Category: হবিগঞ্জ

  • নবীগঞ্জ সরকারী ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান

    নবীগঞ্জ সরকারী ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান

    নবীগঞ্জ সরকারী ডিগ্রি কলেজের এইচ এসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে৷

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শহনওয়াজ মিলাদ গাজী।

    কলেজের সভাপতি নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ সফর আলী, নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ।

  • হবিগঞ্জে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন  অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল৷ উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিন্টু চৌধুরী৷

    সভায় উপস্থিত ছিলেন নূরুল ইসলাম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, বিজেন ব্যানার্জী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), হবিগঞ্জ, পুলিশ সুপার, সহকারী পরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, জেলা পর্যায়ের সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    সেমিনারে পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভোক্তার অধিকার সমন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভোক্তা হয়রানির শিকার হলে অভিযোগ দায়েরের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

  • নবীগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে জামানত বাজেয়াপ্ত ১৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীর

    নবীগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে জামানত বাজেয়াপ্ত ১৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীর

    তৃতীয় ধাপে নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন রবিবার (২৮ নভেম্বর) শান্তিপুর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে ১৩টি ইউনিয়নে ৪টিতে আওয়ামীলীগ, ৪টি বিদ্রোহী, ৩টি বিএনপি ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে।

    ৭টি ইউনিয়নে নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। এরমধ্যে জামানত হারিয়েছেন নৌকার একাধিক প্রার্থী। নিয়মানুযায়ী বিজয়ী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগের কম ভোট কোন প্রার্থী পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

    উপজেলার ১নং বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নে পর্যাপ্ত পরিমানে ভোট পাওয়ায় কেউ জামানত হারাননি। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৩ হাজার ৩৩৪টি। ৯ হাজার ৪৩১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বাতিল হয়েছে ১৮০টি ভোট।

    ২নং বড় ভাকৈর (পুর্ব) ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে দিদার আহমদ ৪১০ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এই ইউপিতে ৩৬০১ ভোট পেয়ে নৌকার প্রার্থী মোঃ আক্তার মিয়া বিজয়ী হয়েছেন। মোট ভোট ১৩ হাজার ৯৪৬টি। এরমধ্যে ১০ হাজার ৫৫৫ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ১৩৮টি।

    ৩নং ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নে কোন প্রার্থী জামানত হারাননি।ওই ইউনিয়নে বিজয়ী বিদ্রোহী প্রার্থী মোঃ নোমান হোসেন ঘোড়া প্রতীক পেয়েছেন ৬৭৭০ ভোট। এখানে মোট ভোটার ১৯ হাজার ৯২৩টি। ১৪ হাজার ১১৮ জন ভোটার তাদের ভোটারধিকার প্রয়োগ করেন। বাতিল হয়েছে ২৯৩টি ভোট।

    ৪নং দীঘলবাক ইউনিয়নে ৩২৫ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন লাঙ্গলের প্রার্থী মোঃ আঃ হান্নান চৌধুরী (চান মিয়া), স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা প্রতীক মোঃ এলাওর মিয়া ৫২০টি ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এই ইউনিয়নে বিএনপি নেতা মোঃ ছালিক মিয়া আনারস প্রতীক নিয়ে ৩৯৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এখানে মোট ভোটার ১৯ হাজার ৯১৬টি। ১৪ হাজার ১৯১ জন তাদের ভোটাধিকার প্রদান করেন। এরমধ্যে বাতিল হয়েছে ৩১৮ ভোট।

    ৫নং আউশকান্দি ইউনিয়নে জামানত হারাননি। এই ইউনিয়নে ৬৭২৫ ভোট পেয়ে নৌকার প্রার্থী দিলাওর হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। মোট ১৯ হাজার ৪১০ জন ভোটারের মধ্যে ১৩ হাজার ৭৯৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ২৪৪টি।

    ৬নং কুর্শি ইউনিয়নে ১৯ হাজার ২৬৮ জন ভোটারের মাঝে ১৩ হাজার ৮৫০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এরমধ্যে বাতিল হয়েছে ৩১৯ ভোট। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তালিব (মটর সাইকেল) ৩২১ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা শামছুল হুদা চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে ৬২১ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ আব্দুল গফুর ১১০ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এই ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদ আনারস প্রতীক নিয়ে ৫০৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

