Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর পাড়ে মাথাবিহীন লাশ

    হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর পাড়ে মাথাবিহীন লাশ

    হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর পাড়ে কদর আলী (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গলা কেটে করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

    কদর আলী পৌর এলাকার জঙ্গলবহুলা গ্রামের মঙল মিয়ার ছেলে। তিনি টাক্টরে শ্রমিকের কাজ করতেন।

    শনিবার (২জুলাই) সকালে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা।

    পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে স্থানীয়রা খোয়াই নদীর মাছুলিয়া এলাকায় কদর আলীর মাথাবিহীন লাশ নদীর পাড়ে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তবে মাথা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

    এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের ধারণা, তাকে হত্যা করে মাথা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

  • আওয়ামী লীগ মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে – এমপি আবু জাহির

    আওয়ামী লীগ মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে – এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। এ সরকারের আমলে সকল ধর্মের মানুষ যার যার ধর্মীয় কর্মকান্ড নির্বিঘ্নে পালনের সুযোগ পেয়েছে।

    তিনি বলেন, বিএনপি দেশে সম্প্রদায়িক শক্তির পৃষ্টপোষক। তারা ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে অরাজকতা তৈরী করতে চায়। এ বিষয়ে সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে সচেতন থাকতে হবে।

    এমপি আবু জাহির গতকাল হবিগঞ্জ শহরে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) ও নরসিংহ জিউ মন্দিরের উদ্যোগে শ্রীশ্রী জগন্নাথের মহোৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে।

    আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বিজেন ব্যানার্জী, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা ও মাহফুজা আক্তার শিমুল, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শঙ্খ শুভ্র রায়, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শংকর পাল প্রমুখ।

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ ইসকন মন্দিরের অধ্যক্ষ উদয় গৌর ব্রহ্মচারী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন প্রমথ সরকার।

  • পাঁচ হাজার পরিবারে সহায়তা দিলেন এমপি আবু জাহির

    পাঁচ হাজার পরিবারে সহায়তা দিলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৫ হাজার পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সহায়তা বিতরণ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি। গতকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৃথক অনুষ্ঠানে তিনি এই সহায়তা বিতরণ করেন।

    এমপি আবু জাহির সকালে রিচি ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন। পরে লোকড়া, পইল, তেঘরিয়া, গোপায়া এবং লস্করপুর ইউনিয়নে বন্যা কবলিতদের মাঝে সন্ধ্যা পর্যন্ত চাল বিতরণ করেন তিনি।

    পৃথক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জনগণের নেত্রী। তিনি সকল দুর্যোগে জনগণের পাশে থাকেন। করোনা সংক্রমন শুরুর পর থেকে আমরা তাঁর নেতৃত্বে দিনরাত আপনাদের পাশে থেকেছি। এখন বন্যার সময়েও আমরা আপনাদের খবর রাখছি, যাদের খাবার নেই তাঁদেরকে খাবার দিচ্ছি। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র জন্য দোয়া করতে উপকারভোগীদের প্রতি অনুরোধ জানান।

    বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সমালোচনা করে এমপি আবু জাহির বলেন, বিএনপি’র নেতারা দেশের মানুষের সঙ্গে কচ্ছপের মতো আচরণ করেন। কচ্ছপ যেমন শুধু খাওয়ার সময় গলা বের করে ঠিক তেমনিভাবে বিএনপির নেতারাও নির্বাচন আসলে মানুষের পাশে আসে। জনগণের বিপদের সময় তাঁরা পাশে থাকে না। বিএনপি শুধু নির্বাচন আসলে মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত থাকে। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে এ দলের নেতাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তেঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এমএ মোতালিব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সহ সভাপতি সফর আলী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফ বাপ্পী, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ, মাহবুবুর রহমান হিরো, মোঃ কায়সার রহমান, মোঃ আব্দুল মান্নান প্রমুখ।

  • বানিয়াচংয়ে মোবাইল বিক্রিকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

    বানিয়াচংয়ে মোবাইল বিক্রিকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে মোবাইল বিক্রির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুন্সিবাড়ি ও হাজীবাড়ির সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও উভয় পক্ষের শতাধিক আহত হয়েছেন। গুরুতর গুলিবিদ্ধ ও টেটাবৃদ্ধ আহতদেরকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে ঢাকা ও সিলেটে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

