Category: হবিগঞ্জ

  • ধনে পাতা চাষে লাভবান লাখাইর শাহজাহান

    ধনে পাতা চাষে লাভবান লাখাইর শাহজাহান

    লাখাই উপজেলার মৌসুমি সবজি চাষী করাব গ্রামের শাহজাহান মিয়া এবছর তার নিজস্ব ১০ শতাংশ জমিতে আগাম ধনেপাতার চাষ করেন।

    এ তে তার সাকুল্যে খরচ হয়েছে ২৫০০ টাকা। জমিতে ফলনও হয়েছে ভাল। ইতিমধ্যে ধনেপাতা তুলে বাজারজাত করা শুরু করছেন। দামও পাচ্ছেন বেশ।

    তিনি আশাবাদী যে হারে ফলন হয়েছে এবং বাজারে চাহিদা থাকায় অন্তত ২৫০০০ টাকার বিক্রি হবে। ব্যবসার পাশাপাশি সৌখিন এ সবজিচাষী তা ১০ শতাংশ জমিতে এধরনের লাভের সম্ভাবনায় বেশ আনন্দিত।

    শাহজাহান মিয়ার সাথে আলাপকালে জানান আমি সারা বছরই মৌসুমি সবজি চাষ করে থাকি। করল্লা, লাউ, কুমড়া, ঢেঁড়স, ডাটা, মরিচ, লালশাক সহ বিভিন্ন সবজি চাষে আমি বেশ লাভবান।

    এক্ষেত্রে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কর্মকর্তাগন সহযোগিতা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এছাড়া ইন্টারনেট এর মাধ্যমে এ ধরনের চাষে উদ্বুদ্ধ হই।

  • সবুজ পৃথিবীর জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার বাড়াতে হবে – জেলা প্রশাসক

    সবুজ পৃথিবীর জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার বাড়াতে হবে – জেলা প্রশাসক

    “সম্প্রীতির সমৃদ্ধ জাতি গঠন আধুনিক জ্ঞান ও কর্মশক্তিতে বলীয়ান শিক্ষা” এই প্রতিপাদ্য বিষয়ের আলোকে হবিগঞ্জে গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবি’র গৌরবোজ্জ্বল ৫১ তম প্রতিষ্ঠা পালন করা হয়। সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিজ্ঞানে দক্ষতার বিকল্প নাই। রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবং দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার আরো বাড়াতে হবে। সবুজ পৃথিবী এবং পরিবেশের জন্য প্রকৌশলীদের আরো এগিয়ে আসতে হবে।”

    আইডিইবি জেলা সভাপতি প্রকৌশলী প্রদীপ কান্তি রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, আইডিইবি সহ-সভাপতি সুভাষ চক্রবর্তী, জেলা সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মনসুর রশীদ কাজল, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন কর্মক্রতা মোহাম্মদ জাহান, ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ার নুরুল আমীন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত করেন শাহাদাত হোসেন।

    এসময় জানানো হয় যে, সারা দেশে ৯ লক্ষ আইডিইবি সদস্য রয়েছেন, এর মধ্যে ৫ লক্ষ ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ার রয়েছেন, যারা দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনাকালীন সময়ে আইডিইবি সকল প্রকৌশলী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে গেছেন।

  • রেজা কিবরিয়া ও ভিপি নূরের উপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল

    রেজা কিবরিয়া ও ভিপি নূরের উপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল

    দি‌লোয়ার হোসাইনঃ মাওলানা ভাসানীর ৪৫ তম মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্টানে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ড. রেজা কিবরিয়া ও ভিপি নূরের উপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মিছিল সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে।

    হবিগঞ্জ জেলা যুব অধিকার পরিষদের উদ্যোগে এই মিছিল সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে। ১৯ নভেম্বর বিকাল ৪টায় হবিগঞ্জ পৌর ভবনের সামন থেকে শহরের ২ নম্বর পুল পর্যন্ত মিছিল অনুষ্টিত হয়।

    প্রতিবাদ মিছিল শেষে হবিগঞ্জ জেলা যুব অধিকার পরিষদের আহবায়ক তাওহীদ হাসানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আনসার মিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন তাওহীদ হাসান, জহিরুল ইসলাম আব্দাল, শহীদুল ইসলাম, কাওসার আহমেদ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাহিদুর রহমান রাসেল, মাকতুব আহমেদ, জহিরুল আহমেদ, তাজুল ইসলাম, সৌরভ আহমেদ, রাসেল আহমেদ, আব্দুল রাজ্জাক, সায়েদ আহমেদ, মোঃ আব্দুল্লাহ, নফুর মিয়া, আব্দুল বাছিদ, সাইদুর রহমান, আকবর হোসেন, রাজা মিয়া, আলমগীর হোসেন, বিজয় মিয়া, কামরুল হাসান, বদরুল ইসলাম শাহনুর, মাহদী হাসান, শেখ মোঃ ফয়সল রেজা, সবুজ আহমেদ জীবন, এএইচ রাতুল, আসাদুল হাসান রাজীব, আশরাফুল ইসলাম, পাভেল আহমেদ রনি, ওহি আহমেদ, নিজাম চৌধুরী, সাজ্জাদ হোসেন, রাকিব আহমেদ প্রমূখ।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাওলানা ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আমাদের হবিগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান ও গণঅধিকার পরিষদের আহবায়ক ড. রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব ভিপি নূরের উপর হামলা একটি দৃষ্টতা। বিনা উস্কানিতে শান্তিপূর্ণ এ ধরনের অনুষ্টানে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    সেই সাথে দোষীদেরকে অবিলম্বে দ্রুত গ্রেফতার করে সরকারকে আইনের শাষন প্রতিষ্টা করার আহবান জানানো হয়।

