Category: হবিগঞ্জ

  • শিবপাশায় বালু উত্তোলনের দায়ে এক ব্যাক্তিকে ১ মাসের  কারাদণ্ড

    শিবপাশায় বালু উত্তোলনের দায়ে এক ব্যাক্তিকে ১ মাসের কারাদণ্ড

    আজমিরীগঞ্জের শিবপাশায় অবৈধ এক্সেলেবেটরের মাধ্যমে মাটি উত্তোলনের দায়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায়
    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা সুলতানা সুমির নেতৃত্বে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অবৈধভাবে যান্ত্রিক উপায়ে ভূগর্ভস্থ মাটি উত্তোলনের কাজে লিপ্ত থাকায় মোঃ শাওন মিয়া (২০) সাং ময়মনসিংহ সদর, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুসারে ১ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

    জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহা সুলতানা সুমী৷

  • টানা ২দিনের বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে জনজীবন

    টানা ২দিনের বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে জনজীবন

    টানা ২দিন ধরে হবিগঞ্জ জুড়ে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি সাথে ঘন কুয়াশা শীত নামছে। এতে ভোগান্তির শিকার হন কর্মস্থলে ছুটে চলা লোকজন। পথে পথে নাকাল হচ্ছে মানুষ।

    ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে সোমবার ও মঙ্গলবার হবিগঞ্জ, নবীগঞ্জ, মাধবপুর, চুনারুঘাট, বানিয়াচংসহ আশপাশ এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।

    এদিকে, সকাল থেকে শুরু হওয়া গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির ফলে ভোগান্তিতে পড়েন নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। বিশেষ করে অফিসগামী, ব্যবসায়ী ও খেটে খাওয়া লোকজন পড়েন বেকায়দায়।

    বিকেল পর্যন্ত খুব একটা কর্মচাঞ্চল্য চোখে পড়েনি বাজারগুলোতে। জরুরী কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হননি অনেকে।

    সড়কে যানবাহন কম থাকায় গন্তব্যে যাওয়ার অপেক্ষায় অনেককে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতেও দেখা যায়।

    এছাড়া, গতকাল দিনে ও রাতে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ না থাকায় বিপুল সংখ্যক লোক দুর্ভোগ পোহান।

    সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার নানা স্থানে ভাঙাচোরা রাস্তায় সৃষ্ট বড় বড় গর্তে পানি জমায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে যানবাহন। কিছু কিছু স্থানে মোটর সাইকেল, রিকশা ও সিএনজি অটোরিক্সার এক্সিডেন্টের কথা জানিয়েছেন আশপাশের লোকজন।

    তাছাড়া মেরামতের জন্য খোঁড়াখুঁড়িসহ অন্যান্য সেবা সংস্থার কাজ চলমান থাকায় বিভিন্ন রাস্তায় কাদার সৃষ্টি হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার কাছাকাছি এলাকায় থাকা ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ উত্তর ও উত্তর-পূর্বদিকে এগিয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে প্রথমে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়।

    পরে তা নিম্নচাপে পরিণত হয়ে রোববার সন্ধ্যায় উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তার কাছাকাছি এলাকায় ছিল। এর প্রভাবে হবিগঞ্জসহ সারাদেশে বৃষ্টি হয়। হবিগঞ্জের গড় তাপমাত্রা ছিলো ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • নবীগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

    নবীগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

    নবীগঞ্জ থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় সাজাপ্রাপ্ত ৪ পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।

    গ্রেপ্তারকৃতদের মঙ্গলবার সকালে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে বাঘাউড়া গ্রামের মোঃ আব্দুল কাদিরের পুত্র আলী জাহান (৪০), আব্দুর নাছির মিয়ার পুত্র ইব্রহিম মিয়া (৩৮), মৃত সফাত উল্লাহর পুত্র আমিনুল ইসলাম (৫০) ও আফতাব উল্লাহর পুত্র ইনছব উল্লাহ (৩৮)।

    পুলিশ জানায়, নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নের বাঘাউড়া গ্রামের উল্লেখিত গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা জিআর-২০৫/০৯ নং মামলার বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক ছিল।

    গোপনসেূত্রে খবর পেয়ে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদের নির্দশনায় ওসি তদন্ত আমিনুল ইসলাম, ওসি অপারেশন আব্দুর কাইয়ুমসহ এসআই সমিরণ চন্দ্র দাশ, অমিতাভ তালুকদার, আবু সাঈদসহ একদল পুলিশ অপারেশন চালিয়ে উল্লেখিত আসামীদের তাদের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন।

    এর মধ্যে আমিনুল ইসলামের ৭ বছর ও আলী জাহান, ইনছব উল্লাহ ও ইব্রাহিম মিয়ার প্রত্যেকে ১ বছর করে সাজাপ্রাপ্ত আসামী। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ।

  • বানিয়াচংয়ে প্রবাসীদের উদ্যোগে ৪৫ জন প্রতিবন্ধী পেল হুইল চেয়ার

    বানিয়াচংয়ে প্রবাসীদের উদ্যোগে ৪৫ জন প্রতিবন্ধী পেল হুইল চেয়ার

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ৪৫ জন দুঃস্থ প্রতিবন্ধী পেলেন হুইল চেয়ার।

    ৭ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় স্থানীয় দত্তপাড়া গ্রামে বিশ্বপ্রবাসী বানিয়াচং কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে হুইল চেয়ার বিতরন করা হয়েছে।

    সংগঠনটির সহ-সভাপতি ইংল্যান্ড প্রবাসী সখিনা খাতুনের সভাপতিত্বে কুয়েত প্রবাসী এনাম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ বশির উদ্দিন, সাবেক জেলা জজ ব্যারিষ্টার এনামূল হোসেন খান, এডঃ মুর্শেদুজ্জামান লুকু, বানিয়াচং প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া, জার্মান প্রবাসী সালমা রাজা, মোছাদ্দেক হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা শাহেদ আলী, সর্দার নূরুল আমীন প্রমূখ।

    বানিয়াচং উপজেলার প্রবাসী যারা সারা বিশ্বের নানান প্রান্তে কর্মসূত্রে ও জীবীকার প্রয়োজনে অবস্থান করছেন তারা সকলে মিলে বানিয়াচংয়ের কল্যাণে নীরবে নিভৃতে নানান সামাজিক কর্মকান্ড করে যাচ্ছেন।

    বিশ্বপ্রবাসী বানিয়াচং কল্যাণ পরিষদ নামে একটি সংগঠন করে তারা সংগঠিত হয়ে বানিয়াচং উপজেলার বিভিন্ন মানুষের পাশে বিভিন্ন সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

    কোভিড মহামারীতে বানিয়াচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিভিন্ন মেডিসিন সরঞ্জাম ও সাধারন মানুষকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা করা হয়েছে সংগঠনের পক্ষ থেকে।

    যাদেরকে হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়েছে তাদের কারো এক পা নেই কারো কারো দু‘পা নেই।

    কারো বা পা থাকলেও হাটা চলার মত কোন শক্তি নেই। সকলেই গরীব দরিদ্র পরিবারের সদস্য।

    একটি হইল চেয়ারের অভাবে কেউ কেউ দিনের পর দিন বাইরের আলো বাতাস দেখেন নাই। সেই সমস্ত মানুষ এখন কিছুটা নিজের মত করে চলাচল করতে পারবেন।

    জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী তজুর মিয়া (৫০) বলেন, সারাদিনই ঘরে বসে থাকি অনেক সময় ইচ্ছা থাকলেও পরিবারের মানুষদের বলতে চাইনা বাইরে নেওয়ার জন্য। এবার একটু নিজে নিজে ঘুরতে পারবো।

    জয়ারানী (১৪) বলেন, একটি অপারেশনের কারনে আমার একটি পা হাটু থেকে কেটে ফেলা হয়েছে। আমি এখন ঘরবন্দী হয়ে থাকি। হুইল চেয়ার পাওয়ার কারনে আমার এখন সময় ভালো কাটবে।

    জুই বেগম (১৮) বলেন, একটি হুইল চেয়ারের অভাবে পৃথিবীটা ছোট হয়ে গেছিল। প্রবাসী ভাইদের জন্য দোয়া রইলো।

    বিশ্বপ্রবাসী বানিয়াচং কল্যাণ পরিষদের সহসভাপতি এনামূল হোসেন খান এনাম বলেন আমাদের এই উদ্যোগ সবসময় চলমান থাকবে।

    সংগঠনটির সাধারন সম্পাদক স্পেন প্রবাসী সাংবাদিক সাইফুল আমীন জানান, আমরা বানিয়াচংয়ের বিশ্বপ্রবাসীরা সবসময় আমাদের দেশের ভাইবোনদের পাশে আছি থাকবো ইনশাল্লাহ।

    এ ব্যপারে সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার এনামূল হোসেন খান বলেন, আমাদের সংগঠন সবসময় বানিয়াচং বাসীর পাশে থাকবো।

    এ ব্যাপারে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ বশির আহমেদ বলেন, প্রবাসীদের এই সংগঠনের সাথে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

    উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী বলেন, আমি বিশ্বপ্রবাসী বানিয়াচং কল্যাণ পরিষদের সকলকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

  • লাখাইয়ে ২৪ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    লাখাইয়ে ২৪ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    লাখাইয়ে আগামী ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহনেচ্ছুক ২৪ চেয়ারম্যান ও সাধারন সদস্য প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন।

    এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন এবং সাধারন সদস্য পদে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন বলে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়।

    চেয়ারম্যান পদে যারা মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন তারা হলেন, ১নং লাখাই ইউনিয়নের নিলুফা ইয়াসমিন কলি, এমামূল হক চৌধুরী, মোঃ জুলহাস মিয়া, মোহাম্মদ হোসাইন (স্বতন্ত্র) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সোহেল রানা।

    ২ নং মোড়াকড়ি ইউনিয়নের এডভোকেট শামছুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), ৩ নং মুড়িয়াউক ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম মলাই ও জহুরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), ৪ নং বামৈ ইউনিয়নের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনীত মোঃ মামুনুর রশীদ,।

    ৫ নং করাব ইউনিয়নের মোঃ জুয়েল রানা, ইন্জিনিয়ার মাহবুব উদ্দিন, ইকরামূল মজিদ চৌধুরী শাকিল (স্বতন্ত্র)। ৬নং বুল্লা ইউনিয়নের মোঃ মোশারফ হোসেন (স্বতন্ত্র)।

    এ ব্যাপারে লাখাই উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও ৩, ৪ ও ৬ নম্বর ইউনিয়নের রিটার্নিং অফিসার মোশারফ হোসেন খান জানান, মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার এর শেষ দিন সোমবার (৬ ডিসেম্বর) ১৩ জন চেয়ারম্যান ও ১১ জন সাধারন সদস্য পদপ্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেন।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ নভেম্বর মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিনে ৪৬ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সহ ৩৮১ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেন।

  • আজ লাখাই মুক্ত দিবস

    আজ লাখাই মুক্ত দিবস

    ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর লাখাই থানা পাকহানাদার মুক্ত হয়। ঐদিন বিকেল তিনটায় ১২৯ জন পাক-হানাদার বাহিনীর দোসর রাজাকার উপজেলার জিরুন্ডা খেলার মাঠে মুক্তিযুদ্ধকালীন লাখাই পশ্চিমাঞ্চলের কমান্ডার সৈয়দ শফিকুল ইসলামের নিকট আত্মসমর্পণ করে।

    ডিসেম্বরের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধে লাখাইর যুদ্ধকালীন কমান্ডার ইলিয়াস কামালের নেতৃত্বে স্থানীয় বুল্লা বাজারে হামলা চালিয়ে যুদ্ধ করে রাজাকারদের হটিয়ে দিয়ে রাজাকার ক্যাম্প দখল করে নেয় এবং সেখানে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করে।

    এসময় মুক্তিবাহিনী উপজেলার মাদনা সহ পূর্বাঞ্চল শত্রুমুক্ত করে। তখনও থানা সদর লাখাই শত্রুদের দখলে ছিল। এ পর্যায়ে ৭ ডিসেম্বর লাখাই পশ্চিমাঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পের কমান্ডার সৈয়দ শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা লাখাই থানা সদরে হামলার মাধ্যমে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকারদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে।

    রাজাকার বাহিনী ও থানা পুলিশের ১২৯ জন ১২৯ টি অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করে। ৭ ডিসেম্বর লাখাই মুক্ত দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।

    দায়সারাভাবে দিবসটি পালন করা হলেও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে তেমন কোন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না।

    নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে এবং লাখাইয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে ব্যবস্থা গ্রহন করিতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা কামনা করছে লাখাইর সচেতন মহল ও মুক্তিযোদ্ধারা।

  • আজমিরীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    আজমিরীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    আজমিরীগঞ্জের বদলপুরের ঝিলুয়া গ্রামে গভীররাতে অগ্নিকান্ডে ৫টি বসতঘর ও গোয়ালঘর ভস্মিভূত হয়। এ ছাড়া ৮ টি ভেড়া ও ১ টি গরু আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    এতে কমপক্ষে ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে গ্রামের লোকজন জানায়।

    জানা যায়, আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের ঝিলুয়ার হামাইখালি গ্রামের মাস্টারবাড়িতে রাত অনুমানিক ২ টায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

    গ্রামের লোকজন রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হলে, রাত অনুমানিক ২ টায় মাস্টারবাড়ি নামে পরিচিত হিমাংশু চৌধুরীর বসতঘর থেকে ধূঁয়ার কুন্ডলি উঠতে দেখে কয়েকজন।

    তারা শোর-চিৎকার শুরু করে। গ্রামের লোকজন বিদ্যুৎ বন্ধের জন্য পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে মোবাইল করে। প্রায় আধা ঘন্টা পর ফোন ধরে বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে।

    এদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তের মধ্যেই হিমাংশু চৌধুরী, হীরেন্দ্র চৌধুরী ও সঞ্জিত চৌধুরীর মালিকাধীন ৫টি বসতঘর সহ গোলায় রাখা ধান, কাট পালংক শোকেস আলমারি নানা ধরণের আসবাবপত্র ও গোয়ালঘর ভস্মিভূত হয়।

    এ সময গোয়ালঘরে বাঁধা অবস্থায় ৮ টি ভেড়া ও ১ টি গরু আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়, কয়েকটি আহত হয়।

    গ্রামের লোকজন আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে প্রায় ৩ ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে, নতুবা পুরো গ্রামে আগুন লেগে যেত বলে গ্রামের লোকজন জানায়।