Category: হবিগঞ্জ সদর

  • জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত ॥ নবীগঞ্জের দিনারপুরে পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

    জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত ॥ নবীগঞ্জের দিনারপুরে পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

    জেলা আইনশৃংখলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাসিক সভায় জেলা আইন শৃংখলা কমিটির উপদেষ্টা এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেন, শহরের প্রধান সড়কে ক্লিনিক থাকায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিদিন জেলা সদরে আসা রোগিদের বহনকৃত যানবাহনের চলাচলে এ যানজট বৃদ্ধি করছে। এমতাবস্থায় যানজট নিরসনে শহরের প্রধান সড়কে থাকা ক্লিনিক গুলো নতুন স্টেডিয়ামে স্থানান্তর করলে কিছুটা হলেও যানজট নিরসন হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দোকানের সামনে সাইন বোর্ড রাখা হয়। এটাও যানজন সৃষ্টির কারণ। এসব সাইনবোর্ড অপসারণে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতে হবে। শহরের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকা দরকার। শহরবাসীর প্রাণের দাবী দান্দনিক শহর গড়তে সকল একযোগে কাজ করতে হবে। এমপি আবু জাহির আরও বলেন, অবৈধ টমটম চলাচল বন্ধে পৌরসভাকে ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। যানজট নিরসনে কিছু টমটম লাল সবুজ রং করে চিহ্নিত করে শহরের অন্যান্য সড়ক দিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও তিনি সভায় জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সদস্যদের উপস্থিত থাকার জন্য বলেন, প্রয়োজন ছাড়া কোন সদস্য উপস্থিত না হলে জেলা প্রশাসকের কাছে তাদেরকে কারণ দর্শানোর জন্য বলেন।এছাড়াও সভায় নবীগঞ্জের দিনারপুরে পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন, যানজট নিরসনে শহর থেকে ক্লিনিক গুলো নতুন স্টেডিয়ামে স্থানান্তর, শহরে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত, অবৈধ টমটম চলাচল বন্ধ করতে পৌরসভাকে নির্দেশ, দোকানের সামন থেকে সাইনবোর্ড সরাতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, মহাসড়কে থাকা বালুর স্তুপ অপসারণে ব্যবস্থা নিবে প্রশাসন, জেলা সদর হাসপাতাল দালালমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনসহ জেলা আইনশৃংখলা সভায় সকল সদস্যদের উপস্থিত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা পুুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রতীন্দ্র চন্দ্র, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, বানিয়াচং উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন রুবেলসহ বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান ও সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • হবিগঞ্জে ইদ এ মিলাদুন নবী সঃ উদযাপন

    হবিগঞ্জে ইদ এ মিলাদুন নবী সঃ উদযাপন

    সারা দেশের ন্যায় প্রতিকূল আবহাওয়া  সত্ত্বেও হবিগঞ্জ শহরে উদযাপন করা হলো পবিত্র ইদে  মিলাদুন নবী (সঃ)।      


    হবিগঞ্জ জেলা   মসজিদ  সমন্বয় সুুুন্নি  সংগ্রাম পরিষদ  আয়োজন  করে এক বিরাট জশনে জুলুস৷   জুলুস টি শেষ হয়ে  সমাবেত হয় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে (নিম তলায়)।

    এতে সভাপতিত্ব করেন আহলে সুন্নতের জামাত সমন্বয় সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ রইছ মিয়া।
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট মোহাম্মদ আবু জাহির এমপি। হবিগঞ্জ-৩ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজী মোহাম্মদ শাহ্ নওয়াজ মিলাদ গাজী এমপি, জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহ, পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, ইসলামি ফাউন্ডেশনের উপ পরিচালক আল্লামা শাহ মোঃ নজরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ দারুছুন্নাত কামিল মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মুফতি মোহাম্মদ ফারুক মিয়া, সহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসার কতৃপক্ষের নেতৃত্বে দলে দলে দয়াল নবীর জুলুছে মিছিলসহ কারে এসে ঘুরি ঘুরি বৃষ্টিতে ভিজে মিলাদুন্নবী উদযাপনে যোগ দেন।

  • কাজের মান বজায় রেখে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন হবে-মেয়র মিজান

