Category: হবিগঞ্জ

  • বাহুবলে আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

    বাহুবলে আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

    জুবায়ের আহমেদঃ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বনোশ্রী গুচ্ছগ্রামে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে প্রবাসী সিজিল মিয়ার বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, এতে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার ভোর ৬টার দিকে উপজেলার বনোশ্রী পুরান গুচ্ছগ্রামে।

    জানা যায়, বাহুবল উপজেলার ৩নং সাতকাপন ইউনিয়নের বনোশ্রী পুরান গুচ্ছগ্রামের গোলাম হোসেন মিয়ার ছেলে মোঃ সিজিল মিয়া ৬টি ছেলে মেয়ে নিয়ে অভাব অনটনে দিনযাপন করছিলেন, গত বছর এনজিও থেকে দ্বিগুণ লাভে টাকা উত্তোলন করে সিজিল মিয়া আরব আমিরাত ডুবাই চলে যান, ৬টি সন্তান নিয়ে স্ত্রী বাড়িতেই বসবাস করছেন, দু’দিন আগে ঘরটি তালাবন্ধ করে সন্তানদের নিয়ে স্ত্রী আত্মীয় বাড়িতে যান, সোমবার ৭ই মার্চ ভোর ৬টার দিকে প্রতিবেশীরা সিজিল মিয়ার বসতঘরে আগুনের লেলিহান দেখতে পান, এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ততক্ষণে ঘরে থাকা আসবাবপত্র সহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    এব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ শামীম আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই, গিয়ে দেখি সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, আমাদের ধারণা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

  • বহুলা মডেল স্কুলে নতুন দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন

    বহুলা মডেল স্কুলে নতুন দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনির্মিত দুইতলা ভবনের উদ্বোধন করেছেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভবনাটির উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি।

    এ সময় এমপি আবু জাহির বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সন্তানকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত কাজ করছে। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষকগণের সম্মানী বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার।

    শিক্ষার্থীদের ফলাফলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অকৃতকার্যরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চাকুরী করেন। যারা মেধাবী তারাই সরকারি শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান। কিন্তু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল খারাপ হলে সেটি অত্যন্ত দুৎখজনক। এ সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে শিক্ষকদের প্রতি নানা নির্দেশনা দেন এমপি আবু জাহির।

    বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আলমগীর আলমের সভাপতিত্বে সুধী সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, উপ প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান খান সজল, পাঁচ নম্বর গোপায়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন ও জেদ্দা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া চৌধুরী।

    উপস্থিত ছিলেন পোদ্দার বাড়ি আঞ্চলিক আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গনি, সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ জুয়েল, শামীম আহমেদ স্বপন, সালেহ চৌধুরী, এনামুল হক এনাম প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে পরিচালনা করেন কৃষক লীগ নেতা সালেহ চৌধুরী। এতে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এর প্রচেষ্টায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে দ্বিতল ভবনটি নির্মণ করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।

  • প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে রাত হলেই ঢিল

    প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে রাত হলেই ঢিল

    আকিকুর রহমান রুমনঃ বানিয়াচংয়ে ভূমি ও গৃহহীন দশটি পরিবারেকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়েও বর্তমানে আতংকে রাত-দিন পার করছেন সবাই।শান্তিতে বসবাসের বদলে উল্টো ভোগ করছেন যন্ত্রনা।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের ঘরের একটি পাড়ায় রাত হলেই ঢিল ছুড়ে একদল দুস্কৃতিকারী প্রকৃতির লোকজন। দিনের বেলা উপহার পাওয়া ঘরের পাশে শুরু খেলাধূলার নামে বল ছুড়ে মারা ও রাতের বেলা ইটের আধলা দিয়ে ইটপাটকেল মারা এসব ঘরের উপর।

    এরকম অভিযোগ পাওয়া গেছে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলা সদরের ২নং উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের রঘু চৌধুরী পাড়া গ্রামের প্রধানমন্ত্রীর উপহারের আশ্রয়ন প্রকল্পে থাকা বাসিন্দাদের কাছ থেকে। ওই পাড়ায় গৃহহীন দশটি পরিবারকে বসবাসের জন্য ঘর প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বরাদ্ধ দেওয়া হয়।