  • মাধবপুরে প্রশাসনের উদ্যোগে চলছে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

    মাধবপুরে প্রশাসনের উদ্যোগে চলছে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

    হবিগঞ্জে মাধবপুর পৌর শহরের ভিতর সরকারি পুকুর পাড় দখল করে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।

    শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন ও সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ নেতৃত্বে ‘ভূমি ও ইমারত দখল পুনরুদ্ধার আইনে’ ওই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পুকুর সংস্কার এবং অবৈধ দখল মুক্ত করে এখানে বিনোদনের জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অলরেডি টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে।

    মাধবপুরে প্রশাসনের উদ্যোগে চলছে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

    অভিযানের শুরুতে উপজেলা প্রশাসনের নিযুক্ত শ্রমিকরা হ্যামার ও বুলড্রেজার দিয়ে লাল দাগ চিহ্নিত এলাকা ঠিক রেখে অবৈধ স্থাপনা ভাঙ্গতে শুরু করে। দিনের শেষ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখে।

    উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন হবিগঞ্জ নিউজকে বলেন, “জেলা প্রশাসনের নির্দেশে মাধবপুর বাজারের ভিতরে পুকুর পাড়ে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ স্থাপনাই উচ্ছেদ করা হবে এবং উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

  • ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ পৃথিবী গড়ে তোলা সকলের দায়িত্ব – জেলা প্রশাসক

    ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ পৃথিবী গড়ে তোলা সকলের দায়িত্ব – জেলা প্রশাসক

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান বলেছেন, আমাদের বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জীবন যদি সুস্থ সুন্দর এবং নিরাপদ করে গড়ে তুলতে পারি তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম হবে নিরাপদ। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলা আমাদের সকলের দ্বায়িত্ব।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ এবং তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের কথা লক্ষ্য রেখে সারা দেশে এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছেন। দেশের কৃষক শ্রমিক জেলে শিক্ষক শিক্ষার্থী কেউ বাদ যাবেনা, পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই কোভিড-১৯ টিকা প্রদান করা হবে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শহরের টাউন হলে শিক্ষার্থীদের কোবিড -১৯ টিকা প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধনকালে তিনি একথা বলেন।

    ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ্য পৃথিবী গড়ে তোলা সকলের দ্বায়িত্ব - জেলা প্রশাসক

    এসময় তিনি আরো বলেন, হবিগঞ্জে ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে মাদকের ছোবল বেড়ে গেছে, ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হয়েছে। তাই আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভাল এবং চরিত্রবান বন্ধুকে নির্বাচন করতে হবে।

    জেলা প্রশাসনের উদ্ধোগে আয়োজিত জেলা শিক্ষা অফিসের ব্যবস্থাপনায় উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর সভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ এ কে মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিন্টু চৌধুরী, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল্লাহ, সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ আমিনুর রশিদ সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল, মেডিকেল অফিসার ডাঃ ওমর ফারুক প্রমুখ।

    ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ্য পৃথিবী গড়ে তোলা সকলের দ্বায়িত্ব - জেলা প্রশাসক

    উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে আরো জানানো হয় যে, হবিগঞ্জ জেলায় ১৮হাজার এইচ এস সি পরীক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা প্রদান করা হবে। প্রতিদিন ২হাজার শিক্ষার্থীকে টাউনহলে টিকা প্রদান করা হবে। নিদিষ্ট দিনে মাদ্রাসা ও কলেজ কতৃর্পক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হবে টিকা প্রদানের তারিখ। সকল শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়। পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনা হবে।

    এসময় মেয়র আতাউর রহমান সেলিম বলেন, করোনার টিকা প্রদানের জন্য হল রুমের ভাড়া এবং বিষয়ে যেসকল খরচ হবে তাহা তিনি বহন করবেন।

