Category: হবিগঞ্জ

  • বানিয়াচং ৩নং ইউপি নির্বাচনে আ.লীগের ৬ প্রার্থীর  বিপরীতে ৪ প্রার্থী

    বানিয়াচং ৩নং ইউপি নির্বাচনে আ.লীগের ৬ প্রার্থীর বিপরীতে ৪ প্রার্থী

    বানিয়াচং উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের তফশীল ইতিমধ্যে ঘোষনা হয়েছে। তফশীল অনুযায়ী আগামী ২৩ ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্টিত হবে।

    তফশীল ঘোষনার পরপরই প্রার্থীও তাদের কর্মী সমর্থকদের প্রচারনায় সরগরম হয়ে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। বানিয়াচং উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়ন রয়েছে।

    এরমধ্যে ৩ নম্বর দক্ষিন-পূর্ব ইউনিয়নটি বানিয়াচং উপজেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে চিহ্নিত। স্বাধীনতার পর থেকে ওই ইউনিয়ন পরিষদে এই পর্যন্ত ৭ জন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছেন।

    ওই ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি হওয়ার মর্যাদাপূর্ণ লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন ১০ জন প্রার্থী। ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন আওয়ামীলীগের ৬ জন। তাদের বিপরীতে ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

    প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়:

    মাওলানা হাবিবুর রহমানঃ ইউনিয়নটির বর্তমান চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থীকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মত জয়লাভ করেছিলেন।

    এরপূর্বে তিনি তরুন বয়সে প্রথমবার ইউপি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন। প্রথমবার অংশ গ্রহন করেই জয়লাভ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন।

    তিনি জয়লাভ করেই ইউনিয়নের অনুন্নত এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করে দ্বিতীয়বার জয়ের পথকে সুগম করেছিলেন। এবারও তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

    আরফান উদ্দিনঃ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আরফান উদ্দিন। বিগত ইউপি নির্বাচনে তিনি নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করে বর্তমান চেয়ারম্যানের নিকট পরাজিত হয়েছিলেন। এর পূর্বে আরও একবার তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছিলেন।

    আরফান উদ্দিনের পিতাও এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করার আশায় এবারও দলের নিকট মনোনয়ন চেয়েছেন।

    মামুন আহমেদ চৌধুরীঃ বিএনপি ঘরানার লোক মামুন আহমেদ চৌধুরী একজন প্রতিষ্টিত ব্যাবসায়ী ও সমাজসেবী।

    তিনি ১৯৯৬ সালে বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্মআহবায়ক ছিলেন। ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইংল্যান্ডে ছিলেন।

    তিনি পুরানবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। সাগরদিঘীর চারপাড় কল্যাণ সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মামুন আহমেদ করোনাকালীন সময়ে অনেক অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন।

    তিনি বিএনপি দলীয় প্রার্থী না হলেও বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীর সমর্থন তার প্রতি থাকবে বলে তিনি আশাবাদী।

    হাজী আবু জাফরঃ জাতুকর্ণ পাড়া মহল্লার সর্দার হাজী আবু জাফর। তিনি নিজের প্রার্থীতা ঘোষনা দিয়েছেন
    আকস্মিকভাবে। উনার আরেক ঘনিষ্ট আত্মীয় ওই একই ইউনিয়নে প্রার্থী হয়েছেন।

    শাহজাহান মিয়াঃ উপজেলা যুবলীগের যুগ্মসাধারন সম্পাদক ব্যাবসায়ী শাহজাহান মিয়া নিজেকে যোগ্য প্রার্থী মনে করে ইউনিয়ন নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়েছেন। তিনি দলীয় মনোনয়নের আশায় আওয়ামীলীগের দলীয়
    মনোনয়ন চেয়েছেন।

    মাওলানা আবুল কাশেম আজিজীঃ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা ও তুষার স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পঞ্চায়েত ব্যাক্তিত্ব মাওঃ আবুল কাশেম আজিজী। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

    ফয়সল আহমেদঃ উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও একজন ব্যাবসায়ী ফয়সল আহমেদ। নৌকা মার্কার আশায় দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন দলের নিকট।

    ইমদাদুল হাসান শাহীনঃ বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ইমদাদুল হাসান শাহীন। বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান শাহীনের পরিবার অত্র ইউনিয়নে একটি আলোকিত পরিবার।

    তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতি শেষে বর্তমানে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়নের আশায় রয়েছেন।

    মহিত মিয়াঃ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাওয়ার জন্য মহিত মিয়া ও আশাবাদী। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের একজন কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ দলের সঙ্গে কাজ করছেন । তিনি আশাবাদী যে দল তাকে মূল্যায়ন করবে।

    এ জেড এম উজ্জ্বলঃ বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এ জেড এম উজ্জ্বল। তার বাবা মোহাম্মদ আলী ওই ইউনিয়নের সাবেক একজন চেয়ারম্যান ছিলেন।

  • হবিগঞ্জে উদ্বোধন হল গ্রীন লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

    হবিগঞ্জে উদ্বোধন হল গ্রীন লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

    হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশন, পুলিশ ফাঁড়ির সামনে শুভ উদ্বোধন হল গ্রীন লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

    আজ ২৩ই নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা ০৪ ঘটিকায় গ্রীন লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার উদ্বোধন করেন হবিগঞ্জের ৩ আসনের সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট আবু জাহির এমপি।

    উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামিম, হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জনাব সফিউল আলম চৌধুরী, জামেয়া গাউছিয়া সুন্নিয়া একাডেমির অধ্যক্ষ গোলাম সরওয়ার আলম সহ প্রমুখ।

    গ্রীন লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সকাল ৯ ঘটিকা থেকে রাত ৯ ঘটিকায় নিয়মিত রোগী দেখছেন ডাঃ এ.বি.এম.মাহবুবুর রহমান। এছাড়াও ডাঃ নূসরাত নওরিন অন্নি নিয়মিত রোগী দেখছেন।

  • লাখাইয়ে গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল বিতরন

    লাখাইয়ে গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল বিতরন

    লাখাইয়ে সকল গ্রাম পুলিশের (দফাদার, মহল্লদার) মাঝে বাইসাইকেল বিতরন করা হয়েছে।

    সোমবার (২২ নভেম্বর) দুপুর ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাইসাইকেল বিতরন অনুষ্ঠান উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুসিকান্ত হাজং এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়।

    মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জীবন কুমার দে এর সঞ্চালনায় অনুষ্টিত বিতরণী সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম আলম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া বেগম।

    লাখাইয়ে-গ্রাম-পুলিশের-মাঝে-বাইসাইকেল-বিতরন

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আনসার ভিডিপি অফিসার আব্দুল মোত্তালেব, সমবায় অফিসার ইসমাইল তালুকদার রাহী প্রমুখ।

    সভায় উপজেলা ৬ টি ইউনিয়নের ৫৯ জন দফাদার ও মহল্লদার এর মাঝে বাইসাইকেল বিতরন করা হয়।

  • স্পেশাল পিপি মাসুম মোল্লার বিরুদ্ধে তিনগুণ সরকারি ভাতা নেয়ার অভিযোগ

    স্পেশাল পিপি মাসুম মোল্লার বিরুদ্ধে তিনগুণ সরকারি ভাতা নেয়ার অভিযোগ

    হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আবুল হাশেম মোল্লা মাসুম দুর্নীতি ও জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি কোষাগার থেকে প্রাপ্য ভাতার তিনগুণ টাকা উত্তোলন করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সম্প্রতি জজকোর্টের আইনজিবী এপিপি সৈয়দ আফজাল আলী হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও দুর্নীতি দমক কমিশনের দপ্তরে এ অভিযোগটি দায়ের করেছেন৷ প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, আইন সচিব ও দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগের অনুলিপিও পাঠানো হয়েছে।

    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১লা মে হবিগঞ্জ জেলায় দু’টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয় এবং দুইজন বিজ্ঞ বিচারক নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ফলে হবিগঞ্জ জেলায় তিনটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল পরিচালিত হচ্ছে। উক্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রইব্যূনালগুলোতে এডভোকেট আবুল হাসেম মোল্লা মাসুম স্পেশাল পিপি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

    তিনগুণ সরকারি ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ পিপি মাসুম মোল্লার বিরুদ্ধে
    অভিযোগের কপি।

    তিনি একজন পিপি, তার কর্মদিবসও একটি। সরকারের আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তিনি এক কর্মদিবসে একটি মামলার সম্মানী ভাতার বিল দাখিল করে একদিনের সম্মানী ভাতা উত্তোলন করতে পারেন। কিন্তু তিনি তা না করে একই কর্মদিবসে তিনটি আদালতে তিনটি মামলার নম্বর দেখিয়ে তিনগুণ সম্মানী ভাতার বিল দাখিল করে প্রাপ্য সম্মানী ভাতার বিলের বিপরীতে তিনগুণ টাকা সরকারি কোষাগার থেকে উত্তোলন করে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়৷

    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের জুন মাসে অন্যায় অবৈধভাবে পুনরায় তাহার প্রাপ্য সম্মানী বিলের টাকার তিনগুণ বিল দাখিল করিলে তৎক্ষনাৎ জেএম শাখা, হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নজরে আসলে তার তিনগুণ দাখিলকৃত বিলের টাকা প্রদান না করে আটক করা হয়। তখন তিনি জেএম শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করে হুমকি দেন যে কি করে তার বিল আটকে দেয়া হল তা তিনি দেখে নিবেন।

    তিনগুণ সরকারি ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ পিপি মাসুম মোল্লার বিরুদ্ধে
    অভিযোগের কপি।

    অভিযোগকারী আইনজীবী সৈয়দ আফজাল আলী বলেন তিনি নিজেও একজন এপিপি। তিনিসহ অন্যান্য এপিপিগণ প্রতিদিন একাধিক আদালতে একাধিক মামলা পরিচালনা করলেও আইন অনুযায়ী এক কর্মদিবসে এক আদালতে এক মামলার নম্বর দেখিয়ে সম্মানী ভাতা উত্তোলন করেন। কিন্তু স্পেশাল পিপি মাসুম মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির মাধ্যমে তিনগুণ ভাতা নিচ্ছেন। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

    এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন হবিগঞ্জের উপ পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, দুদক কার্যালয়ে সম্প্রতি দায়ের হওয়া অভিযোগটি এখনও তাঁর হাতে পৌঁছেনি। আগামী সভায় এ অভিযোগটি তাঁর হাতে আসবে এবং তদন্তপূর্বক এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

    এদিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি এডভোকেট আবুল হাশেম মোল্লা মাসুমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগটি মিথ্যা। আমি একটি আদালতের ভাতা উত্তোলন করি।

  • নতুন ব্রীজ ও দুর্গাপুর বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান

    নতুন ব্রীজ ও দুর্গাপুর বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান

    আজ (২২ নভম্বের) সোমবার দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার নতুন ব্রীজ ও দুর্গাপুর বাজার এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয় কর্তৃক বাজার অভিযান পরিচালিত হয়।

    এ সময় বিভিন্ন অপরাধে ০২ টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৯,০০০/- (উনচল্লিশ হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়।

    অধিদপ্তরের হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহার নেতৃত্বে অভিযানে নতুন ব্রীজ এলাকার বকুলফুল ফুড এন্ড সুইট কে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে রান্না করা, অনেকদিনের পুরোনো তৈল ব্যবহার, অনুমোদনবিহীন রং ব্যবহার, মুল্য তালিকা না থাকা সহ বিভিন্ন অপরাধে ২৫,০০০/- (পচিশ হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়।

    অপরদিকে দুর্গাপুর বাজারের বিসমিল্লাহ সুইট এন্ড বেকারীকে নোংরা পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত, অনুমোদনবিহীন রং ব্যবহার, পন্যের গায়ে মেয়াদ ও মুল্য না থাকার কারনে ১৪,০০০/- (চৌদ্দ হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে সহায়তা করেন র‌্যাব-৯ এর শায়েস্তাগঞ্জ শাখা।

    অধিদপ্তরের হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা বলেন, জনর্স্বাথে এ অভিযান চলমান থাকবে।

  • বানিয়াচং উত্তর-পশ্চিম ইউপি নির্বাচনে ৫ প্রার্থী

    বানিয়াচং উত্তর-পশ্চিম ইউপি নির্বাচনে ৫ প্রার্থী

    দি‌লোয়ার হোসাইন: বানিয়াচং উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের তফশীল ইতিমধ্যে ঘোষনা হয়েছে। তফশীল অনুযায়ী আগামী ২৩ ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। তফশীল ঘোষনার পরপরই প্রার্থীও তাদের কর্মী সমর্থকদের প্রচারনায় সরগরম হয়ে উঠেছে ইউপি নির্বাচনের মাঠ।

    বানিয়াচং উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়ন রয়েছে। এরমধ্যে ২ নম্বর উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন। ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি হওয়ার মর্যাদাপূর্ণ লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন ৫ জন প্রার্থী।

    ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন আওয়ামীলীগের ৪ জন। অপর ১ জন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান।

    ওয়ারিশ উদ্দিন খানঃ ইউনিয়নটির বর্তমান চেয়ারম্যান ওয়ারিশ উদ্দিন খান। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির দলীয় মনোনয়নে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে দ্বিতীয়বার জয়লাভ করেছিলেন। এর পূর্বে তিনি আরও একবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    বিগত নির্বাচনে তার জন্য নির্বাচনী মাঠে কাজ করেছিলেন বিএনপি‘র একজন কেন্দ্রীয় নেতা ও তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান।

    এই বৎসর বিএনপি দলীয়ভাবে নির্বাচন না করায় ওয়ারিশ উদ্দিন খানকে নির্বাচনী মাঠে একাই লড়াই করতে হবে। তবুও তিনি নির্বাচন করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

    হায়দারুজ্জামান খান ধন মিয়াঃ ছয় ছয়-বারের সাবেক চেয়ারম্যান। বীরমুক্তিযোদ্ধা ও সামাজিক পঞ্চায়েত ব্যাক্তিত্ব হায়দারুজ্জামান খান ধনমিয়া।

    একটা সময় মনে হয়েছিলো উনাকে নির্বাচনের মাঠে পরাজিত করার মত কোন প্রার্থী ওই ইউনিয়নে নেই। কিন্তু বয়সে অনেক তরুন ও অপরিচিত বানিয়াচং উপজেলা বিএনপি‘র তখনকার সাধারন সম্পাদক ওয়ারিশ উদ্দিন খান উনাকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    বিগত নির্বাচনেও উনার চেয়ে বয়সে তরুন ওই প্রার্থী তাকে পরাজিত করে বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    হায়দারুজ্জামান খান ধনমিয়া বিগত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছিলেন। এবারও তিনি নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করার আশায় দলের মনোনয়ন চেয়েছেন।

    পারভেজ আলম খানঃ হবিগঞ্জ জেলা তাতীলীগের সহসভাপতি বানিয়াচং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পারভেজ আলম খান। স্থানীয় তোপখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি।

    তার পিতা সৈদরটুলা সান্দের সাবেক সর্দার প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা সালেহ উদ্দিন বুলবুল। ওই ইউনিয়নের সকল প্রার্থীর মধ্যে পারভেজ আলম খান শিক্ষাগত যোগ্যতায় সকলের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি পদার্থ বিজ্ঞানে স্নানককোত্তর পাশ একজন প্রার্থী।

    তিনি আওয়ামীলীগের মনোনয়নে নির্বাচনের আশায় দলের নিকট মনোনয়ন চেয়েছেন।

    আব্দুল হালিম সোহেলঃ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তরুন নেতা আব্দুল হালিম সোহেল। সহজ-সরল ও ক্লিন ইমেজেরে অধিকারী এই সাবেক ছাত্রনেতা নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করার আশায় আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন।

    মুত্তাকীম বিশ্বাস: ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মুত্তাকীম বিশ্বাস। তিনি পূর্বে বিভিন্ন দল করলেও বর্তমানে আওয়ামীলীগের নেতা।

    তিনি ইতিপূর্বে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করে হেরেছিলেন। তিনি সাবেক একজন মেম্বার। তিনিও আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে দলের নিকট মনোনয়ন চেয়েছেন।

  • নবীগঞ্জে আচরণ বিধি লংঘনের অপরাধে ইউপি চেয়ারম্যানকে জরিমানা

    নবীগঞ্জে আচরণ বিধি লংঘনের অপরাধে ইউপি চেয়ারম্যানকে জরিমানা

    নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী বজলুর রহমানকে আগামী ২৮ নভেম্বর নবীগঞ্জ উপজেলায় অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার ১১ও ১৩ নং বিধি লংঘন করে (২১ নভেম্বর) মিছিল-শোডাউন করার দায়ে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    রবিবার(২১ নভেম্বর) বিকেলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনের নিমিত্ত নিয়োগকৃত ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার দাশ।

    মোবাইল কোর্টের সত্যতা নিশ্চিত করে নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনের নিমিত্ত নিয়োগকৃত ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার দাশ বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকল পদের প্রার্থীদের নির্বাচন আচরণ বিধিমালা যথাযথ পালন করতে হবে । তা না হলে নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ভঙ্গে আরও কঠোর হবে উপজেলা প্রশাসন । প্রার্থী যত প্রভাবশালীই হোক কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না ।