Category: হবিগঞ্জ

  • জাতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জন করায় বানিয়াচংয়ে ৩ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

    জাতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জন করায় বানিয়াচংয়ে ৩ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

    জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জন করায় বানিয়াচংয়ের মেধাবিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

    ১৮ মে বুধবার সকাল ১০টায় বানিয়াচং মেধাবিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সংবর্ধনা অনুষ্টিত হয়।

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভানু চন্দ চন্দের পরিচালনায় ও বানিয়াচং উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান খানের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্টিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য সুফিউর রহমান, বানিয়াচং প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া, ক্রীড়া শিক্ষক সাহেদ আলী, উশু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও কুংফু-কারাতের প্রশিক্ষক জুয়েল রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাওসার শোকরানা, সিরাজুল ইসলাম প্রমূখ।

    এ সময় মেধাবিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

    সংবর্ধিত শিক্ষার্থীরা হলেন মেধাবিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র আমির উদ্দিন। আমির উদ্দিন বক্সিংয়ে জাতীয় পর্যায়ে বাছাই পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়ে লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ায় অনুষ্টিত বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের সুযোগ পেয়েছে।

    একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী লুবনা আক্তার বঙ্গবন্ধু এ্যাথলেট প্রতিযোগীতা জাতীয় পর্যায়ে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে।

    একই বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী নুসরাত জাহান পুস্পা জাতীয় শিশু প্রতিযোগীতায় দাবা খেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

  • বৃক্ষরোপণ অন্যতম একটি ইবাদত

    বৃক্ষরোপণ অন্যতম একটি ইবাদত

    মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম সাদিকঃ বৃক্ষরোপণ অন্যতম একটি ইবাদত। ইসলামের দৃষ্টিতে একাজ অত্যন্ত পুণ্যময়। রাসুল (সাঃ) স্বয়ং বৃক্ষরোপণ করেছেন এবং বৃক্ষরোপণ করার জন্য গুরুত্বারোপ করেছেন। বৃক্ষরাজি সবুজ শ্যামল পাতা বিস্তার করে পরিবেশকে সুন্দর রাখে, আবহাওয়াকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য অনুকূলে রাখে যা মহান মালিকের অপার করুণার পরিচায়ক।

    ছোট্ট বীজটি হতে নির্দিষ্ট সময়ে চারা অংকুরোদগমিত হয়ে অত্যন্ত কোমল পাতা গজাতে থাকে এবং ধীরে ধীরে গাঢ় সুবজে তা ছেয়ে দেয় চারপাশকে।

    রাসুল (সাঃ) ইরশাদ করেন- কোন মুসলিম যদি একটি চারাগাছ রোপণ করে কিংবা বীজ বপন করে, তারপর সেই গাছ ও ফসল দ্বারা মানুষ উপকৃত হয় কিংবা পশুপাখি খায়-তাহলে এর বিনিময়ে তার আমলনামায় সাদকাহ প্রদানের সাওয়াব লেখা হয় (মিশকাত)।

    অনত্রে রাসুল (সাঃ) দু’টি কবরের উপরে দু’টি খেজুরের ডালের অংশ রোপণ করে বলেছিলেন, এ দু’টো কবরে আযাব হচ্ছে-দু’টি হালকা (মুক্ত থাকা সহজ) কারণে এ আযাব হচ্ছে, একজন মানুষের গোপন তথ্য একে অন্যের নিকট লাগিয়ে ঝগড়া বাধাত আর অপরজন পেশাব করে ভালভাবে পবিত্র হতো না। যতক্ষণ পর্যন্ত পাতাগুলো সতেজ থাকবে ততক্ষণ তাদের কবরের আযাবকে আল্লাহ তা’আলা হালকা করে দেবেন (বুখারি)।

    উক্ত হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, সতেজ পাতাও আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভের অন্যতম উপলক্ষ হয়। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত আখেরাতের মঙ্গল কামনার জন্য সুবিধাজনক স্থানে বৃক্ষরোপণ করা। শূন্যস্থানসমূহকে সবুজ উদ্যানে পরিণত করা। যদ্বারা মৃত ব্যক্তিগণও উপকৃত হন।

    বৃক্ষ আমাদের পরম বন্ধু, মানুষ ও পরিবেশের আল্লাহর পক্ষ থেকে অমূল্য নেয়ামত। খাদ্য, বস্ত্র, পুষ্টি, বাসস্থান, ওষুধপত্র, অর্থের যোগানদাতা হিসেবে বৃক্ষের অবদান অনস্বীকার্য, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য সুরক্ষা ও উন্নয়নে বৃক্ষ গুরুত্বপূণর্ ভূমিকা পালন করে।

    প্রাণিজগতের অস্তিত্ব উদ্ভিদ জগতের ওপর নিভর্রশীল এবং এ যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। পৃথিবীকে বাসযোগ্য অবস্থানে গড়ে তোলা বা কোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য অবশ্যই ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক।

    কিন্তু আমাদের রয়েছে সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন মাত্র ১০ ভাগ বনভূমি এবং ৭ ভাগ গ্রামেগঞ্জে রোপিত বা সৃজিত বনভূমি। যে দেশে বনভূমি যত বেশি সে দেশ তত বেশি সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের বনভূমি প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য। এ থেকে বোঝা যায় বৃক্ষরোপণ আমাদের জন্য অতীব জরুরি।

    বৃক্ষ পরম বন্ধু হয়ে গ্রিন হাউসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে, প্রয়োজনীয় খাদ্যের জোগান দেয়, অক্সিজেন সরবরাহ করে, বাতাসের অতিরিক্ত কাবর্ন ডাইঅক্সাইড শোষণের মাধ্যমে পরিবেশ নিমর্ল রাখে, ক্ষতিকর দূষিত বাতাস শোধন করে জীবজগৎকে রক্ষা করে, সুশীতল ছায়া দেয়, মাটির ক্ষয় রোধ করে, মাটিতে জৈব পদার্থ যোগ করে মাটির উবর্রতা রক্ষা করে, মাটিতে উপযুক্ত পরিমাণ পানি ধরে রাখে, জ্বালানি সরবরাহ করে, জীবন রক্ষাকারী মূল্যবান ওষুধের কাঁচামালের যোগান দেয়, পশু-পাখি ও অন্যান্য বণ্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে কাজ করে, প্রাকৃতিক দুযোর্গ ঝড়-ঝঞ্ঝা জলোচ্ছ্বাস বন্যা রোধ করে।

    বৃক্ষের দ্বারা বায়ু দূষণকারী পদাথর্ যেমন-কাবর্ন মনোক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড শোষণ করে এবং গাছের পাতা ঝড়-বাতাসের গতিকে রোধ করে, বৃষ্টির সৃষ্টি করে ও মরুময়তা রোধ করে, প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি প্রকৃতিকে মায়াময় ও সৌন্দযর্ময় রূপে সাজিয়ে তোলে।

    পরিবেশ ও জলবায়ুর প্রতি গভীর দৃষ্টি রাখা ও এর-অনুকূলে পরিশ্রম করার শিক্ষাও ইসলাম অত্যন্ত উত্তম রূপে প্রদান করেছে।

    কেননা পযার্প্ত পরিমাণ বনভূমি ও বৃক্ষ না থাকার কারণে আমাদের প্রতিনিয়ত যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তার মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, মরুময়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বাতাসে কাবর্ন-ডাইঅক্সাইড বৃদ্ধি পাচ্ছে, জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর ক্লোরোফ্লোরো কাবর্ন, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ অনেক অনেক গুণ বেড়ে যাচ্ছে, বায়ুম-লের ওজন স্তরে ফাটল সৃষ্টি হচ্ছে- ফলে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে চলে আসছে।

    এসিড বৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মেরু অঞ্চল ও এন্টারটিকা মহাদেশের বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তেনর ফলে আগামী ২ দশকের মধ্যে সারা বিশ্বের ৬০০ মিলিয়ন মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে গবেষক ও বিশ্লেষকদের ধারণা।

    জলবায়ু পরিবতর্নজনিত কারণে বতর্মানে বাষির্ক ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ১২৫ মিলিয়ন মাকির্ন ডলার যা ২০৩০ সাল নাগাদ ৩৪০ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে এবং জলবায়ু পরিবর্তেনর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ।

    এসব জটিল প্রাকৃতিক সমস্যাকে সফলভাবে মোকাবিলার জন্য এখনই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ইসলামের শিক্ষা মেনে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে পরিবেশকে সুন্দর ও মুক্ত রাখার জন্যও বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।

    বৃক্ষ নিধন অন্যতম একটি অপরাধ। কেননা এটিও একপ্রকার অপচয়। একাজ হতে আমাদেরকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন ও উত্তপ্ত জ্বালানি ব্যবহারের ফলে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামগ্রিক জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে।