    কাজের মান বজায় রেখে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন হবে-মেয়র মিজান

    হবিগঞ্জ পৌরসভায় ১২ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ শুরু হচ্ছে। তৃতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ (সেক্টর) প্রকল্প ইউজিআইআইপি’র আওতায় বাস্তবায়িত হবে এ কাজগুলো। রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের এ উন্নয়ন কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    ইউজিআইআইপি-৩ এর প্রকল্প পরিচালক এ কে এম রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে হবিগঞ্জ পৌরসভার প্রস্তাবিত ১২ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। পৌরএলাকার রাস্তা ও ড্রেন উন্নয়নে প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান। তিনি বলেন ‘এ উন্নয়ন কাজগুলো গুরুত্ব বিবেচনা করে একে একে বাস্তবায়ন করা হবে।’ মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান বলেন ‘উন্নয়ন কাজগুলোর গুনগত মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে বাস্তবায়িত হয় সেব্যাপারে আমি ও আমার পরিষদ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো।’

    ১২ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজগুলো মধ্যে রয়েছে উমেদনগর বড় কবরস্থান হতে বানিয়াচং রোড পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, উমেদনগর বানিয়াচং রোড হতে শাহপরান মাদ্রাস হয়ে বানিয়াচং রোড পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, ২নং পুল সড়ক ও জনপথ রাস্তা হতে মসজিদ হয়ে বাইপাস পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, কোর্ট স্টেশন পৌরসভা রোড হতে শুরু হয়ে মোঃ ফজলুর রহমান চৌধুরীর বাসা হয়ে শেখের মহল্লা রোড পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, কোর্ট স্টেশন পৌরসভা রোড হতে কোর্ট স্টেশন মসজিদ হয়ে বাইপাস রোড পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, শায়েস্তনগর এলাকার জেকে এন্ড এইচকে হাইস্কুলের পাশে এডভোকেট মোঃ আব্দুল্লাহ সাহেবের বাসার পাশে আরসিসি রাস্তা, শায়েস্তানগর কবরস্থানের রাস্তা হতে পৌরকাউন্সিলর শেখ মোঃ উম্মেদ আলী শামীম সাহেব ও মোঃ নিজাম সাহেবের বাসার পাশে আরসিসি রাস্তা, যশের আব্দা খোয়াই বাধের পার্শ্ব হতে মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার। চৌধুরী বাজার ট্রাফিক পয়েন্ট হতে সেকেন্ডারী ড্রেইন (আউটফল) তিনকোণা পুকুরপাড় পর্যন্ত, বাজার পুরাতন রেলওয়ে পুকুর হতে রাজনগর কালভার্ট হয়ে আনসার ও ভিডিপি পর্যন্ত আরসিসি বড় ড্রেন নির্মাণ, কর্মকার পট্টি হতে নোয়াবাদ পর্যন্ত আরসিসি ড্রেন।

    হবিগঞ্জ পৌরএলাকায় ইউজিআইআইপি’র আওতায় ১২ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ ছাড়াও বর্তমানে প্রায় ৩৩ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে এবং বাকীগুলো বাস্তবায়ন হওয়ার পথে। এ কাজগুলোর মধ্যে গরুরবাজার রোড হতে বগলা বাজার ও চৌধুরীবাজার হয়ে কিবরিয়া ব্রীজ পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা ঢালাইকাজসহ বিভিন্ন এলাকার আরসিসি রাস্তা, ড্রেন নির্মাণ ইত্যাদি রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার এশিয়ান ডেভেলপম্যান্ট ব্যাংক এবং ওপেন ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপম্যান্টের যৌথ অর্থায়নে ২০১৪ সালের জুলাই মাসে দেশের ৩৬টি পৌরসভায় তৃতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ (সেক্টর) প্রকল্প গ্রহণ করে। ২০২১ সালের জুন মাসে এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে। এ প্রকল্পের আওতায় রয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পানি নিস্কাশনের ড্রেন নির্মাণ, ঘাটলা, প্যালাসাইডিং, পানির মিটার স্থাপন, বস্তি উন্নয়ন, সড়ক বাতি ও সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ড। সামাজিক কর্মকান্ডের মধ্যে রয়েছে জেন্ডার এ্যাকশন প্ল্যান (গ্যাপ) ও পভার্টি রিডাক্শান এ্যাকশান প্ল্যান (প্রাপ) এর আওতায় নানা কর্মসূচী। এ কর্মসূচীর আওতায় হবিগঞ্জ পৌরসভা মহিলাদের জন্য ঘাটলা নির্মাণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদার কর্নার বাস্তবায়নসহ অন্যান্য কর্মসুচী পালন করেছে।

