Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জ বানিয়াচং রোডে ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সিএনজি ধর্মঘট

    হবিগঞ্জ বানিয়াচং রোডে ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সিএনজি ধর্মঘট

    আকিকুর রহমান রুমনঃ হবিগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে সিএনজি অটোরিকশার শ্রমিকরা সকাল থেকে ৫০ টাকা ভাড়ার দাবী আদায়ের লক্ষ্য গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেন। বিষয়টি প্রশাসন অবগত হলে বানিয়াচংয়ের সিএনজি মালিক নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মা সিংহ তাদের এই দাবী পূরনের বিষয়ে আলাপ আলোচনা করেন। চলতি মাসের মাসিক আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করে উন্মুক্ত ভাবে ঘোষণা করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করা হলে বানিয়াচংয়ের সিএনজি মালিক নেতৃবৃন্দ ধর্মঘট প্রত্যাহার করেন।

    অপর দিকে হবিগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে সিএনজি অটোরিকশার অরাজকতা রুখতে বিকল্প পরিবহনের দাবিতে উত্তাল সমগ্র দেশ-বিদেশ থেকে বানিয়াচংয়ের যাত্রী সাধারণ। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বানিয়াচং-হবিগঞ্জ সড়কে বিকল্প পরিবহন বিআরটিসি বাসের দাবিতে ফেইসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি জানিয়েছেন যাত্রী সাধারণ।

    এসব বিষয়ে খোঁজ নিয়ে এক অনুসন্ধানে দেখা যায়, দীর্ঘদিন যাবত হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং-হবিগঞ্জ সড়কে সিএনজি অটোরিকশায় চলাচল করছেন ওই এলাকার লক্ষাধিক মানুষ। সম্প্রতি একেক সময় একেকভাবে মনগড়া অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগ উঠে সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে।

    তাদের বিষয়টি নিয়ে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বানিয়াচংবাসী সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ক্ষোভের বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর হয়।

    এরপরই বুধবার (১১মে) সকালে বানিয়াচং উপজেলা প্রশাসন সিএনজি শ্রমিক নেতাদের সাথে এক জরুরী সভার মাধ্যমে সিএনজির ভাড়া জনপ্রতি ৪০টাকা নির্ধারণ করেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (১২ মে) যাত্রী সাধারণের হয়রানি রুখতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে হবিগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে বিকল্প পরিবহন বিআরটিসি বাসের দাবিতে উত্তাল বানিয়াচংয়ের সোশ্যাল মিডিয়া। যাত্রীরা লিখেছেন বানিয়াচং-হবিগঞ্জ সড়কে সিএনজির ভাড়া বৃদ্ধির অরাজকতা রুখতে হলে বিকল্প পরিবহন দরকার। বিআরটিসি বাসের দাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেও দেখা গেছে অনেককে।

  • মাধবপুরে এনটিসি ডিজিএম’র অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

    মাধবপুরে এনটিসি ডিজিএম’র অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর চা বাগানের এক কর্মচারীকে গালাগাল ও চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়ায় ন্যাশনাল টি কোস্পানীর (এনটিসি) ডিজিএম কেরামত আলীকে চাকরি থেকে অপসারণের দাবিতে মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর চা বাগানে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ টি ষ্টেট ষ্টাফ এসোসিয়েশন।

    সোমবার (৯ মে) সকালে জগদীশপুর চা বাগানের কার্য্যলয়ের সামনে বাগানর কর্মচারীরা মানববন্ধনে অংশগ্রহন করেন।

    মানববন্ধনে বাংলাদেশ টি ষ্টেট ষ্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, ন্যাশনাল টি কোম্পানীর ডিজিএম কেরামত আলী জগদীশপুর চা বাগানের প্রধান করনীক (হেডক্লার্ক) রজত কান্তি দেশমূখ্যকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল সহ চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেন। তাদের অভিযোগ নিয়ম অনুযায়ী তিনি একজন সাধারন কর্মচারীর সাথে এমন আচরন করতে পারেন না।

    এর আগেও ডিজিএম কেরামত আলী পার্থখোলা ও লাক্কাতোড়া চা বাগানের প্রধান করনীকের সাথে দূর ব্যবহার করেছেন। তাকে দ্রুত অপসারণ না করা হলে কর্মচারীরা আন্দোলনের হুমকি দেন।

