Category: হবিগঞ্জ

  • বানিয়াচংয়ে পিতলের মূর্তি চুরির অভিযোগ

    বানিয়াচংয়ে পিতলের মূর্তি চুরির অভিযোগ

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে পিতলের মূর্তি চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দিবাগত গভীর (১৭ অক্টোবর) রাতে বানিয়াচং উপজেলার ১১ নম্বর মক্রমপুর ইউনিয়নের ইকরাম গ্রামের দিঘীরপাড়ে।

    মূর্তি চুরির খবর পেয়ে হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য এডঃ আব্দুল মজিদ খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এমপি আব্দুল মজিদ খান বানিয়াচং থানা পুলিশকে দ্রæত সময়ের মধ্যে মূর্তি উদ্ধার ও ঘটনার রহস্য উদঘাটন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।

    বানিয়াচং থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,ইকরাম দিঘীরপাড়ের ডাঃ বিশ^জিৎ আচার্যের বাড়ির মন্দির থেকে রাতের আধারে ৫টি মূর্তি চুরি হয়েছে।

    চুরি হওয়া মূতিগুলো হল দূর্গাদেবী, লক্ষীদেবী, স্বরসতীদেবী, কার্তিক ও গনেশ দেবের পিতলের মূর্তি। ডাঃ বিশ্বজিৎ আচার্য্যরে বসত বাড়িতে এমনিতেই রাতে লোকজন থাকতেন না।

    বসত ঘরে রাতে লোকজন না থাকার সুবাদে হয়তো চোরের দল এরকম চুরির সুযোগ নিয়ে থাকতে পারে বলে এলাকাবাসী প্রাথমিকভাবে ধারনা করছেন।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন, এটা সাধারন কোন চুরির ঘটনা নাকি অন্যকোন বিষয় তা এখনই বলা যাচ্ছেনা। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

  • বানিয়াচংয়ের রত্না নদীতে ডুবে এক ব্যাক্তির মৃত্যু

    বানিয়াচংয়ের রত্না নদীতে ডুবে এক ব্যাক্তির মৃত্যু

    বানিয়াচং উপজেলার সুনামপুর গ্রামের মোঃ রজব আলী (৬০) নামে এক ব্যাক্তি রত্না নদীতে পরে মৃত্য বরন করেন।

    ১৩ নং মন্দরী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ হাবিব উল্লাহ ইমরান ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, “রবিবার সকাল ৭ টায় রজব আলী সুনামপুর গ্রামের উত্তর পূর্ব দিকে রত্না নদীর উত্তর পারে ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে কলুম কাটতে গিয়েছিলেন।”

    “সেখান থেকে ফেরার পথে হাই প্রেসার উঠলে তিনি মাথা ঘুরে নদীতে পরে যান। গ্রামের মানুষ খুজা খুঁজি করে না পায়নি।”

    “পরে হবিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ফায়ার সার্ভিস থেকে ডুবোরি এসে সকাল সাড়ে দশটার দিকে লাশ উদ্ধার করে পরিবারের নিকট লাশ হস্তান্তর করেন।”

    বাদ আছর জানাজার মাধ্যমে তাকে দাফন করা হয়।

    এব্যপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন হবিগঞ্জ নিউজকে জানান, “অসতর্কতার কারণে মোঃ রজব আলী নৌকা থেকে পরে নিহত হয়। ফায়ার সার্ভিসের ডুবোরি মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়। কোন অভিযোগ নাথাকায় ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় দাফন করা হয়।”

  • মাধবপুরে সড়কে প্রান গেল ৪ জনের

    মাধবপুরে সড়কে প্রান গেল ৪ জনের

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। পুরাতন ঢাকা সিলেট মহাসড়কে এঘটনা ঘটে।

    পুলিশ সুত্রে জানায়ায় রোববার দুপুর ১টার দিকে মহাসড়কের সুরমা চাবাগানের টিন বাংলো এলাকায় রাস্তায় মোটর সাইকেল দাড় করিয়ে সেলফি তুলায় সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের মূখোমূখো সংঘর্ষে মোজাম্মেল হক (২১) অজয়রায় (২০) নিহত হয়েছেন।

    মাধবপুরে সড়কে প্রান গেল ৪ জনের

    এঘটনায় জয়দেব (২১) মাধবপুর স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স এ অনিক বিস্বাস (১৮) কে গুরুত্ব আহত অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।

    অপর দিকে বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে উপজেলার পুরাতন মহাসড়কের গোয়াসনগর নামক স্থানে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় মোঃ তারেক (২৭) ইসতেকার আহম্মেদ (৪০) নিহত হয়েছেন।

    মাধবপুরে সড়কে প্রান গেল ৪ জনের

    এঘটনায় আলী ইউনুস (৫৫) নামে এক ব্যক্তি কে আশংকাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

    তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর গোলাম মোন্তফা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়েও মাধবপুরে নেই কোনো বাস টার্মিনাল, জনদুর্ভোগ চরমে

    স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়েও মাধবপুরে নেই কোনো বাস টার্মিনাল, জনদুর্ভোগ চরমে

    স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও হবিগঞ্জের মাধবপুরে এখনো কোন বাস টার্মিনাল নির্মাণ হয়নি। বাধ্য হয়েই উপজেলা সদরের পৌরসভার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কেই যাত্রীবাহী বাস থেকে শুরু করে পণ্যবাহী ট্রাক গুলো থামছে এবং যাত্রী ওঠা নামার সহ মালামাল লোড আনলোড হচ্ছে। ফলে বাড়ছে যানজট দুর্ঘটনাসহ জনদুর্ভোগ।

    মাধবপুর-হবিগঞ্জ রোডের বাস চালক মো. মজিদ খাঁন জানান, হবিগঞ্জ থেকে গাড়ি চালিয়ে মাধবপুর আসার পর গাড়ি পার্কিং করার জন্য জায়গা পাই না। তাই রাস্তার মাঝেই গাড়ি পার্কিং করতে হয়। এতে করে যাত্রীসহ আমাদের অনেক সমস্যা হয়।

    রাস্তার পাশেই অনেক সরকারি খাশ জায়গা আছে। সেখানে বাস, ট্রাক, সিএনজিসহ অন্যান্য যানবাহন রাখার জন্য টার্মিনাল করে দিলে আমরা ভোগান্তি থেকে রেহাই পাবো।

    হবিগঞ্জ মাধবপুর বাইপাস রোডের আরেক বাস চালক বিন্দু দাশ জানান, গাড়ি পার্কিং করার জন্য জায়গা নেই বাধ্য হয়ে আমাদেরকে মহাসড়কে গাড়ি পার্কিং করতে হয়।

    রাস্তার পাশে সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ব্যবসা করছে ফলে রাস্তার পাশেও গাড়ি পার্কিং করতে বাধাগ্রস্ত হতে হচ্ছে। একটা নির্দিষ্ট টার্মিনাল হয়ে গেলে এই সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধান হবে।

    মাধবপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী উপজেলা হচ্ছে ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলার বিজয়নগর ও নাসিরনগর উপজেলা। ফলে প্রতিদিনই উপজেলার উপর দিয়ে উল্লেখিত পার্শ্ববর্তী উপজেলার হাজার হাজার মানুষ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যানবাহনযোগে যাতায়াত করছে।

    মাধবপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও মাধবপুর থেকে হবিগঞ্জ রোডে প্রতিদিন শত শত লোকাল বাস চলাচল করে। এইসব বাসের জন্য নেই কোন নির্দিষ্ট বাস টার্মিনাল।

    মাধবপুর-ব্রাহ্মণবাড়ীয়া দিগন্ত লোকাল বাস কাউন্টারের সহকারী কেরানী মোঃ রুবেল খাঁন জানান, টার্মিনাল না থাকার কারনে রাস্তার মাঝেই যাত্রী নিয়ে বাস থামছে ও যাত্রী উঠা নামা করছে। যদি একটা টার্মিনাল থাকতো তাহলে সুশৃঙ্খলভাবে যানবাহন চলাচল করতে পারতো ও যাত্রী ভোগান্তি কমে যেতো।

    তাছাড়া ঢাকা ও সিলেটে যাতায়াত করার জন্য মাধবপুর উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার যাত্রীরা দূর পাল্লার গাড়ির জন্য সদর উপজেলাতে আসতে হয়। কিন্তু নির্দিষ্টভাবে কোন বাস স্টেশন বা টার্মিনাল না থাকায় উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কেই দূরপাল্লার এইসব বাস সহ লোকাল বাসের যাত্রীরা উঠা নামা করছে। ফলে বাড়ছে দুর্ঘটনা ও জীবন নাশের ঝুঁকি। কিছুক্ষন পরপরই সৃষ্টি হচ্ছে যানযট।

    দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস আল মোবারক টিকিট কাউন্টারের ম্যানেজার মো. কবির মিয়া জানান, টার্মিনাল না থাকায় আমাদের কোন নির্দিষ্ট টিকিট কাউন্টার নাই ফলে মহাসড়কের পাশেই ঝুঁকি নিয়ে টিকিট বিক্রি করতে হচ্ছে।

    বর্তমানে মাধবপুর উপজেলা সদর থেকে দূরপাল্লার অনেক যাত্রীবাহী বাসের টিকিট কাউন্টার আছে। একটা টার্মিনাল না থাকার কারনে প্রত্যেক গাড়ির টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা এবং যাত্রীরা প্রতিনিয়তই বিপাকে পড়তে হচ্ছে।

    অন্যদিকে পণ্যবাহী যানবাহনগুলোর পণ্য লোড আনলোড করার জন্য নির্ধারিত স্থান থাকলেও সিএনজি ও অটোরিকশার জন্য নির্দিষ্ট কোন টার্মিনাল বা স্টেশন না থাকায় তারা লোড আনলোডের জায়গা ব্যবহার করছে। যার কারনে পণ্যবাহী যানবাহনগুলোও বাধ্য হয়েই মহাসড়কেই পণ্য উঠা নামা করছে।

    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি উপজেলার ভীতর দিয়ে যাওয়ায় ও মহাসড়কের পাশেই উপজেলা সদর বাজার থাকার কারনে মাধবপুর উপজেলাটি অর্থনৈতিকভাবেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীদের উপচে পড়া ভীড় থাকে বাজারগুলোতে।

    টার্মিনাল নির্মানের গুরুত্ব সম্পর্কে মাধবপুর বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মঞ্জু পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “টার্মিনাল নির্মাণ আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। মাধবপুরে একটা টার্মিনাল হলে বানিজ্যিকভাবে উপজেলাটির উন্নয়ন হবে। বাজারের যানযট হ্রাস পাবে। দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।”

    “গত দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোকলেসুর রহমান বাস টার্মিনালের জন্য একটা জায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। সেখানে ৫/৬ মাস ঐ জায়গায় বাস রাখার পর উল্লেখিত জায়গাটির মালিকানা দাবি করে এক ব্যক্তি আদালতের একটি রায়ের মাধ্যমে বাস রাখা বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে মহাসড়কেই থামছে গাড়ি।”

    টার্মিনালের ব্যাপারে মাধবপুর পৌরসভার মেয়র মো. হাবিবুর রহমান মানিক জানান, “আমি মাধবপুর পৌরসভায় সবেমাত্র মেয়রের দায়িত্বভার গ্রহন করেছি। তবে পৌরসভাকে যদি টার্মিনাল করার জন্য সরকারিভাবে জায়গা নির্ধারণ করে দেয়া হয় তবে আমরা টার্মিনাল নির্মাণ করবো।”

    এইদিকে স্থানীয়রা মনে করছেন মাধবপুরে একটি নির্দিষ্ট বাসটার্মিনাল করা হলে অর্থনৈতিকভাবে অনেক এগিয়ে যাবে উপজেলাটি এবং সরকারিভাবে রাজস্ব আদায়ের পরিমান বৃদ্ধিপাবে বহুগুণে।

    উপজেলা সদরের পৌরসভাতে অনেক খাশ জমি আছে যেখানে সরকার চাইলেই একটি সুন্দর ও পরিকল্পিত টার্মিনাল নির্মাণ করতে পারবে।

    টার্মিনাল নির্মাণ করার ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “টার্মিনাল নির্মাণের জন্য যে জায়গা নির্ধারিত করা হয়েছিল সেই জায়গাটি নিয়ে এক ব্যক্তির সাথে ঝামেলা থাকায় তা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। পূর্নাঙ্গ রায়ের পর বুঝা যাবে করনীয় কি।”

    “আর টার্মিনাল নির্মাণ হচ্ছে একটি মেঘা প্রজেক্ট। যেটি উপজেলা পরিষদ বা প্রশাসনের আওতার মধ্যে পড়ে না। সড়ক ও জনপদ বিভাগ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নির্মান করার সময় মাধবপুরে বাস টার্মিনাল করার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহন করতে পারে।”

    টার্মিনালের ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলার সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, “ইতিমধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চার লেনের কাজ অনুমোদিত হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে দরপতনের মাধ্যমে কাজ শুরু হবে।”

    “উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা হয়েছে চার লেনের কাজ করার সময় উভয় পাশে সার্ভিস লেনসহ স্লো মুভিং যানবাহনের জন্য রাস্তা করা হবে, ফলে যানযট কিছুটা কমবে। তাছাড়া চার লেন রাস্তা করার সময় যানবাহনের জন্য রাস্তা করা হবে।”

  • জনপ্রতিনিধিদের কাছে মানুষের প্রত্যাশা বেশী – জেলা প্রশাসক

    জনপ্রতিনিধিদের কাছে মানুষের প্রত্যাশা বেশী – জেলা প্রশাসক

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান বলেছেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশী। স্থানীয় সরকার বিভাগকে শক্তিশালী করণের ক্ষেত্রে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্ব অপরিসীম।

