Category: হবিগঞ্জ

  • শায়েস্তাগঞ্জে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা

    শায়েস্তাগঞ্জে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২১ উদ্যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবসের আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিনহাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ গাজিউর রহমান ইমরান, সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তা আক্তার, জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ সর্দার।

    প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, প্রতিটি শিশুকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের সকলের দায়িত্ব। শিশু জন্মের সাথে সাথে যাতে সে নাগরিকত্ব পায় সে জন্য সরকার জন্ম নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করেছে। পাশাপাশি মৃত্যু নিবন্ধনও বাধ্যতামূলক করেছে।

    তিনি আরো বলেন, জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ-৭ অনুযায়ী একটি শিশু জন্মের পরই জন্ম নিবন্ধন করতে হবে। জাতীয়তা অর্জন, নামকরণ ও পিতা মাতার পরিচয় জানবার এবং তাদের হাতে পালিত হওয়ার অধিকার শিশুর আছে।

    বর্তমানে সারাদেশে সিটি কর্পোরেশনে, পৌরসভা, ইউনিয়ন, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এবং দূতাবাস মিশন এ কার্যক্রম চলমান আছে। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ৩টি ইউনিয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে তিনি এ কথা বলেন।

    “সবার জন্য প্রয়োজন, জন্ম ও মৃত্যুর পরই নিবন্ধন” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আদিল জজ মিয়া, নুরপূর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মুখলিছুর রহমান, শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ বুলবুল খাঁন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ জহিরুল ইসলাম, শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ মোরশেদ আলম, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা সচিব কাজী মোঃ মোস্তফা কামাল, শায়েস্তাগঞ্জ অনলাইন প্রেস ক্লাব সভাপতি সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ রিপোটার্স ক্লাব সভাপতি মোঃ মামুন চৌধুরী, সাংবাদিক ফোরাম সভাপতি কামরুজ্জামান আল রিয়াদ, প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক মইনুল হাসান রতন, শায়েস্তাগঞ্জ ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান, নুরপুর ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কাইয়ূম, ব্র্যাক শাখা ব্যবস্থাপক রাফিউল হাসান, উদ্যোক্তা মোঃ শামিম মিয়া, জুবায়েদুল হক, সন্তোষ পাল, জুয়েল মিয়া, প্রমুখ।

  • বানিয়াচংয়ের দূর্গাপূজায় শাহ্জিদের ২‘শ বছরের ঐতিহ্য

    বানিয়াচংয়ের দূর্গাপূজায় শাহ্জিদের ২‘শ বছরের ঐতিহ্য

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে শাহ্জি বাড়ির ঐতিহ্য ২‘শ বছরের দূর্গপূজার উৎসব।
    ৬ অক্টোবর বুধবার শুভ মহালয়ের মাধ্যমে বাঙালী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা শুরু হয়েছে ।

    বানিয়াচং উপজেলার ৪ নম্বর ইউনিয়নের রায়ের পাড়া গ্রামের রায় বংশীয় শাহ্জি পরিবার ব্রিটিশ আমলে জমিদার ছিল।

    ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে শাহ্জি পরিবারের জমিদারী পূর্ব পাকিস্তান আমলের শেষ পর্যন্ত ছিল। পরবর্তীতে তাদের জমিদারী শেষ হলেও পরিবারটির ঐতিহ্য দূর্গাপূজার প্রচলন এখনো রয়েছে।

    শাহ্জি পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,বানিয়াচংয়ে প্রায় ২‘শ বছর যাবৎ ধারাবাহিকভাবে তারা তাদের সবচে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা অনুষ্টিত করে আসছেন।
    আদি ও পুরাতন মন্ডপটি সময় সময়ে সংস্কার করা হয়েছে।

    সবচে বড় সংস্কারটি করেন জমিদার রামলোচন। নিয়মিত দূর্গাপূজা অনুষ্টান করার জন্য বাংলা ১৩‘শ সনে তিনি একটি স্থায়ী দূর্গামন্ডপ নির্মাণ করেন যা এখনো বিদ্যমান রয়েছে।

    সেই সাথে পূজার খরচের জন্য ১৮ কেদার ধানের জমি দান করে গেছেন।
    কারন দূর্গাপূজাকে খরচের হিসেবে রাজরাজরাদের পূজা উৎসব বলা হয়ে থাকে।