  • আশরাফ জাহান কমপ্লেক্সে নকল কসমেটিকস বিক্রি অপরাধে জরিমানা

    আশরাফ জাহান কমপ্লেক্সে নকল কসমেটিকস বিক্রি অপরাধে জরিমানা

    হবিগঞ্জ শহরের আশরাফ জাহান কমপ্লেক্স এর বিভিন্ন দোকানে নকল কসমেটিকস বিক্রি করার অপরাধে জরিমানা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর দুপুর ১২ টায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয় কর্তৃক হবিগঞ্জ শহরের আশরাফ জাহান কমপ্লেক্স এ অবস্থিত তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করে।

    ক্যাফে প্রিমিয়াম-কে আমদানিকারকের সীল বিহীন বিপুল পরিমাণ বিদেশী পণ্য বিক্রির অপরাধে জরিমানা করা হয়।

    একই সময়ে মারিয়া কসমেটিকস ও দাস ব্রাদার্সকে নকল কসমেটিকস বিক্রি করার দায়ে জরিমানা করা হয়।

    অভিযান শেষে উক্ত মার্কেটের সকল ব্যবসায়ীদের নকল পন্য বিক্রয় না করার বিষয়ে সচেতন করা হয়।

    অভিযানের সহযোগিতা করেন জেলা বাজার কর্মকর্তা হবিগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ এর একটি টিম।

  • বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য হবিগঞ্জ পৌরসভাকে আদালতের নির্দেশ

    বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য হবিগঞ্জ পৌরসভাকে আদালতের নির্দেশ

    অনতিলম্বে বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে পরিবেশ বান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য হবিগঞ্জ পৌরসভাকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। হবিগঞ্জের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও হবিগঞ্জের জাস্টিস অব দি পিস মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ এ আদেশ প্রদান করেন।

    এছাড়াও অপর এক আদেশে পরিবেশ সংক্রান্ত অপরাধের জন্য গঠন করেন ‘পরিবেশ আদালত।’

    আদালত সূত্র জানায়, হবিগঞ্জ শহরের বাইপাস সড়কে দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা স্তুপ করে রাখায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় পরিবেশ ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন জনসাধারণ।

    বিষয়টি হবিগঞ্জের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ এর নজরে এলে গত ১১ নভেম্বর স্বপ্রণোদিত হয়ে তিনি এ সংক্রান্ত একটি আদেশ দেন।

    আদালতের আদেশ থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ পৌরসভার বাইপাস সড়ক (হবিগঞ্জ-নছরতপুর সড়ক) এর পূর্ব পাশে দীর্ঘদিন ধরে স্তুপ করে রাখা হয়েছে ময়লা-আবর্জনা। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে এবং পরিবেশ দূষণ হচ্ছে।

    পাশাপাশি চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারী, পরিবহন যাত্রী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও আবাসিক এলাকার জনসাধারণ। দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এ এলাকায় স্থাপিত জেলা দায়রা জজ আদালত ও চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকগণ, আইনজীবিগণ এবং বিচারপ্রার্থীরা।

    এছাড়াও জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ঐতিহ্যবাহী বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ও দি রোজেস কালেক্টরেট স্কুলের শিক্ষার্থী এবং হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামের ক্রীড়ামোদী ও খেলোয়াড়েরা প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

    শুধু তাই নয়, মাঝে মাঝে ময়লা-আবর্জনা আগুনের পোড়ানোর কারণে এর ক্ষতিকর প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে। যা পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ধারা ৯ ও ১৫ (১) ধারার টেবিল ১০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    তাই, ১৮৯৮ সালের The Code of Criminal Procedure এর ২৫ ধারায় ‘জাস্টিস অব দি পিস’ (Justice of the Peace) এর ক্ষমতা বলে এবং নাগরিক অধিকার সংরক্ষণের প্রয়োজনে ‘‘অনতিবিলম্বে উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করে বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে পরিবেশ বান্ধব বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপনের জন্য হবিগঞ্জ পৌরসভাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং এর অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

    এদিকে, একই দিনে একই আদালত পৃথক আরেকটি অফিস আদেশে পরিবেশ সংক্রান্ত অপরাধের জন্য ‘পরিবেশ আদালত’ গঠন করেন। ওই আদেশে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্র্রেট পবন চন্দ্র বর্মনকে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট এবং তার দায়িত্বপ্রাপ্ত আদালতকে নিয়মিত ‘স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত’ হিসেবে দায়িত্ব অর্পন করেন। আদেশ অনুযায়ী তিনি পরিবেশ আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবেন।

    প্রসঙ্গত, পরিবেশ আদালত আইন ২০১০ এর ১২ (১১) ধারা মোতাবেক স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেটগণ CrPC, ১৮৯৮ এর আওতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে ক্ষমতাবান।

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা ৩ এর বিগত ১৯/০৩/২০০৮ইং তারিখের ১৮৯-বিচার-৩/২এম-১/২০০৮ নং প্রজ্ঞাপনে পরিবেশ সংক্রান্ত অপরাধের বিষয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য সুপ্রীমকোর্ট সম্মতি জ্ঞাপন করেছে।