধি সাহিদুর রহমান,দৈনিক খোলা কাগজ প্রতিনিধি আজমল হোসেন খান,দৈনিক জালালাবাদ প্রতিনিধি শেখ নূরুল ইসলাম,দৈনিক আমার হবিগঞ্জ প্রতিনিধি তাপস হোম,দৈনিক লাখোকন্ঠ প্রতিনিধি আলমগীর রেজা,সমাচার দর্পণ প্রতিনিধি সাজ্জাদুর শাহ সুমন,দৈনিক দেশ প্রতিনিধি তাওহীদ হাসান,দৈনিক প্রভাকর প্রতিনিধি মোক্তাদির হোসেন সেবুল,হবিগঞ্জ নিউজ টুয়েন্টি ফোর ডটকম প্রতিনিধি দিলোয়ার হোসাইন,বানিয়াচং বার্তার প্রতিনিধি বদরুল লস্কর,দৈনিক আজকের পত্রিকা প্রতিনিধি হৃদয় খান দৈনিক সিলেট সমাচার প্রতিনিধি হৃদয় হাসান শিশির,দৈনিক আমার হবিগঞ্জ প্রতিনিধি শেখ সজীব হাসান, দৈনিক লোকালয় বার্তা প্রতিনিধি কাওসার হোসেন,বানিয়াচং বার্তা‘র প্রতিনিধি তাসকির হোসেন সাগর প্রমূখ।

  • লাখাইয়ে মাছের আকালে চড়া মূল্য, বিলুপ্তির পথে দেশী প্রজাতির মাছ

    লাখাইয়ে মাছের আকালে চড়া মূল্য, বিলুপ্তির পথে দেশী প্রজাতির মাছ

    হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার হাট-বাজার গুলোতে মাছের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম থাকায় চড়াদামে বিক্রি হচ্ছে। এতে ক্রেতাসাধারণ ভোগান্তিতে পড়েছে।

    অন্যান্য বছর বর্ষার বিদায়লগ্নে যেখানে মাছের সরবরাহ বেড়ে যেত কয়েকগুন সেখানে বর্তমানে মাছের আকাল।

    বাজারে দেশী প্রজাতির মাছের পাশাপাশি চাষের মাছেরও সরবরাহ কম থাকায় অবস্থাপন্নরা মাছ কিনতে পারলেও নিম্ন আয়ের ক্রেতাসাধারণ পড়েছে বিপাকে।

    এদিকে লাখাই উপজেলা মাছের উৎপাদনে একটি উদ্বৃত্তের উপজেলা হওয়া সত্তেও বিগত কয়েকবছর যাবৎ ক্রমাগত মাছ উৎপাদন বিষেশ করে দেশী মাছের উৎপাদনের হার কমে যাচ্ছে।

    মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবিদের সূত্রে জানা যায়, লাখাইয়ে দেশী প্রজাতির মাছের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। একসময় হাওরবেষ্ঠিত লাখাইয়ে দেশী প্রজাতির মাছের প্রাচুর্য্য ছিল।

    কালের বিবর্তনে উপজেলার নদনদী খালবিল গুলোতে পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় এবং এগুলো খননের অভাবে নদীর নাব্যতা হ্রাস পেয়েছে।

    এদিকে মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁয়ের মতো বিগত ২০১৫ সাল থেকে হবিগঞ্জের উজানে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় গড়ে উঠা শিল্পাঞ্চলের শিল্পবর্জ্যের প্রভাবে উপজেলার প্রধান ও দীর্ঘ নদী সুতাং আজ মৃতপ্রায়।

    এতে লাখাইয়ে দেশী প্রজাতির মাছের প্রজনন ও উৎপাদনে পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব।

    Habiganj-News-লাখাই

    প্রাপ্ত তথ্যে আরোও জানা যায়, একসময় লাখাই হাওর, নদনদী ও খালবিলে প্রচুর দেশীয় প্রজাতির কৈ, মাগুর, শিং, বাইলা, মেনি, চাপিলা, বোয়াল, পুটিঁ, টাকী, টেংরা, শোল, গজার, রানী, বাইন, বাচাঁ, সরপুঁটি, সেলা, পলৈ, খোলসে, গইন্যা, চিতল, বৈচা, দেশী আইর, মলা, ঢেলা, চিংড়ি, কালি বাউশঁ, লাচু সহ প্রায় ১৩১ প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত। বর্তমানে এগুলোর অনেক প্রজাতিই বিলুপ্ত প্রায়।

    দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় নেই কোন উদ্যোগ। দেশী মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি ও বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি রক্ষায় লাখাইয়ে মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপনে দীর্ঘদিন যাবৎ দাবী জানিয়ে আসলেও তা অদ্যাবধি বাস্তবায়ন হয়নি।

    দেশী মাছের উৎপাদন দিন দিন হ্রাস পাওয়ায় এখন চাষের মাছের উপর নির্ভরতা বেড়ে গেছে অনেকাংশে।

    লাখাই উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, লাখাইয়ে বার্ষিক মৎস্য উৎপাদন মোট ৫,৯০৬.৩২ মেট্রিকটন। বার্ষিক চাহিদা ৩,২৫৭.৪৫ মেট্রিকটন। উদ্বৃত্ত ৩,১৮০.৯২ মেট্রিকটন।

    মোট উৎপাদনের মধ্যে পুকুর ও দীঘি তে উৎপাদন ১,৯৫৫.৫০ মেট্রিকটন। বাদবাকী উৎপাদিত হয় নদনদী, খালবিল, ডোবা, জলাশয় ও প্লাবন ভূমিতে।

    এ ব্যপারে হবিগঞ্জ পরিবেশ আন্দোলন (হপা) লাখাই কমিটির সভাপতি মোঃ বাহার উদ্দিন জানান, “উপজেলার সুুতাং সাঁকাতি, বেলেশ্বরী-কানাই, মনিখাই, বলভদ্র, ধলেশ্বরী, মন্দিরপল্লা খাল সহ অপরাপর নদনদীগুলো খননের আওতায় আনতে পারলে এবং সেইসাথে শিল্পবর্জ্যের কবলে পড়া সুতাং নদী রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ এবং হাওরে মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপন ও নির্বিচারে পোনামাছ নিধন রোধ করতে পারলে দেশী মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। রক্ষা করা যাবে বিলুপ্তপ্রায় মৎস্য প্রজাতি।”

    এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য অফিসার ইদ্রিস তালুকদার এর সাথে আলাপকালে জানান, “এ বছর বর্ষা যথাসময়ে না হয়ে বিলম্বিত বর্ষার কারণে মাছের বংশবৃদ্ধির সময়ে খালবিল শুকনো থাকায় এবং বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় মাছের বিশেষত দেশী মাছের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।”

    “এ ছাড়া শিল্প বর্জ্যের প্রভাবেও তা ব্যাহত হচ্ছে। আমরা লাখাইয়ে মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছি। এছাড়া পোনামাছ নিধন বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।”

  • মাধবপুরে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই যুবকের মৃত্যু

    মাধবপুরে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই যুবকের মৃত্যু

    হবিগঞ্জে মাধবপুর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জ দিতে গিয়ে গ্যারেজে বিদ্যুতায়িত হয়ে মো. সুজন মিয়া (৩০) ও সাহেদ মিয়া (৪০) নামে দুইজন নিহত হয়েছেন। সুজন মিয়া নিজেই অটোরিকশার গ্যারেজের মালিক ও সাহেদ মিয়া অটোরিকশা চালক।

    ১৩ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা দিকে মাধবপুর উপজেলার সুশান সিএনজি স্টেশনের বিপরীতে অটোরিকশা গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত মোঃ সুজন মিয়া আন্দিউরা ইউনিয়নের বাড়াচান্দুরা গ্রামের সাদেক মিয়ার ছেলে। অপর ব্যক্তি সাহেদ মিয়া বুল্লা ইউনিয়নের চানখাবুল্লা গ্রামের মৃত কালা মিয়া ছেলে।

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে প্রতিদিনের মতো চার্জে দেওয়া অটোরিকশা গ্যারেজ থেকে বের করার সময় সাহেদ মিয়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। সাহেদ মিয়াকে বাঁচাতে গিয়ে অটোরিকশা গ্যারেজে মালিক মোঃ সুজন মিয়া ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়।

    বাবুল নামে স্থানীয় একজন তাদের চিৎকার শুনে দ্রুত মেইন সুইচ বন্ধ করেন। পরে ঐ এলাকার আশপাশের লোকজন দুই জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোঃ সুজন মিয়া ও সাহেদ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মাধবপুর থানার ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছে। ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে ও অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।

  • লাখাইয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ইজিবাইক চালকদের দৌরাত্ম্য, প্রশাসনের নেই কোন নজরদারি

    লাখাইয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ইজিবাইক চালকদের দৌরাত্ম্য, প্রশাসনের নেই কোন নজরদারি

    লাইসেন্স-বিহীন অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালকদের হাতেই ঘুরছে লাখাই উপজেলার এক তৃতীয়াংশ ইজিবাইক (টমটম) এর চাকা। কোনো ধরণের প্রশিক্ষণ ছাড়াই যাত্রী বোঝাই গাড়ি নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন অলিগলিতে এসব অপ্রাপ্ত বয়স্ক ইজিবাইক চালকদের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। উপজেলার সড়ক জুড়ে তিন চাকার যানবাহন টমটম ও অটোরিক্সা এখন অল্প বয়সী শিশু-কিশোরদের হাতে।

    এতে যাত্রীরা বাধ্য হয়ে চরম আতঙ্ক বোধ করেই প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছেন। এসব অদক্ষ চালকদের বিষয়ে যেন দেখার কেউ নেই। ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় দিনদিন বাড়ছে এদের দৌরাত্ম। তাছাড়া রয়েছে যাত্রী নিয়ে প্রতিযোগিতা।, কে কার আগে যাবে সেটাই তাদের কাছে মুখ্য বিষয়।

    বেপরোয়াভাবে চালানো এসব যানবাহনে বাধ্য হয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রীদের। একদিকে ব্যাটারি চালিত তিন চাকার গাড়ীর কারণে বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে। অন্যদিকে বাড়ছে যত্রতত্র যানজট। এদিকে গ্রামীণ সড়কে অদক্ষ, অল্পবয়সী ও প্রশিক্ষণবিহীন চালকের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে।

    ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, এই অদক্ষ অল্পবয়সী চালকদের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও লাইসেন্স বিহীন চালকের হাতে গাড়ি দেয়ার অপরাধে তাদের মালিকদেরও আইনের আওতায় আনা উচিত বলে মনে করেন উপজেলাবাসী।

    অদক্ষ, প্রশিক্ষণ বিহীন চালক ও যে সকল গাড়ি মালিক অদক্ষ চালকের মাধ্যমে গাড়ি চালান তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে ভুক্তভোগী মহল। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুসিকান্ত হাজং এর সাথে আলাপকালে জানান, এ বিষয়ে খোজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।