    যদিও বর্তমানে জমির পরিমাণ কমে গেছে তবুও উত্তরাধিকারীগণ যুগ যুগ ধরে নিয়মিত দূর্গাপূজা অনুষ্টিত করে যাচ্ছেন।

    এক বছরের জন্যও পূজো বন্ধ করা হয় নাই। এমন কি ১৯৭১ সালেও নির্বিঘ্নে  ওই পরিবারের লোকজন দূর্গাপূজা অনুষ্টিত করে গেছেন।
    সার্বজনীন দূর্গাপূজা প্রচলনের পূর্বে দূর্গাপূজার উৎসব হিন্দু সচ্ছল পরিবারের মাধ্যমেই অনুষ্টিত হত।

    দেশে এ ধরনের সম্পন্ন হিন্দু পরিবারগুলো লুপ্ত হওয়ার ফলে বর্তমানে সার্বজনীন দূর্গা মন্ডপের আধিক্য।
    কিন্তু বানিয়াচংয়ের ঐতিহ্যবাহী শাহ্জি পরিবার বংশ পরম্পরায় এখনো পূর্বপুরষদের ধর্মীয় এই ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছেন গভীরে।

    এ ব্যাপারে পরিবারটির ৬ষষ্ঠ তম প্রজন্ম শ্রাবস্তী রায় মন্টি জানান,দূর্গাপূজা আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান। কিন্তু বর্তমানে ধর্মীয় বিষয় ছাড়াও এটি এখন আমাদের পরিবারের ঐতিহ্যহের সাথে মিশে গেছে।এই ঐতিহ্যকে আমরা সযতনে লালন করি।
    এ ব্যাপারে কথা বলেন পরিবারটির পঞ্চম প্রজন্ম অলক কুমার রায়।

    তিনি জানান, দু‘শো বছরের উপরে আমরা এই পূজো করে আসছি।
    আমাদের পূর্বপুরূষগন প্রচলন করেছিলেন আমরা তা এখনো ধরে রেখেছি।
    তবে আগে জাকজমক বেশি ছিলো। মানুষ ও বেশি ছিল। এখন আর আগের জাকজমক না থাকলেও আমরা দূর্গাপূজা নিয়মিতই করে আসছি।

    আমাদের প্রতিবেশি বা অন্য কোন ধর্মের লোকজন আমাদেরকে কখনই কোন সমস্যা করেন নাই।
    শাহ্জি পরিবারের চতুর্থ প্রজন্ম অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও বানিয়াচং রামকৃষ্ণ মিশনের সভাপতি বিপুল ভূষন রায় বলেন, আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য দূর্গাপূজার এই উৎসবটি।

    আমাদের খোজখবর নিতে আসেন প্রশাষনের লোকজন। জনপ্রতিনিধি, সমাজপতি সহ সব শ্রেনীপেশার মানুষের পদচারনায় এটি একটি উৎসবে পরিনত হয়।

  • আবারও জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বানিয়াচংয়ের ওসি এমরান

    আবারও জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বানিয়াচংয়ের ওসি এমরান

    দি‌লোয়ার হোসাইনঃ হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত মাসিক কল্যান সভায় দ্বিতীয় বারের মত হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন।

    গুরত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, পেশাদার অপরাধী, সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় (৬ অক্টোবর) রোজ বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলির নিকট হইতে শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ এর সম্মাননা স্মারক গ্রহন করেন মোহাম্মদ এমরান হোসেন।

    শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত হয়েছেন এএসআই মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) শৈলেন চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহফুজা আক্তার শিমুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল) পলাশ রঞ্জন দে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মাহমুদুল হাসান, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল) মহসিন আল মুরাদ।

    এছাড়া ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানা হতে আগত অফিসার ইনচার্জ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও অন্যান্য অফিসার ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

  • বানিয়াচংয়ে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উদযাপন

    বানিয়াচংয়ে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উদযাপন

    দি‌লোয়ার হোসাইনঃ বানিয়াচংয়ে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস আনুষ্ঠানিক ভাবে উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় “সবার জন্য প্রয়োজন,জন্ম ও মৃত্যুর পরপরই নিবন্ধন” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বানিয়াচংয়ে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহের সভাপতিত্বে।