    ইউজিআইআইপি-৩ এর মধ্যে টিকে থাকাতে হবিগঞ্জ পৌরসভাকে নিয়মিত নানা শর্তাবলী পালন করতে হয়। শর্তাবলীর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নগর সমন্বয় কমিটি গঠন ও কার্যকর, পৌরকর, পানির বিল ও ননট্যাক্স আদায়, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, ড্রেন পরিস্কার, রক্ষনাবেক্ষন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক বাতি, স্থানীয় সম্পদ আহরণ ও বৃদ্ধি, অডিট এন্ড একাউন্টস, পৌরসভার কর্মকান্ডে নাগরিকের অংশগ্রহণ, স্থায়ী কমিটির কার্যক্রম ইত্যাদি।

    হবিগঞ্জ পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ সূত্রমতে, ২০১৪ সাল হতে এ পর্যন্ত ইউজিআইআইপি’র আওতায় হবিগঞ্জ পৌরসভায় প্রায় ৫০ কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন ও চলমান রয়েছে। ২০২১ সালের জুন মাসে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও এ প্রকল্পের কাজে সাফল্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আরো প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে হবিগঞ্জ পৌরসভার।

    আরও পড়ুন:

    কিছুটা দুর্বল হয়েছে বুলবুল, অতিক্রম করছে খুলনা উপকূল

  • গুণীজন সংবর্ধনা বাগ্মী নেতা বিপিন চন্দ্র পালের ১৬১তম জন্মদিন উপলক্ষে

    গুণীজন সংবর্ধনা বাগ্মী নেতা বিপিন চন্দ্র পালের ১৬১তম জন্মদিন উপলক্ষে

    ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পুরোধা, স্বাধীনতা সংগ্রামী বাগ্মী নেতা বিপিন চন্দ্র পালের ১৬১তম জন্মদিন উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় পইল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গুণীজন সংবর্ধনা অনুুিষ্ঠত হয়। অনুষ্ঠানে এবারের গুণীজন হিসেবে সম্মাননা পদক প্রাপ্ত হয়েছেন বাংলাদেশ পরিবেশ অন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম-সম্পাদক ওয়াটারকিপার অ্যালায়েন্সের কাউন্সিল মেম্বার শরীফ জামিল। এছাড়াও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সার্জেন্ট সৈয়দ আব্দুল হাই (এনাম) কে। বিপিন চন্দ্র পাল স্মৃতি সংসদ এর সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ অন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ জেলার সভাপতি বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ইকরামুল ওয়াদুদ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাপা হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক ও খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেল, বিশিষ্ট দন্ত চিকিৎসক পরিবেশ কর্মী ডাক্তার এস এস আলামিন সুমন, বর্ণমালা খেলাঘর আসরের কেন্দ্রীয় সদস্য বাদল রায়, বাংলাদেশ গ্র“প থিয়েটার ফেডারেশন সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক জালালুদ্দিন রুমি, পইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ।গুণীজন সম্মাননা পদক গ্রহণ করে শরীফ জামিল বলেন, যে কোনো সম্মাননা দায়িত্ব অনেক বাড়িয়ে দেয়। তিনি সেই দায়িত্ব¡ পালনে সচেষ্ট থাকার সংকল্প ব্যক্ত করেন। বিপিন পালের সততা ও নির্মোহ দেশপ্রেম থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের কল্যাণে আগামী দিনে পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনে কাজ করার ক্ষেত্রে এই সম্মাননা অনেক বড় অনুপ্রেরণা ও শক্তি যোগাবে। শরীফ জামিল তাকে এই সম্মান দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ইকরামুল ওয়াদুদ বলেন, শরীফ জামিল আমার ছাত্র, শিক্ষকতা থেকে অবসর নেওয়ার পর শরীফ জামিল আমাকে পরিবেশ আন্দোলন কাজ করার অনুরোধ জানায়। সেই থেকে হবিগঞ্জের পরিবেশ রক্ষায় আজও নাগরিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। শরীফ জামিল দেশের নদ-নদী ও বৈশ্বিক পরিবেশ রক্ষায় নিবেদিত ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই সম্মান তার প্রাপ্য। সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ আহমদুল হক বলেন, শরীফ জামিল আমাদের সন্তান। আমাদের যোগ্য সন্তানের হাতে বিপিনচন্দ্র পাল স্মৃতি পদক তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। পরিবেশ রক্ষায় শরীফ জামিল হবিগঞ্জ থেকে শুরু করে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায় যে অবদান রেখে চলেছেন তাতে আমরা গর্বিত।

  • শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান ও জেলা সম্মেলনে এমপি আবু জাহির ॥

    শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান ও জেলা সম্মেলনে এমপি আবু জাহির ॥

    হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেছেন, দেশের প্রাচীনতম শিক্ষা ব্যবস্থা কওমী মাদ্রাসাগুলোতে কুরআন-হাদীসের শিক্ষা দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের আলেম বানানোর পাশাপাশি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা করা হয়। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমী শিক্ষার অবদান ও মানবিক দিক বিবেচনা করে কওমী শিক্ষার সর্বোচ্চ ডিগ্রিকে সরকারি স্বীকৃতি দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। আমি নিজেও একজন সংসদ সদস্য হওয়ার সুবাদে উক্ত স্বীকৃতির পক্ষে সমর্থন দিয়ে মহৎ কাজের স্বাক্ষী হয়েছি বলে গর্ববোধ করছি। তিনি বলেন, শুধু স্বীকৃতি নয়, আমি কওমী শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকুরীতে নিয়োগ লাভে এবং কওমী মাদ্রাসাগুলোর যাবতীয় উন্নয়নে সাধ্যমত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা পুরস্কার বিতরণী ও জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের প্রেরণামূলক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই দেশ আমাদের সকলের। কওমী মাদ্রাসা, আলিয়া মাদ্রাসা এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সকল নাগরিককে যাবতীয় সন্ত্রাসবাদসহ দেশবিরোধী অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।বেফাক হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় আল হাইআতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে কওমী মাদ্রাসার সর্বোচ্চ ক্লাস দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) উত্তীর্ণ এবং বেফাকের কেন্দ্রীয় পরিক্ষায় বিভিন্ন শ্রেণিতে মেধাস্থান অর্জনকারীদের কে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন, জেলা শাখার সভাপতি, মাওলানা আব্দুল্লাহ আকিলপুরী। মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস নোমান, মাওলানা আজিজুর রহমান মানিক ও মাওলানা জাবের আল হুদা চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জামেয়া দারুল আরকাম বিবাড়িয়ার প্রিন্সিপাল, বেফাকের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ সভাপতি আল্লামা সাজিদুর রহমান, সহ সভাপতি, মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য, চুনারুঘাট শামছুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম, মাওলানা জহুর আলী, রায়ধর জামেয়ার মুহতামিম, মাওলানা আবু সালেহ সাদী, প্রফেসর মুহসিন আহমদ, মাওলানা আনোয়ার আলী প্রমুখ।আল্লামা সাজিদুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, কওমী মাদ্রাসায় শিক্ষার পাশাপাশি দীক্ষা ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাই কওমী মাদ্রাসায় আবরার হত্যার মত ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটতে দেখা যায় না। আখেরাতমুখী ও নৈতিক শিক্ষার ফলে কওমী মাদ্রাসায় হল দখল নেই, চাঁদাবাজি নেই, নারী ধর্ষণের মত ঘটনা এখানে ঘটেনা।সম্মেলনে জেলা বেফাকের নেতৃবৃন্দসহ বক্তব্য রাখেন, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা মুখলিসুর রহমান, মাওলানা আইয়ূব বিন সিদ্দীক, মাওলানা যুবায়ের আহমদ চৌধুরী, মাওলানা গোলাম কাদির, মাওলানা শাহ আলম, মাওলানা এনামুল হক, মাওলানা হাসিবুল হাসান, মাওলানা জুনাইদ আহমদ কাটখালী, মুফতী বশীর আহমদ, মুফতী ফায়যুল কারীম, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, মুফতী মুহসিন আহমদ, মাওলানা সাইদুর রহমান, মাওলানা শরীফুদ্দীন সুফিয়ান, মাওলানা লুৎফুর রহমান, মাওলানা আব্দুল ওয়াহিদ, ব্যকস সভাপতি, শামছুল হুদা, মাওলানা জুনাইদ শাকির, মাওলানা হুমায়ুন কবির, মাওলানা সাব্বির আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বেফাকের জেলা সম্মেলন স্মারকের মোড়ক উন্মোচন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এমপি আবু জাহির।