    তাদের বসবাসের শুরু থেকেই ঢিল ছোড়ার অভিযোগ থাকলেও সাম্প্রতিককালে মাত্রাতিরিক্তভাবে ইটের টুকরো দিয়ে সন্ধ্যা ও মাঝরাতে ঢিল মারার কারনে শিশু-কিশোর শিক্ষার্থী ও পরিবারের বৃদ্ধরাসহ সবাই আতংকিত হয়ে পড়ছেন এবং সারারাত ভয়ে ঘুমাতে পারেননাও কেউ। এ অবস্থায় উপকারভোগী পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

    স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মহল্লার সর্দার প্রদানকে অবগত করলেও কোন প্রতিকার পান নাই তারা। এমন অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে ঐ পাড়ায় গিয়ে পরিবারের লোকজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ১০টি পরিবারকে এসব ঘর বরাদ্ধ দেওয়া হয়। উপজেলার বিভিন্ন পাড়ার গৃহহীন অসহায় ১০টি পরিবার একসাথে বসবাস শুরু করেন প্রায় ৮ মাস পূর্ব থেকে।

    বসবাস শুরুর প্রথম দিকে মাটির ঢিল মেরে মাঝেমধ্যে উত্যক্ত করলেও সাম্প্রতিককালে ইটের বড়,বড় টুকরো দিয়ে সন্ধ্যারাতে ও মাঝরাতে ঢিল মারার কারনে অজানা ভয় ও আতংকে পারছেননা বাসিন্দারা। আবার রাত জেগে পাহারা দিতে গিয়েও ঢিলের আঘাতে অনেক নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন।

    এ ব্যাপারে আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা ভুক্তভোগী আলফাতুন বিবি (৫৫) জানান, আমরা দিনের পর দিন এই অত্যাচর সহ্য করতেছি। কিছুলোক চাইতেছে আমরা যেন এখান থেকে চলে যাই। আমরা নিরাশ্রয় হওয়ার কারনে এখানে বসবাস করতেছি। কিন্তু আমাদের যাওয়ার মততো আর কোন জায়গা নাই এই প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর ছাড়া।

    এমন আরেক বাসিন্দা লিপি আক্তার (৩৫) জানান, যখনই ঢিল মারে একসাথে ৫ থেকে ৬টা ইটের টুকরো দিয়ে ঢিল মারা হয়। এসময় আমার ছোট্ট ছোট্ট স্কুল পড়ুয়া ছেলা মেয়েরা ভয়ে আতংকিত হয়ে পড়ে। আবার কেউ কেউ ভয়ে চিৎকার দিয়ে ঘুম উঠে পড়ে।এরপর ভয়ে আর সারারাত কেউ কেউ ঘুমাতেও পারেনা। আমাদের পাশে দিনের বেলায় পাশের বাড়ির বাচ্চারা বল মারে চালের মাঝে, দরজা-জানালায়। তাদেরকে কিছু বললে আমাদেরকে খারাপ ভাষায় উল্টো গালিগালাজ করে। এমনকি তাদের অভিভাবকদের কাছে বিচার দিলে উল্টো আমাদেরকে এখান থেকে চলে যেতে বলে।

    এসব ঘটনা এলাকার সর্দারপ্রদান ও মেম্বারকে অবগত করলে তারা বলেন, অফিসের লোকজনের কাছে বিচার দেওয়ার কথা বলেন। তারপর আগের ইউএনও মাসুদ রানাকে এসব বিষয়ে বলার পর তিনি এসেছিলেন।
    তখন কিছুদিন ঢিল মারা বন্ধ ছিলো বলেও জানান তিনি।

    বর্তমানে তারা এসব থেকে প্রতিকার পাওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট জোরদাবী জানান তাদের বাঁচানোর জন্য। এব্যাপারে ২নং উত্তর পশ্চিম ইউপির ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃশহিদুল ইসলামের বক্তব্য জানতে তার ব্যাবহৃত মুঠোফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করার কারনে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাকে কেউ কোন কিছু জানায় নাই। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে জানান তিনি।

