দখলদারের কবল থেকে শহরের বিকেজিসি সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুড় উদ্ধার করেছে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন। সোমবার সকাল থেকে দিনব্যাপি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে পুকুড় পাড়ে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়। উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদ রানা ও বিকেজিসি সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধাংশু কর্মকার। এর পূর্বে মাপ-জোক করে পুকুড়ের সীমানা নির্ধারণ করা হয়। জানাযায়, পুকুড়টি দীর্ঘদিন ধরে এডভোকেট নুরুল কবির তরফদার টুকন নামে এক ব্যক্তির দখলে ছিল। পুকুড়টির রেকর্ডিয় মালিক হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ।জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দখলদারদের কবলে থাকা শহরের অন্যান্য পুকুড়ও পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করা হবে।
Category: হবিগঞ্জ সদর
-
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রক্ত যত বেশি গিয়েছে সফলতা ততই বেশি এসেছে,যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জি কে গউছ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জি কে গউছ বলেছেন- গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রক্ত যত বেশি গিয়েছে সফলতা ততই বেশি এসেছে। মামলা-হামলার ভয় করে বিএনপি নেতাকর্মীরা রাজনীতি করে না। দেশের গণতন্ত্র এবং জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে বিএনপি নেতাকর্মীরা রক্ত দিতে প্রস্তুত। কোন তন্ত্রমন্ত্র দিয়ে বিএনপিকে রাজপথ থেকে সড়ানো যাবে না। গণআন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের পতন নিশ্চিত করেই বিএনপি ঘরে ফিরবে।তিনি গতকাল রবিবার যুবদলের ৪১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের র্যালি পরবর্তী সমাবেশে এসব কথা বলেন।জি কে গউছ আরও বলেন- বিএনপি কোন সভা-সমাবেশ করতে পারে না, আজকে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র্যালি করতে দেয়া হচ্ছে না। পুলিশ বাহিনী ঘেরাও করে রেখেছে, এটাই কি আওয়ামীলীগের গণতন্ত্রের নমুনা। যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতারা রাজধানীকে ক্যাসিনো শহরে পরিণত করেছে। দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। তাদের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হচ্ছে। অথচ মাত্র ২ কোটি টাকার মিথ্যা মামলা দিয়ে ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করা হয়েছে। বিনা চিকিৎসায় ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু এর পরিনাম কত ভয়াবাহ তা আওয়ামীলীগের জানা নেই। কোন স্বৈরশাসকই আজীবন ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। আওয়ামীলীগও বাংলাদেশের শেষ সরকার নয়। অতিশীঘ্রই গণআন্দোলনের মুখে আওয়ামীলীগের পতন নিশ্চিত করা হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে।তিনি বলেন-প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে। আমরা এই অভিযানকে স্বাগত জানাই। কিন্তু এই অভিযান শুধু ঢাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। হবিগঞ্জে দুর্নীতিবাজ ভর্তি। হবিগঞ্জের পুলিশও দুর্নীতিমুক্ত না। হবিগঞ্জে যারা ভাড়া বাসায় থাকতেন, টিনের ঘরে বসবাস করতেন, তারা আজ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন। দেশে-বিদেশে বিশাল বাড়ি-গাড়ির মালিক হয়েছেন। সেই দুর্নীতিবাজদেরকে হবিগঞ্জের পুলিশ রাষ্ট্রের তেল জ্বালিয়ে আগে-পিছে পাহারা দিচ্ছে |জেলা যুবদলের সভাপতি মিয়া মোঃ ইলিয়াছের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান কাজল, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম নানু, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সফিকুর রহমান সিতু, মহসিন সিকদার, আব্দুল মালেক, শাহ আলম গোলাপ, এনায়েত উল্লাহ খান, এডভোকেট কুতুব উদ্দিন জুযেল, এডভোকেট জুলজার খান, এডভোকেট জসিম উদ্দিন, হেলাল আহমেদ টিপু, মালেক শাহ, অলিউর রহমান অলি, শেখ মামুন, মিজানুর রহমান সুমন, জয়নাল আবেদীন, নজরুল ইসলাম, আরব আলী, আব্দুল করিম, তৌফিকুল ইসলাম রুবেল, নাসির উদ্দিন মাহিন, শারফিন চৌধুরী রিয়াজ, সাদিকুর রহমান লিটন, খালেদুর রশিদ ঝলক, সোহেল রিপন চৌধুরী, কবির খান চৌধুরী, এডভোকেট মোজাম্মেল, নজরুল ইসলাম কাওছার, তাউছ মিয়া, তারেকুর রহমান তারেক, মাহমুদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম আকঞ্জি, জালাল উদ্দিন সজলু, আনোয়ার হোসেন বাদল, আরিফ চৌধুরী, রুবেল হোসেন, শাহানুর রহমান আকাশ, সোহেল মিয়া, মিলন খান, হাসান মামুন, মোশাহিদ আলী, মোঃ মালু, এমদাদুল্লাহ খান, সাইফুল ইসলাম, আক্তার হোসেন, জালাল মিয়া, জুয়েল রানা, নাজমুল হোসেন ফারুক, সাইদুর রহমান, নরোত্তম দাস, দেলোয়ার হোসেন দিলু, রমজান আলী জুয়েল, শাহ নেওয়াজ মেম্বার, আব্দুল কাউয়ুম, জমির আলী, শাহ আলম, ইলিয়াছ মিয়া, সেলিম আহমেদ, নুরুল আমিন, শিতেশ দাস, আরজত আলী, আব্দুস সালাম, কদর আলী, হাবিবুর রহমান বেনু, মিজানুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, মাসুক মিয়া, আল আমিন, জয়নাল আবেদীন, সৈয়দ নাইম, আমিন শাহ, সুনানন্দ্র দাস, মোঃ শাহিন, মোঃ ইলিয়াছ, মোঃ কাশেম, মোঃ নিপু, শেখ মোঃ জালাল প্রমুখ।
-

