Category: হবিগঞ্জ

  • লাশের দেহ উদ্ধারের ২৪ ঘন্টা পর মাথা উদ্ধার

    লাশের দেহ উদ্ধারের ২৪ ঘন্টা পর মাথা উদ্ধার

    হবিগঞ্জের খোয়াইনদীর পাড় থেকে মাথাবিহীন লাশের মাথা উদ্ধার করলো শায়েস্তাগঞ্জে একটি পুকুর থেকে।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌর শহরের দাউদ নগর এলাকায় একটি পুকুরে দেহ বিহীন মাথা দেখতে পান স্থানীয়রা।

    তাৎক্ষণিক বিষয়টি এলাকাবাসীসহ থানা পুলিশ অবগত করা হলে, শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অজয় চন্দ্র দেবের নেতৃত্বে রবিবার (৩ জুলাই) ভোর সকালে একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাথাটি উদ্ধার করে।

    তবে পুলিশ প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত হয়েছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা কান্ড। এছাড়াও মাথা বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছ।

    শায়েস্তাগঞ্জ থানা থেকে বার্তাটি হবিগঞ্জ সদর থানাকে জানানো হলে, হবিগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মর্তুজা মৃত কদর আলীর ভাই ছুরত আলী সহ পরিবারের সকল সদস্যকে অবগত করেন।

    খবর পাওয়ার পর পরই সকাল ৯টায় পরিবারের সকল সদস্যরা শায়েস্তাগঞ্জ দাউদনগরে মাছের ঘাট পুকুরে উপস্থিত হন। এবং এই মাথাটি কদর আলী বলে তারা পুলিশকে নিশ্চিত করেন।

    এদিকে শায়েস্তাগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অজয় চন্দ্র দেব জানান, মাথাটি উদ্ধার করে আমরা সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তে জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরন করেছি।

    লাশের দেহ উদ্ধারের ২৪ ঘন্টা পর মাথা উদ্ধার

    অন্যদিকে হত্যার ঘটনায় পুরো জেলা শহরে এক আতংক সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত এই খুনীদের গ্রেফতার করার জন্য প্রশাসনের নিকট জোরদাবী জানিয়েছে সচেতন মহল।

    উল্লেখ্য, গতকাল (২জুলাই) শনিবার হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর পাড়ে কদর আলী (৪৫) নামের এক ব্যক্তির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। একদল দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে মাথা নিয়ে পালিয়ে যায়।

    নিহত কদর আলী পৌর এলাকার জঙ্গলবহুলা গ্রামের মঙল মিয়ার ছেলে। তিনি টাক্টরে শ্রমিকের কাজ করতেন।

    পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানাযায়, কদর মিয়া খোয়াই নদী থেকে বালু তুলার ট্রাক্টরের শ্রমিকের কাজ করতো। এবং শক্রবার বাড়িতে থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরদিন শনিবার (২জুলাই) সকালে তার মাথাবিহীন লাশটি দেখতে পান স্থানীয়রা।

    পরে তারা পুলিশ বিষয়টি অবগত করলে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলীসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও কদর মিয়ার পরিবারের লোকজনের সাথে আলাপ আলোচনা করেন। এবং শীঘ্রই অপরাধীদের খুঁজে বের করে গ্রেফতার করার আশ্বাস প্রদান করেন। আরো জানান যে, পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনও কাজ করে যাচ্ছে অপরাধীদের গ্রেফতারে।

    সিসি টিভির ফুটেজ দেখে ও নিহতের পরিবারের লোকজন এটা কদর মিয়া লাশ বলে নিশ্চিত করেন। এমন মর্মান্তিক বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা জানান, আমাদেরকে শনিবার সকালে স্থানীয়রা খোয়াই নদীর মাছুলিয়া এলাকায় একটি মাথাবিহীন লাশ নদীর পাড়ে পড়ে থাকতে দেখে খবর দেয়।

    খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করে। তবে মাথা উদ্ধার করা হয় শায়েস্তাগঞ্জ থেকে। সিসি টিভি ফুটেজ ও কদর মিয়ার পরিবারের লোকজন এটি কদর মিয়ার লাশ বলেও বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

  • শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন এলাকায় পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান

    শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন এলাকায় পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন এলাকায় উচ্ছেদকৃত ভূমিতে বেশ কয়েকটি গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে রেলওয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ।

    শনিবার (২ জুলাই) সকালে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌরশহরে ঐতিহ্যবাহী দাউদ নগর বাজার পৌর মার্কেট উওর পার্শে রেলওয়ে পরিত্যক্ত বাসা ও অসংখ্য দোকান দখল করে। রেলওয়ে উচ্ছেদকৃত ভূমিতে আবারো কেউ টিনসেট, পাকা ও আধা পাকা স্থাপনা নির্মান করায় রেলওয়ে বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা পরিদর্শনে এ দৃশ্য দেখে রেলওয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়।

    শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে উচ্ছেদকৃত ভূমিতে আবারো স্থাপনা নির্মান অবগত হয়ে রেলওয়ে বিভাগীয় ভূ-সম্পক্তি কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্টেট মোঃ শফিউল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই মোঃ হারুনুর রশীদ সহ একদল পুলিশ নিয়ে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করে দেয়। আবার কেউ কেউ সেচছায় স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলে।

    রেল সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের জুন মাসের মধ্যেই শেষ হবে চুনারুঘাটের বাল্লা স্থলবন্দর আধুনিকায়নের কাজ। পাশাপাশি বন্দ হয়ে যাওয়া শায়েস্তাগঞ্জ জংশন – বাল্লা রেল যোগাযোগ পুনরায় চালু করা হবে।

    চুনারুঘাট থেকে বাল্লা স্থল বন্দর পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত ও উন্নত করার কাজ করবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

  • তিন উপজেলায় এমপি আবু জাহিরের অর্থ সহায়তা প্রদান

    তিন উপজেলায় এমপি আবু জাহিরের অর্থ সহায়তা প্রদান

    হবিগঞ্জ পৌরসভা ও তিনটি উপজেলায় অস্বচ্ছলদের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি। গত বৃহস্পতিবার সংসদ সদস্যের অনুকূলে প্রাপ্ত ঐচ্ছিক তহবিল থেকে ১০৪ জন নারী-পুরুষের মাঝে আড়াই লাখ টাকা বিতরণ করেন তিনি।

    উপকারভোগীদের মাঝে হবিগঞ্জ পৌরসভা ও সদর উপজেলার ৮৭ জন বাকী ১৭ জন শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার বাসিন্দা। সদর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানে এমপি আবু জাহির এই সহায়তা বিতরণ করেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ গণমানুষের রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দেশের জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করে। এর ধারাবাহিকতায় আমরা প্রতিটি প্রাকৃতিক দুর্যোগেই মানুষের পাশে থাকি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র জন্য সকলের নিকট দোয়া কামনা করেন সংসদ সদস্য।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন আরাফাত রানা, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গাজিউর রহমান ইমরান, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস আরা বেগম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান, রিচি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম প্রমুখ।

  • বানিয়াচংয়ে সাদিকুর রহমান পরাগের ত্রাণ বিতরণ

    বানিয়াচংয়ে সাদিকুর রহমান পরাগের ত্রাণ বিতরণ

    দি‌লোয়ার হোসাইন: বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ কবি ও মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব সাদিকুর রহমান পরাগের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

    ২ জুলাই শনিবার দিনব্যাপী বানিয়াচং উপজেলার পূর্বগড় প্রাথমিক বিদ্যালয়, সারেংবাজার, জামালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, বড়সড়ক এলাকায় ত্রান বিতরণ করা হয়েছে।

    ত্রান বিতরণে উপস্থিত ছিলেন বানিয়াচং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা পারভীন খানম, বানিয়াচং প্রেসক্লাবের সভাপতি মোশাহেদ মিয়া, সহ-সভাপতি আব্দুল হক মামুন, সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, শিক্ষক কল্যাণ কান্তি গুপ্ত, সিনিয়র সাংবাদিক শেখ নূরুল ইসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আমীন, সাংবাদিক হৃদয় খান, ইউপি সদস্য মোবারক মিয়া, বুলু মিয়া, ইউপি সদস্য শহীদ মিয়া, সারেংবাজার কমিটির সভাপতি খেলু মিয়া প্রমুখ।

