বানিয়াচংয়ে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) সকালে বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন হবিগঞ্জ ২ এর সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা বেগম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফফাত আরা জামান উর্মি, বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম সরকার, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মুফতি আতাউর রহমান, বানিয়াচং প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া, মহিলা বিষয়ক অফিসার পিয়ারা বেগম, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ শামছুল হক, মিজানুর রহমান খান,, হায়রুজ্জামান ধন মিয়া, আহাদ মিয়া, রেখাছ মিয়া, আরফান উদ্দিন,, জয়কুমার দাশ, এরশাদ আলী প্রমুখ।
Category: হবিগঞ্জ
-

বানিয়াচংয়ে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
-

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে প্রেমিকাকে ধর্ষণ
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে কিশোরী প্রেমিকাকে ধর্ষণ করেছে এক লম্পট তার নাম দেওয়ান মিয়া সে চুনারুঘাট উপজেলার ৭নং উবাহাটা ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের মৃত ফিরোজ আলী ছেলে।
ঘটনা সুত্রে জানা যায় দেওয়ান মিয়া ওই কিশোরী মেয়ের সাথে গত পাঁচ দিন যাবত মোবাইল ফোনে রং নাম্বারে কথা বলে আসছিল। সেই সুবাদে আজ মেয়েটি চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার টিকা দেয়া কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসলে লম্পট দেওয়ান মিয়া তাকে ফুসলিয়ে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে গহীন জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে।
এসময় ধর্ষক দেওয়ান মিয়ার সহযোগী টমটম ড্রাইভার মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করলে মেয়েটির চিৎকারে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের প্রহরী এবং ফরেস্ট লোকজন এগিয়ে এসে মেয়েটিকে উদ্ধার করে লম্পট দেওয়ান মিয়াকে আটক করে।
পরবর্তীতে চুনারুঘাট থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ কিশোরী মেয়ে সহ ওই ধর্ষক দেওয়ান মিয়াকে থানায় নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার ওসি তদন্ত চম্পক দাম বলেন, আগামীকাল ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হবে।
-

লাখাইয়ে করোনার টিকা গ্রহনে নারী পুরুষের উপচেপড়া ভীড়
দেশে একদিনে এক কোটি টিকা প্রদানের লক্ষমাত্রা নিয়ে দেশব্যাপী কোভিড-১৯ এর কর্মসূচি বাস্তবায়নে লাখাই উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ উপজেলার ২১টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৪০০ ডোজ করোনার টিকা প্রদানের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করে ব্যাপক প্রচারনা চালায়।
শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্রে উপছেপড়া ভীড় লক্ষনীয়।
দিনশেষে প্রতিটি কেন্দ্রে লক্ষমাত্রার চেয়ে বেশী টিকা দেওয়া হয়েছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়। টিকা দেওয়া হয়েছে ৮ হাজারেরও বেশী।
এ ব্যপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবু হেনা মোস্তফা জানান, আমাদের ২২ টি টিকাদান কেন্দ্রে ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ৫ হাজার ৪০০ ডোজ টিকা দেওয়ার লক্ষমাত্রা নিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও টিকা দেওয়া হয়েছে ৮ হাজারেরও বেশী নারী পুরুষকে।
-

ভ্যাকসিন গ্রহণের পরও মাস্ক পড়ে চলাফেরার আহবান আবু জাহির এমপির
করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক ভ্যাকসিন গ্রহণের পরও সকলকে মাস্ক পরিধান করে চলাফেরাসহ সচেতনতা অবলম্বনের আহবান জানিয়েছেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি।
শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে দেশে একদিনে এক কোটি মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসার কর্মসূচি হিসাবে হবিগঞ্জে গণটিকা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহবান জানিয়েছেন।
তিনি সকালে হবিগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে জনপ্রতিনিধি ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি জেলা শহর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্রে যান।
কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, অনেক উন্নত দেশের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে করোনা টিকার ব্যবস্থা করেছেন। শুরুতে দুস্কৃতিকারীরা টিকা সম্পর্কে গুজব ছড়াতে চেয়েছে। তারা মানুষকে ভুল বুঝিয়ে টিকা গ্রহণ থেকে দূরে রাখতে চেয়েছে। এসব মানুষ সবসময়ই মানুষের ক্ষতি চায়। এক্ষেত্রে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
এ সময় তিনি ভ্যাকসিন গ্রহণের পরও করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে পুরোপুরিভাবে সুরক্ষিত থাকতে মাস্ক পড়ে চলাফেরাসহ সাবধানতা অবলম্বনের আহবান জানান।
এছাড়া টিকা কেন্দ্রে নারী-পুরুষের উপস্থিতি দেখে ও টিকা গ্রহণে আগ্রহ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নিজে হ্যান্ড মাইক হাতে নিয়ে সকলের শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও টিকাকেন্দ্র পরিদর্শনকালে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ নূরুল হক, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলিছুর রহমান উজ্জ্বলসহ জনপ্রতিনিধি, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
-

