Category: হবিগঞ্জ

  • মাধবপুরে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় সংবাদকর্মীর উপর হামলা

    মাধবপুরে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় সংবাদকর্মীর উপর হামলা

    মাধবপুর উপজেলার মনতলা শাহজালাল সরকারী কলেজের এক ছাত্রীকে ইভটিজিং করার প্রতিবাদ করায়
    হৃদয় এস এম শাহ্-আলম (১৮) নামে এক সংবাদকর্মীর উপর হামলা করে আহত করেছে ওই বখাটে৷ আহত সাংবাদিক হৃদয়কে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় রাতে আহত শাহআলম তার উপর হামলাকারী চৌমুহনী ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামের জমির আলীর পুত্র নজরুল ইসলাম (২২) কে আসামি করে মাধবপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগে জানা যায়, চৌমুহনী ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ আব্দুল বারিকের মেয়ে মনতলা শাহজালাল সরকারি কলেজের ছাত্রীকে ইভটিজিং করে একই এলাকার কতিপয় বখাটে।

    এর প্রতিবাদ করলে নজরুল ইসলাম তার দলবল নিয়ে সোমবার (১৪ই ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১ টার সময় উপজেলার বহড়া ইউনিয়নের আউলিয়াবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় একা পেয়ে সংবাদকর্মী হৃদয় এস এম শাহ্-আলম (১৮) এর উপর হামলা আহত করে।

    এ বিষয়ে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুল রাজ্জাক ও তদন্ত ওসি গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, অভিযোগ পেয়ে আমরা থানা ও পুলিশ ফাঁড়ির টিমকে পাঠিয়েছি৷ আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করার নির্দেশ করা হয়েছে।

  • একই পরিবারের ৩ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, মানবেতর জীবন যাপন

    একই পরিবারের ৩ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, মানবেতর জীবন যাপন

    দি‌লোয়ার হোসাইনঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে একই পরিবারের ৩ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রয়েছেন। এরা সম্পর্কে পিতা-পুত্র ও পুত্রের ঘরের নাতি।

    উপজেলা সদরের ২ নম্বর ইউনিয়নের ৩ নাম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ আজগর আলী খা (৬৩) ছেলে আংগুর খা (৪৪) ও নাতি কামাল খা (১০) একই পরিবারের ৩ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হওয়ায় পরিবারটি মানেবতরভাবে জীবন যাপন করছে।

    এলাকাবাসী জানান, আশ্চর্যজনক ঘটনা হলো ১০ বছর পূর্ণ হলেই পরিবারের ছেলেদের চোখে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হয়। চোখে ঝাপসা দেখা, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া সহ চোখের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হয়।

    দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মোঃ আজগর আলী খা বলেন, তিনি নিজে জন্মগত অন্ধ নন। তার ছেলে ও ছেলের ঘরের নাতি জন্মগত ভাবে কেউই অন্ধ নন।

    এক সময় আর সবার মত সব কিছু চোখে দেখতেন। হঠাৎ করেই তিনি অন্ধ হয়ে যান। পরবর্তীতে ছেলে আংগুর মিয়া ও ১০ বছর পর থেকে অন্ধ হয়ে গেছেন।

    তিনি নিজে চোখের চিকিৎসার জন্য চেষ্টা করেছেন কিন্তু কোন লাভ হয় নাই। ছেলের চোখে সমস্যা তৈরি হওয়ার পরও দৃষ্টি শক্তি ফিরে পাওয়ার জন্য চেষ্টা করেছেন। কোন লাভ হয় নাই।

    বর্তমানে ছেলের ঘরের নাতি ১০ বছরের কামাল খা’র চোখে সমস্যা দেখা দেওয়ায় চোখের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার পর ১ হাজার পাওয়ারের চশমা দিয়েছে। প্রতি ছয়মাস পর পর চশমা পরিবর্তন করতে হয়। এতে ও কামাল খা চোখে ঝাপসা দেখে।

    ক্লাস থ্রী’তে পড়ুয়া কামাল খা’র চোখের সমস্যা দূর করতে হলে চিকিৎসার জন্য ১ লক্ষ টাকার প্রয়োজন বলে চট্রগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

    বর্তমানে পরিবারটি ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এ অবস্থায় চিকিৎসা করানোটা দুঃসাধ্য।

    দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মোঃ আঙ্গুর মিয়া খা জানান, পরিবারের ৭ জন সদস্য বৃদ্ধ পিতা-মাতা ও স্ত্রী, দুই ছেলে এক মেয়ের মধ্য ৩ জনই অন্ধ।

    এ অবস্থায় চিকিৎসা দূরে থাক তিনবেলা খেয়ে পরে বেচে থাকাই তাদের কাছে দুঃসাধ্য ঠেকছে। বর্তমানে পরিবারটি মানেবেতর জীবন যাপন করছেন।

  • জিকে গউছের মুক্তির দাবিতে পৌর ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    জিকে গউছের মুক্তির দাবিতে পৌর ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ এর মুক্তির দাবিতে হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রদল নেতা মোজাক্কির হোসেন ইমন এর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৪ ফেব্রুয়ারী সোমবার বিকেলে এ বিক্ষোভ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়৷ মিছিল শেষে বক্তারা অবিলম্বে জি কে গউছসহ সকল নেতৃবৃন্দের মুক্তি দাবির জানান।

  • ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিংগন”র মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

    ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিংগন”র মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

    হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্ রাজিব আহমেদ রিংগনের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল।

    সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) দুপরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সৈয়দ রুহুল আমিন জনির সভাপত্বিতে এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মোর্শেদ, সহ-সম্পাদক রাজিব আহমেদ রিদয়, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্ মাজহারুল ইসলাম রাব্বি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনি, মাধবপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জামিল আহমেদ চৌধুরীসহ হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

    এসময় বক্তারা অবিলম্বে জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রাজিব নআহমেদ রিংগনের মুক্তির দাবি জানান।

  • হবিগঞ্জে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯১, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৫৮ জন

    হবিগঞ্জে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯১, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৫৮ জন

    হবিগঞ্জ জেলা এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪৫৮ জন। এর মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪৪০ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিম পরীক্ষায় জিপিএ–৫ পেয়েছেন ১৮ জন।

    জেলায় এই পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯১। এই পরীক্ষায় মোট অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৩ হাজার ৪৩৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছেন ১২ হাজার ৬৮৬ জন।

    আজ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল হস্তান্তরের পর দুপুর সোয়া ১২টার দিকে গণভবন থেকে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

    সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বোর্ডগুলোর কাছ থেকে ফলাফল গ্রহণ করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এরপর সারা দেশে একযোগে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

    জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রহুল্লাহ সাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায় হবিগঞ্জ জেলায় ২০২১ সালের এইচএসসি পরিক্ষায় অংশ নেয়া মোট পরিক্ষার্থী ১২ হাজার ২১৩ জন। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ১১ হাজার ৫২৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৪০ জন। গড় পাসের হার ৯৪ দশমিক ৪০।

    আলিম পরিক্ষায় অংশ নেয়া মোট শিক্ষার্থী ৯২৪ জন। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ৮৭২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৮ জন। গড় পাসের হার ৯৪ দশমিক ৩৭।

    বিএম পরিক্ষায় অংশ নেয়া মোট শিক্ষার্থী ২৯৭ জন। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ২৮৫ জন। গড় পাসের হার ৯৬ দশমিক ৯৬।

    এর মধ্যে সদর উপজেলার মোট পরিক্ষার্থী ৩ হাজার ১৬৩ জন। উত্তীর্ণ পরিক্ষার্থী ২ হাজার ৯৯৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৫৭ জন।

    নবীগঞ্জ উপজেলার মোট পরিক্ষার্থী ২ হাজার ৩২৭ জন। উত্তীর্ণ পরিক্ষার্থী ২ হাজার ২৭৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩১ জন।

    বানিয়াচং উপজেলার মোট পরিক্ষার্থী ১ হাজার ৭৮৬ জন। উত্তীর্ণ পরিক্ষার্থী ১ হাজার ৬৯৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ জন।

    আজমিরীগঞ্জ উপজেলার মোট পরিক্ষার্থী ৫১৯ জন। উত্তীর্ণ পরিক্ষার্থী ৪৬৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন।

    লাখাই উপজেলার মোট পরিক্ষার্থী ৪০৯ জন। উত্তীর্ণ পরিক্ষার্থী ৩৮১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ জন।

    চুনারুঘাট উপজেলার মোট পরিক্ষার্থী ১ হাজার ২৪৬ জন। উত্তীর্ণ পরিক্ষার্থী ১ হাজার ১৩৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৬ জন।

    মাধবপুর উপজেলার মোট পরিক্ষার্থী ১ হাজার ৮৩৭ জন। উত্তীর্ণ পরিক্ষার্থী ১ হাজার ৭৭১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৯ জন।

    বাহুবল উপজেলার মোট পরিক্ষার্থী ১ হাজার ১৬২ জন। উত্তীর্ণ পরিক্ষার্থী ১ হাজার ৬৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৪ জন।

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মোট পরিক্ষার্থী ৯৮৫ জন। উত্তীর্ণ পরিক্ষার্থী ৯০৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১ জন।

  • জিকে  গউছ ও কাউন্সিলর সিতুর  মুক্তির দাবীতে এলাকাবাসির মানববন্ধন

    জিকে গউছ ও কাউন্সিলর সিতুর মুক্তির দাবীতে এলাকাবাসির মানববন্ধন

    বিএনপির জাতীয় নিবার্হী কমিটির সমবায়ক বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ জিকে গউছ ও হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর সফিকুর রহমান সিতুর মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

    রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে শহরের শায়েস্তানগরে পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    সাবেক কমিশনার নুরুল ইসলাম নানুর সভাপতিত্বে শায়েস্তানগর পঞ্চায়েত সর্দার হাজী নুরুল ইসলামের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র আইনজীবি এডভোকেট শামসু মিয়া, শায়েস্তানগর পঞ্চায়েত সর্দার আব্দুল আহাদ, সমুজ আলী সর্দার, শ্যামল আহমেদ সর্দার, আব্দুল গফুর সর্দার, শাহ মুসলিম সর্দার। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে আলহাজ জিকে গউছ ও কাউন্সিলর সফিকুর রহমান সিতুর মুক্তি দাবী করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন আব্দুস সালাম, আবুল কালাম, মোঃ সালাম মিয়া, সেলিম মিয়া, জমিলা আক্তার, আয়েশা বেগম, সাফিয়া বেগম, আন্নরা বেগম, আগর চান, মাহমুদা বেগমসহ ৯নং ওয়ার্ডের কয়েক’শ নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশে ( ক্যাব) হবিগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন

    কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশে ( ক্যাব) হবিগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন

    কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশে ( ক্যাব) হবিগঞ্জ জেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে৷

    কমিটি গঠন উপলক্ষে আজ ১২ ফেব্রুয়ারী শনিবার দুুপুরে শহরের সাম্পান রেস্টুরেন্টে ক্যাব হবিগঞ্জ জেলা শাখার এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

    হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহবায়ক মমতা এডুকেশন এন্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যানমোঃ দেওয়ান মিয়ার সভাপতিত্বে ও বিশিষ্ট সাংবাদিক শরিফ চৌধুরীর পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফেসর সৈয়দ মিজানুর রহমান৷

    প্রধান বক্তা ছিলেন ক্যাব সিলেট বিভাগীয় সভাপতি মোঃ জামিল চৌধুরী৷ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইংল্যান্ডের বিশিষ্ট কমিউনিটি লিডার, আইএমও প্রতিনিধি ড.মোঃ শাহনেওয়াজ,জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী টিপু৷

    সভায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ দেওয়ান মিয়াকে সভাপতি, এডভোকেট মোঃ আশরাফুল আলমকে সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক শরিফ চৌধুরীকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট ক্যাবের হবিগঞ্জ জেলা কমিটি ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রহমান৷

    কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা হলেন- সহসভাপতি মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আব্দুল হাই, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ তানভীর রহমান,প্রেস সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলাম জীবন ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ফয়জুন্নাহার তাম্মিম প্রমূখ৷

    ক্যাব জেলা কমিটির উপদেষ্টারা হলেন হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, ড.শাহনেওয়াজ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী টিপু৷