Category: হবিগঞ্জ সদর

  • আবারও পিছিয়েছে কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ

    আবারও পিছিয়েছে কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাক্ষী ও আসামী উপস্থিত না হওয়ায় আবারও পিছিয়েছে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ। সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ রেজাউল করিম সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর।

    এদিকে মঙ্গলবার মামলার নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজিরা দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এই দুই বিএনপি নেতা উচ্চ আদালত থেকে ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারী থেকে জামিনে রয়েছেন।

    উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারী হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া। এ ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সময় মেয়র জি কে গউছ ছিলেন সৌদি আরবে।

    ২০০৫ সালের ৬ জানুয়ারী থেকে ৯ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত তার বৃদ্ধ পিতাকে নিয়ে তিনি পবিত্র হজ্জব্রত পালনে ছিলেন। এতেও রক্ষা হয়নি তার। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর ২০১৪ সালের ১২ নভেম্বর দাখিলকৃত ৩য় দফা সম্পূরক চার্জশীটে মেয়র জি কে গউছকে আসামী করা হয়।

    ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশীট গৃহীত হলে ২৮ ডিসেম্বর স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পন করেন মেয়র জি কে গউছ। আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। হবিগঞ্জ কারাগারে থাকাকালীন সময়ে মামলার কোন তারিখেই জি কে গউছকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

  • বিভাগের স্থান পরিবর্তন নিয়ে উত্তাল বৃন্দাবন কলেজ

    আব্দুল হাফিজ ভূঁইয়াঃ হবিগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের স্থান পরিবর্তন নিয়ে উত্তাল কলেজ ক্যাম্পাস। এক বিল্ডিং হতে অন্য বিল্ডিংয়ে স্থানান্তর এর সিদ্ধান্তে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    বৃন্দাবন সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগ বর্তমানে অবস্থান করছে শাহ এস. এম. কিবরিয়া ভবনে। সেখান হতে স্থানান্তর করা হয় কলেজের গণিত বিভাগের জায়গায়। যা কলেজের জীর্ন ভবন গুলোর অন্যতম।

    বিগত একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ইলিয়াস বকত চৌধুরীর প্রস্থাবে এজেন্ডা বহির্ভূত আলোচনার মাধ্যমে বাংলা বিভাগের স্থান পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    বিভাগের স্থান পরিবর্তন নিয়ে উত্তাল বৃন্দাবন কলেজ
    শাহ এস. এম. কিবরিয়া ভবন

    এ বিষয়টি জানতে পেরে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাসে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। মিছিলটি কলেজ প্রদক্ষিন করে অধ্যক্ষের কাছে এর প্রতিবাদ জানায়।

    বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ জানান, ”আমরা অধ্যক্ষ স্যারের কাছে গিয়েছি, তিনি আমাদের আস্বস্ত করেছেন, আমরা না চাইলে স্থান পরিবর্তন করবেন না।”

    বিভাগের স্থান পরিবর্তন নিয়ে উত্তাল বৃন্দাবন কলেজ
    বর্তমান গণিত বিভাগের ভবন

    বাংলা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম বলেন, ”বিভাগটি শুরু থেকে এখানে আছে। ঐতিহ্যের এই বিভাগের উন্নতি না হয়ে অবনতি হবে তা পীরাদায়ক। তাই বিষয়টি কোন শিক্ষার্থী মানতে পারছেনা।”

    উলেক্ষ্য হবিগঞ্জ জেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ। যে সকল বিভাগ নিয়ে কলেজে অনার্স মাস্টার্স শুরু হয় তন্মধ্যে বাংলা বিভাগ অন্যতম। ১৯৯৮ সালে শুরু হওয়া বিভাগটির তেমন কোন উন্নয়ন না হলেও বরাবরই ভাল ফলাফল করে আসছে এর শিক্ষার্থীরা। সাহিত্যের এই বিভাগের নেই পর্যাপ্ত শ্রেণি কক্ষ, নেই পূর্ণাঙ্গ লাইব্রেরি। ছোট একটি সেমিনার কক্ষ নিয়ে ১৯৯৮ হতে আজো তেমনি আছে কলেজের পুরাতন এই বিভাগটি।

    বিভাগের স্থান পরিবর্তন নিয়ে উত্তাল বৃন্দাবন কলেজ
    শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলছেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ এলিয়াস হুসেন

    স্থানান্তরে বিষয়ে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ এলিয়াস হুসেন বলেন, ”এজেন্ডার বাহিরে হলেও বিষয়টি বিভাগের প্রয়োজনে আলোচনা হয়েছিল। কোন সিদ্ধান্ত বা নোটিশ বাংলা বিভাগকে দেইনি। শিক্ষার্থীরা তাদের কথা বলেছে, তারা পরিবর্তন চায়না। তারা না চাইলে কোন পরিবর্তন হবেনা।”

  • হবিগঞ্জ শহরে স্কুল শিক্ষিকার রহস্যজনক মৃত্যু

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ শহরে মাস্টার কোয়ার্টার এলাকায় মিতালী দাস মুন্না (২২) নামের এক স্কুল শিক্ষিকার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। অবশেষে পুলিশের তাড়া খেয়ে লাশ আবার হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে আনা হয়েছে।

    এ ঘটনায় সর্বত্র তোলপাড় চলছে। মিতালী দাস ওই এলাকার হিরেন্দ্র দাসের কন্যা ও চড়িপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা। তার বাড়ি সদর উপজেলার সুখচর গ্রামে। মিতালী মাস্টার কোয়াটার এলাকায় থেকে লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রাইমারী স্কুলে চাকুরী করতেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে মিতালীর বাসায় হৈইচৈই শুরু হয়। মিতালী ঘরের ফ্যানের সাথে ঝুলে রয়েছে। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। এদিকে লাশের সাথে থাকা আসা লোকজন প্রভাবখাটিয়ে জুড়ে লাশ মাস্টার কোয়ার্টার নিয়ে যায়। হাসপাতাল থেকে এ খবর পুলিশের কাছে পৌছে।

    সদর থানার ওসি মুহাম্মদ সহিদুর রহমানের নির্দেশে পুলিশ লাশ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে যাবার আগেই পরিবারের লোকজন সন্ধ্যায় মিতালির লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসে।

    অপর একটি সূত্র জানায়, একই এলাকার এক কৃষি অফিসারের সাথে মিতালীর দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি তাদের প্রেমের সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়। এতে মিতালী মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ে। এমনকি তাদের মাঝে এ বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদও হতো। পুলিশকে না জানিয়ে লাশ নিয়ে যাওয়ায় এ মৃত্যু নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। রাত ৮টায় সদর থানার এসআই অমিতাব ও পুলিশ সদস্য অনুপমা সদর হাসপাতালে গিয়ে মিতালীর লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে।

    জমে উঠেছে শায়েস্তাগঞ্জের নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা

    এসআই অমিতাব জানান, মিতালীর গলায় কালো দাগের চিহ্ন রয়েছে। তবে ময়নাতদন্তেও রিপোর্ট পাওয়ার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

  • নির্বাচিত হলে জনগনের ভালবাসার ঋণ পরিশোধ করব – মেয়র প্রার্থী মিজান

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজানের পক্ষে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ মাঠে নেমেছেন।

    বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ পৌর অটো রিক্সা মালিক শ্রমিক ঐক্য লীগের উদ্যোগে নৌকার সমর্থনে শহরে ব্যতিক্রমধর্মী শোডাউন করা হয়েছে।

    মিজানুর রহমান মিজান বিভিন্ন এলাকায় গণ সংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।

    পৌর অটো রিক্সা মালিক শ্রমিক ঐক্য লীগের শো-ডাউন শেষে মোঃ লিলু মিয়ার সভাপতিত্বে ও মোঃ আকিজুর রহমান আলমগীরের পরিচালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে বক্তারা মিজানুর রহমান মিজানকে বিজয়ী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং প্রতিদিন বাসায় বাসায় গিয়ে প্রচারনা চালানোর ঘোষনা দেন।

    এদিকে বৃহস্পতিবার মিজানুর রহমান মিজান হবিগঞ্জ শহরের অনন্তপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীদেধকে সাথে নিয়ে গণসংযোগ করেন। এ সময় ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিজানুর রহমান মিজানকে সমর্থন করলে তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে বলেন, আমি নির্বাচনে বিজয়ী হলে দিন রাত কাজ করে জনগনের এই ভালবাসার ঋণ পরিশোধ করব।