পর্যটন শিল্পকে ব্যাপক আকারে বিকাশের জন্য বর্তমান সরকার কাজ করছে; মাহবুব আলী
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে ব্যাপক আকারে বিকাশের জন্য বর্তমান সরকার কাজ করছে। আমাদের দেশ অনেক সুন্দর এই দেশে পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষিত করতে পারলে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আরও বেগবান হবে। এই জন্য সরকার পর্যটন শিল্পের বিকাশে
পৃষ্টপোষকতা করে যাচ্ছে। পর্যটন খাতকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।
দেশের সকল পর্যটন স্পট গুলোর উন্নয়ন করে দেশি-বেদেশি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। বিশ্বের এমন অনেক দেশ রয়েছে যাদের অর্থনৈতিক অন্যতম চালিকা শক্তি পর্যটন খাত। কিন্তু ওই সমস্ত দেশের চেয়েও বেশি পর্যটন সমৃদ্ধ থাকা স্বত্ত্বেও আমাদের পর্যটন শিল্প বিকাশ হচ্ছেনা।
আগামীতে আমাদের পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক শক্তিকে জোরদার করতে সহায়ক শক্তি হয়ে উঠবে। সিলেট অঞ্চলের হবিগঞ্জ বর্তমানে পর্যটকদের আকর্ষিত করছে। এরমধ্যে বানিয়াচং একটি অন্যতম পর্যটন স্পট। এখানে প্রাচীন আমলের নিদর্শনের পাশাপাশি হাওর-বাওর রয়েছে আগামীতে বানিয়াচংয়ের জলাবন ও এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচংকে কেন্দ্র করে পর্যটন মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মকান্ড সাধিত হবে। হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে লক্ষীবাওর জলাবনে পর্যটন কর্পোরেশনের রেষ্ট হাউজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন অনুষ্টানে উপরোক্ত বক্তব্য প্রদান করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও
পর্যটন প্রতিমস্ত্রী এডঃ মাহবুব আলী এমপি।শুক্রবার বিকেলে বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ও ২ নম্বর উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নের শাখা কুশিয়ারা নদী তীরবর্তী দেশের বৃহৎ প্রাকৃতিক জলাবন লক্ষীবাওরে রেষ্ট হাউজটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে প্রতিমন্ত্রী এডঃ মাহবুব আলী আরও বলেন, নির্মাণ কাজ শেষ হলে ব্রিটেনের বিমান বন্দরের মত আমাদের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ও হবে। কক্সবাজারে সমুদ্রের মধ্যে দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দর হচ্ছে। কক্সবাজার যাওয়ার জন্য রেললাইন নির্মাণ হচ্ছে।প্রাচ্যের ভেনিস বলে খ্যাত বরিশাল সহ দক্ষিন বংগে যাতায়াতের জন্য পদ্মাব্রিজ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ।বঙবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা কাজ করছি।
ইতিমধ্যে দেশ মধ্যম আয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। উন্নত দেশে উত্তীর্ণ করার জন্য কাজ চলছে। এই লক্ষীবাওর জলাবনে শুকনো ও বর্ষা মৌসুমে অনেক দেশি বিদেশি পর্যটক ঘুরতে আসেন। তাদের সুবিধার জন্য রিসোর্ট ও ওয়াশরুম
নির্মাণ করা হচ্ছে। আগামীতে ওয়াচ টাওয়ার সহ যাবতীয় কর্মকান্ড সম্পন্ন করা হবে।অনুষ্টানে অন্যানর মধ্যে বক্তব্য রাখেন বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন খান,অফিসার ইনচার্য মোঃ এমরান হোসেন,হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ আহমদ খান,
ইউপি চেয়ারম্যান হায়দারুজ্জামান খান ধনমিয়া,আহাদ মিয়া প্রমূখ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব আব্দুল
জলিল,সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফফাত আরা জামান ঊর্মি, ইউপি চেয়ারম্যান আরফান আলী, প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া।পর্যটন কর্পোরেশনের অর্থায়নে ২৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে রিসোর্টটি বানিয়াচং উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ও স্থানীয় এলজিইডি অফিসের কারিগরি সহায়তায় নির্মাণ করা হচ্ছে।
২ কক্ষ বিশিষ্ট নির্মাণধীন রিসোর্টটিতে থাকবে দুটি বিশ্রামাগার ও ওয়াশরুম। যাতে করে পর্যটকগণ বিশ্রাম ও শৌচকর্ম করতে পারেন।
পরে মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ প্রাঙনে কম্বল ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন।
-

হবিগঞ্জে ‘বাইশ গজের রাজা’ তৌফিক আহসান
আজহারুল ইসলাম চৌধুরী মুরাদঃ ৫০ ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখন পর্যন্ত আটটি ডাবল সেঞ্চুরি দেখেছে। প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন ভারতীয় কিংবদন্তি সাবেক ব্যাটার শচীন টেন্ডুলকার। সর্বোচ্চ ২৬৪ রানের ইনিংসটাও আরেক ভারতীয় রোহিত শর্মার। ৩০০ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করাটা সত্যিকার অনেক দুরুহু ব্যাপার।
বাংলাদেশে ৫০ ওভারের ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরি কোন ব্যাটার করেছি কিনা, তা ঠিকমত জানা যায়নি।
তবে গতকাল বৃহস্পতিবার ৫০ ওভারের ম্যাচে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২৫১, দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর ৩৪৪ ও সর্বোচ্চ ৩২৬ রানে জয়ের স্বাক্ষী হয়ে থাকলো হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়াম।
অনুশীলন ক্রিকেট ক্লাবের উদ্বোধনী ব্যাটার তৌফিক আহসান ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২৫১ রানের ইনিংস খেলেছে। ১৭২ বলের ইনিংসে ১২টি ছয় ও ২২টি চার দিয়ে সাজানো ছিল। তৌফিকের এই অতিমানবীয় ইনিংস থামে ৪৮.৩ ওভারে।
অনুশীলন ক্রিকেট ক্লাবের ৪৩৩ রানের ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার হৃদয় দেবও সেঞ্চুরি (১১১) করেছেন। অনুশীলন ক্রিকেট ক্লাবের ৪৩৩ রানের বিশাল পাহাড়ের চাপায় নবজাগরণ ক্লাব মাত্র ১১৩ রানে গুটিয়ে যায়। ফলে ৩২৬ রানের সর্বোচ্চ রানে জয়ের রেকর্ড গড়লো অনুশীলন ক্রিকেট ক্লাব।
মুঠোফোনে তৌফিক আহসানের অনুভূতি জানতে চাওয়া হয় অনুশীলন ক্রিকেট ক্লাবের উদ্বোধনী ব্যাটার তৌফিক আহসানের কাছে। তৌফিক বলেন, ‘আমি আনন্দিত। জীবনের প্রথম সেঞ্চুরি এসেছে ডাবল সেঞ্চুরির মাধ্যমে। সবকিছুই আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা।’
দলের এই অর্জনের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অনুশীলন ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতি মো. বদরুল আলম। তিনি বলেন, এটা আমাদের ধারাবাহিকতার ফসল। আমরা টানা তিন ম্যাচ ধরে জয়ের ধারায় আছি। এর আগের তিন ম্যাচে ব্যাটাররা ভাল খেললেও কেউ সেঞ্চুরির দেখা পায়নি। তাই ব্যাটাররা বড় ইনিংস খেলার জন্য মুখিয়ে ছিলেন। এবারের লীগে ডাবল সেঞ্চুরিয়ান তৌফিক এর আগের দুই ম্যাচে করেছিলেন ৪৪ ও ৬৪। বৃহস্পতিবারের খেলায় আরেক সেঞ্চুরিয়ান হৃদয় দেব আগের দুই ম্যাচে করেছিলেন ৭৬ ও ৩৫।’
হবিগঞ্জের মাঠে এবারের ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগে তৌফিক ও হৃদয় ছাড়াও আরো ৪টি সেঞ্চুরি হয়েছে। দলীয়ভাবেও বড় বড় ইনিংস দেখা যাচ্ছে। যা এর আগে দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. বদরুল আলম ও ক্রিকেট উপ-কমিটির সেক্রেটারি মঈন উদ্দিন তালুকদার সাচ্চু জানান, নতুন কমিটি দায়িত্ব নেবার পর পিচ ও মাঠকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। গাজীপুর থেকে পিচের মাটি আনা হয়েছে। একই মাটি দিয়ে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠের পিচও তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামে দুটি পিচ তৈরি করা হয়েছে।
-

হবিগঞ্জে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক ওরিয়েন্টেশন
মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক এক ওরিয়েন্টেশনের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ইসলামিক ফাউণ্ডেশন হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে উপপরিচালক শাহ মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপজেলা পর্যায়ের ১৩জন সুপারভাইজার ও ফিল্ড অফিসারগণ অংশগ্রহন করেন।
ইউএসএআইডি-র মামনি এমএনসিএস প্রকল্পের সহায়তায় সেইভ দা চিলড্রেনের কারিগরি সহায়তায় সীমান্তিকের বাস্তবায়নে ওরিয়েন্টেশনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ওমর ফারুক, ম্যানেজার এমআইএস শাকিল আহমেদ খান, জেলা সমন্বয়কারী দিলীপ চন্দ্র দাস প্রমুখ।
ওরিয়েন্টেশনে বক্তাগণ বলেন, সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মা ও নবজাতকের মৃত্যু হওয়া একসময় অনেকটা স্বাভাবিক ঘটনা ছিল, কিন্তু এই মৃত্যু এখন আর স্বাভাবিক ঘটনা নয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগনকে স্বাস্থ্যসেবামুখী করার মাধ্যমেই মা নবজাতকের মৃত্যু কমানো সম্ভব, যেখানে ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ ধর্মীয় নেতাদের বেশী সম্মান ও মূল্যায়ন করেন। সুতরাং ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে মসজিদে জুম্মার দিন এবং ধর্মীয় সভায় মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা বিষয়টি আলোচনা করলে স্থানীয় জনগণ উক্ত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে আরো সচেতন হবেন।