    তাছাড়া আমাদেরকে সকল উন্নয়ন টেকসই করতে হব, যাতে করে দীর্ঘ সময় জনগণ তার সুফল পায়।

    তিনি আজ পৌরসভার কাউন্সিলরগণের জন্য পৌরসভা সর্ম্পকিত অবহিতকরণ শীর্ষক ২ দিনের প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    রবিবার ১৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট এবং জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কোর্স অনুষ্ঠিত হয়।

    উপপরিচালক (উপসচিব) স্থানীয় সরকার মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে ২দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণে ৫টি পৌরসভার ৬০ জন কাউন্সিলর অংশ গ্রহন করেন।

    এসময় প্রকল্প প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন, পৌরসভার দ্বায়িত্ব কর্তব্য, বিরোধ নিষ্পত্তি, পৌরসভার সাথে সরকারের অন্যান্য বিভাগের সমন্বয় এবং যোগাযোগ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

  • হবিগঞ্জে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদযাপন

    হবিগঞ্জে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদযাপন

    “ডিজিটাল সাদাছড়ি, নিরাপদে পথ চলি” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে হবিগঞ্জে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস ২০২১ উদযাপিত হয়েছে।

    দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা বিভাগের আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা সমাজসেবা বিভাগের উপপরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া ।

    অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহাকারী কমিশনার আমেনা খাতুন, বিটিভি হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ আলমগীর খান সাদেক, হবিগঞ্জ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির ইজাবত উল্লাহ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির জালাল উদ্দীন

    অনুষ্ঠানে ১০জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর মাঝে ডিজিটাল সাদাছড়ি বিতরণ করা হয়। এই সাদাছড়ি দৃষ্টি প্রতিবন্ধীকে চলার পথে কোন বাধার সম্মুখীন হলে আগে থেকে সর্তক করে দেবে, এতে করে

    বক্তাগণ বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা সমাজের বুঝা নয়, তাদেরকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মক্ষম করে তুলতে কাজ করছে। দেশের সকল প্রতিবন্ধীকে সরকারী ভাতার আওতায় আনা হয়েছে।

  • নবীগঞ্জের  দু-দলের সংঘর্ষে আহত ২০

    নবীগঞ্জের দু-দলের সংঘর্ষে আহত ২০

    নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের গুমগুমিয়া গ্রামে কুমিল্লায় মন্দিরে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরীফ রাখার প্রতিবাদে গুমগুমিয়া গ্রামের কিছু যুবক বৃহস্পতিবার বিকেলে এক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে স্হানীয় একটি মন্দিরের সামনে দিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে মন্দিরের যুকদের সাথে বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়।

    এক পর্যায়ে মিছিলকারীরাদের সাথে মন্দিরের যুকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জসহ উভয় পক্ষের মহিলাসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ৪ জনকে সিলেট ওসমাণী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

    নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমদকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

    তাৎক্ষণিক ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, নবীগঞ্জ-বাহুবলের সংসদ সদস্য শাহ নওয়াজ মিলাদ গাজী, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মুরাদ আলী, নবীগঞ্জ-বাহুবলের সার্কেল এএসপি আবুল খায়ের, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডঃ আলমগীর চৌধুরী, নবীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন, নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মুজিবুর রহমান শেফু প্রমুখ।

    এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, একদল যুবক ও কিশোর কুমিল্লায় মন্দিরে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল-কোরআন রাখার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল পাঞ্জারাই বাজার থেকে গুমগুমিয়া বাজার হয়ে গ্রামের পথ হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি স্হানীয় একটি মন্দিরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় একদল যুবক ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আসে এমন বাজে মন্তব্য করায় বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়া লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
    খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ১ ঘণ্টাব্যাপী ওসিসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন লোক আহত হন।

    পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব, ডিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন,ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

    সংসদ সদস্য শাহনোওয়াজ মিলাদ গাজী বলেন, একটি বিচ্ছিন্ন ঘৃণিত ঘটনায় আমরা লজ্জিত। কিছু অপশক্তি একটা ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করেছে, কিন্তু মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানিতে তেমন গুরুতর কোনো ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে গিয়ে উনি নিজে আহত হয়েছেন, আরও পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারও সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    পরবর্তীতে যেনো এ-ধরনের ন্যূনতম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও না ঘটে সেজন্য স্থানীয় গ্রামবাসী প্রতিজ্ঞাবদ্য হয়েছেন, তারা নিজ দায়িত্বে পূজার নির্বিঘ্নতা রক্ষা করবেন।