Category: হবিগঞ্জ

  • বানিয়াচংয়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

    বানিয়াচংয়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

    জুয়েল রহমান, বানিয়াচং (হবিগঞ্জ)

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও কুশিয়ারা নদীর বাধ ভেঙ্গে এবং অতিবৃষ্টির কারণে বানিয়াচং উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন‘ই বন্যা কবলিত হয়ে পড়ছে। প্রতিদিনই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

    ইতিমধ্যে বানিয়াচং উপজেলার সাথে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়াও বানিয়াচং – ভায়া নবীগঞ্জ – সিলেট এর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বানিয়াচংয়ের সাথে হবিগঞ্জ জেলা সহ সারাদেশের সঙ্গে যে কোন মূহুর্তে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

    উপজেলা দূর্যোগ ও ত্রান শাখা (পিআইও অফিস) সূত্রে জানা যায়, ১১২টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১১ হাজার পরিবার আশ্রয় গ্রহণ করেছে। পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে ৩০ হাজার পরিবার। ক্ষতিগ্রস্থ লোকসংখ্যা প্রায় ৪৫ হাজার। এ পর্যন্ত সরকারিভাবে বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে ৪৫ মেট্রিক টন চাল ও নগদ দুই লক্ষ টাকা। এছাড়া ৩’শ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

    দূর্গত এলাকার মানুষজনের সাথে আলাপকালে জানা যায়, গ্রামের মানুষজন ধান ও গবাদি পশু নিয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে কম মূল্যে ধান ও গবাদি পশু বিক্রয় করে দিচ্ছেন।

    উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ৫ হাজার ৯শ হেক্টর রোপা আমন ও ১ হাজার ৬শ ৪০ হেক্টর আউশ ও ৫ হাজার ৬শ হেক্টর বোনা আমনের জমি সম্পূর্ণভাবে তলিয়ে গেছে। যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬১ কোটি টাকা।

    উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ৮শ পুকুর সম্পূর্ণভাবে ডুবে গেছে। যার ক্ষতির পরিমাণ ৫০ লক্ষ টাকা।

    বন্যা পরিস্থিতির অবনতিতে সাধারণ মানষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। এ ব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রিত মানুষজনদের শুকনো খাবার সহ অন্যান্য ত্রান সামগ্রী বিতরণ করছি। এবং এই ত্রান তৎপরতা আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে অব্যাহত থাকবে।

  • আজমিরীগঞ্জে বানভাসি মাঝে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ত্রাণ বিতরণ

    আজমিরীগঞ্জে বানভাসি মাঝে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ত্রাণ বিতরণ

    মোঃ আশিকুর রহমান, আজমিরীগঞ্জ:

    হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৭০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, জলসুখা কে. জি. পি উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াগড়, মাধবপাশা, দক্ষিণ আটপাড়া, পাটুলীপাড়া এবং জলসুখা ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৯০ জন বানভাসিদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

    এ সময় জলসুখা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ফয়েজ আহমেদ খেলু মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা উপস্থিত ছিলেন ।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, উপজেলার বন্যা কবলিত ক্ষতিগ্রস্থ ৭০০ পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, লবণসহ ১৪ কেজি পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করা হয়।

  • শায়েস্তাগঞ্জে বেশির ভাগ পল্লী চিকিৎসকের নেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা

    শায়েস্তাগঞ্জে বেশির ভাগ পল্লী চিকিৎসকের নেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন হাট বাজারে শতাধিক পল্লী চিকিৎসক রয়েছে। এদের অধিকাংশরই নেই প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সনদপত্র। এ ছাড়া কারো নেই ওষুধ বিক্রির ড্রাগ লাইসেন্স।

    অনেকে প্রথমে ছোটখাটো ওষুধের দোকান দিয়ে শুরু করে, পরে পল্লী চিকিৎসক হয়েছেন।

    জানা গেছে, একজন পল্লী চিকিৎসকের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার অনুমতি থাকলেও ছোট থেকে বড় সব ধরনের চিকিৎসা করে থাকেন তারা। শিশুসহ বৃদ্ধ যেকোনো বয়সের নারী-পুরুষের বিভিন্ন সমস্যার জন্য কোনো প্রেসক্রিপশন ছাড়াই তারা ওষুধ দেন।

    নিজেদের সুনাম বৃদ্ধি করতে হরহামেশায় দিয়ে থাকেন অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ। যাতে করে রোগীর সাময়িক উপশম হলেও বিপদের দিকে ধাবিত হয়।