    উভয় পক্ষের ৩ ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে মামুন মিয়া(৪০)নামের একজন নিহত হয়েছেন। নিহত মামুন আলমপুর গ্রামের মৃত আমীর আলীর পুত্র।

    ঘটনাটি ঘটেছে, শুক্রবার দুপুর ২টায় বানিয়াচং উপজেলার ১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের আলমপুর গ্রামে।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আলমপুর গ্রামের মৃত কাছুম আলীর পুত্র টিপু তার ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন টাকা নিয়ে বন্ধক রাখে একই গ্রামের আব্দুলা মিয়ার পুত্র মোস্তাকিমের নিকট।

    মুস্তাকিম বন্ধক রাখা মোবাইল ফোনটি আজ অনত্র বিক্রি করতে চাইলে এতে বাধা দেয় মোবাইল মালিক টিপু মিয়া। এনিয়ে দু’জনের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।

    তাদের এই ঘটনার খবর চলে যায় উভয় পক্ষের লোকজনের কাছে। তখন উভয় পক্ষেরই দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং তিন ঘন্টাব্যাপী চলতে থাকে এই সংঘর্ষ।

    খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশ ও হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ একদল অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে সংঘর্ষ থামাতে ঘটনাস্থলে যান।

    এ সময় সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ১০ রাউন্ড টিয়ারসেল ও শতাধিক রাউন্ডের উপরে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করে তাদের নিয়ন্ত্রনে আনেন।

    উভয় পক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অনেকেই টেটাবৃদ্ধ হন এবং পুলিশের রাবার বুলেটের আঘাতে আহত হয়েছেন।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ এমরান হোসেনের সাথে মুঠোফোনে সন্ধ্যা ৭টা ৭মিনিটে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মুন্সি বাড়ি ও হাজীবাড়ির লোকজনের মধ্যে একটি মোবাইলকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। এবং একজনের মৃত্যু ও শতাধিক আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রনে শান্ত রয়েছে। এবং এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। গ্রেফতার এড়াতে সংঘর্ষ এলাকার পুরুষশূন্য হয়ে পড়ে বলেও জানান তিনি।

  • লাখাইয়ে ভয়াবহ বন্যার প্রভাবে  কামার পল্লীতে সুনসান নিরবতা,অলস সময় পার করছেন কামারেরা

    লাখাইয়ে ভয়াবহ বন্যার প্রভাবে কামার পল্লীতে সুনসান নিরবতা,অলস সময় পার করছেন কামারেরা

    হবিগঞ্জের লাখাইয়ে অন্যান্য বছরের মতো এ বছর নেই কোন ব্যস্ততা। ঈদুল আযহা অর্থাৎ কোরবানীর ঈদে কামার পল্লীতে কামারেরা ব্যস্ত সময় পার করতো। সকাল থেকে গভীর রাত অবধি কামার পল্লী থেকে টুং টাং ভেসে আসতো।

    ঈদ যত ঘনিয়ে আসতো ততই তাদের কর্মব্যস্ততা বেড়ে যেতো বহুগুণ। যেন ফুরসত ফেলার যু নেই। ঈদের মাসাধিক পূর্ব থেকেই তারা কোরবানীর কাজে ব্যবহৃত দা, বটিসহ বিভিন্ন লৌহ নির্মিত পন্য তৈরী করে রাখতো। এছাড়া পুরাতন দা, বটি সান দেওয়া রয়েছেই। কিন্তু এ বছর কোরবানীর ঈদের দিন দশেক বাকী থাকলেও সেই দৃশ্য অনুপস্থিত।

    কামার পল্লীতে এ বছর ভয়াবহ বন্যার প্রভাবে কোন কাজ নেই বললেই চলে। আর কাজ তেমন না থাকায় কামার পল্লীতে চলছে সুনসান নিরবতা। কামারেরা যৎসামান্য কাজ কর্ম চালু রাখলেও ক্রেতা নেই বললেই চলে। সরজমিন লাখাইর মোড়াকড়ি বুল্লাবাজার সহ বিভিন্ন কামার পল্লীতে পরিদর্শনে দেখা যায় অন্যান্য বছরের মতে দোকানীরা ঐভাবে জিনিসপত্র তৈরি করেনি। পুরাতন কিছু জিনিসের সানের দেওয়ার কাজ করছে। আবার অনেকে অলস বসে রয়েছে।