    ৭নং করগাও ইউনিয়নে ১০২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন লাঙ্গলের প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মোঃ ইসহাক মিয়া মটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ১২৮ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। ওই ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক (বহিস্কৃত) নির্মলেন্দু দাশ রানা ৭৭২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়ে চমক দেখিয়েছেন। এখানে মোট ভোটার ২২ হাজার ৪১৫ । এর মধ্যে ১৫ হাজার ৭০৩ জন ভোটার তাদের ভোট প্রদান করেন। বাতিল হয়েছে ২৬৯ ভোট।

    ৮নং নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নে জামানত হারিয়েছেন লাঙ্গলের প্রার্থী মুফতি মিয়া। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৮৮। স্বতন্ত্র প্রার্থী খাজাঁ শফী ওসমানী খাকী চৌধুরী ৭০ ভোট, আতাউর রহমান চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে ৯৩ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতীক নিয়ে হাফেজ কাজী রোহামা উর রশীদ চৌধুরী ২৫৯ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এই ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রথম বারের মতো বিজয়ী হয়ে চমক দেখিয়েছেন যুবলীগ নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব। তার প্রাপ্ত ভোট ৪৪৩৪। উক্ত ইউনিয়নে মোট ১৫ হাজার ১৭৯ জন ভোটারের মধ্যে ১১ হাজার ১৯১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

    ৯নং বাউসা ইউনিয়নে কেউ জামানত হারাননি। এই ইউপিতে মোট ভোটার ২০ হাজার ৭৯৮। তারমধ্যে ১৫ হাজার ২২৭ জন তাদের ভোট দেন। বাতিল হয়েছে ২২৩ ভোট। এখানে ৬২০৪ ভোট পেয়ে বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান শিশু নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এর আগে ওই ইউনিয়নের মেম্বার এবং পরে প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন।

    ১০নং দেবপাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ কুহিনুর মিয়া আনারস প্রতীকে ৩৮৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ ফখরুল ইসলাম মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ৬০৪ ভোট পেয়ে জামানত হারান। এখানে মোট ভোট ১৯ হাজার ৯৪৬। তার মধ্যে ১৩ হাজার ৭৫২ জন তাদের ভোট প্রদান করেন। বাতিল হয়েছে ২৭৮ ভোট।

    ১১ নং গজনাইপুর ইউনিয়নে ১৯ হাজার ৭৫৬ জন ভোটারের মধ্যে ১৩ হাজার ৯১৪ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এখানে বাতিল হয়েছে ১৯২ ভোট। জামানত হারিয়েছেন বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল খায়ের কায়েদ ঘোড়া প্রতীক নিয়ে। তার প্রাপ্ত ভোট ৪৫৩। ৬৮৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী ইমদাদুর রহমান মুকুল।

    ১২ নং কালিয়ার ভাঙ্গা ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৫ হাজার ৩১০ জন। ১১ হাজার ৫৭৬ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বাতিল হয়েছে ২০৫ ভোট। উক্ত ইউপিতে জামানত হারিয়েছেন লাঙ্গলের প্রার্থী মোঃ হাফিজুর রহমান চৌধুরী। তার প্রাপ্ত ভোট ১৩৬ ভোট। এই ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান এমদাদুল হক চৌধুরী আনারস প্রতীক নিয়ে ৩৬১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

    ১৩ নং পানিউন্দা ইউনিয়নে কেউ জামানত হারাননি। এখানে ১৮ হাজার ২১ জন ভোটারের মধ্যে ১২ হাজার ৮৮৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বাতিল হয়েছে ২৩৯টি ভোট। এখানে ৭৩৫৮ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে ৬ষ্ট বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে চমক দেখিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ইজাজুর রহমান।

  • হবিগঞ্জে ২১ ইউনিয়নে বিজয়ী আওয়ামী লীগ ৮, স্বতন্ত্র ১৩

    হবিগঞ্জে ২১ ইউনিয়নে বিজয়ী আওয়ামী লীগ ৮, স্বতন্ত্র ১৩

    উৎসবমুখর পরিবেশে ৩য় ধাপে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা ইউপি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে চারটিতে নৌকা ও ৪টিতে স্বতন্ত্র-বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