    এসময় বক্তব্য রাখেন, সহকারি প্রোগ্রামার কাজী মঈনুল হোসেন, হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা লিটন চন্দ্র, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রধান, খাদ্য কর্মকর্তা খবির উদ্দিন, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মোঃ আতাউর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান আহাদ মিয়া, গিয়াস উদ্দিন,ওয়ারিস উদ্দিন, সংবাদিক সহ উপজেলার প্রতিটি ইউপি সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • লাখাইয়ে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উদযাপিত

    লাখাইয়ে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উদযাপিত

    “সবার জন্য প্রয়োজন, জন্ম ও মৃত্যুর পর পরই নিবন্ধন ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার (৬ অক্টোবর ২০২১) লাখাইয়ে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২১ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।

    উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুসিকান্ত হাজং এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম আলম।

    বক্তব্য রাখেন মৎস্য অফিসার ইদ্রিস তালুকদার, যুব উন্নয়ন অফিসার মোহাম্মদ শাহজাহান, কৃষি অফিসার শাকিল খোন্দকার, সমবায় অফিসার ইসমাইল তালুকদার রাহী।

    সভায় বক্তাগন বলেন জন্ম ও মৃত্যুর পর পরই নিবন্ধন করতে সকলকে আরো সচেতন হতে হবে।

  • মাধবপুরে মোটরসাইকেলে প্রাণ গেল চা শ্রমিক নেতার

    মাধবপুরে মোটরসাইকেলে প্রাণ গেল চা শ্রমিক নেতার

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে মোটরসাইকেল যোগে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় বকুল পানতাতী (৫০) নামে এক চা শ্রমিক নেতার মৃত্যু হয়েছে।

    তিনি উপজেলার সুরমা চা বাগানের ২০ নম্বর এলাকার নন্দকুমার পানতাতী’র পুত্র ও সুরমা চা বাগানের সাবেক পঞ্চায়েত।

    লস্করপুর ভ্যালি সভাপতি রাবিন্দ্র গৌড় জানান , আজ বুধবার (৬ অক্টোবর) সকালে বকুল পানতাতি সাতছড়ী এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে যায়।

    সেখানে হঠাৎ তিনি বুকে ব্যাথা অনুভব করেন। কিছুক্ষণ রেষ্ট নেওয়ার পর কিছুটা সুস্থ অনুভব করলে তিনি সেখান থেকে মোটর সাইকেলযোগে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ঢাকা-সিলেট পুরাতন মহাসড়কের সুরমা চা বাগানের কিবরিয়াবাদ নামক স্থানে আসার পর মোটরসাইকেল চলন্ত অবস্থায় তার আকষ্মিক মৃত্যু ঘটে।

  • শ্বাশুড়ী হত্যার অভিযোগে পুত্রবধু আটক

    শ্বাশুড়ী হত্যার অভিযোগে পুত্রবধু আটক

    হবিগঞ্জ সদরের বহুলা গ্রামে শ্বাশুড়িকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুত্রবধূ নাজমা চৌধুরীকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ।

    সূত্রে জানা যায়, পুত্রবধূ নাজমা চৌধুরীর সাথে তার৷ শ্বাশুড়ী শফর চাঁন বিবি (৭০) প্রায়ই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে নাজমা চৌধুরী শাশুড়ীকে আঘাত করলে তিনি আহত হন।

    পরে স্থানীয় লোকজন উদ্বার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করান।

    ভোর রাত ৩ টায় শাশুড়ী শফর চাঁন বিবি পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়লে সদর হাসপাতাল নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুত্রবধূ নাজমা চৌধুরীকে আটক করেছে।

    হবিগঞ্জ সদর থানার (ওসি তদন্ত) দৌস মোহাম্মদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মৃতদেহ উদ্বারের পর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

    হবিগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাসুক আলী জানান, লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রকমগ্ত ঘটনা উদঘাটনের জন্য ঘটনায় জড়িত পুত্রবধূ নাজমা চৌধুরীকে জিঙ্গাসাবাদ চলছে।