    এ ব্যাপারে বুলা বাজার এর কামার পল্লীর তপন দেব এর সাথে আলাপকালে জানান ব্যবসা খুবই মন্দা। বন্যার কারনে ক্রেতা নেই তাই কাজও নেই। আর অগ্রিম কোন মাল তৈরী করিনি বেচাকেনা হবে কিনা এ ভাবনায়। তিনি আরোও জানান আমি চল্লিশ বছর যাবৎ এ পেশায় রয়েছি। এমন মন্দায় পড়িনি। জীবন কৃষ্ণ দেব জানান বেচাকেনা নেই।মন্দাভাব চলছে। প্রহ্লাদ কর্মকার জানান এখন বেচাকেনা নেই। তবে ঈদ আরো ঘনিয়ে আসলে বেচাকেনা হতে পারে এ আশায় রয়েছি।

  • লালচান্দ চা  বাগান ইস্যু। পল্লী  বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ!

    লালচান্দ চা বাগান ইস্যু। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ!

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নিকটবর্তী চুনারুঘাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দেওন্দি টি কোম্পানির অধিনেস্থ লাল চান্দ চা বাগানে আকস্মিক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার কারণে আনুমানিক ২৫ হাজার কেজি চা পাতা তথা প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হওয়ায় হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (হপবিস) সদর দপ্তর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ করেছে চা বাগান কর্তৃপক্ষ ।

    চা বাগান অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৭জুন) দুপুরে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সদর দপ্তর শায়েস্তাগঞ্জের কিছু (৬-৭ জন) অসাধু কর্মকর্তা – কর্মচারীরা হঠাৎ লাল চান্দ চা বাগানে বিনা অনুমতিতে চা কারখানায় প্রবেশ করে বিদ্যুৎ লাইন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ফলে চা কারখানায় হঠাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ অবস্থায় ২৫ হাজার কেজি চাপাতার ক্ষতি সাধন হয় ।

    পল্লী বিদ্যুৎ সদর দপ্তর এজিএম ইন্জিনিয়ার মোঃ সফিউল ইসলাম কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , জুন মাস আসছে কিন্তু বকেয়া বিদ্যুৎ বিল না দেওয়ার কারণে ও বিগত মে মাসের বাগানে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষ আদেশে আমি নিজে উপস্থিত হয়ে ২৭ জুন লাল চান্দ চা বাগানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় ।

    এদিকে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র ব্যবস্থাপক মোফাজ্জল হোসেন বলেন, বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল , লাল চান্দ চা বাগানের পূর্বে দু’টি বিদ্যুৎ বিল পাওনা থাকায় বাগানে আকস্মিক বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় । তার পরেও আমরা দেওন্দি , নোয়াপাড়া ও লাল চান্দ চা বাগানের ম্যানেজার বসে একটি জেন্টলম্যান এগ্রিমেন্ট করেছিলাম শুধু মৌখিক ভাবে । যার প্রেক্ষিতে আমরা বিদ্যুৎ লাইন পুনরায় সংযোগ দিয়েছি । চা বাগান ব্যবস্থাপক মোফাজ্জল হোসেন বলেন , হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি স্থাপিত হওয়ার পর চা বাগানে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার পর কোনো সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে হয় নি। বিদ্যুৎ বিলের পেছনে ” পল্লী বিদ্যুৎ এর কতিপয় সাধারণ বিধি ” ১ – ১৫ নিয়মাবলি লিখা আছে , সেই নিয়মাবলি উল্লেখ করে অনেক সময় বিদ্যুৎ বিল বিলম্ব মাশুল সহ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসা হচ্ছে । তাই আমাদের কোনো বিদ্যুৎ বিল পাওনা নেই । শুধু জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল জুলাই মাসের শেষ দিক দিতে হবে । তিনি আরো বলেন, বিগত মে মাসের বিদ্যুৎ বিল বিলম্ব মাশুল ছাড়া বিল পরিশোধের তারিখ ছিল ২৪ জুন এবং ২৯ জুন বিলম্ব মাশুল সহ পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল। অথচ ২৯ জুন হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সদর দপ্তর সকালে ০৩৫ / ১৭৯০ হিসাব নম্বরে বিলম্ব মাশুল সহ পরিশোধ করা হয় ।