    তিনি আরো বলেন, বিগত নির্বাচনে আমি জনগনের ভালবাসা পেয়েছিলাম। এর পর দিনরাত জনগনের সাথে থেকেই কাজ করেছি। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের প্রয়োজনে কাছে থাকার চেষ্টা করেছি।

  • জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্বিতীয় দিনের মতো উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন।

    বুধবার (১২ জুন) সকাল থেকে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে এ্যাসিল্যান্ড মাসুদ রানা, এ্যাসিল্যান্ড ছাব্বির আহমেদ মঞ্জু ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইয়াসিন আরাফাত রানার নের্তৃত্বে শহরের কোর্ট স্টেশনমুখী ঘোষপাড়া ও মোহনপুর মধ্যবর্তী উভয় এলাকার ড্রেনের ওপর অপরিকল্পিতভাবে স্থাপিত একাধিক স্ল্যাব-দোকানপাট এবং শহরের কামড়াপুর সংলগ্ন সড়ক বিভাগের অধীন দখল হয়ে পড়া ভূমি থেকে প্রায় এ পর্যন্ত ৪০টি অবৈধ দোকানপাট, বাসা-বাড়ী ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়।

    এই অভিযানে নের্তৃত্ব দেয়া সদর এ্যাসিল্যান্ড মাসুদ রানা জনকন্ঠকে জানান, কামড়াপুর স্থানটিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা তালিকাভুক্ত ৮’শ স্থাপনা উচ্ছেদ করার লক্ষ্য নিয়ে আজ বুধবার এই অভিযানে তারা নেমেছেন।

    প্রথম পর্যায়ে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ৪০টির মতো স্থাপনা উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়েছে। যা চলমান থাকবে এবং সংশ্লিস্ট এলাকা সহ পুরো শহরবাসীকে জলবদ্ধতার কবল থেকে মুক্ত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

    এদিকে জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ জানান, স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জলাবদ্ধতামুক্ত হবিগঞ্জ শহর উপহার দিতে কোন অবৈধ দখলদার ও পানি নিস্কাশনের পথ রুদ্ধ করেছে এমন ব্যক্তি যত প্রভাবশালীই হোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

    নবীগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

    তবে সাধারন মানুষের অভিযোগ, জেলা প্রশাসনের কর্তারা এ বিষয়ে এখন আন্তরিক হলেও পৌরসভার সংশ্লিস্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তা- কর্মচারীগণ ড্রেন-খাল- নালায় ভরপুর ময়লা-অবর্জনা এবং গুড়িয়ে দেয়া অবৈধ স্থাপনার মালামাল পরিস্কারে পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না।

  • হবিগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্ধ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে হবিগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে।

    সোমবার (১০ জুন) সকাল ১০টায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রার্থীদের মধ্যে এ প্রতীক বরাদ্ধ দেন। প্রতীক পাওয়ার পরপরই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রচারণায় নেমে পড়েন। এছাড়াও তাদের কর্মী সমর্থকদেরও প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে।

    প্রতীক পাওয়া প্রার্থীরা হল,

    আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান (নৌকা),

    নৌকা
    পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান (নৌকা)

     

    নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারিকেল গাছ),

    নারিকেল গাছ
    নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারিকেল গাছ)

     

    এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন),

    মোবাইল ফোন
    এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন)

    মোঃ মর্তুজ আলী (চামচ),

    মোঃ মর্তুজ আলী চামচ
    মোঃ মর্তুজ আলী (চামচ)

    সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ),

    সৈয়দ কামরুল হাসান জগ
    সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ)

    আগামী ২৪ জুন হবিগঞ্জ পৌরসভায় ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

  • হবিগঞ্জ শহরে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারে আগুন

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ শহরের সবুজবাগ এলাকায় একটি বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারে আগুন জ্বলছে। অথচ বিষয়টি জানেন না জেলা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এতে যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    এদিকে হবিগঞ্জ জেলা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া ফোন নাম্বারে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

    ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ করেই হবিগঞ্জ শহরের সবুজবাগ এলাকার বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারে আগুন জ্বলতে থাকে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া নাম্বারের বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। বার বারই নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

    তাহিরপুরে বাঁধ নির্মাণে পুকুরচুরি

    এ বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল ফাত্তাহ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখছি।