Category: হবিগঞ্জ

  • জাতীয়তাবাদী মহিলাদল হবিগঞ্জ জেলা শাখা’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    জাতীয়তাবাদী মহিলাদল হবিগঞ্জ জেলা শাখা’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলাদল হবিগঞ্জ জেলা শাখা’র কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। রবিবার ১৪ নভেম্বর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এ কর্মী সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হয়।

    সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব জি.কে গউছ।

    সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদ মহিলা দলের সিলেট বিভাগীয় টিম লিডার শাম্মী আক্তার শিপার সভাপতিত্বে সভার উদ্বোধন করেন জাতীয়তাবাদী মহিলাদল কেন্দ্রীয় সভাপতি মীর্জা আফরোজা আব্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী মহিলাদল কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ প্রমুখ।

    এসময় বক্তাগণ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রর্বতন করে মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছেন। তাই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন জাতীয়তাবাদী দলের সকল অংগসংগটনকে সুশৃঙ্খল এবং সুসংগঠিত থাকতে হবে।

  • মসজিদ নির্মাণে এম ক্বারী আনিসুর রহমান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের নগদ অনুদান প্রদান

    মসজিদ নির্মাণে এম ক্বারী আনিসুর রহমান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের নগদ অনুদান প্রদান

    হোসাইন মির্জাঃ আজ (১৪ই নভেম্বর) রবিবার বাদ মাগরিব হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলাধীন সামাজিক সংগঠন ‘এম ক্বারী আনিসুর রহমান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’ এর পক্ষ থেকে স্থানীয় দুর্গাপুর বাজার জামে মসজিদ ও হাতুড়াকান্দি জামে মসজিদের নির্মাণ কাজের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মাওঃ খিজির আহমদের কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্টান শুরু হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ৭ নং উবাহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রজব আলী।

    তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনটি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আমি আশা করি এই সংগঠনটি সামাজিক কাজের মাধ্যমে আরও বেশি অবধান রাখবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল্লাহ সরদার।

    তিনি বলেন, এম. ক্বারী আনিছুর রহমান জীবিত অবস্তায় অনেক মসজিদ ও মাদ্রাসা তৈরির জন্য সমাজে বিশেষ অবধান রেখেছেন। আজ উনার ২য় মৃত্যু বার্ষিকী। আজকের এই দিনে আমরা উনাকে স্মরন করি এবং মহান মাবুদের কাছে উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা করার জন্য দোয়া করি।

    এম ক্বারী আনিসুর রহমান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট

    তিনি উক্ত সংগঠনটির দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং মসজিদ নির্মাণসহ এলাকায় দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই চলমান উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

    সংগঠনটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল হক বলেন, আমরা এলাকাবাসী ও অসহায় মানুষদের পাশে আছি এবং থাকব। আর আমাদের পিতা যে সকল মসজিদ গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন, সেই সকল মসজিদের নির্মাণ কাজে একটা শুভ সূচনামাত্র। আজকের এই অনুদান প্রদান কর্মসূচি ভবিষ্যতেও চালু থাকবে ইনশাল্লাহ।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আকবর আলী, আল-আমানাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম (বাবুল), বাজার সেক্রেটারি আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার, হাতুড়া কান্দি মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব ছুরুক আলী, বাজার মসজিদের সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম, আলোর পথে উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক মকছুদ আলী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

    এম ক্বারী আনিসুর রহমান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট

    সংগঠনটির পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত পরিচালক ফ্রান্স প্রবাসী মোহাম্মদ শামসুল হকের পক্ষে উক্ত ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল হক মসজিদ দুটি নির্মাণ কাজের জন্য ৪০,০০০/= টাকার একটি চেক হস্তান্তর করেন।

    উক্ত ট্রাস্টের পরিচালক এক বার্তায় বলেন, সংগঠনটি সবসময় আর্থ-সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, তার পিতা মাওলানা ক্বারী আনিসুর রহমানের স্মৃতিকে অমলিন ও স্থায়ী করে রাখতে এবং সদকায়ে জারিয়া হিসেবে উক্ত কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিতা অবশ্যই অব্যাহত থাকবে ইনশাল্লাহ।

