Category: হবিগঞ্জ সদর

  • হবিগঞ্জের ডাবল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন

    হবিগঞ্জের ডাবল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বানিয়াচঙ্গে মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামী ঘাতক শেলু মিয়া (৩০) কে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশের বিশেষ একটি দল। আর তাকে গ্রেফতারের মাধ্যমে ডাবল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

    মূল ঘাতক জামাতা শেলু মিয়ার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান। এতে করে বেড়িয়ে এসেছে হত্যাকান্ডের চাঞ্চল্য কর তথ্য। এক সাথে বৃদ্ধ মা ও তার বিবাহিতা মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ১৫ দিনের মধ্যে মূল রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ। হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের ফলে চাঞ্চল্যকর ডাবল মার্ডারে মূল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

    বুধবার বিকেলে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দীতে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দেয় ঘাতক জামাতা শেলু মিয়া।

    এই ঘটনায় হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বুধবার রাত ১১টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এর আগে গত মঙ্গলবার দুপুরে তার তত্তাবধানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম রাজু আহমেদ, শৈলেন চাকমা, ডিবি’র ওসি মানিকুল ইসলাম, এসআই ধ্রুবেশ চক্রবর্তী, এসআই আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নবীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘাতককে গ্রেফতার করেন। সে হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর এলাকার নুর মিয়ার পুত্র।

    জানা যায়, গত সেপ্টেম্বর বানিয়াচং উপজেলার ১২নং সুজাতপুর ইউনিয়নের শতমুখা গ্রামের অংশে হবিগঞ্জ শহর থেকে খোয়াই নদীর ভাটির দিকে অনুমান ৩৫ কিঃমিঃ দূরে নদীতে ভাসমান অবস্থায় অর্ধগলিত অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ (৩৫) উদ্ধার করে সুজাতপুর তদন্ত কেন্দ্র। তাৎক্ষণিকভাবে মৃতদেহের পরিচয় সনাক্ত করতে না পেরে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাপন করা হয়। মৃতের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতকালে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।

    এই বিষয়ে সুজাতপুর তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ এসআই ধ্রুবেশ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীর বিরুদ্ধে বানিয়াচং থানায় একটি মামলা নং-১৬ দায়ের করেন। এর কিছু দিন পর গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে জেলার বানিয়াচং থানার ১২নং সুজাতপুর ইউনিয়নের পূর্ব বাজুকা গ্রামের অংশে খোয়াই নদীর ভাটির দিকে নদীতে ভাসমান অবস্থায় পঁচাগলা অজ্ঞাতনামা মহিলা (৫০) এর লাশ উদ্ধার করে সুজাতপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।

    প্রাথমিকভাবে মৃতের ছেলে মোঃ ফুল মিয়া সনাক্ত করেন ওই বৃদ্ধ মহিলা তাঁর মা বলে পরিচয় নিশ্চিত করেন। একই সাথে সে জানায় গত সেপ্টেম্ব থেকে তার মা ও বোন নিখোঁজ রয়েছে। আর এতে করেই নড়েচড়ে বসে বানিয়াচং থানা পুলিশসহ জেলা পুলিশ।

    বৃদ্ধা মহিলা হত্যার রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে জেলা পুলিশের কয়েকটি টিম। এরই মাধ্যে শহরের এক ভিক্ষুকের কাছ থেকে নিহত ফুলবরণ নেছার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে। এ মোবাইল ফোন উদ্ধারের মাধ্যমে পুলিশ নিশ্চিত হয় খোয়াই নদী থেকে উদ্ধার হওয়া লাশ দুটি মা-মেয়ের।

    পরে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যার নির্দেশে একের পর এক অভিযান চালায় বানিয়াচং থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযান চালিয়ে হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর থেকে গ্রেফতার করা হয় ফুলবরণ নেছার স্বামী মোঃ সেলু মিয়াকে। গ্রেফতারকৃত সেলু মিয়াকে ডিবি কার্যালয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর বেড়িয়ে আসে লোমহর্ষক এ হত্যাকান্ডের রহস্য।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা এসআই এম এ ফারুক আহমেদকে। গত রাত ১১টায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা (বিপিএম-পিপিএম) এক প্রেস ব্রিফ্রিং করেন।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে গ্রেফতারকৃত সেলু মিয়ার স্মীকারোক্তিমূলক জবাবনবন্দীর বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার জানান, প্রায় ২ বছর পূর্বে হবিগঞ্জ সদর থানাধীন উমেদনগরস্থ নুর মিয়ার পুত্র সেলু মিয়া (৩০) এর সাথে মোঃ ফুল মিয়ার নিখোঁজ বোন ফুলবরণ নেছা’র বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পর থেকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে কলহের সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে সেই কলহ চরম আকার ধারণ করে।

    এ নিয়ে ২য় স্ত্রী ফুলবরণ নেছা’র সাথে বিজ্ঞ আদালতে মামলা মোকদ্দমাও চলতে থাকে। গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ মা ও বোন হবিগঞ্জ সদর কোর্টে আসার জন্য পূর্বের দিন বিকালে বানিয়াচং নিজ বাড়ী থেকে বের হয়ে হবিগঞ্জ শহরস্থ উমেদনগরে তার চাচাতো ভাই এনামুল এর ভাড়া বাসায় রাত্রিযাপন করেন। পরদিন অর্থাৎ ৫ তারিখ সকাল বেলা সেলু মিয়া ফোন পেয়ে এনামুল এর বাসায় চলে আসে। বাসায় তার সাথে তার স্ত্রী, শ্বাশুড়ী, এনামুলসহ মামলা মোকদ্দমা নিষ্পত্তির বিষয়ে কথাবার্তা বলে। এক পর্যায়ে সেলু চৌধুরী বাজারস্থ তাঁর পিতার দোকানে চলে যায়।

    ওই দিন বিকালে সেলু মিয়া তার স্ত্রী ও শ্বাশুড়ীকে ফোন দিয়ে চৌধুরী বাজারস্থ মায়া হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে এনে কথাবার্তা বলে। তারপর সে আসর এর নামাজের পর তাদেরকে নিয়ে শহরের উমেদনগরস্থ তাঁর নিজ বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে তার বাবার সাথে শ্বাশুরির মামলা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তার বাবা সেলুকে বলে “তুই আমার মুখে চুনকালী দিছস্। হয় তুই বিষ খাইয়া মর-না হয় আমাকে বিষ দে খাইয়ালামু।” তখন সে মনের দুঃখে বাড়ী থেকে বের হয়ে তার শ্যালক ও শ্বশুড় লিল মিয়াকে ফোন করে তার স্ত্রী’র বিষয়ে নালিশ করে। কিন্তু সে তাদের কাছ থেকে কোন শান্তনামূলক জবাব পায়নি।

    তারপর স্ত্রী ও শ্বাশুড়ীকে নিয়ে পায়ে হেঁটে কিবরিয়া ব্রীজের চায়ের দোকানে তাদের রেখে সে বের হয়ে এবং ১ম স্ত্রীর পিতা তাজুল মিয়াকে ফোনে তার শ্যালক আনোয়ার (২০) সহ তার সবজি দোকানের লাউ কাটার দা’টি সাথে নিয়ে আসতে বলে। সে তখন একটি সিএনজি খোঁজলে তার পরিচিত চালককে পেয়ে ১২০/- টাকা ভাড়ায় হত্যাকান্ডেরস্থল গোবিন্দপুর যাওয়ার জন্য ঠিক করে এসে তার ২য় স্ত্রী ও শ্বাশুড়ীকে বলে তোমাদের জন্য নতুন একটি বাসা ভাড়া ঠিক করেছি সেটা দেখতে যাব। এই বলে তাদেরকে সিএনজিতে নিয়ে আসে।

    ইতিমধ্যে তাঁর ১ম স্ত্রীর পিতা ও ভাই সিএনজি’র কাছে চলে আসলে সেলু তার স্ত্রী ও শ্বাশুড়ীকে নিয়ে পিছনে বসে, শ্বশুড় ও শ্যালক সামনে ড্রাইভারের পাশে বসে গোবিন্দপুরের উদ্দ্যেশে রওনা হয়। পৌছার ৫০ গজ আগে সিএনজি থামিয়ে তারা সবাই নেমে ড্রাইভারকে গাড়ী ঘুরিয়ে তাকে সিএনজিতে থাকতে বলে।

    এর পর তারা বেড়ি বাঁধ ধরে কিছু দূর সামনে নির্জন অন্ধকারে গিয়ে খোয়াই নদীর চরে পৌছামাত্র তারা সবাইমিলে তার স্ত্রী ও শ্বাশুড়ীকে এলোপাথারি গাছের ঢাল দিয়ে বেধড়ক মারতে থাকে। এক পর্যায়ে প্রথমে শ্বাশুড়ী ও পরে স্ত্রী অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। তখন তার শ্বশুর দা দিয়ে শ্বাশুড়ীকে কুপিয়ে আঘাত করে। সেলু তার শ্বশুরের কাছ থেকে দা নিয়ে তার শ্যালক মিলে স্ত্রীকে কুপিয়ে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। তাদের সিএনজিতে ফিরতে দেরি হওয়ার ফলে ড্রাইভার সামনে এগিয়ে আসলে তাদের সামনে দুই জনের মৃতদেহ দেখে সে ফিরে যাওয়ার চেষ্টাকালে সেলু তাকে দেখে ফেলে এবং হত্যাকান্ডে ফাঁসানোর হুমকি দেয়।

    সেই সাথে তাকে মৃতদেহ নদীতে ফেলতে সহায়তা করতে বাধ্য করে সেলু। মৃতদেহ দু’টি তার শ্বশুড়, শ্যালক, সিএনজি ড্রাইভার ও সেলু মিলে খোয়াই নদীতে ফেলে দিয়ে ওই সিএনজি দিয়ে ফিরে কিবরিয়া ব্রীজে নেমে যে যার মত করে বাসায় চলে যায়। নিহত ফুলবরণ নেছা বানিয়াচং থানার তারাসই গ্রামের লিল মিয়ার মেয়ে এবং অপর নিহত জমিলা খাতুন লিল মিয়ার স্ত্রী।

    উল্লেখ্য, ঘটনার এক মাস পূর্বে সেলু ও তার শ্বশুর তাজুল মিয়া মিলে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে তাঁর ২য় স্ত্রীকে মারার পরিকল্পনা করে।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বানিয়াচং সার্কেল শৈলেন চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেড কোয়াটার এস এম রাজু আহমেদ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ মোঃ মানিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ এমরান হোসেন, লাখাই থার ওসি মোঃ সাইদুল ইসলাম, সুজাতপুর তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ এসআই ধ্রবেশ চক্রবর্তী, ডিবির এসআই আবুল কালাম আজাদসহ জেলা পুলিশের কর্মকর্তাগণ।

  • হবিগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ফোরাম এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ফোরাম এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে হবিগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ফোরামের বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

    এ নির্বাচনকে ঘিরে জেলার ৯টি উপজেলায় সাংবাদিকদের মধ্যে ছিল আনন্দমুখর পরিবেশ। সকাল থেকেই তারা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে এসে জড়ো হতে থাকেন। মোট ৭৭ ভোটারের মধ্যে ৭৫ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    গোপন ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন- সভাপতি এমদাদুল হাসান সোহেল, সহ-সভাপতি  মামুন চৌধুরী ও নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূর এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক কাজী মাহমুদুল হক সুজন। এর আগে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জাকারিয়া চৌধুরীসহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হন আরো ৯ জন।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন- হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাসেল চৌধুরী এবং সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি প্রদীপ দাশ সাগর ও সাংবাদিক ফোরামের সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান কামাল।

