Category: হবিগঞ্জ সদর

  • উগ্রবাদ প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার

    উগ্রবাদ প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার

    হবিগঞ্জে ‘উগ্রবাদ প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যাহ (বিপিএম, পিপিএম) বলেছেন, ‘পুলিশ ও গণমাধ্যম সজাগ থাকায় জঙ্গী তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তা আরও কমবে। এ জন্য গণমাধ্যম কর্মীদেরকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। গণমাধ্যম কর্মীরা একটি দেশের, একটি সমাজের ধ্যান-ধারণা পাল্টে দিতে পারেন। এ লক্ষ্যে জঙ্গীদের পরিবারের দূর্দশার চিত্র ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত যুবক যুবতীদের স্বপ্নগাথা গল্প গণমাধ্যমে তুলে ধরা প্রয়োজন’।

    তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাস-জঙ্গী দমনে ২৯টি কওমি মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেমিনার করা হয়েছে। আমি হবিগঞ্জে যোগদানের আগে মামলা ছিল ২হাজার ৭শত। যোগদানের পর এক বছরে মামলা দাড়িয়েছে ২ হাজার ১শ-তে। মামলা কমেছে ৬শ’।

    মঙ্গলবার দিনব্যাপী পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ‘উগ্রবাদ প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে উপরোক্ত কথা বলেন তিনি। কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট- এর আয়োজনে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফজলুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সেমিনারে কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট কর্মকর্তা রহমত উল্লাহ বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ৩/৪ হাজার জঙ্গী সিরিয়ায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্য মতে বাংলাদেশের ৭০ জন জঙ্গী সিরিয়ায় গিয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ৩০ জন বিভিন্ন সময় মারা গেছে। অন্যরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে না। দেশের সব প্রবেশ পথে তাদের সম্পর্কে তথ্য দেয়া আছে। প্রবেশের চেষ্টা করলেই তারা ধরা পড়বে’। সাবেক পৌর চেয়ারম্যান জনাব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘জঙ্গীদের রাজনৈতিক কোনো লক্ষ্য নেই, লক্ষ্যহীনভাবে তারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে’।

    বক্তারা বলেন, ‘বাঙ্গালি সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করতে হবে। সকলের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে। বই পড়া, গান, আবৃত্তি, বিতর্ক, কিংবা খেলাধুলায় উৎসাহিত করা, সঠিক ও প্রয়োজনীয় ধর্ম শিক্ষা দেয়া এবং অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করাসহ নৈতিকতা, মানবিকতা, সহনশীলতা ও সহাবস্থানের চর্চা করতে হবে’।

    সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলা ভিশন প্রতিনিধি মোহাম্মদ নাহিজ, এটিএন বাংলার প্রতিনিধি আব্দুল হালীম, দৈনিক কালেরকন্ঠ প্রতিনিধি এডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, দৈনিক জনকণ্ঠ প্রতিনিধি রফিকুল হাসান চৌধুরী তুহিন, দৈনিক নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি এডভোকেট এমএ মজিদ, মাছরাঙ্গা টিভির প্রতিনিধি চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ ও জিটিভির প্রতিনিধি মোহাম্মদ নুর উদ্দিন প্রমুখ।

  • খেলাধূলার প্রসারে সকলে মিলে কাজ করতে হবে এমপি আবু জাহির

    খেলাধূলার প্রসারে সকলে মিলে কাজ করতে হবে এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেছেন, সুস্থ জাতি গঠনে শিশুদের দৈহিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এক সময় গ্রামাঞ্চলে মুক্ত মাঠ ও বড় বড় বিল-পুকুর ছিল। শিশুরা সেখানে মুক্ত মনে খেলাধূলার মাধ্যমে বেড়ে উঠতো। তাদের রোগ-বালাই হতো কম। বড় হয়ে কর্মক্ষেত্রে সফলতার স্বাক্ষর রাখতো।

    হাসপাতালে দৌড়াতে হতো না, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভাল থাকায়। কিন্তু এখন অনেকেই মাঠ নষ্ট করছে এবং জলাশয় ভরাট করে ফেলছেন। এতে করে নতুন প্রজন্ম মাঠমুখী না হয়ে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটায়। তাদেরকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধূলায় সম্পৃক্ত করতে হবে।

    গতকাল শুক্রবার বিকেলে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লুকড়া ফান্দ্রাইল নতুন বাজার খেলার মাঠে এমপি আবু জাহির ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    এমপি আবু জাহির আরো বলেন, বর্তমান সরকার খেলাধূলার উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। উপজেলায় উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করে দিচ্ছে। আমিও হবিগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গনে উন্নয়নের জন্য আধুনিক স্টেডিয়াম এনে দিয়েছি। সারা বছরই মাঠে খেলা রাখার জন্য পৃষ্টপোষকতা দিচ্ছি। শুধু সরকার এবং আমরা জনপ্রতিনিধিরা এগিয়ে আসলেই হবে না, সকলে মিলে এ ব্যাপারে কাজ করতে হবে।

    গ্রামাঞ্চলে এখনও মানুষ খেলাধূলাকে ভালবাসে এবং এখানেই বিনোদন খুঁজে। আজকের মাঠভর্তি দর্শক এর প্রমাণ। সারা বছরই এই মাঠে যেন তরুণদের পদচারণায় মুখরিত থাকে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। লুকড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রইছ মিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বর্তমান চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আব্বাস, আব্দুস সাত্তার তালুকদার, হাজী মিয়াধন মিয়া, আহাম্মদ আলী মেম্বার, আব্দুল্লাহ চৌধুরী মেম্বার প্রমূখ।

  • বিশ্ব ডায়াবেটিক দিবস পালন হয়েছে হবিগঞ্জে

    বিশ্ব ডায়াবেটিক দিবস পালন হয়েছে হবিগঞ্জে

    সারা বিশ্বের ন্যায় হবিগঞ্জেও ডায়াবেটিক দিবস পালন করা হয়েছে।

    এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে “আসুন, পরিবারকে ডায়াবেটিসমুক্ত রাখি” এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে প্রথম পর্যায়ে সকাল ৭টায় কোর্ট স্টেশন চাষী বাজারে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্টিত হয়। উক্ত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে সহশ্রাধিক রোগীদের ডায়াবেটিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম দেওয়া হয়। মেডিকেল ক্যাম্পে অংশগ্রহন করেন হবিগঞ্জ ডায়াবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুদীপ রায়, হবিগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির আজীবন সদস্য নিয়াজুল বর চৌধুরী, অফিস সেক্রেটারী ফজলুল করিম, ল্যাব টেকনোলজিষ্ট পলাশ চন্দ্র সরকার ও আব্দুল্লাহ মিন্টু প্রমুখ। দ্বিতীয় পর্যায়ে সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ ডায়াবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালে সমিতির সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও অফিস সেক্রেটারী মোঃ ফজলুল করিমের পরিচালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ডায়াবেটিক বিশেষজ্ঞ হবিগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হুসেন চৌধুরী, সমিতির কোষাধ্যক্ষ ফণী ভূষন দাস, সমিতির সদস্য ডাঃ জমির আলী, মেডিকেল অফিসার ডাঃ শফিকুল ইসলাম, ডাঃ এস এস আল আমিন সুমন, ডাঃ সুদীপ রায়, ডাঃ নিলুফা ইয়াছমিন (সুমি) প্রমুখ। অনুষ্ঠানে তথ্য প্রকাশ করা হয় যে, হবিগঞ্জ ডায়াবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালে সপ্তাহে প্রতি শনিবার হতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আউটডোরে রোগী দেখা হয়। কিডনী ডায়ালাইসিস সহ গাইনি বিভাগ চালু হয়েছে এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রাপাতি দ্বারা অত্যান্ত সূলভ মূল্যে সকল ধরনের পরিক্ষা-নিরিক্ষা করা হয়।

  • প্রধান শিক্ষকদের সাথে মোতাচ্ছিরুল ইসলামের মতবিনিময়

    প্রধান শিক্ষকদের সাথে মোতাচ্ছিরুল ইসলামের মতবিনিময়

     আগামী ১৭ নভেম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পিএসপি/সমাপনী পরীক্ষা শুরু হবে। এই পরীক্ষা কার্যক্রমকে সুষ্ট ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ১৪৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোতাচিছরুল ইসলাম। 

    গতকাল সকালে উপজেলা পরিষদের হল রুমে এই সভা অনুষ্টিত হয়।
    সভায় প্রধান অতিথি মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বলেন, মেধাবী নতুন প্রজন্ম পেতে আমাদের শিশুদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। তাহলে আমরা তাদের সুন্দর ভবিষ্যত নির্মাণ করতে পারব। কারণ এরাই আমাদের আগামী দিনের পথপ্রদর্শক, রাষ্ট্র নায়ক, দেশ পরিচালক। তাই এদের ভবিষ্যতে নিয়ে আমাদের গুরুত্বের সাথে চিন্তা করতে হবে। মনে রাখতে হবে আজকের শিশু আগামীদের বাংলাদেশে।
    এ সময় অন্যান্যর মাঝে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সরকার আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাশ, কাজী মোঃ জাফর, মাহমুদ হাসান, প্রনয় কান্তি দাস প্রমূখ।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ট্রেন দূর্ঘটনায় হবিগঞ্জের নিহত ৭ জন

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ট্রেন দূর্ঘটনায় হবিগঞ্জের নিহত ৭ জন

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ‘তূর্ণা নিশীথা’ ও ‘উদয়ন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় হবিগঞ্জের ৭ জন মারা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    নিহতরা হলেন- হবিগঞ্জ শহরতলীর আনোয়ারপুরের আলী মো. ইউনুছ (৩০), বহুলা গ্রামের আলমগীর আলমের ছেলে ইয়াছিন আলম (১২), চুনারুঘাট উপজেলার উলুকান্দি পশ্চিম তালুকদার বাড়ির ফটিক মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (২২), একই উপজেলার পীরের গাঁওয়ের আব্দুল হাসিমের ছেলে সুজন মিয়া (২৫), এবং আব্দুস সালামের স্ত্রী পিয়ারা বেম (৬২),  বানিয়াচং উপজেলার মর্দন মুরত গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে আল আমিন মিয়া (৩৪) ও একই উপজেলার টাম্বলী টুলা গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে আদিবা আক্তার (৪)।

    বানিয়াচংয়ের নিহত আল-আমিনের চাচাতো ভাই ফুল মিয়া জানান, চাচা মনু মিয়া ও ভাই শামীমকে সঙ্গে নিয়ে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন আল-আমিন। পথে ট্রেন দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান আল-আমিন। বাকি দুইজনকে আহত অবস্থায় হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    চুনারুঘাটের নিহত রুবেলের চাচাতো ভাই ফুল মিয়া বলেন, স্থানীয় শানখলা মাদ্রাসার দাখিল পড়ুয়া ছাত্র ছিলেন রুবেল। ৫ বন্ধু মিলে কক্সবাজার বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পথে দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে ফিরতে হলে তাকে।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ট্রেন দূর্ঘটনায় হবিগঞ্জের নিহত ৬ জন

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নিহত ৭ জনের নাম-পরিচয় অফিসিয়ালি শনাক্ত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে সহায়তা করা হবে।

    সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ৩টার দিকে উপজেলার মন্দবাগ এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী ‘তূর্ণা নিশীথা’র সঙ্গে সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রা করা ‘উদয়ন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৭ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক।

  • ট্রেন দূর্ঘটনায় হবিগঞ্জের নিহত ৬ জন

    ট্রেন দূর্ঘটনায় হবিগঞ্জের নিহত ৬ জন

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ‘তূর্ণা নিশীথা’ ও ‘উদয়ন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় হবিগঞ্জের ৬ জন মারা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    নিহতরা হলেন- হবিগঞ্জ শহরতলীর আনোয়ারপুরের আলী মো. ইউনুছ (৩০), বহুলা গ্রামের আলমগীর আলমের ছেলে ইয়াছিন আলম (১২), চুনারুঘাট উপজেলার উলুকান্দি পশ্চিম তালুকদার বাড়ির ফটিক মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (২২), একই উপজেলার পীরের গাঁওয়ের আব্দুল হাসিমের ছেলে সুজন মিয়া (২৫), বানিয়াচং উপজেলার মর্দন মুরত গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে আল আমিন মিয়া (৩৪) ও একই উপজেলার টাম্বলী টুলা গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে আদিবা আক্তার (৪)।

    বানিয়াচংয়ের নিহত আল-আমিনের চাচাতো ভাই ফুল মিয়া জানান, চাচা মনু মিয়া ও ভাই শামীমকে সঙ্গে নিয়ে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন আল-আমিন। পথে ট্রেন দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান আল-আমিন। বাকি দুইজনকে আহত অবস্থায় হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    চুনারুঘাটের নিহত রুবেলের চাচাতো ভাই ফুল মিয়া বলেন, স্থানীয় শানখলা মাদ্রাসার দাখিল পড়ুয়া ছাত্র ছিলেন রুবেল। ৫ বন্ধু মিলে কক্সবাজার বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পথে দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে ফিরতে হলে তাকে।

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নিহত সবার নাম অফিসিয়ালি শনাক্ত করা হয়নি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে সহায়তা করা হবে।

    সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ৩টার দিকে উপজেলার মন্দবাগ এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী ‘তূর্ণা নিশীথা’র সঙ্গে সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রা করা ‘উদয়ন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক।

  • ৩নং তেঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আনু মিয়া কারাগারে

    ৩নং তেঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আনু মিয়া কারাগারে

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনু মিয়াকে প্রতিপক্ষের উপর হামলার মামলায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। সোমবার তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা না-মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।উল্লেখ্য, তেঘরিয়া ইউপি’র রামপুর শ্মশানঘাট এলাকার বাসিন্দা কামাল মিয়া বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এতে প্রধান আসামী করা হয় তেঘরিয়ার চেয়ারম্যান মোঃ আনু মিয়াকে। মামলার বিবরণে প্রকাশ, গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে ওই গ্রামের সাদেক মিয়ার উপর প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালায় চেয়ারম্যান আনু মিয়াসহ তার লোকজন। এসময় সাদেক মিয়াকে কুপিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করা হয়। ভাংচুর করা হয় তার মোটর সাইকেল। ঘটনার সময় সাদেক মিয়ার শোর-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল ও পরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চেয়ারম্যান আনু মিয়া গ্রামের দরিদ্র মানুষদেরকে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দেয়ার কথা বলে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। মাসের পর মাস পার হয়ে গেলেও তাদের সরকারি কোনো সুবিধাই দেননি তিনি। পরে ভোক্তভোগীরা তাদের টাকা চাইতে গেলে চেয়ারম্যান আনু মিয়া অশ্লীল ভাষায় গালাগালিজ করে নানা ভয়ভীতি দেখান। বিষয়টি ইউনিয়নের প্রায় সকল মেম্বারগণই তার উপর ক্ষুদ্ধ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউনিয়নের এক মেম্বার জানান, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ না করেই ভুয়া কাগজ দেখিয়ে টাকা আত্মসাত করে থাকেন চেয়ারম্যান আনু মিয়া।