    তিনি আজকের এই মহতী অনুষ্ঠানের সফলতার জন্য এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং পরিশেষে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

  • হবিগঞ্জ পৌর মেয়র সেলিমের পুত্রের মৃত্যুতে বিমান প্রতিমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

    হবিগঞ্জ পৌর মেয়র সেলিমের পুত্রের মৃত্যুতে বিমান প্রতিমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

    হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতি এবং পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম এর একমাত্র পুত্র সামিউর রহমান সামি’র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী এমপি।

    এক শোক বার্তায় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।।

  • শায়েস্তাগঞ্জে পাকা ধানে বন্য শুকরের তান্ডব

    শায়েস্তাগঞ্জে পাকা ধানে বন্য শুকরের তান্ডব

    চলছে কার্তিক মাস, এরপরই আসছে অগ্রহায়ণ মাস। অগ্রহায়ণ মাসেই শুরু হয় ধান কাটা। বেশিরভাগ কৃষকরা অগ্রহায়ণ মাসেই সারাবছরের ধানের খোরাক জমিয়ে রাখেন। বিগত কয়েকবছর যাবত শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ বন্য শুকরের তান্ডবের কারণে ঠিকমত ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না। বিশেষ করে সুরাবই, পুরাসুন্দা ও লাদিয়া গ্রামের মানুষরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

    ঢাকা সিলেট মহাসড়কের পাশে কয়েকশ একর ধানের জমি রয়েছে। অন্যদিকে, জমির পাশ ঘেরেই রঘুনন্দন পাহাড় বয়ে গেছে। ধান পাকার মৌসুম এলেই পাহাড় থেকে দলবেঁধে জমিতে এসে হানা দেয় বন্যশুকরের দল৷ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইতোমধ্যে কাচা-পাকা ধানের বেশ কিছু সংখ্যক জমিতে বন্যশুকরের আক্রমণের দরুন জমির ফসল নস্ট হয়ে গেছে। কোন কোন জমিতে বন্যশুকর একেবারে পাকা ক্ষেতে নতুন করে যেন মই দিয়ে গেছে। এ অঞ্চলের অনেক মানুষ এদের আক্রমণের কারণে কৃষি কাজ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে। আবার কেউ কেউ ফসল নস্ট থেকে বাচানোর জন্য কাচা ধানই কোনমতে কেটে ঘরে তুলছে। এবার এসব জমিতে বেশ ভাল ফলন হয়েছিল, কিন্তু পাকা ধান ঘরে তুলতে পারবেন কিনা এ নিয়ে শংকিত অবস্থায় আছেন কৃষকরা।

    এবার অত্র অঞ্চলের মানুষজন বিগত ১৫-২০ দিন যাবত ধান বাচাতে যৌথভাবে জমিতে রাতের বেলা মশাল জ্বালিয়ে পাহারা দিচ্ছেন। এছাড়াও জমির পাশে বাশ দিয়ে মাচাং বানিয়ে সারা রাত সেখানে না ঘুমিয়ে কাটাচ্ছেন। কেউ কেউ রাতে কিছুক্ষণ পরপরই বেশ কয়েকরকম হুইসেল বাজিয়ে থাকেন, শব্দ পেয়ে যেন বন্যশুকর জমিতে না আসে।
    দলবেঁধে শুকর হানা দিলে আত্মরক্ষার জন্য লাটিসোটা ও সাথেই রাখছেন তারা, তবুও ফসল বাচাতে হবে।

    সুরাবই গ্রামের কৃষক মোঃ শাহিন মিয়া জানান, প্রতিবছরই এরকম সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে আমাদের কিন্তু সরকার থেকে কোন সহায়তা আমরা পাচ্ছিনা। যেসব জমিতে একর প্রতি ২০-২৫ মণ ধান হত, বন্য শুকরের তান্ডবের কারণে সেখানে ৫-৬ মণ ধান হয়। সেজন্য সোনার ধান বাচাতে আমরা নিজেরাই সম্মিলিত ভাবে কস্ট করে যাচ্ছি।