স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রবাসী স্বামীর সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জে স্ত্রীর বিরুদ্ধে মাকে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন ইতালী প্রবাসী স্বামী। রোববার দুপুরে প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন শহরের শ্যামলী এলাকার বাসিন্দা মৃত সামছু মিয়ার ছেলে ইতালি প্রবাসী মাহবুবুর রশিদ সুমন মিয়া।
এ সময় পুত্রবধূর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তার মা খায়রুন্নেছা।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রায় ৮ বছর পূর্বে শহরতলীর সুলতান মাহমুদপুর এলাকার গোলাম হোসেনের মেয়ে শেফালী খাতুনকে বিয়ে করেন মাহবুবুর রশিদ সুমন মিয়া। এরপর থেকেই শেফালী সন্দেহজনক চলাফেরা করতে থাকেন।
মোবাইল ফোনে সব সময় বন্ধুবান্ধব নিয়ে ব্যস্ত থাকেন শেফালী খাতুন। একপর্যায়ে একাধিক যুবকের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। একবার নিজের খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে পালিয়েও যান। খোঁজাখুঁজি করে ১ সপ্তাহ পর তার সন্ধান পাওয়া যায়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইতিমধ্যে তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। তিনি ইতালী থাকার সুযোগে শেফালী তার মামা উমেদনগর গ্রামের আবদুল মান্নানকে বাসায় এনে ভাড়া দেন। আবদুল মান্নান ভাগ্নিকে প্ররোচণা দিতে থাকলে শেফালী স্বামীর অনুপস্থিতিতে শাশুড়ি খায়রুন্নেছাকে অত্যাচার-নির্যাতন করতে থাকেন।
তিনি জানান, আহত অবস্থায় তাকে বিভিন্ন সময় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনায় খায়রুন্নেছা বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। শাশুড়ির অভিযোগের প্রেক্ষিতে শেফালীকে থানা হাজতেও একদিন আটক থাকতে হয়। পরবর্তী সময়ে কৌশলে শাশুড়িকে ম্যানেজ করে অভিযোগ তুলে নিলে তাকে থানা থেকে ছাড়া হয়।
পরে মামা-ভাগ্নি মিলে তাদের বাড়ির একটি জাল দলিল তৈরি করে বাসা দখলে নেয়ার ষড়যন্ত্র শুরু করে। বিষয়টি মামলা-মোকদ্দমা পর্যন্ত গড়ায়। শাশুড়িকে আবারও নির্যাতন শুরু করেন। এ সব ঘটনার প্রেক্ষিতে শেফালীকে তালাক দেন সুমন মিয়া।
আরো পড়ুনঃ বিশ্ব গণমাধ্যমে এমপি বুবলী
তার পর আবদুল মান্নান ও তার ভাগ্নি শেফালীর বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের করেন। ওই মামলায় তারা হাজত খেটে আদালতে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান। পরে শেফালী আদালতে স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে একটি নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের পুত্রবধূর নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শাশুড়ি খায়রুন্নেছা।
-

আওয়ামী যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত গোপায়া ইউনিয়নে
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গোপায়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার বিকেল ৪টায় গোপায়া নুরানী জামে মসজিদ বাজার প্রাঙ্গনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আতাউর রহমান সেলিম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, গোপায়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খান, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুজ্জামান হিরাজ, তাজ উদ্দিন তাজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী, গোপায়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল উদ্দিন মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবুল কালাম, জেলা যুবলীগের সমাজ কল্যান সম্পাদক মহিনুদ্দিন সুমন, উপ-দপ্তর সম্পাদক আলম মিয়া, সহ-সম্পাদক ইমতিয়াজ শাওন, সদস্য কাউসার আহমেদ রুমেল, জেলা যুবলীগ নেতা জাহির আহমেদ, জাকারিয়া চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন। শুরুতেই সম্মেলন উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও নিজামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন আহমেদ তাজ। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক সাব্বির আহমেদ রনি। গোপায়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক জালাল আহমেদ-এর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক শেখ নোমান আহমেদ, সাইফুল ইসলাম, এম.এ মোতাব্বির তালুকদার পারভেজ, আবু হোসাইন জনি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ সেবুল আহমেদ, উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক হোসাইন মোঃ আক্তার, ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি সেলিম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আলীসহ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
-