  • জেলার শ্রেষ্ঠ ও‌সি বা‌নিয়াচং থানার মোহাম্মদ এমরান হোসেন

    জেলার শ্রেষ্ঠ ও‌সি বা‌নিয়াচং থানার মোহাম্মদ এমরান হোসেন

    ‌দি‌লোয়ার হোসাইনঃ হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলি প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার তুলে দেন।

    ২৪ ঘন্টার মধ্যে চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন, পেশাদার অপরাধীও সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখায় ৩য় বারের মতো উল্লেখ যোগ্য সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটনে জেলার শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হন বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন।

    অভিন্ন মানদন্ডের আলোকে শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হলেন সেকেন্ড অফিসার মোঃ শামছুল ইসলাম, শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী এএসআই (নিঃ) মোঃ তোহা, বানিয়াচং থানা, হবিগঞ্জ সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন।

    এ সময় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শৈলেন চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) হবিগঞ্জ মাহফুজা আক্তার শিমুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল, হবিগঞ্জ, মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) হবিগঞ্জ, মহসিন আল মুরাদ, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, মাধবপুর সার্কেল, হবিগঞ্জ।

  • শায়েস্তাগঞ্জে বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে ক্রিকেটারের ঝন্টুর মৃত্যু

    শায়েস্তাগঞ্জে বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে ক্রিকেটারের ঝন্টুর মৃত্যু

    বিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃতি ক্রিকেটার দেলোয়ার হোসেন ঝন্টু মারা গেছেন।

    রবিবার (৬ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় উপজেলার নছরতপুর বাজারে নিজ মার্কেটের ছাদে উঠলে অসাবধানবশত তিনি বিদুৎস্পৃষ্ট হন।

    স্থানীয় লোকজন মুমুর্ষ অবস্তায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আড়াইশ শয্যা হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    নিহত ক্রিকেটার দেলোয়ার হোসেন ঝন্টু হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর গ্রামের জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়ার মরহুম মোক্তার হোসেন এর ছেলে।

    উল্লেখ্য নিহত ক্রিকেটার ঝন্টু জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক পেস বোলার নাজমুল হোসেনের বড় ভাই।

    বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নিহত দেলোয়ার হোসেন ঝন্টুর চাচাত ভাই সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন টিটু।

    তার মৃত্যতে হবিগঞ্জের ক্রিড়াঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • হবিগঞ্জ জেলার ৪র্থ বারের মতো শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন মাধবপুর থানার ওসি

    হবিগঞ্জ জেলার ৪র্থ বারের মতো শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন মাধবপুর থানার ওসি

    হৃদয় এস এম শাহ্-আলমঃ হবিগঞ্জ জেলার ৪র্থ বারের মতো শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।

    রবিবার ০৬ মার্চ সকালে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় সবার উপস্থিতিতে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলি সকলের সম্মুখে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট উপহার হিসেবে তুলে দিলেন মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এর নিকট।

    পরে আরো জানা যায় যে,ফলাফলটি গত ফেব্রুয়ারী ২০২২ সনের মাসটি সহ ৪র্থ বার নির্বাচিত।

    এতে আরো জানা যায়, মাধবপুর থানায় যোগদান করার পর থেকে ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক মাদক, সন্ত্রাস দমনসহ, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ওয়ারেন্ট তামিল, মামলার রহস্য উদঘাটন জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখায় জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি মনোনীত করেন।

    হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের কার্যালয়ে মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলি। এ সময় তিনি জানান,পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক প্রণীত অভিন্ন মানদণ্ডের আলোকে ফেব্রুয়ারী ২০২২ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অবদান রাখায় জেলার সেরা পুলিশ অফিসারদের কে পুরস্কৃত করা হয়।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর), পুলিশ সুপার মাধবপুর চুনারুঘাট সহ জেলার সিঃ অফিসার বৃন্দ উপজেলার বিভিন্ন থানা হতে আসা পুলিশ অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • হবিগঞ্জ শহরের আরসিসি প্রধান সড়ক উদ্বোধন

    হবিগঞ্জ শহরের আরসিসি প্রধান সড়ক উদ্বোধন

    ‘একাত্তরের রণধ্বনি ‘জয়বাংলা’ এখন জাতীয় শ্লোগানে পরিণত হয়েছে। এটা আওয়ামীলীগের ঘোষিত শ্লোগান নয়, বরং এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করার শ্লোগান।’ হবিগঞ্জ শহরের প্রধান সড়ক উদ্বোধনকালে হবিগঞ্জ পৌরসভা আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এসব কথা বলেন।

    যে শ্লোগান নিয়ে এদেশের মানুষ একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল সেই ‘জয়বাংলা’ শ্লোগানকে জাতীয় শ্লোগান হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এবং এই শ্লোগানের স্বপক্ষে রায় দেয়ায় মহামান্য হাইকোর্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    সংসদ সদস্য তার বক্তৃতায় আরো বলেন, ‘আওয়ামীলীগ জনগনকে যে প্রতিশ্রæতি দেয় তা পালন করে। আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ীই হবিগঞ্জে বড় ধরনের উন্নয়ন, শহরের প্রধান সড়কের নির্মাণ কাজের বাস্তাবায়ন আজ আপনাদের চোখের সামনে।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা হবিগঞ্জের উন্নয়নে বৃন্দাবন কলেজে অনার্স মাষ্টার্স কোর্স চালু করেছি, হবিগঞ্জে এনে দিয়েছি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুত, গ্রামে গ্রামে রাস্তাঘাট পাকাকরণ, প্রাইমারী ও উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ, বিনামূল্যে বইসহ নানা উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নত করেছি।’

    এমপি বলেন, ‘আগে মানুষ ছিল কম জমি ছিল বেশী। এখন মানুষ বেশী ও জমি কম হওয়ার পরও বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় অল্প জমিতে বেশী উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।’

    তিনি শীঘ্রই হবিগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কের পশ্চিমের ড্রেন নির্মাণের ব্যবস্থা করবেন বলেন উপস্থিত সকলকে আশ্বস্থ করেন।

    মেয়র আতাউর রহমান সেলিম সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘পৌরএলাকায় রাস্তাঘাট উন্নয়ন হলে সকলেই এর সুফল ভোগ করেন। কিন্তু রাস্তাঘাটে অথবা রাস্তার পাশে দোকান পাট বসিয়ে মানুষের চলাচলে যাতে বিঘঞ্জ না ঘটে সেব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি যেভাবে হবিগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাতে অচিরেই হবিগঞ্জ পৌরসভা একটি আদর্শ পৌরসভায় রূপান্তরিত হবে।’

    হবিগঞ্জ শহরের শহরের চাঁদের হাসি হাসপাতাল হতে খোয়াইমুখ পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণের উদ্বোধন উপলক্ষে হবিগঞ্জ পৌরসভা শনিবার সকালে কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গন ও খোয়াই মুখে পৃথক দুটি পথসভার আয়োজন করে। দুটি সভায়ই সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

    মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে ওই সভাদ্বয়ে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, নেজারত ডেপুটি কলেক্টর সামছুদ্দিন মোঃ রেজা ও সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোঃ ফয়সল, সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রমজান আলী।

    সভায় আরো উপিস্থিত ছিলেন বানিয়াচং উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, পৌর কাউন্সিলর মোঃ জাহির উদ্দিন, গৌতম কুমার রায়, টিপু আহমেদ, শাহ সালাউদ্দিন আহাম্মদ টিটু, সুমা জামান, পৌর সচিব মোঃ ফয়েজ আহমেদ প্রমুখ।

    উল্লেখ্য হবিগঞ্জ পৌরএলাকার প্রধান সড়ক সংস্কারের দাবী ছিল দীর্ঘদিনের। গত বছর জুন মাসে সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রধান সড়কে আরসিসি পেভমেন্ট রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করে। প্রায় দুই কিলোমিটার এই রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় শহরবাসীর মধ্যে স্বস্থি ফিরে এসেছে।