    এ ব্যাপারে ডিজিএম কেরামত আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাদের অনেক দাবি ধাওয়া তাকে এগুলো পূরন না হলেই অহেতুক অভিযোগ তুলেন। তার সঙ্গে কোন অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়নি।

  • অপরাধী যেই হোক শাস্তি পেতেই হবে – এমপি আবু জাহির

    অপরাধী যেই হোক শাস্তি পেতেই হবে – এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার আইনের শাসন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধী যেই হোক, শাস্তি তাকে পেতেই হবে। রোববার হবিগঞ্জ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান উপদেষ্টার বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

    তিনি বলেন, মাদক ও জুয়ার সঙ্গে যারা জড়িত তারা আরও বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত হয়। মাদকের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। অপরাধীর কোন রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। অপরাধীর পরিচয় সে অপরাধী।

    কেউ অপরাধ করে এরপর রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বেঁচে যাবে এটা হতে পারে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনে কোন অপরাধীর স্থান নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয় এমন কাজে যে কেউ জড়িত হলে তাকে অবশ্যই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে তিনি সকলের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন।

    এতে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান। সভা সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান।

    এতে আরও বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলিছুর রহমান উজ্জ্বল, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী, নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, মাধবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, বাহুবল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমান, চুনারুঘাট পৌরসভার মেয়র সাইফুল আলম রুবেল, মাধবপুর পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক প্রমুখ।

    সভায় র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ প্রশাসন ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধানগণ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জেলার আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ নানা সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

  • স্থানটির নাম বাগারিয়া

    স্থানটির নাম বাগারিয়া

    স্থানটির নাম বাগারিয়া। হবিগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ১৫ কি.মি. দূরে মাদনা রোডে ভবানীপুর ও মাদনা গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে উক্ত পর্যটন কেন্দ্রটি অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ১০০ বিঘা।

    এই স্থানটির বিশেষত্ব হচ্ছে মাঝারি আকারের হিজল গাছ, উচুঁ নিচু টিলা, কাশফুল, বিভিন্ন রকমের ফুল গাছ, পশ্চিম দিকে হিন্দু ধর্মাম্বলীদের শশ্বান পূর্ব দিকে মন্দির। দক্ষিণ পাশ ঘেঁসে হবিগঞ্জ শহরের সাথে যোগাযোগের জন্য পাকাঁ রাস্তা। পশ্চিমে ছোট একটি খাল। বর্ষার সময় দুই দিকের পানি স্থানটির সৌন্দর্য কে আকর্ষিত করে। শহর থেকে ও পার্শবর্তী এলাকা থেকে মানুষ ঘুরতে আসে হেমন্তে গাড়ি ও বর্ষায় নৌকা যুগে।

    কিন্তু স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উক্ত স্থান থেকে মানুষে মাটি কেটে নিয়ে যায়। বর্ষার সময় গাছের ডালপালা কেটে নিয়ে যায় হাওড়ের বিলে কাটা দেওয়ার জন্য। এতে সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হয় তেমনি অনেক গাছ মারাও যায়। এখানে নেই কোনো বসার স্থান চেয়ার বা ছাউনি। নেই কোনো নিরাপত্তার ব্যবস্থা। স্থানীয় ভাবে এটা কেউ দেখাশোনা করে না। ক্ষয়ক্ষতির দিকে কেউ খেয়াল রাখে না।

    স্থানটির নাম বাগারিয়া

    লাখাই উপজেলায় দেখার মতো সৌন্দর্যমন্ডিত কোনো স্থান নেই। হবিগঞ্জ জেলায় বা জেলা শহরে দেখার মতো স্থান থাকলেও বিনোদনের জন্য কোনো পার্ক নেই। স্থানীয় লোকজনের আশা প্রত্যাশা যে, যদি উপজেলা প্রশাসন বা জেলা প্রশাসন এই স্থানটির দিকে নজর দেয় এবং সরকারি উদ্যোগে স্থানটির পরিচর্যা করে তাহলে স্থানটির সৌন্দর্য যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনি গড়ে উঠবে লাখাই উপজেলার তথা হবিগঞ্জ জেলার একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র, পার্ক কিংবা শুটিং স্পট।

    কতিপয় কিছু স্থানীয় লোকজনের সাতে কথা বলে জানাযায়, তাদের আশা প্রত্যাশা যে এই প্রতিবেদন যদি প্রশাসনের নজরে আসে, যদি স্থানটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয় তাহলে পর্যটকদের সেবা প্রধান করার জন্য অনেক দোখান-পাট ও হোটেল- রেস্টুরেন্ট গড়ে উটবে। এতে অনেক স্থানীয় বেকারদের কর্ম সংস্থান হবে।

    ঘুরতে আসা পর্যটক রিয়াদ হোসেন নামের এক যুবক বলেন, ফেসবুকে স্থানীয় কিছু লোকের স্ট্যাটাসে এই স্থানটির সৌন্দর্য ও ঠিকানা জানার পর তিনি ঘুরতে আসেন এবং তার খুব ভাল লাগে জায়গাটি।

    মিয়া মোঃ আঃ রকিব নামের আরেক জন বলেন, এই জায়গার নিরিবিলি পরিবেশ ও দক্ষিণা বাতাসে তিনি মুগ্ধ তার মন শীতল হয়ে গেছে।

    আরো কয়েকজন জানান তারা সুযোগ পেলে নিয়মিত এখানে ঘুরতে আসবেন এবং জেলা প্রশাসন যদি উদ্যোগ নেন তাহলে দিন দিন পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে ও শুটিং স্পট হিসেবে গড়ে ওঠবে।

    স্থানীয় লোকজনের আশা প্রত্যাশা যে এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসবে এবং প্রশাসনিক ভাবে এটি হবিগঞ্জ জেলার পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

  • বাহুবলে গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘরের চাবি হস্তান্তর ও ইদ বস্ত্র বিতরণ

    বাহুবলে গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘরের চাবি হস্তান্তর ও ইদ বস্ত্র বিতরণ

    জুবায়ের আহমেদ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক গৃহহীন পরিবারের জন্য নির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর ও ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেছেন ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পিপিএম।

    রবিবার ১লা মে,বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার বশিনা গ্রামে গৃহহীন পরিবারের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘরের চাবি হস্তান্তর ও ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেন তিনি।

    জানা যায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক প্রতিটা বিভাগ ও জেলায় জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক বাহুবলে গৃহহীন পরিবারের জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করা হয়।

    রবিবার বিকেলে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পিপিএম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গৃহহীন পরিবারের হাতে ঘরের চাবি হস্তান্তর ও শতাধিক হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেন তিনি।

    এ উপলক্ষে বাহুবল মডেল থানা পুলিশের আয়োজনে বশিনা গ্রামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলির সভাপতিত্বে ও বাহুবল-নবীগঞ্জ সার্কেল সিনিয়র এএসপি মোঃ আবুল খয়ের এর পরিচালনায়,প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পিপিএম,ডিআইজি অফিসে কর্মরত পুলিশ সুপার মোঃ নুরুল ইসলাম ও জেদান আল মুছা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা(প্রশাসন)বানিয়াচং সার্কেল পলাশ রঞ্জন দে,সদর সার্কেল মাফুজা আক্তার শিমুল, মাহমুদুল হাসান(অপরাধ)বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাকিবুল ইসলাম খান,পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত প্রজিত দাস,মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শামীম আহমেদ, বাহুবল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আজমল হোসেন চৌধুরী, কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি আসকার আলী, এস আই সমীরণ চন্দ্র দাস, এস আই জসিম উদ্দিন,মিরপুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট অফিসার এস আই জালাল উদ্দীন ও শাহানুর,এস আই ফুয়াদ আহমেদ,এস আই হাসানুজ্জামান সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।

    প্রধান অতিথি আলোচনা সভার শুরুতেই বশিনা গ্রামের আব্দুল মতিন মিয়ার মেয়ে শিমু আক্তারের হাতে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন এবং আলোচনা সভা শেষে প্রায় শতাধিক হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেন।

    ঘরের চাবি হাতে পেয়ে খুব খুশি আনন্দিত আব্দুল মতিন মিয়ার মেয়ে শিমু আক্তার ও তার পরিবার, গৃহহীন পরিবার ঘর পেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করেছেন তারা।

  • মাধবপুরে  দুই ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা

    মাধবপুরে দুই ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা

    হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌর শহরের এক মুদি দোকানির গোডাউনে বিপুল পরিমাণ তেল মজুদ রয়েছে এমন খবর পেয়ে রবিবার বেলা ১২ টার দিকে সেখানে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।

    পরে ওই মুদি দোকানির গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ তীর সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়।মেসার্স অজিত কুমার পাল নামে দোকানটির অবস্থান মাধবপুর পৌর শহরের কালি মন্দির এলাকায়।

    এটি ওই এলাকার বড় মুদি দোকান ও তীর সোয়াবিন তেলের ডিলার । তেল লুকিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার অপরাধে দোকানটির মালিক অজিত কুমার পালকে কৃষি বিপণন আইন ২০১৮ এর আওতায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মজুতকৃত তেল ভোক্তাদের কাছে বাজার মূল্য বিক্রি করার নির্দেশ দেন।

    এ ছাড়াও আরও একটি দোকানিকে ২০ হাজারটাকা জরিমানা করাসহ মেসার্স শংকর পাল, মেসার্স স্বপন রায়, সুনিল স্টোর,নিলয় স্টোর, রবীন্দ্র স্টোর ,কাজল ঠাকুরসহ বাজারে দোকানিদের বাজার মূল্য তেল বিক্রি করার নির্দেশ দেন ।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন জানান, দোকানিরা তেল মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে জানতে পেরে মেসার্স অজিত কুমার পালের দোকানে গিয়ে দেখি বোতালজাত করা কোনো তেল নেই। পরে তার গুদামে গিয়ে প্রচুর পরিমাণ তেল পাওয়া যায়। তেল লুকিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার অপরাধে দোকানের মালিককে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।

    এ ছাড়া আরও ১টি দোকানের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, মাধবপুর থানার এসআই হুমায়ূন কবির এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও স্থানীয় কাউন্সিলর পিন্টু পাঠান শেখ জহির প্রমূখ।

  • লাখাই প্রেসক্লাব এর সংবর্ধনা ও ইফতার  মাহফিল অনুষ্টিত

    লাখাই প্রেসক্লাব এর সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত

    লাখাই প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার পার্টি এবং সাহসী সাংবাদিকতায় অবদান রাখায় ‘দৈনিক আমার হবিগঞ্জ স্বর্ণপদক ২০২২’ প্রাপ্ত সাংবাদিক আতাউর রহমান ইমরানকে সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট প্রদান শনিবার (৩০ এপ্রিল) লাখাই বাজারে লাখাই প্রেসক্লাব সভাপতি এডভোকেট আলী নোয়ার এর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক প্রতিদিনের বাণী পত্রিকার লাখাই প্রতিনিধি আশীষ দাস গুপ্তের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত হয়।

    এতে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লাখাই রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ বাহার উদ্দীন, লাখাই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এনায়েত হোসেন, ইউনিয়ন বি,এন,পি আহবায়ক বিএইচ,এম,রানা। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লাখাই প্রেসক্লাবের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম।

    সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শুভ দাশগুপ্ত, লাখাই প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক মাওলানা জালালআহমেদ , লাখাই রাধাচরণ অভয়চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জামাল উদ্দিন, স্বজনগ্রাম তদন্ত কেন্দ্রের এস.আই নুরুদ্দিন , লাখাই রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও আজকের হবিগঞ্জ পত্রিকার লাখাই প্রতিনিধি বিল্লাল আহমেদ, লাখাই উপজেলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও লাখো কন্ঠ এবং চ্যানেল এস এর হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি সুশীল দাস, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব লাখাই উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ রিপন ও সাংবাদিক শাহিনুর রহমান মোল্লা, দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকার লাখাই প্রতিনিধি এম এ ওয়াহেদ, মনর উদ্দিন মনির, এমসি শুভ, লাখাই অনলাইন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সূর্য রায়, সাংবাদিক সানি চন্দ্র বিশ্বাস, আক্তার হোসেন, সায়েদুর রহমান সহ আরো অনেকে। সভায় বক্তারা সাহসী সাংবাদিকতার জন্য স্বর্ণপদক লাভ করায় দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদক আতাউর রহমান ইমরান কে সাধুবাদ জানান।

    সমাজের অন্যায়-অবিচারকে লেখনীর মাধ্যমে মোকাবেলায় তাকে উৎসাহিত করেন। সভায় সংবর্ধিত ব্যক্তি সাংবাদিক আতাউর রহমান ইমরান তাকে সম্মান প্রদান করায় সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সংবাদ প্রকাশে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। এসময় তাকে সম্মানসূচক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওঃ জালাল আহমেদ।