বহুলা গ্রামবাসীর উদ্যোগে মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
বহুলা গ্রামবাসীর উদ্যোগে মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
বহুলা গ্রামবাসীর উদ্যোগে মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত। শনিবার সকাল ১১টার দিকে ২নং পুল এলাকায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউপি ১নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ ফজল মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাদক বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট চৌধুরী আব্দুল হাই। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনিয়র আইনজীবি চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান, ৫ং গোপায়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন।
আরো বক্তব্য রাখেন, আব্দুল মান্নান সর্দার, আব্দুল মন্নাফ (মনা), আতর আলী, ওয়াহিদ মিয়া, শাহ আলম, এডঃ শাহিন, মোঃ মহিউদ্দিন, জালাল সর্দার, আরজত আলী, নুরুল হক সর্দার, সালেহ আহমেদ, হাজী সিরাজ উদ্দিন খা, মোঃ রফিক মিয়া সর্দার, এসএম মতিউর রহমান, তাজুল ইসলাম টেনু, মোঃ আলতাব সর্দার, হাজী উম্মেদ আলী, মোঃ নাছির উদ্দিন, মোঃ ফরিদ মিয়া, মোঃ নুর আলম, মোঃ ফরহাদ আহমেদ, সাবেক মেম্বার আব্দুল খালেক, এডঃ জামাল আহমেদ, বুলবুল চিশতী, মোঃ শাহিনুর রহমান শাহিন, নুরুজ্জামান চৌধুরী, নুরুল হক টিপু, আলমগীর প্রমূখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চৌধুরী আব্দুল হাই বলেন, মাদক ব্যক্তি জীবন ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের কোন ছাড় নয়। তাদের শক্তহাতে দমন করতে হবে।
বাহুবলে মাদক সম্রাট হামিদ গ্রেফতার
বক্তারা বলেন, এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রাজু, আব্দার ও রুবেল গংদের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্ছার হয়ে উঠবে হবে। তাহলে এই ব্যক্তিরা অপরাধ করতে সাহস পাবে না।
-

অসুস্থ আল্লামা তোফাজ্জল হককে দেখতে গেলেন পুলিশ সুপার
অসুস্থ শায়খুল হাদিস হাফেজ আল্লামা তোফাজ্জল হককে দেখতে যান হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বিপিএম-পিপিএম। গতকাল বুধবার বিকেলে আল্লামা তোফাজ্জল হকের বাসভবনে তিনি তাকে দেখতে যান। এ সময় পুলিশ সুপার তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। আল্লামা তোফাজ্জল হক তাকে দেখতে আসায় পুলিশ সুপারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে তিনি দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করেন। এ সময় তার সাথে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নাহিজ ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুক আলী প্রমূখ।
-

নারীর উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় কাজ করছে সরকার
হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেছেন, বর্তমান সরকার নারীবান্ধব সরকার। এই সরকার নারীদের সন্তান লালন পালনের জন্য ভাতা প্রদানেরও ব্যবস্থা করেছে। ভালো কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১২টায় হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে নারীদের অংশগ্রহণে হেলথ ক্যাম্প ও স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির মধ্যে কর্মজীবী মহিলাদের ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তায় তহবিল কর্মসূচির আওতায় হবিগঞ্জ পৌরসভাধীন নির্বাচিত ১ হাজার ২শ’ উপকারভোগীর মাঝে সাবান, গুড়ো দুধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করা হয়।
বিতরণের পূর্বে আলোচনা সভায় এমপি আবু জাহির আরো বলেন, নারীরা হচ্ছে উন্নয়নের চালিকা শক্তি। বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের নারীরাও এগিয়ে যাচ্ছে। পূর্বের যেকোনো সরকারের তুলনায় বর্তমান সরকার নারীদের জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা চালু করেছে। নারীদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। উন্নয়নে নারী-পুরুষ পাশাপাশি কাজ করতে হবে। নারীরা পিছেয়ে থাকলে উন্নয়ন সম্ভব নয়।
জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মর্জিনা আক্তার, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান, হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ফেরদৌসী ইসলাম, হবিগঞ্জ অগ্রণী ব্যাংকের ম্যানেজার কাজী মোখলেছুর রহমান, মহিলা কাউন্সিলর পিয়ারা বেগম, চুক্তিবদ্ধ এনজিও নির্বাহী শেখ সুমা জামান প্রমুখ।