  • বানিয়াচংয়ে সিপিবির ত্রাণ বিতরণ

    বানিয়াচংয়ে সিপিবির ত্রাণ বিতরণ

    বানিয়াচংয়ে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বানিয়াচং শাখার উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১০ টায় নৌকাযোগে উপজেলা সদরের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।

    বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বানিয়াচং গ্রুপ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান মিলনের নেতৃত্বে এবং গ্রুপ কমিটির সিনিয়র সদস্য আব্দুল হক মামুনের পরিচালনায় উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় গ্রুপ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান মিলন বলেন, সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ইতিমধ্যে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ তহবিল থেকে নিয়মিত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের বানিয়াচং শাখার উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মধ্যে আমাদের এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বানিয়াচং প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক মোশাহেদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান খলিল, স্থানীয় ইউপি সদস্য বুলু মিয়া, শেখ নুরুল ইসলাম, আজকের পত্রিকার বানিয়াচং প্রতিনিধি হৃদয় খান প্রমুখ।

  • যুবলীগ চেয়ারম্যানের জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া

    যুবলীগ চেয়ারম্যানের জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া

    বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের মানবিক চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরস এর শুভ জন্মদিন উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগের উদ্দোগে স্থানীয় কোর্ট মসজিদে বাদ আছর এক দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়।

    এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, সহ-সভাপতি ইন্জিনিয়ার ওয়াহিদুজ্জামান বাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুজামান হিরাজ, সমাজ কল্যান সম্পাদক মঈন উদ্দিন চৌধুরী সুমন, প্রচার সম্পাদক শেখ আব্দুল হাকিম।

    আরো উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রচার সম্পাদক আলম মিয়া, পৌর যুবলীগের আহবায়ক ডাঃ ইশতিয়াক রাজ চৌধুরী, সবুজ আহমেদ, শাহ জুবায়দুর রহমান নাজু, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ মামুন, সদর উপজেলা যুবলীগের ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির আহমেদ রনি, পৌর যুবলীগের সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, উজ্জ্বল আহমেদ, তন্ময়সহ নেতৃবৃন্দ।

  • খোয়াই পাড়ে মাথাবিহীন লাশ, পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

    খোয়াই পাড়ে মাথাবিহীন লাশ, পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

    হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর পাড়ে কদর আলী (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গলা কেটে করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কদর আলী পৌর এলাকার জঙ্গলবহুলা গ্রামের মঙল মিয়ার ছেলে। তিনি টাক্টরে শ্রমিকের কাজ করতেন।

    পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানাযায়, কদর মিয়া খোয়াই নদী থেকে বালু তুলার ট্রাক্টরের শ্রমিকের কাজ করতেন। গতকাল শক্রুবার সকালে বাড়িতে থেকে আর ফিরে আসেননি।

    আজ শনিবার (২জুলাই) সকালে তার মাথাবিহীন লাশটি দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করলে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করেন।

    খবর পেয়ে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলীসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও কদর মিয়ার পরিবারের লোকজনের সাথে আলাপ আলোচনা করেন। এবং শীঘ্রই অপরাধীদের খুঁজে বের করে গ্রেফতার করার আশ্বাস প্রদান করেন। এবং পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনও কাজ করে যাচ্ছে অপরাধীদের গ্রেফতারে।

    খোয়াই পাড়ে মাথাবিহীন লাশ
    ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছেন পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলীসহ পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যগন।

    সিসি টিভির ফুটেজ দেখে ও নিহতের পরিবারের লোকজন এটা কদর মিয়া লাশ বলে নিশ্চিত করেন।

    এমন মর্মান্তিক বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা জানান, আমাদেরকে শনিবার সকালে স্থানীয়রা খোয়াই নদীর মাছুলিয়া এলাকায় একটি মাথাবিহীন লাশ নদীর পাড়ে পড়ে থাকতে দেখে খবর দেয়।

    খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করে। তবে মাথা উদ্ধার করা হয়নি। মাথা উদ্ধার ও খুনিদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সিসি টিভি ফুটেজ ও কদর মিয়ার পরিবারের লোকজন এটি কদর মিয়ার লাশ বলেও বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

    অন্যদিকে এই এঘটনাটি জানাজানি হয়ে পড়লে এলাকাসহ পুরো শহরে এক আতংক ও চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। পুলিশের ধারণা, তাকে হত্যা করে মাথা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।