    এই বিষয়ে কৃষক মোঃ হান্নান মিয়া জানান, শুকর কখনো গভীর রাতে, আবার কখনো ভোর রাতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় ধানের ক্ষেতে নামে। যে জমিতে এরা নামে এ জমির ফসল সম্পুর্ণ নস্ট করে ফেলে। আমি সরকারের কাছে দাবি জানাই, এই পাহাড়ের কিনার দিয়ে যেন তারকাটা বেড়া দেয়া হয়, তাহলে আমাদের ফসল আর নস্ট হবে না।

    সুরাবই গ্রামের হেলিম মিয়া জানান, রাত হলেই এদেরকে ভয়ভীতি দেখানোর জন্য আমরা মশাল জ্বালিয়ে দেই, যেন আগুন দেখে ওরা ভয় পায়, কিন্তু বন্য শুকররা খুবই হিংস্র। আমরা রাতে অনেক ভয় নিয়েই জমিতে ফসল পাহারা দিয়ে আসছি, এদের আক্রমণ থেকে আমরা বাচতে চাই।

    সচেতনমহলের কেউ কেউ মনে করেন পাহাড়ে খাদ্যসঙ্কটের কারণে ওরা ধানের জমিতে নেমে আসছে, বনবিভাগ থেকে পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা করলে ওরা ধান খেতে আসত না।

    এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ শহিদুর রহমান জানান, আসলে বনবিভাগ থেকে বন্যশুকরদের রক্ষা করার নির্দেশনা রয়েছে। কৃষকদের ফসল বাচাতে কিছু পন্থা অবলম্বন করা যেতে পারে।

    মাটি থেকে ৫-৬ ফুট উচু করে মাচাং বানিয়ে সেখানে, টিন বেধে শব্দ করে কিংবা মশাল জ্বালিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেই ফসল রক্ষা করতে হবে, এদেরকে তাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে, কিন্তু কোনভাবেই তাদেরকে মারা যাবে না।

    এছাড়া এ বিষয়ে অবগত থাকলে ও আমাদের তেমন কিছু করার নেই। বনজংগলে ওদের জন্য আমরা আলাদা খাদ্যের ব্যবস্থা ও করতে পারছি না।

  • শায়েস্তাগঞ্জের নূরপুরে একের পর এক চুরি, আতংকে গ্রামবাসী

    শায়েস্তাগঞ্জের নূরপুরে একের পর এক চুরি, আতংকে গ্রামবাসী

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নূরপুর ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামে সম্প্রতি চুরির উৎপাত অস্বাভাবিক হারে বেড়েই চলছে। এতে করে নূরপুর গ্রামবাসীর মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে যার প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই পোস্ট করে এর প্রতিবাদ করছেন।

    এরই মাঝে এ বিষয় নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের তেমন কোন অভিযান পরিলক্ষিত না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির আশংকা দেখা দিচ্ছে।

    বিগত কয়েকমাসে নুরপুর গ্রামে বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় মুরব্বিদের ভাষ্যমতে যারা এসব অনৈতিক কাজের পেছনে মাদকদ্রব্য মুল ভুমিকা পালন করছে। হাতের নাগালে নেশাদ্রব্যের টাকা না পেয়ে নিজ গ্রামেই চুরি করতে উদ্ধুদ্ধ হচ্ছেন এক শ্রেণির উঠতি বয়সের যুবকরা।

    গত বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর নূরপুর জামে মসজিদ থেকে মাইক্রফোন চুরি হয়েছে, অথচ এই মাইক্রোফোন দিয়েই মসজিদের আজান দেয়া হয়।

    সম্প্রতি নুরপুর গ্রামের রেনু বেগমের ঘর থেকে সন্ধ্যা র পর টিভি চুরি হয়।

    গত এক সপ্তাহ আগে মৃত জমির মিয়ার ঘর থেকে দুইটি আইপিএসের ব্যাটারি ও পানির মোটর চুরি হয়েছে।

    অন্যদিকে, গত ২০ দিন আগে নুরপুর গ্রামের মামুন মিয়ার ঘর থেকে ১টা গরু চুরি হয়।

    এছাড়াও এক মাস আগে মরম আলীর ঘর থেকে চুরি হয়েছে পানির মটর, গত ১ই সেপ্টেম্বর নূরপুরে একরাতে দুই ঘরে সিঁধ কেটে চুরি হয়েছে। এরকম ঘন ঘন চুরির ঘটনায় গ্রামবাসী একদিকে যেমন অতিষ্ঠ, অন্যদিকে আতংকে দিন কাটাচ্ছেন।

    এ বিষয়ে ২ নং ইউপি সদস্য ফারুক মিয়া জানান,একের পর এক চুরি’র ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। দুঃখের বিষয় মসজিদ থেকে মাইক্রফোন চুরি আমরা কোন সমাজে বসবাস করছি। সকলে মিলে প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে এই গ্রাম থেকে মাদকসেবি ও চোরকে দমন করতে হবে।

    একের পর এক এসব চুরির ঘটনায় উদ্বিগ্ন নূরপুর গ্রামের মানুষ। তাদের ধারণা- চুরির পেছনে প্রধান কারণ মাদক। মাদকের টাকা জোগাতে উঠতি বয়সের ছেলেরা চুরির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দাবি জানান তারা।

  • লোকড়ায় বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

    লোকড়ায় বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

    হবিগঞ্জের সদর উপজেলায় বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সে লোকড়া ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে ছাবু মিয়ার ছেলে হুমায়ুন মিয়া (২৫)। গতকাল শনিবার সকালে এ দূর্ঘটনা ঘঠে।

    সূত্রে জানা যায়, নিহত হুমায়ুন মিয়া গতকাল শনিবার সকালে জয়নগর বাজারে ওয়ার্কসপে কাজ করতে যায়, সেখানে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়। তাৎক্ষণিক দোকানের অন্যান্য কর্মচারীরা তাকে উদ্ধার করেন। এদিকে খবর পেয়ে তার বাবা ছাবু মিয়া দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে হুমায়ুন মিয়াকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

    দুপুট ১২টায় হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর উৎসব দাস হাসপাতালে যান। যেখানে তিনি ছাবু মিয়া এবং তার আত্নীয় স্বজনের সাথে কথা বলে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করেন।

    এবিষয়ে এসআই উৎসব দাস বলেন, খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে যাই এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করি। তবে এসময় লাশের হাতের আঙ্গুলে আঘাতের চিহ্ন মত দেখা যায়। তবে ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত বিষয় জানা যাবে।

  • হবিগঞ্জের পর্যটন খাতে পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন – বিধান চন্দ্র কর্মকার

    হবিগঞ্জের পর্যটন খাতে পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন – বিধান চন্দ্র কর্মকার

    গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (সচিব) বিধান চন্দ্র কর্মকার বলেছেন, “হবিগঞ্জের হাওর বন এবং টিলা পর্যটন শিল্পের একটি বিশাল সম্ভাবনাময় এলাকা। যদিও বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে হবিগঞ্জের একটি বিশাল অংশ রয়েছে। তথাপিও সম্ভাবনাময় হবিগঞ্জের এই পর্যটন খাতকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করলে, এই জেলা পর্যটন শিল্পে আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। তাই হবিগঞ্জের পর্যটন খাতে পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন।”

    “পাহাড় এবং হাওর অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যকে রক্ষা করা এবং এই শিল্পকে বাচিয়ে রাখা আমাদের সকলের নৈতিক দ্বায়িত্ব।”

    তিনি গতকাল শনিবার হবিগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসের বিভিন্ন কার্য়ক্রম এবং ব্র্যান্ডিং শিল্প পরিদর্শনকালে একথা বলেন।

    এসময় তিনি আরো বলেন, “এখানকার চা শিল্প দেশের চাহিদা মিঠিয়ে বিশ্ব মানের চা তৈরী করে বিদেশে রপ্তানি করছে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে বাংলাদেশ। তাই চা উৎপাদন এবং এই শিল্পের প্রসারের জন্য আরে কাজ করতে হবে।”

    পরিদর্শনকালে তিনি জেলা তথ্য অফিসের বিভিন্ন প্রজেক্ট, এপিএসহ হাওর বনাঞ্চল পরিদর্শন করে সন্তোষটি প্রকাশ করেন।

    শনিবার সকালে হবিগঞ্জে পরিদর্শনে আসলে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান জেলা তথ্য অফিসার পবন চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

    দিনব্যাপি তিনি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে বিকেলে হবিগঞ্জ ত্যাগ করে মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।