    পশু-পাখির প্রজনন ব্যাহত হওয়ার ফলে সুন্দর বনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ আজ বিলুপ্ত প্রায়। এ ছাড়া বাংলাদেশের প্রকৃতি থেকে হাজারো প্রজাতির পশু-পাখি ও জলজ প্রাণী হারিয়ে যাচ্ছে।

    ইতোমধ্যে ৫ হাজার প্রজাতির গাছের মধ্যে ১০৬টির অস্তিত্ব প্রায় বিলুপ্ত। ৬৩২টি প্রজাতির পাখির মধ্যে ১২টি প্রজাতি ইতোমধ্যে বিলুপ্ত এবং ৩০টি প্রজাতি বিলুপ্তির পথে। ১১০টি পশু প্রজাতির ৪০টির কোনো অস্তিত্ব নেই। ৭৮০টি প্রজাতির মাছের মধ্যে ৫৪টির অস্তিত্ব নেই বললে চলে।

    বিশেষজ্ঞদের ধারণা মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে কৃষি উৎপাদন ৩০ ভাগ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং দক্ষিণ এশিয়ার ২২ শতাংশ কৃষি জমি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাই এ বিষয়টি আমরা সহজেই অনুধাবন করতে পারি যে, বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

    বন-জঙ্গল, পাহাড়-পর্বত সবকিছুকেই আল্লাহ তা’আলা বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্টি করছেন। অপ্রয়োজনে এবং লোভের কারণে কখনই এগুলোকে নষ্ট করা উচিত নয়। এতে শরীয়াতের দৃষ্টিতে যেমনভাবে পাপী হতে হয়, তেমনিভাবে পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতির জন্যও দায়ী হতে হয় যা মানবতার পরিপন্থী এবং যে কোন ধর্মের বিচারেও অন্যায়।

    পক্ষান্তরে পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ যেমন উপকারী, মানব সমাজেও তা সম্মানজনক ও সেবামূলক হিসেবে বিবেচিত আবার আল্লাহর অনন্ত সন্তুষ্টি লাভেরও অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত।

    মহান মালিক আমাদের সকলকে এ গুরুত্বপূর্ণ সত্যটি অনুধাবনের শক্তি দিন যাতে আমরাও তাঁর প্রিয় হতে পারি। তা হল – “বৃক্ষ নিধন নয় বরং পরিচর্যা করতে হবে, উত্তম পরিবেশ গড়তে, বৃক্ষরোপণ করতে হবে।”

    লেখকঃ প্রাবন্ধিক ও মুদ্রণ ব্যবস্থাপক, দৈনিক সিলেটের ডাক।
  • লাখাইয়ে পূনঃনির্মান কাজ শেষ হতে না হতেই সড়কের এজিং সহ পার্শ্বদেশ ধ্বসে পড়ছে

    লাখাইয়ে পূনঃনির্মান কাজ শেষ হতে না হতেই সড়কের এজিং সহ পার্শ্বদেশ ধ্বসে পড়ছে

    হবিগঞ্জ লাখাই সড়কের বুল্লাবাজার অংশ হইতে গুনিপুর সড়কের সিংহগ্রাম অংশের পূনঃ নির্মান কাজ শেষ হতে না হতেই সিংহগ্রাম শাহী ঈদগাহ মাঠ হইতে পশ্চিম সিংহগ্রাম পর্যন্ত সড়কের স্থানে স্থানে ধ্বসে পড়ার উপক্রম হয়ে পড়ছে।

    সড়কের পাশের গাইড ওয়াল এ যথানিয়মে মাটি ভরাট না করে এবং মাটি না চাপিয়ে নামকাওয়াস্তে ড্রেসিং করে সড়ক নির্মানের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে চলমান বৃষ্টিপাতে গাইডওয়াল এর মাটি দেবে যাওয়ায় বর্তমানে রাস্তার এজিং সহ সড়কের অংশবিশেষ ধ্বসে পড়ছে। সেইসাথে সড়কের স্থানে স্থানে পার্শ্বদেশে ফাটল দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় ভারী বৃষ্টিপাত হলে সড়কের এ অংশ ধ্বসে পড়তে পারে। এদিকে সড়কের এ উল্লেখিত অংশে ফাটল ও মাটি দেবে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। এমতাবস্থায় সড়কের এ অংশ পূনঃ মেরামত করা অতীব জরুরী।

    উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর – লাখাই সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জের ঠিকাদার হারিছ উদ্দীন নামে একজন ঠিকাদার সড়কের বুল্লাবাজার হইতে সিংহগ্রাম তোতামিয়া মক্তব পর্যন্ত অংশের পুনঃ নির্মান কাজ পায়।

    ঠিকাদার সড়কের আংশিকভাবে সিসি ঢালাই ও আংশিক কার্পেটিং মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করে। এরই মধ্যে কার্পেটিং অংশের স্থানে স্থানে ধ্বসে পড়ছে।

    সূত্রে আরোও জানা যায়, ১ কোটি টাকারও বেশী প্রাক্কলিত ব্যয়ে সড়কের কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে সিংহগ্রাম এর ইজিবাইক চালক বেলন মিয়া জানান, ঠিকাদার গাইডওয়াল ও সড়কের পাশে মাটি ফেলে তা ভালোভাবে ড্রেসিং ও না বসিয়ে যেনতেন ভাবে কাজ করায় সামান্য বৃষ্টিতেই তা ধ্বসে যাচ্ছে।কাজ করার সময় আমরা এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।

    এ ব্যপারে সিংহগ্রাম এর আব্দুল আওয়াল জানান, নির্মান কাজ চলাকালীন অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ হচ্ছে দেখে সংশ্লিষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা এলজিইডি দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও কোন ফলোদয় হয়নি। ঠিকাদার দায়সাড়া ভাবে কাজ করে চলে গেছে।

    কোটি টাকারও বেশী ব্যয়ে নির্মিত সড়কের এমন বেহাল অবস্থায় পতিত হচ্ছে দেখে এ রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনের চালকরা অসন্তোষ প্রকাশ করছে।

    এ ব্যাপারে লাখাই উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী শাকিল আহমেদ এর সাথে মুঠো ফোনে আলাপ কালে জানান, এ সড়কের এই অবস্থা জানানোয় ভাল হয়েছে। আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখে মেরামতের ব্যবস্থা করছি। তিনি আরোও জানান বৃষ্টিপাত হওয়ায় মাটি সড়ে গিয়ে এমনটি হয়ে থাকতে পারে।

  • বিএনপি আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল – এমপি আবু জাহির

    বিএনপি আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল – এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতায় আমরা হবিগঞ্জে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজসহ অভাবনীয় উন্নয়ন সম্পাদন করতে পেরেছি। তবে উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত করতে বিএনপি ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আওয়ামী পরিবারের সকলকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

    তিনি গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জ পৌর টাউন হলে জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন।

    এমপি আবু জাহির আরও বলেন, বিএনপি একটি আত্মসীকৃত দুর্নীতিবাজ দল। তারেক রহমান ২২ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দুর্নীতিবাজ হিসেবে পরিচয় পেয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রকাশিত ৫০ জন দুর্নীতিবাজের তালিকায় রয়েছে হবিগঞ্জের বিএনপি নেতা জিকে গউছের নাম। এই দুর্নীতিবাজদের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে দেশবাসীর মন জয় করে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসবে ইনশাল্লাহ।

    বিএনপি আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল - এমপি আবু জাহির

    জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী সভার সঞ্চালনা করেন। শুরুতেই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং পরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় বক্তব্য রেখেছেন সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট মনোয়ার আলী, কুতুব উদ্দিন, অ্যাডভোকেট আফীল উদ্দিন, ডাঃ অসিত রঞ্জন দাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র আতাউর রহমান সেলিম।

    আরো বক্তব্য রেখেছেন লুৎফুর রহমান তালুকদার, মশিউর রহমান শামীম, অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, অ্যাডভোকেট হুমায়ন কবীর সৈকত, অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম, ডাঃ দেবপদ রায়, মিজানুর রহমান শামীম, অ্যাডভোকেট তোষার মোদক, অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান সজল খান, হুমায়ুন কবীর রেজা।

    এছাড়াও বক্তব্য রেখেছেন বিপ্লব রায় চৌধুরী, ফয়জুল বশির চৌধুরী সুজন, মোস্তফা কামাল আজাদ রাসেল, সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ, শাহেব আলী, সাইদুর রহমান, মহিবুর রহমান মাহী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন আরিফ বাপ্পী, সাধারণ সম্পাদক ফয়জুর রহমান রবিন প্রমুখ।

  • শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে হবিগঞ্জে যুবলীগের র‌্যালি

    শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে হবিগঞ্জে যুবলীগের র‌্যালি

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগের উদ্যোগে র‌্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে একটি র‌্যালি বের হয়ে জেলা শহর প্রদক্ষিণ করে।

    পরে চৌধুরীবাজার ট্রাফিক পয়েন্টে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভা ও র‌্যালিতে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি। এতে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম।

    উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান শামীম, জেলা যুবলীগের সহ সভাপতি শাহ মোঃ আরজু, শওকত আকবর সোহেল, আব্দুর রউফ মাসুক, হাজী সামছু, ইঞ্জিনিয়ার ওয়াহিদুজ্জামান বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব রায় চৌধুরী, মোতাহের হোসেন রিজু।

    উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুজ্জামান হিরাজ, ফেরদৌস আহমেদ, তাজ উদ্দিন আহমেদ তাজ, অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান, আবুল কাশেম চৌধুরী, বিপুল রায়, মোঃ বদরুল আলম।

    সমাজকল্যাণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন চৌধুরী সুমন, শেফাল বণিক, মোস্তাফা কামাল সংগ্রাম, শাহ দরাজ, জাহির আহমেদ, বেলাল আহমেদ, শাহরিয়া চৌধুরী সুমন, শাহ আলম সিদ্দিকী, শাহীন তালুকদার, বিপুল রায়, দ্রুব জ্যোতি দাশ টিটু, আলমগীর দেওয়ান, শাহীন আহমেদ, ফারুক আহমেদ, সবুজ আহমেদ, জুবায়ের আহমেদ নাজু।

    আরো উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবলীগের ডা. আহবায়ক ইশতিয়াক রাজ চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক ইকবাল হোসেন খান, অ্যাডভোকেট আলী আফজল আপন, এমএ মামুন, আমির উদ্দিন জিসান, মাহবুবুর রহমান মোহন, সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির আহমেদ রনি, নোমান আহমেদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহী, বর্তমান সভাপতি মোশাররফ হোসেন আরিফ বাপ্পী প্রমুখ।

  • বানিয়াচং দক্ষিন-পশ্চিম ইউনিয়নের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল

    বানিয়াচং দক্ষিন-পশ্চিম ইউনিয়নের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল

    বানিয়াচং উপজেলার ৪ নম্বর দক্ষিন-পশ্চিম ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে। আজ (১৭ মে ২০২২) মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন ছিল। এই দিন বেশ উল্লেখযোগ্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান রেখাছ মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন, মোয়জ্জম হোসেন, মোহাম্মদ ইত্তেহাদ মুবিন, মোহাম্মদ মোকাম্মিল হোসাইন সহ মোট ৫ জন প্রার্থী।

    সংরক্ষিত সদস্য পদে মোট ১৪ জন প্রার্থী ও সাধারণ সদস্য পদে মোট ৪৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    মনোনয়ন বাছাই ১৯ মে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৬ মে। প্রতীক বরাদ্ধ ২৭ মে এবং নির্বাচন অনুষ্টিত হবে আগামী ১৫ জুন।

    বানিয়াচং উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৪টি ইউনিয়নের নির্বাচন ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরমান ভূইয়া বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ট ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্টিত হবে।

  • বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল বানিয়াচংয়ে উদ্বোধন বোধবার

    বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল বানিয়াচংয়ে উদ্বোধন বোধবার

    বানিয়াচংয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক) ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালিকা) বাস্তবায়নের জন্য এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

    ১৬ মে সোমবার বিকাল ৪টায় বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে অনুষ্টিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি পদ্মাসন সিংহ।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফফাত আরা জামান ঊর্মি।

    উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর হোসেন মাষ্টার।

    উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাফর ইকবাল চৌধুরী,পল্লী সঞ্চয় কর্মকর্তা সুদীপ কুমার দে,বানিয়াচং প্রেসক্লাবের সভাপতি মোশাহেদ মিয়া,উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা আব্দুর রৌফ,শাহিবুর রহমান,শেখ আবুল মনসুর তুহিন,শাহজাহান মিয়া,বাবুল মিয়া প্রমূখ।

    সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৮ মে সকাল ১০টায় শেখ রাসেল মিনি ষ্টেডিয়াম টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করা হবে।