    হপবিস সদর দপ্তর থেকে চা বাগানে কাহারো অনুমতি না নিয়ে চা কারখানায় প্রবেশ করে ২৭ জুন আকস্মিক বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিলে ২৫ হাজার চা-পাতা নষ্ট হয়ে যায় । এ অবস্থায় চা বাগানের শত শত চা শ্রমিকরা উওোজিত হয়ে বিক্ষোভ করলে হপবিস সিনিয়র ব্যবস্থাপক আলহাজ্ব মোঃ মোতাহের হোসেন এ ঘটনার খবর পেয়ে ৬ ঘন্টা পর পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয় । চা বাগানের আকস্মিক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করায় ১৫ লাখ টাকার চা-পাতা ক্ষতিগ্রস্থ করায় পল্লী বিদ্যুত কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন স্থানে তদবির করে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে অভিযোগ পাওয়া যায়।

    অপর দিকে বাগানের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয় নজর আসলে লাল চান্দ চা বাগানের মানসম্মান ও ক্ষুন্ন হয়েছে এবং অর্থনৈতিক বিরাট ক্ষতির বিবেচনায় করে হবিগঞ্জের জজ কোর্টের সহকারী পিপি এডভোকেট মোঃ লুৎফুর রহমান তালুকদার বাগান কর্তৃপক্ষের পক্ষে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সদর দপ্তর এজিএম ইন্জিনিয়ার মোঃ সফিউল ইসলাম বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে উপরোল্লিখিত বিষয়ে ফৌজদারি অথবা দেওয়ানি আদালতে মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা আপনাদের বিরুদ্ধে কেন গ্রহন করা হইবে না মর্মে পএ দেয়া হয়েছে।

  • বা‌নিয়াচং‌য়ে অ‌নিক ফাউ‌ন্ডেশ‌নের উ‌দ্যো‌গে বন্যা‌র্ত‌ অসহায় মানু‌ষের মা‌ঝে ত্রাণ বিতরণ

    বা‌নিয়াচং‌য়ে অ‌নিক ফাউ‌ন্ডেশ‌নের উ‌দ্যো‌গে বন্যা‌র্ত‌ অসহায় মানু‌ষের মা‌ঝে ত্রাণ বিতরণ

    বা‌নিয়াচংয়ে মানবতার ফে‌রিওয়ালা না‌মে খ্যাত অ‌নিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যার্ত এবং অসহায় দ‌রিদ্র প‌রিবা‌রের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হ‌য়ে‌ছে।

    বৃহস্প‌তিবার (৩০জুন) দুপু‌রে উপজেলার ৩নং ইউ‌নিয়‌নের পাড়াগাও, ডা‌লিমহল্লা, ঠাকুরাইন‌দিঘীর পূর্ব পাড়া সহ বি‌ভিন্ন গ্রা‌মে বন্যায় ক্ষ‌তিগ্রস্ত এবং অসহায় দ‌রিদ্র‌ ১৫০টি প‌রিবা‌রের মা‌ঝে অনিক ফাউন্ডেশনের উ‌দ্যো‌গে এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতর‌ণের অংশ হি‌সে‌বে বুধবার ও ১নম্বর ইউ‌পির পূর্বগড়,জামালপুর ,বড়নগর,কাজীমহল্লাসহ বি‌ভিন্ন গ্রা‌মে পা‌নিব‌ন্ধি এবং অসহায় ২৫০ টি প‌রিবা‌রের মা‌ঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    ইতালী প্রবাসী ও ক‌মিউ‌নি‌টি লিডার মোহাম্মদ মনু মিয়ার এর অর্থায়নে বন্যার্তদের মাঝে চাল, ডাল,পেয়াজ, সয়াবিন তেল,বিস্কুট সহ এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উক্ত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন অনিক ফাউ‌ন্ডেশ‌নের সাধারণ সম্পাদক ও সাংবা‌দিক মুহাম্মদ দি‌লোয়ার হোসাইন।

    এ সময় আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন অ‌নিক ফাউ‌ন্ডেশ‌নের উপ‌দেষ্টা সর্দার আবুল হোসাইন, বি‌শিষ্ট ব্যবসায়ী সাইফুর রহমান,ম‌হিবুর রহমান সহ ফাউ‌ন্ডেশ‌নের সকল নেতৃবৃন্দ উপ‌স্থিত ছি‌ল।