    তারা হলেন, সদর উপজেলার ১নং লোকড়া ইউনিয়নে মোটর সাইকেল প্রতীকে কাওসার আহমেদ শামীম, ২নং রিচি ইউনিয়নে নৌকা আব্দুর রহিম, ৩নং তেঘরিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে আব্দুল মোতালিব, ৪নং পইল ইউনিয়নে ঘোড়া প্রতীকে সৈয়দ মঈনুল হাসান আরিফ, ৫নং গোপায়া ইউনিয়নে ঘোড়া প্রতীকে আব্দুল মন্নান, ৬নং রাজিউড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে বদরুল আলম দুলাল, ৯নং নিজামপুর ইউনিয়নে আনারস প্রতীকে তাজ উদ্দিন আহমেদ তাজ ও ১০নং লস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মাহবুবুর রহমান হিরু জয়ী হয়েছেন।

    সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরামহীনভাবে মোট ৮০টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

    তবে কোনো বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও সন্ধ্যার দিকে ৫নং গোপায়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বহুলা সরকারি মডেল স্কুলে একদল দুর্বৃত্ত ব্যালট ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে।

    এ সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বাঁধা দিলে তাদের সাথে ধাওয়া হয়। পরে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ সময় ওই কেন্দ্রে ভোট গননা স্থগিত করা হয়।

    পরে রাত ১০টার দিকে নির্বাচন কমিশনার সাদেকুল ইসলাম ওই কেন্দ্রের ভোট ঘোষণা করেন এবং আব্দুল মন্নানকে জয়ী ঘোষণা করেন।

    নবীগঞ্জঃ উৎসবমুখর পরিবেশে ৩য় ধাপের ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাত্র ৪টি ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন।

    বাকি ৯টি ইউনিয়নে বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন।

    উপজেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রের শেষ রিপোর্ট পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে এগিয়ে আছেন চেয়ারম্যান পদে ১নং বড় ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী রঙ্গলাল দাশ (ঘোড়া), ২নং বড় ভাকৈর পশ্চিম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আক্তার হোসেন ছুবা (নৌকা), ৩নং ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী নোমান হোসেন (ঘোড়া), ৪ দীঘল বাক ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ছালিক মিয়া (আনারস), ৫নং আউশকান্দি ইউনিয়নে দিলওয়ার হোসেন (নৌকা), ৬নং কুর্শি ইউনিয়নে সৈয়দ খালেদুর রহমান (আনারস), ৭নং করগাঁও ইউনিয়নে নির্মললেন্দু দাস রানা (ঘোড়া), ৮নং নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নে হাবিবুর রহমান (নৌকা), ৯নং বাউসা ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিকুর রহমান শিশু (আনারস), ১০ নং দেবপাড়া ইউনিয়নে সুমন, ১১নং গজনাইপুর ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বিদ্রোহী প্রার্থী ইমদাদুর রহমান মুকুল (আনারস), ১২নং কালিয়ার ভাঙ্গা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইমদাদুল হক চৌধুরী (আনারস), ১৩নং পানিউমদা ইউনিয়নে ইজাজুর রহমান (নৌকা)।

  • নবীগঞ্জে ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি

    নবীগঞ্জে ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি

    শাহরিয়ার আহমেদ শাওনঃ নবীগঞ্জে ৩য় ধাপের ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার ব্যপক ভাবে ভুরাডুবি হয়েছে।

    আজ (রবিবার) নবীগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন গুলোতে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহন সমাপ্ত হয়েছে।

    এতে ১৩ টি ইউনিয়নে মধ্যে আওয়ামী লীগের ৪ জন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ৪ জন, বিএনপি (স্বতন্ত্র) ৩ জন, স্বতন্ত্র ২ চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়।

    নবীগঞ্জে ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি

    উপজেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রের শেষ রিপোর্ট পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন চেয়ারম্যান পদে ১নং বড় ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী রঙ্গলাল দাশ (ঘোড়া), ২নং বড় ভাকৈর পশ্চিম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আক্তার হোসেন ছুবা (নৌকা), ৩নং ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী নোমান হোসেন (ঘোড়া), ৪ দীঘল বাক ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ছালিক মিয়া (আনারস), ৫নং আউশকান্দি ইউনিয়নে দিলওয়ার হোসেন (নৌকা), ৬নং কুর্শি ইউনিয়নে সৈয়দ খালেদুর রহমান (আনারস), ৭নং করগাঁও ইউনিয়নে নির্মলেন্দু দাস রানা (ঘোড়া), ৮নং নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নে হাবিবুর রহমান (নৌকা), ৯নং বাউসা ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিকুর রহমান শিশু (আনারস), ১০ নং দেবপাড়া ইউনিয়নে সুমন, ১১নং গজনাইপুর ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বিদ্রোহী প্রার্থী ইমদাদুর রহমান মুকুল (আনারস), ১২নং কালিয়ার ভাঙ্গা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইমদাদুল হক চৌধুরী (আনারস), ১৩নং পানিউমদা ইউনিয়নে ইজাজুর রহমান (নৌকা)।

  • পুকড়া ইউনিয়নকে খোলা ল্যাট্রিন মুক্ত ঘোষনা

    পুকড়া ইউনিয়নকে খোলা ল্যাট্রিন মুক্ত ঘোষনা

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ৯ নম্বর পুকড়া ইউনিয়ন কে খোলা ল্যাট্রিন মুক্ত ঘোষনা করা হয়েছে।

    আসুয়া-২ প্রকল্পের মাধ্যমে ইউনিসেফের অর্থায়নে প্র্যাকট্রিকেল এ্যাকশনের সহযোগীতায় ভার্ক কর্র্তৃক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

    অত্র প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলার হাওর অধ্যূষিত ৫টি ইউনিয়নে খোলা ল্যাট্রিন মুক্ত করার জন্য কার্যক্রম চলমান আছে।

    ২৮ নভেম্বর রবিবার সকাল ১১টায় ৯ নম্বর পুকড়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এক আনুষ্টানিক ঘোষনার মাধ্যমে ইউনিয়নটিকে খোলা ল্যাট্রিন মুক্ত ঘোষনা করা হয়েছে।

    ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী আলী আজগর, ভার্ক প্রকল্প সমন্বয়কারী রবি উল্লাহ রবি, প্র্যাকট্রিকেল এ্যাকশন প্রতিনিধি সোহেল আহমদ, ভার্ক এরিয়া কো-অর্ডিনেটর সোহেল আহমদ প্রমূখ।

    প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও সফল করতে ইউনিয়নটিকে ৪৭টি কমিউনিটিতে বিভক্ত করা হয়।

    প্রকল্প চলাকালীন সময়ে ১৪টি গভীর নলকূপ স্থাপন, ১হাজার ২শত সাবান বিতরন, হ্যান্ড-স্যানিটাইজেশন ও হাত ধোয়া প্রযুক্তি সরবারহ করা হয়।

    অনুষ্টান শেষে কমিউনিটির উপকারভোগীদের মাঝে সনদ বিতরন করা হয়।

  • বানিয়াচংয়ে কৃষি প্রনোদনার বীজ ও সার বিতরন

    বানিয়াচংয়ে কৃষি প্রনোদনার বীজ ও সার বিতরন

    বানিয়াচংয়ে কৃষি প্রনোদনার আওতায় কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের মাধ্যমে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরন করা হয়েছে।

    ২৮ নভেম্বর রবিবার দুপুর ১টায় উপজেলা কৃষি অফিস মিলনায়তনে সার ও বীজ বিতরন করা হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ‘র সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এনামূল হকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বীজ ও সার বিতরন করেন বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মিনারুল ইসলাম,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাফর ইকবাল,কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলাম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বানিয়াচং প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া। সাংবাদিক আশিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, সাজ্জাদুর শাহ সুমন প্রমূখ।

    কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার ৪হাজার ৫শত কৃষককে কৃষি প্রনোদণার আওতায় ৫ কেজি করে বোরো ধানের বীজ ও ইউরিয়া ও এমপিও সার জনপ্রতি ২০ কেজি করে প্রদান করা হয়।

    ইতিপূর্বে আরও ৬ হাজার জন কৃষককে ২ কেজি করে বোরো ধানের বীজ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে।

    অনুষ্টানে প্রধান অতিথি সহ বক্তারা বলেন বর্তমান সরকার কৃষকের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন।

    কৃষককে কৃষি প্রনোদনা, ভর্তুকি মূল্যে সার ও কৃষি যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে কৃষি ও কৃষককে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি কৃষি অর্থনীীতকে চাঙ্গা করছেন। এতে করে এদেশের কৃষককূল শক্ত বিত্তির উপর দাড়িয়ে দেশ গড়ার জন্য ভূমিকা রাখতে পারবেন।

    এ সময় বক্তারা বানিয়াচংয়ের কৃষকদের সহযোগিতা পেতে যারা সাহায্য করছেন তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া কামনা করেন।