    “হবিগঞ্জ অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম এর কমিটি পুনর্গঠন।

    ফলাফল ঘোষণার সময় হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাবান মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসমাইল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান ও সাংবাদিক ফোরামের সদ্য বিদায়ী সভাপতি শাকীল চৌধুরী এবং বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক শরীফ চৌধুরী সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। এ সময় হবিগঞ্জ জেলার ৯টি উপজেলা থেকে আসা ২ শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

  • শারদীয় দুর্গাপুজাকালে মন্ডপগুলোতে ডিজে বন্ধ থাকবে-এসপি মোহাম্মদ উল্লাহ

    শারদীয় দুর্গাপুজাকালে মন্ডপগুলোতে ডিজে বন্ধ থাকবে-এসপি মোহাম্মদ উল্লাহ

    হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা (বিপিএম-পিপিএম) বলেছেন শারদীয় দুর্গাৎসবে উচ্চস্বরে ডিজে বাজানো যাবে না। মন্ডপগুলোতে ডিজে বন্ধ থাকবে। কোথায় ডিজে বাজানো হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন-উৎসবে অনেকেই মাদকদ্রব্য সেবন করে থাকেন। কিন্তু ধর্মীয় উৎসবে মাদকদ্রব্য খাওয়া বা সেবন করা যাবে না। এ বিষয়ে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে সচেতন থাকার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পুলিশের পাশাপাশি নিজেদের স্বেচ্ছাসেবককেও সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
    তিনি গতকাল সোমবার তার কার্যালয়ের হলরুমে শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি কমিটি এবং পূজা মন্ডপ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সাথে আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন-আজান ও নামাজের সময় মসজিদের ইমাম ও মুসল্লীদের সাথে সমন্বয়ন রেখে মাইক বন্ধ রাখতে হবে। আশাকরি সকলের সহযোগীতায় শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে।
    সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার) শেখ মোহাম্মদ সেলিম, সহকারি পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল) মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নলিনী কান্ত রায় নিরু, সাধারণ সম্পাদক শঙ্খ শুভ্র রায় প্রমূখ। সভায় সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র জানায়, এবার জেলার ৬৫৩টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ পূজা মন্ডপ ১২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৪৮টি ও সাধারণ পূজা মন্ডপ ৩৮০টি। হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় ৭৩টি, চুনারুঘাট ৭৯টি, মাধবপুর ১১৮টি, বাহুবল ৪৯টি, নবীগঞ্জ ৯০টি, বানিয়াচং ১১৮টি, আজমিরীগঞ্জ ৩৭টি, লাখাই ৭১টি ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ১৮টি পূজা মন্ডপ রয়েছে।

  • হবিগঞ্জ আর,ডি,হলে হিজরি নববর্ষ উদযাপন

    হবিগঞ্জ আর,ডি,হলে হিজরি নববর্ষ উদযাপন

    হিজরি ১৪৪১ বর্ষবরণ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

    জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদ হবিগঞ্জের উদ্যোগে গতকাল ৩০ শে আগস্ট রোজঃ শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় হবিগঞ্জ আর ডি হলে আহবায়ক কাউছার আহমদ রুবেলের সভাপতিত্বে ও সৈয়দ মোহাম্মদ আলী বশনী ও এম এ কাদিরের যৌথ পরিচালনায় প্রধান অতিথি  হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জনাব মিজানুর রহমান মিজান,উদ্ভোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের সভাপতি আল্লামা শাহ জালাল আহমদ আখঞ্জী,বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মুহাম্মদ সফিউল আলম চৌধুরী, অধ্যক্ষ গোলাম সরওয়ারে আলম,মাওঃ আজিজুল ইসলাম খান,জাহিদুল ইসলাম বি এস সি, মাওঃ খায়রুদ্দিন,ডাঃ আব্দুল ওয়াহাব, হাজী সিরাজুল ইসলাম,ডাঃ মাওঃ আব্দুল কাদির,মাওঃ মোহাম্মদ শাহ আলম প্রমূখ।

  • হবিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি ২৫ ডেঙ্গু রোগী

    হবিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি ২৫ ডেঙ্গু রোগী

    হবিগঞ্জ জেলায় সম্প্রতি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতলে ভর্তি হয়েছেন ২৫ জন।

    এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দু’জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্তদের বেশির ভাগই বিভিন্ন কোম্পানির শ্রমিক।

    এতে জেলা জুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে অনেকেইে ডেঙ্গু আক্রান্তের ভয়ে শহর ছেড়ে গ্রামে যাচ্ছেন অনেকেই।

    সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আক্রান্তদের মধ্যে বেশির ভাগই মাধবপুর উপজেলার শাহজিবাজার এলাকার একটি সিরামিক কোম্পানির শ্রমিক।

    প্রিয়াঙ্কার ছোট্ট ব্যাগের দাম শুনলে চমকে উঠবেন

    শনিবার রাত থেকে সোমবার পর্যন্ত ওই কোম্পানির শ্রমিক ইসমাঈল হোসেন, আজিজুল ইসলাম, বাদল মিয়া, আব্দুর রশিদ, রিপন, বেলু মিয়া, মমিন মিয়া, মিজান মিয়া, চুনারুঘাট উপজেলার সতং গ্রামের দুলাল মিয়া, শাহেদ আহমেদ ও মাধবপুর উপজেলার উজ্জলপুর গ্রামের আলমগীরকে সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এদের মধ্যে দু’জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • সদর হাসপাতাল থেকে চুরির তিন ঘন্টা পর নবজাতক উদ্ধার

    সদর হাসপাতাল থেকে চুরির তিন ঘন্টা পর নবজাতক উদ্ধার

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরির তিন ঘন্টা পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। এঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকা সন্দেহে ইসরাত আরা লোপা নামে এক মহিলাকে আটক করা হয়েছে।

    বুধবার (২০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের পুরান মুন্সেফির জনৈক রিপনের বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।  আটক লোপা রিপনের স্ত্রী। এর আগে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড থেকে চুরি হয় নবজাতকটি।

    এর আগে গত রবিবার (১৮ আগস্ট) হাসপাতালে জন্ম হয় নবজাতকের। এই নবজাতক চুনারুঘাট উপজেলার জোয়ারলালচান্দ গ্রামের মুরশেদ আলম ও ফাতেমা বেগমের সন্তান।

    হবিগঞ্জ সদর থানার এসআই পলাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

  • ডেঙ্গু আক্রান্ত হবিগঞ্জ শহরের গৃহবধূর মৃত্যু

    ডেঙ্গু আক্রান্ত হবিগঞ্জ শহরের গৃহবধূর মৃত্যু

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হবিগঞ্জ শহরের মুক্তি পাল চৌধুরী (৪৮) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টায় ঢাকার ‘গ্রীণ লাইফ হাসপাতালে’ তার মৃত্যু হয়।

    ১ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তানের জননী গৃহবধু মুক্তি পাল চৌধুরীর অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। জানা যায়, গত প্রায় ৮ দিন পূর্বে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনি ওই হাসপাতালে ভর্তি হন।

    ধীরে ধীরে তার অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টায় মৃত্যু কোলে ঢলে পড়েন মুক্তি। তিনি কুলাউড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মধুসুধন পাল চৌধুরীর স্ত্রী ও শহরের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ইশ্বর পাল চৌধুরী’র স্বত্তাধিকারী হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রাজনগর ক্রসরোড এলাকার বাসিন্দা সুমন পাল চৌধুরী ভাবি।

    মুক্তি পাল চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে সন্তানদের নিয়ে ঢাকার বাড্ডা এলাকায় বসবাস করছিলেন। মঙ্গলবার রাত ৮ টায় চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের আনন্দপুর গ্রামের স্বামীর পৈত্তিক বাড়ীতে তার দাহ সম্পন্ন হয়েছে।