  • নবাগত জেলা প্রশাসককে জেলা ক্রীড়া সংস্থায় বরণ

    নবাগত জেলা প্রশাসককে জেলা ক্রীড়া সংস্থায় বরণ

    এক সময়ে সুযোগ সুবিধা আর অবকাঠামোর অভাবে অবহেলিত ছিল হবিগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গণ। এখন হয়েছে আধুনিক স্টেডিয়াম। উন্নতমানের আবাসনের জন্য রয়েছে প্যালেসের মত বিলাসবহুল রিসোর্ট। তারপরও ক্রীড়াঙ্গনে প্রত্যাশিত গতি আসছে না।গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কনফারেন্স রুমে হবিগঞ্জের নবাগত জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানকে বরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিষয়টি সবাই নজরে আনলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকা এমপি আবু জাহির বলেন, ‘আমি ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক ছিলাম। তখন থেকেই চেষ্টা ছিল আধুনিক স্টেডিয়াম করার। পরে সকলের সহযোগিতায় এমপি হওয়ায় এই স্টেডিয়াম করতে পেরেছি। ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে যা প্রয়োজন আমি করব। সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে। তিনি নবাগত জেলা প্রশাসককেও এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানান।সংবর্ধিত ব্যক্তিত্ব ও নবাগত জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানও বলেন, জেলার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করতে চান। বিশেষ করে তরুণদের জন্য উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানান তিনি। তিনি নিজেও মাঠে এসে খেলাধুলায় অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করলে সবাই হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানান।অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন, সুন্দর সমাজ বিনির্মানে খেলাধুলার বিকল্প নেই। পুলিশ প্রশাসন নিয়মিত কাজের বাহিরে শিক্ষা ও খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করছে। তিনিও ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে তার সহযোগিতার প্রতিশ্র“তি দেন।জেলা প্রশাসক পদাদিকার বলে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি। সেই হিসাবে বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও গতকালের অনুষ্ঠানটি ছিল ক্রীড়াঙ্গনের মিলন মেলা। শুধু জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দই উপস্থিত ছিলেন না। ছিলেন সাধারন পরিষদের সদস্য, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, রেফারী, ক্লাব প্রতিনিধি ও বিভিন্ন উপজেলার ক্রীড়া সংগঠকরাও।অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক অমিতাভ পরাগ তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক ফরহাদ হোসেন কলি, সহ-সভাপতি এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, আব্দুর রহমান, এডভোকেট এনামুলক হক সেলিম, শঙ্খ শুভ্র রায়, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক এডভোকেট সুলতান মাহমুদ ও সফিকুজ্জামান হিরাজ, কোষাধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির চৌধুরী সাহেদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সংগঠকবৃন্দ।অনুষ্ঠানে নবাগত জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানকে ফুল দিয়ে বরণ করেন প্রধান অতিথি এডভোকেট মো. আবু জাহির এমপি।

  • সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

    সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের সাথে মতবিনিময় করেছেন নবাগত জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান। মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় উপজেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান আউয়াল, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ফেরদৌস আরা বেগম, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাসুক আলী, জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ আব্দুল মুকিত, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ ফারুক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, সকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বীর ম্ুিক্তযোদ্ধাসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। মতবিনিময় সভায় নবাগত জেলা প্রশাসক উপস্থিত সকলের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনেন এবং সদর উপজেলার বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করেন। এর পূর্বে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে পৌছলে উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, ভাইস-চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান আউয়াল ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ফেরদৌস আরা বেগমসহ উপজেলা প্রশাসন ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।