    সচেতন মহল জানান, এসব গ্রাম্য চিকিৎসকের ওপর নেই কোনো প্রশাসনিক নজরদারি। পল্লী চিকিৎসক গ্রামের সাধারণ মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা। অনেক সময় রাতের বেলা পল্লী চিকিৎসকের কাছে গিয়ে দাঁড়ায় গ্রামের সাধারণ মানুষ।

    সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, হাটবাজারে ছোটখাটো ওষুধের দোকান প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ওষুধ বিক্রি করেন। এই সুযোগে সাধারণ মানুষের উপকার চেয়ে ক্ষতি করছে অনেকে।

    কারণ প্রাতিষ্ঠানিক কোনো প্রশিক্ষণ না নিয়েই করে চলেছেন চিকিৎসা। পল্লী চিকিৎসকদের সঠিক পরিসংখ্যান করে তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার আহবান জানান সচেতন মহল।

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা সহকারী সার্জন ডাঃ বিশ্বজিৎ রায় জানান, পল্লী চিকিৎসকের এসএম, এএফপি, ডিএনএ, প্যারামেডিকেল বা আরএমপি করা থাকতে হবে। যাদের পল্লী চিকিৎসকের কোনো কোর্স করা নেই তাদের এ পেশায় না থাকাই উচিত।

    ডাঃ বিশ্বজিৎ রায় আরো বলেন, আমরা জানতে পেরেছি অনেকেই পল্লী চিকিৎসকের কোর্স না করেই চিকিৎসা দিয়ে বা ওষুধ বিক্রি করেন প্রেসক্রিপশন ছাড়াই। দ্রুত তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানাই।

  • লাখাইয়ে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, জনদূর্ভোগ চরমে

    লাখাইয়ে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, জনদূর্ভোগ চরমে

    হবিগঞ্জের লাখাইয়ে সর্বশেষ বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। বানের পানি বৃূদ্ধি অব্যাহত থাকায় লাখাই উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের বোনা আমন ও আউশধান তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমী সবজিও তলিয়ে গেছে।

    পানি বৃদ্ধির ফলে ডাটা, পুঁইশাক, ঢেঁড়শ, বরবটি, শশা, লাউ, কুমড়া, কলা, আখ, ঝিঙা সহ সব্জির ক্ষেত তলিয়ে গেছে। প্রতিটি ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চলের ঘর- বাড়ীতে হাঁটু, কোমর সমান পানি প্রবেশ করায় অনেক পরিবার তাদের আত্বীয় স্বজনদের বাড়ীতে আবার কেউবা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।

    কৃষকের গোলার ধান ও গবাদিপশু নিয়ে পড়েছে বিপাকে। খড়ের গাঁদা তলিয়ে যাওয়ায় গবাদিপশু খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

    বিভিন্ন সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসায় পানি প্রবেশ করেছে আবার কোনটিতে প্রবেশের উপক্রম। এদিকে বানের তোড়ে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা হুমকির সন্মুখীন। অনেক সড়কে ভাংঙ্গন দেখা দিয়েছে।

    বানের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জলমগ্ন বাড়ীঘরের প্রায় ৩ শতাধিক লোক বিভিন্ন আশ্রায় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা যায়।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করায় এবং প্রতিষ্ঠানের সংযোগ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যে ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

    এ ব্যাপার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শরীফ উদ্দীন এর সাথে আলাপকালে জানান, লাখাই সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। তবে আশার কথাহলো বৃষ্টিপাত না হলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। আমরা বন্যার ক্ষয় ক্ষতি মোকাবেলায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। বুল্লা ও লাখাই ইউনিয়নের বন্যা উপদ্রুত এলাকার দূর্দশা গ্রস্থদের খোঁজ খবর নিচ্ছি। প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরন করছি।

  • বেড়েই চলেছে খোয়াই নদীর পানি

    বেড়েই চলেছে খোয়াই নদীর পানি

    অতি বৃষ্টি ও উজানের নেমে আসা ঢলে হবিগঞ্জ জেলা শহরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া খোয়াই নদের পানি দ্রুত বেড়ে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে৷ আর এতে হুমকির মুখে পড়েছে হবিগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ৷ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শহরবাসীকে সতর্ক করে মাইকিং করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার দুপুর থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়।

    বিকেলের দিকে জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে খোয়াই নদীর পানি চুনারুঘাটের বাল্লা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২৯ সেন্টিমিটার এবং শহরের মাছুলিয়া পয়েন্টে পাঁচ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে শহর রক্ষা বাঁধটি হুমকির মুখে রয়েছে। তাই যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় শহরবাসীকে সতর্ক থাকতে জেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে৷

    জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (অতিরক্তি) মিনহাজ আহমেদ শোভন মানবকন্ঠকে বলেন, খোয়াই নদীর পানি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৃষ্টি না হলেও রাত পর্যন্ত পানি বৃদ্ধি পাবে। প্রতি ঘন্টায় বৃদ্ধি ১০ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে হবিগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধটি চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি এবং বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। তবে পানি বৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাঁধ উপচে শহরে পানি প্রবেশ করার আশঙ্কা রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির জন্য শহরবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে।

    এদিকে, খোয়াই নদীর পানি রোববার রাত থেকে বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর তীরবর্তী কয়েকটি নিচু এলাকা এরই মধ্যে প্লাবিত হয়েছে। বেশ কিছু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন৷

    পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত থেকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের বাল্লা সীমান্তে খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়৷ আর এটি বেড়ে গিয়ে বর্তমানে ১২৯ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে৷ আর এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের মূল পয়েন্ট মাছুলিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সে.মি. উপরে রয়েছে৷ এর ফলে শহরবাসীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।

    রোববার (১৯ জুন) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খোয়াই নদীর পানি বৃদ্ধির খবরটি চাউর হতে থাকলে বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক শুরু হয়। নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন শহরবাসী৷ কখন যেনো খোয়াই নদীর বাধঁ ভেঙে পানি হবিগঞ্জ শহরে ঢুকে পড়ে৷ পানি বাড়তে থাকায় জেলা প্রশাসন থেকেও সোমবার বিকেলে শহরে মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে৷

    হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহানেওয়াজ তালুকদার মানবকন্ঠকে জানান, তার নেতৃত্বে একটি দল খোয়াই নদীর শহরের মাছুলিয়া পয়েন্ট এলাকা পরিদর্শন করেছে। শহরে খোয়াই নদীর প্রধান পয়েন্ট হিসেবে মাছুলিয়াকে ধরা হয়। বর্তমানে মূল শহরের পাশ দিয়ে নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সে.মি. উপরে প্রবাহিত হচ্ছে৷ আর চুনারুঘাটের বাল্লা সীমান্তে বিপৎসীমার ১২৯ সে.মি. উপরে রয়েছে৷

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা আরো জানান, তাদের লোকজন রোববার রাতে ঘুমাননি৷ সবাই সারা রাত জেগে হবিগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধটি মনিটরিং করেছেন। ইতিমধ্যেই শহরবাসীদের মধ্যে আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়েছে যে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

  • বানিয়াচংয়ে বেড়েই চলেছে বন্যার পানি

    বানিয়াচংয়ে বেড়েই চলেছে বন্যার পানি

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন হাওরে বেড়েই চলেছে বন্যার পানি। বিভিন্ন ইউনিয়নের বসতবাড়ি, আমনের জমি, গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট, মাছের খামার বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

    ইতিমধ্যে বন্যার্তরা আশ্র‍য় কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। সরকারিভাবে তালিকা করে ত্রান বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বড় রকমের বন্যার আশংকা করছেন সাধারণ মানুষজন।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৮ শত ৫৬ টি পরিবার ৫৬ টি আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

    ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে আংশগ্রহণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এডঃআব্দুল মজিদ খান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী, ইউএনও পদ্মাসন সিংহ, পিআইও মলয় কুমার দাস, ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, মঞ্জু কুমার দাস প্রমূখ।

  • বানিয়াচংয়ে গরু চুরির দায়ে ৫ চোর গ্রেফতার

    বানিয়াচংয়ে গরু চুরির দায়ে ৫ চোর গ্রেফতার

    বানিয়াচং থানা পুলিশের অভিযানে ৫ জন গরু চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বানিয়াচং থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় বানিয়াচং উপজেলার ৪ নম্বর ইউনিয়নের কুন্ডুরপাড় নামক স্থান থেকে একটি গরুর বাছুর চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় এলাকাবাসী আপন দুইভাই সহ তিন চোরকে আটক করে।

    পরবর্তীতে একই ঘটনায় অন্য দুইচোর সহ বানিয়াচং থানা পুলিশ ৫ চোরকে গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন মিন্টু মিয়া (৩২) ও সজীব মিয়া (২৪) পিতা নুরুল ইসলাম গ্রাম ভাদাউড়ি। এরা দুজন আপন ভাই। গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন শাহজাহান (২০), শামায়ূন (২২), মোফাজ্জল মিয়া (২৬)।

    ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এসআই সাদ্দাম হোসেন জানান, মিন্টু ও সজীব আপন দুই ভাই। এদের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে।