Category: হবিগঞ্জ সদর

  • হবিগঞ্জ শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে মেয়রের লিফলেট বিতরণ

    হবিগঞ্জ শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে মেয়রের লিফলেট বিতরণ

    পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে পৌরসভার কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সচেতনতা লিফলেট বিতরণ করেছেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান মিজান।

    গতকাল শুক্রবার জুমা’র নামাজের পর কোর্ট মসজিদ এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচারমুলক লিফলেট বিতরণ করেন তিনি।

    প্রচারপত্রে পৌরবাসীর প্রতি সহযোগিতা চান মেয়র। পত্রে উল্লেখ করা হয় পৌরসভা হবিগঞ্জ শহরকে পরিষ্কার  পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তোলতে পরিচ্ছন্নতামুলক নানা কর্মসূচী পালন করছে হবিগঞ্জ পৌরসভা। বাসা, বাড়ী, দোকান-পাট, অফিস-আদালত ইত্যাদির ময়লা আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে নির্দিষ্ট  ডাষ্টবিনে যেনো ফেলা হয়।

    অথবা সিডিসির ভ্যানগাড়ীতে যেনো দেয়া হয় সে ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। শহরকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে মেয়র পৌরবাসীর সহযোগিতা কামানা করেন।

  • চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক: কে এই হবিগঞ্জের শাকিল?

    চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক: কে এই হবিগঞ্জের শাকিল?

    শিক্ষাজীবনে অসামান্য অবদান ও বিশেষ কৃতিত্বের জন্য হবিগঞ্জের জহিরুল হক শাকিলকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক প্রদান করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।

    ৮ ডিসেম্বর বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনে ১২ হাজার সুধীর উপস্থিতিতে শাকিলকে পদক প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ। এ সমাবর্তনে প্রায় ৭ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।

    শাবিপ্রবি সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী কোনো ছাত্র-ছাত্রী স্বর্ণপদক পেতে হলে তাকে সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে প্রথম হতে হয় এবং শিক্ষাজীবনে কোনো পরীক্ষায় বিরতি ও ড্রপ বা এফ থাকতে পারবে না। তাই শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৯তম একাডেমিক কাউন্সিল জহিরুল হক শাকিলকে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত করে।

    জহিরুল শাকিলের স্বর্ণপদক প্রাপ্তি হবিগঞ্জবাসীর জন্য গৌরবের। ইতিপূর্বে হবিগঞ্জ জেলার কোনো শিক্ষার্থী এ ধরনের বিরল সম্মানে ভূষিত হননি।

    জহিরুল হক শাকিলকে পদক প্রদান করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ।
    জহিরুল হক শাকিলকে স্বর্ণপদক প্রদান করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ।

    উল্লেখ্য, জহিরুল হক শাকিল ইতোপূর্বে সামাজীক বিজ্ঞান অনুষদে প্রথম হওয়ায় ভাইস-চ্যান্সেলর মেডেল ও পলিটিক্যাল স্টাডিজ এন্ড পাবলিক এ্যাফেয়ার্স বিভাগে প্রথম হওয়ায় ইউনিভার্সিটি বুক প্রাইজ অর্জন করেন। একই বিভাগ থেকে মাস্টার্স লেভেলেও তিনি ডিস্টিংশনসহ বিভাগ ও অনুষদে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জন করেন। এজন্য তিনি ভাইস-চ্যান্সেলর মেডেল ও ইউনিভার্সিটি বুক প্রাইজে সম্মানিত হন।

    শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়ে তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এওয়ার্ড লাভ করেন। বাংলাদেশে অনার্স ও মাস্টার্স উভয় পর্যায়ে ডিস্টিংশন অর্জন খুবই বিরল। এছাড়া জহিরুল হক শাকিল শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন সেমিস্টার পরীক্ষায় প্রথম ব্যতিরেকে দ্বিতীয় হননি। এটিও একটি রেকর্ড।

    ২০০২ সালে তিনি সিলেটের একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৪ সালে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ এন্ড পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান ও ২০০৬ সালে পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি ২০১৪ সালে সহযোগী অধ্যাপক ও ২০১৮ সালে পদোন্নতি পান অধ্যাপক হিসেবে।

    জহিরুল হক শাকিল ২০০৯ সালে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কোনো ছাত্র হিসেবে যুক্তরাজ্য সরকার প্রদত্ত বিশ্বের বিখ্যাত কমনওয়েলথ স্কলারশীপ লাভ করেন। এ স্কলারশীপের অধিনে ইংল্যান্ডের লিডস মেটের স্কুল অব এপ্লাইড গ্লোবাল ইথিক্স এর পিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগ থেকে মেরিটসহ মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।

    ২০১০ সালের অক্টোবরে ফিরে আসেন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরে ২০১২ সালে আবারো কমনওয়েলথ স্কলারশীপ লাভ করে বিশ্বখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল এন্ড আফ্রিকান স্টাডিজ থেকে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। দু’দুবার কমনওয়েলথ স্কলারশীপ লাভ করা কেবল বাংলাদেশে নয়; কমনওয়েলথের ইতিহাসেও বিরল।

    হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্থানগর আবাসিক এলাকার বিশিষ্ঠ শিক্ষক হবিগঞ্জ বিতর্ক পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ জবরু মিয়া ও গৃহিনী আলহাজ্ব মোছাঃ রাবেয়া খাতুনের প্রথম সন্তান ড. জহিরুল হক শাকিল।

    তার শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অসমান্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। তিনি ১৯৯৩ সালে শহরের জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুল থেকে স্টারমার্কসহ প্রথম বিভাগে এসএসসি ও ১৯৯৫ সালে বৃন্দাবন সরকারী কলেজ এর মানবিক বিভাগ থেকে হবিগঞ্জ জেলায় সর্বোচ্চ নম্বর নিয়ে প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাস করেন।

    জহিরুল হক শাকিল কেবল লেখা পড়ায় নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডেও ভূমিকা পালন করেন। তিনি জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুলের স্কাউট লিডার ও বৃন্দাবন সরকারী কলেজের সিনিয়র রোভার মেট ছিলেন।

    তিনি ১৯৯৩ সালে চতুর্দশ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক স্কাউট সমাবেসে জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুলের ও ১৯৯৫ সালে চতুর্দশ জাতীয় রোভার মুটে বৃন্দাবন সরকারী কলেজ রোভার দলের নেতৃত্ব দেন। তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর বৃন্দাবন সরকারী কলেজ প্লাটুনের একজন কৃতি ক্যাডেট ছিলেন।

  • জেলা জমিয়তে শোকের ছায়া আল্লামা তাফাজ্জুল হকের মৃত্যুতে

    জেলা জমিয়তে শোকের ছায়া আল্লামা তাফাজ্জুল হকের মৃত্যুতে

    চেতনার বাতিঘর, জমিয়তের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি, আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী (রহঃ) মৃতুতে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং হবিগঞ্জ জেলাকে জমিয়তের সাংগঠনিক জেলা সমূহের মধ্যে একটি মডেল জেলায় রূপান্তরিত করতে মরহুম হবিগঞ্জী হুজুরের রেখে যাওয়া আমানতকে অনুসরণ করে নতুন উদ্যমে হবিগঞ্জ জেলা জমিয়ত নেতৃবৃন্দের দ্বীপ্ত অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মরহুম হবিগঞ্জী হুজুর মৃত্যুবরণের কয়েক ঘণ্টা আগে আহ্বান করা বৈঠকে কেন্দ্রীয় জমিয়ত অন্যতম দুই সহ-সভাপতি, শাইখুল হাদিস আল্লামা আব্দুর রব ইউসূফী ও শাইখূল হাদিস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আব্দুল গফফার ছয়গরীর উপস্থিতিতে জেলা জমিয়ত, যুব ও ছাত্র জমিয়ত নেতৃবৃন্দ এ দ্বীপ্ত শপথ নেন। এ সময় হবিগঞ্জী (রহঃ) এর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নেতকর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তখন এক আবেগণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সর্বসম্মতিক্রমে জেলা জমিয়তের সহ-সভাতি হাফেজ মাওলানা শামছুল হক সাদী (মুসা) কে জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনোনীত করা হয়। জেলা সেক্রেটারী মুফতী সিদ্দীকুর রহমান চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আহুত কর্মী সম্মেলন সফলে সকল উপস্থিতি ও সহযোগিতা কামনা করেন। উক্ত কর্মী সম্মেলন সফলের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বাদ জুহর জেলা জমিয়ত কার্যালয়ে হবিগঞ্জ জেলা জমিয়তের বৈঠক আহ্বান করা হয়। এতে জেলা শাখার সকলকে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা জমিয়তের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাফেজ মাওঃ শাসুল হক সাদী, মাওঃ আব্দুল খালেক, মাওঃ শায়েখ মখলিছুর রহমান, হাজী ফরিদ উল্লাহ, মুফতি আব্দুল হান্নান, মাওঃ আব্দুল ওয়াদুদ, হাফেজ মাওঃ মাছরুরুল হক, মাওঃ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী হেলাল, মাওঃ মাসুকুর রহমান, মাওঃ তাফহিমুল হক, মাওঃ আব্দুল করিম আজহার, মাওঃ শিব্বির আহমদ, মাওঃ আলী আহমদ, মাওঃ মামনুনুল হক, মাওঃ মোহাম্মদ আলী, মুফতি আমির আহমদ, মাওঃ আব্দুল হামিদ খান, মাওঃ ফয়জুল বারী, মাওঃ মনিরুজ্জামান, মাওঃ আসাদ আহমদ, মাওঃ ফখরুল ইসলাম, মাওঃ বশির আহমদ প্রমুখ। পরে আল্লামা হবিগঞ্জী (রহঃ) রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মুনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

  • লাখো মুসল্লীর অংশ গ্রহণে সম্পূর্ণ হলো হবিগঞ্জী হুজুরের জানাজা

    লাখো মুসল্লীর অংশ গ্রহণে সম্পূর্ণ হলো হবিগঞ্জী হুজুরের জানাজা

    লাখো মুসল্লীর  উপস্থিতিতে দেশের প্রখ্যাত আলেম হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর আল্লামা হাফেজ তাফাজ্জুল হক মুহাদ্দিসে হবিগঞ্জীর নামাজে জানাজা সম্পূর্ণ হয়।

    তার নিজ প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের উমেদনগরে জামেয়া আরাবিয়া উমেদনগর টাইটেল মাদ্রাসা ময়দানে আজ সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় জানাজা। জানাজায় ইমামতি করেন হুজুরের বড় সাহেবজাদা হাফেজ মাওলানা মসরুরুল হক্ক।

    জানাজার শেষে হুজুর কে দাফন করা হয়েছে তার নিজ মাদ্রাসায়।

    উল্লেখ উক্ত মাদ্রাসার মুহতামিম হিসেবে হুজুরের বড় ছেলে কে দায়িত্ব দেয়া হয়।

    আল্লামা হবিগঞ্জীকে শেষবারের মতো দেখতে লাখো জনতা উপস্থিত হয়েছিল জানাজার মাঠে।

    রাস্তায় মুসল্লীর একাংশ

    মাঠে জায়গা না পেয়ে মুসল্লীরা রাস্তায় জানাজার নামাজ আদায় করেন।

    তার জানাজায় অংশ নিতে জনস্রোতে পরিণত হয় হবিগঞ্জের উমেদনগর মাদরাসা মাঠ এবং পুরো হবিগঞ্জ।

    জানাজায় স্থানীয় আলেমরা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছুটে আসেন হাজারো আলেম ও ছাত্র-জনতা।

    জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন সিলেটের মেয়র  জনাব আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক জনাব কামরুল হাসান এবং সাবেক মেয়র জিকে গউছ  এবং স্থানীয় নেত্রীবৃন্দ।

    হবিগঞ্জের  এই আলেম গতকাল শনিবার (৫ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে চার ঘটিকায় মারা যান।

  • আল্লামা তাফাজ্জুল হকের জানাজার নামাজ সকাল দশটায়

    আল্লামা তাফাজ্জুল হকের জানাজার নামাজ সকাল দশটায়

    হবিগঞ্জ তথা দেশের পূর্বাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় আলেমে দ্বীন আল্লামা তাফাজ্জুল হক ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

    গতকাল (৫ জানুয়ারি) রোববার বিকাল ৪ টা ৩৫ মিনিটে সিলেটের একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি।

    আজ সকাল (৬ জানুয়ারি) ১০ ঘটিকায় নিজের প্রতিষ্ঠিত জামিয়া আরাবিয়া উমেদ নগর মাদ্রাসার মাঠে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

    হবিগঞ্জ জামেয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া টাইটেল মাদরাসা, হবিগঞ্জ তেতৈয়া মাদানীনগর মহিলা টাইটেল মাদ্রাসা, নুরুল হেরা জামে মসজিদসহ বহু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা তাফাজ্জুল হকের মৃত্যুতে হবিগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হাজার হাজার মাদরাসা ছাত্রছাত্রীর উস্তাদের মৃত্যুতে ইতিমধ্যে তার হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার বাসভবন এলাকায় হাজারো মানুষ জড়ো হয়েছেন।

    তার আমন্ত্রণে সৌদী আরবের দুই পবিত্র মসজিদের ইমাম, বায়তুল মোকাদ্দসের ইমামসহ দেশ ও বিদেশের বহু আলেম হবিগঞ্জের জামেয়া মাদরাসায় এসেছেন।

    আল্লামা তাফাজ্জুল হকের জীবনী সম্পর্কে জানা যায়, ১৯৪৪ সালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কাটাখালি গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মাওলানা আব্দুন নুর ছিলেন বড় মাপের আলেম। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনিই বড়। লেখাপড়ার শুরুটা বাবার হাত ধরেই। তারপর রায়ধর মাদরাসা। ইসলামের মৌলিক শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসায়। বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম চট্টগ্রাম হাটহাজারী মাদরাসার পরিচালক শায়খুল হাদীস আল্লামা আহমদ শফি আল্লামা তাফাজ্জুল হকের শিক্ষক।

    চট্টগ্রাম থেকে আল্লামা তাফাজ্জুল হক চলে যান পাকিস্তানে। পাকিস্তানের লাহোর জামেয়া আশরাফিয়া মাদরাসায় তিনি লেখাপড়া করেন। সেখানকার তার উস্তাদ শায়খুল হাদিস আল্লামা রসুল খান ছিলেন পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় আলেমে দ্বীন।

    লাহোর থেকে জ্ঞান আহরনের উদ্দেশ্যে আল্লামা তাফাজ্জুল হক চলে যান ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসায়। সেখানে তিনি উস্তাদ শায়খুল হাদিস ফখরুদ্দিনের (র) সান্নিধ্য লাভ করেন। আল্লামা ফখরুদ্দিন (র) ছিলেন একাধারে পীর ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা।

    ভারত, পাকিস্তানের বিভিন্ন ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জ্ঞান আহরণের পর তিনি চলে আসেন বাংলাদেশে। শিক্ষকতার পেশা দিয়ে তার জ্ঞান বিতরণ কার্যক্রম শুরু।

    রায়ধর মাদরাসার মুহাদ্দিস হিসাবে তিনি প্রথম শিক্ষকতার পেশা শুরু করেন। একবছর তিনি সেখানে ছিলেন। পরে চলে যান কুমিল্লার বরুরায়। সেখানেও তিনি শিক্ষকতা করেন। ময়মনসিংহের জামেয়া আশরাফুল উলুম মাদরাসাসহ ময়মনসিংহ জেলায় তিনি বেশ কয়েক বছর শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

    স্বাধীনতার পর পর তার উস্তাদরা তাকে পাঠিয়ে দেন নিজ জেলা হবিগঞ্জে। প্রথমে তাকে মুহাদ্দিস হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় উমেদনগর মাদরাসায়। ১৯৫৭ সালে শায়খুল হাদিস মিছবাহুজ্জামানের প্রতিষ্ঠিত উমেদনগর মাদরাসায় তখনো দাওরায়ে হাদিস বিভাগ ছিল না। আল্লামা তাফাজ্জুল হক এসে দাওরায়ে হাদিস বিভাগ চালু করেন। এরপর নিরন্তরভাবে হাদিস শিক্ষায় মনোনিবেশ করেন তিনি। ৭১ থেকে ২০২০ সাল। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি হাদিস শাস্ত্র পড়িয়ে কয়েক হাজার মুহাদ্দিস তৈরী করেন। যারা এখন দেশ বিদেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

    “শায়খুল হাদীস আল্লামা তাফাজ্জুল হক”

    শুধুই কি পুরুষরা হাদিস শিক্ষা অর্জন করবে? মহিলারা বাদ যাবে কেন? শুধু এই চিন্তায় তিনি ১৯৯৭ সালে হবিগঞ্জের তেতৈয়া গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন মাদানী নগর মহিলা মাদরাসা। এই পর্যন্ত মহিলা মাদরাসা থেকে ২২৫ জনেরও বেশি মহিলা মুহাদ্দিস সনদ নিয়ে বের হয়েছেন। তারা এখন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিটি পরিবারে হাদিস শিক্ষা প্রদান করছেন।

    শায়খুল হাদিস তাফাজ্জুল হক বিয়ে করেন বৃহত্তর ময়মনসিংহের বড় হুজুর হিসাবে খ্যাত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রবক্তা এবং ব্রিটিশদের কালো পতাকা প্রদর্শনকারী মাওলানা আরিফে রাব্বানীর কন্যাকে।

    তাফাজ্জুল হকের পাঁচ ছেলের সবাই প্রখ্যাত মাওলানা। তাদের মাঝে চারজন কোরআানে হাফেজ। চার কন্যার মধ্যে সবাই টাইটেল পাশ আলেমা। নাতী নাতনীদের প্রায় সবাই কোরআনে হাফেজ ও মাওলানা।

  • আল্লামা তাফাজ্জুল হক হুজুর আর নেই

    আল্লামা তাফাজ্জুল হক হুজুর আর নেই

    জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী হুজুর ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    আজ রোববার বিকাল ৪ টা ৩৫ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি ইন্তেকাল করেন।

    শায়খুল হাদিস আল্লামা তাফাজ্জুল হক “উমেদনগরের মুহাদ্দিস সাহেব” হিসাবে সমধিক পরিচিত।

    ১৯৪৪ সালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কাটাখালি গ্রামে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবা মাওলানা আব্দুন নুর ছিলেন বড় মাপের আলেম।

    ৫ ভাইয়ের মধ্যে তিনিই বড়। লেখাপড়ার শুরুটা বাবার হাত ধরেই। তারপর রায়ধর মাদ্রাসা। ইসলামের মৌলিক শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেন চট্ট্গ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায়।

    বাংলাদেশের প্রখ্যাত পীর ও আলেমে দ্বীন চট্টগ্রাম হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক শায়খুল হাদীস আল্লামা আহমদ শফি আল্লামা তাফাজ্জুল হকের শিক্ষক।

    আহমদ শফিকে ঘিরেও চট্টগ্রামে লক্ষ লক্ষ মানুষের আবেগ অনুভূতি জড়িত। তার উস্তাদদের মধ্যে আল্লামা শফি সাহেবই বর্তমানে জীবিত।

    MAWLANA-TAFAZZUL-HAQUE

    চট্টগ্রাম থেকে আল্লামা তাফাজ্জুল হক চলে যান পাকিস্তানে। পাকিস্তানের লাহোর জামেয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় তিনি লেখাপড়া করেন।

    সেখানকার তার উস্তাদ শায়খুল হাদিস আল্লামা রসুল খান ছিলেন পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় আলেমে দ্বীন। লাহোর থেকে জ্ঞান আহরনের উদ্দেশ্যে আল্লামা তাফাজ্জুল হক চলে যান ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসায়।

    সেখানে তিনি উস্তাদ শায়খুল হাদিস ফখরুদ্দিন (র) এর সান্নিধ্য লাভ করেন। আল্লামা ফখরুদ্দিন (র) ছিলেন একাধারে পীর ও বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা।

    ভারত পাকিস্তানের বিভিন্ন ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জ্ঞান আহরনের পর তিনি চলে আসেন বাংলাদেশে। শিক্ষকতার পেশা দিয়ে তার জ্ঞান বিতরণ কার্যক্রম শুরু।

    শিক্ষা গ্রহণটা যেহেতু বাড়ি থেকে শুরু, শিক্ষা প্রদানটাও প্রায় একই স্থান থেকেই শুরু। রায়ধর মাদ্রাসার মুহাদ্দিস হিসাবে তিনি প্রথম শিক্ষকতার পেশা শুরু করেন।

    একবছর তিনি সেখানে ছিলেন। পরে চলে যান কুমিল্লার বরুরায়। সেখানেও তিনি শিক্ষকতা করেন।

    ময়মনসিংহের জামেয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রাসাসহ ময়মনসিংহ জেলায় তিনি বেশ কয়েক বছর শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। স্বাধীনতার পর পর তার উস্তাদরা তাকে পাঠিয়ে দেন নিজ জেলা হবিগঞ্জে।

    প্রথমে তাকে মুহাদ্দিস হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় উমেদনগর মাদ্রাসায়। ১৯৫৭ সালে শায়খুল হাদিস মিছবাহুজ্জামানের প্রতিষ্ঠিত উমেদনগর মাদ্রাসায় তখনও দাওরায়ে হাদিস বিভাগ ছিল না।

    আল্লামা তাফাজ্জুল হক এসে দাওরায়ে হাদিস বিভাগ চালু করেন। এরপর নিরন্তরভাবে হাদিস শিক্ষায় মনোনিবেশ করেন তিনি। ৭১ থেকে ২০১৩ সাল।

    এই দীর্ঘ সময়ে তিনি হাদিস শাস্ত্র পড়িয়ে অন্তত এক হাজার মুহাদ্দিস তৈরী করেন। যারা এখন দেশ বিদেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

    শুধুই কি পুরুষরা হাদিস শিক্ষা অর্জন করবে? মহিলারা বাদ যাবে কেন? শুধু এই চিন্তায় তিনি ১৯৯৭ সালে হবিগঞ্জের তেতৈয়া গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন মাদানী নগর মহিলা মাদ্রাসা।

    এই পর্যন্ত মহিলা মাদ্রাসা থেকে প্রায় ৩৬৫ জনেরও বেশি মহিলা মুহাদ্দিস সনদ নিয়ে বের হয়েছেন। তারা এখন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিটি পরিবারে হাদিস শিক্ষা প্রদান করছেন।

    শায়খুল হাদিস তাফাজ্জুল হক বিয়ে করেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ এর বড় হুজুর হিসাবে খ্যাত বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রবক্তা এবং বৃটিশদের কালো পতাকা প্রদর্শনকারী মাওলানা আরিফে রাব্বানীর কন্যাকে।

    তার শ্যালক খালেদ সাইফুল্লাহ এখন ময়মনসিংহের জনপ্রিয় আলেম। তাফাজ্জুল হকের ৫ ছেলের মধ্যে ৫জনই প্রখ্যাত মাওলানা। তাদের মাঝে ৪জন কোরআানে হাফেজ।

    শায়খুল হাদীস আল্লামা তাফাজ্জুল হক

    ৪ কন্যার মধ্যে সবাই টাইটেল পাশ আলেমা। নাতী নাতনীদের প্রায় সবাই কোরআনে হাফেজ ও মাওলানা। বড় ছেলে-হাফেজ মাসরুরুল হক উমেদনগর মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক।

    ২য় ছেলে-হাফেজ তাসনিমুল হক মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের পরিচালক, ৩য় ছেলে- হাফেজ তাফহিমুল হক একজন মুহাদ্দিস, ৪র্থ ছেলে মাওলানা মামনুনুল হক মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক, ৫ম ছেলে মাবরুরুল হক একজন মাওলানা।

    ৪ কন্যার সবাই মাদ্রাসার শিক্ষিকা। ৫ ভাইয়ের মধ্যে তাফাজ্জুল হক সবার বড়। ২য় ভাই লন্ডন প্রবাসী ইমদাদুল হক একজন শায়খুল হাদিস। ৩য় ভাই হাফেজ শামসুল হক সাদী একজন প্রখ্যাত মাওলানা।

    শামসুল হক সাদীর ২ ছেলে কোরআনে হাফেজ। ৪র্থ ভাই ডাক্তার সিরাজুল হক, আমেরিকা প্রবাসী, ৫ম ভাই হাফেজ মাওলানা আহমদুল হক ওআইসি ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর।

    mawlana tafazzul haque

    বিভিন্ন প্রয়োজনে আল্লামা তাফাজ্জুল হক লন্ডন আমেরিকা কানাডাসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ সফর করেন। তিনি জীবনে ৩৮ বার পবিত্র হজ্জব্রত পালন করেন।

    তার উল্লেখযোগ্য ছাত্রদের মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি নুর হোসাইন কাসেমী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা নেজাম উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন আলেম এখন দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

    নুরুল হেরা জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠাসহ একাধিক ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি। গরীব দুঃখীদের সাহায্যার্থে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন খুদ্দামুদ্দিন সমিতি।

    এই সমিতি থেকে বিভিন্ন প্রকাশনাও বের করা হয়। তার ওয়াজ শুনার জন্য হাজার হাজার মানুষ এখনও নির্ঘুম রাত কাটান। জুমার খুৎবা শুনতে নুরুল হেরা মসজিদে প্রতি জুমাবারই প্রচুর মুসল্লীর সমাগম ঘটে।

    দেশে বিদেশে লক্ষাধিক ভক্তের এক বিশাল পরিবার নিয়ে তার সংসার।

    সপেদ লুঙ্গি আর পাঞ্জাবী, টুপি-ই তার প্রিয় পোষাক। সাধারণ মানুষের মতো চলতে ভালবাসতেন আল্লামা তাফাজ্জুল হক। রাগ একটুকু বেশি ছিল তবে বদমেজাজী ছিলেন না। রাগান্বিত চেহারায়ও তার ঠোটে লেগে থাকত হাসির ঝিলিক।

  • হবিগঞ্জে বই উৎসব উদযাপন

    হবিগঞ্জে বই উৎসব উদযাপন

    সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জে ও বই উৎসব উদযাপন করা হলো। সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি প্রতিটি স্কুলের মাঠে। চোখে-মুখে সবার আনন্দ। কখন পাবে নতুন বই!

    অপেক্ষার প্রহর যেন শেষ হচ্ছিল না। বেলা একটু বাড়ার সাথে সাথে সকাল ১০ ঘটিকায় হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলেন বই উৎসবের প্রধান অতিথি এমপি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির। এবং সভার সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানও। শিক্ষার্থীদের অপেক্ষার পালা শেষ করার উদ্দেশ্যে বক্তৃতা পর্বের সময় কমিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন প্রধান অতিথি।

    বই উৎসব ২০২০
    হবিগঞ্জ দারুস সুন্নাৎ কামিল মাদ্রাসায় বই বিতরণে এমপি আবু জাহির।

    দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত একে একে হবিগঞ্জ শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন স্কুল-মাদ্রাসায় বই উৎসবে উপস্থিত হয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেন এমপি আবু জাহির।

    পৃথক বই বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ হাইস্কুল এন্ড কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি আলেয়া আক্তার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকীল, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আমিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলফাজ উদ্দিন, বিকেজিসি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধাংশু কর্মকার, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও প্রতিটি স্কুল এবং মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি, প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ বক্তৃতা করেন।
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্রেণীকক্ষে নিয়মিত উপস্থিত থাকা ও কোচিং সেন্টারে না যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান এমপি আবু জাহির। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নে অত্যন্ত সচেতন । প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সেক্ষেত্রে অভিভাবকদের সাথে শিক্ষকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
    শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে- এ বছর হবিগঞ্জ জেলার ৯টি উপজেলায় ১ হাজার ৪’শ টি প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ লাখ ৭৬ হাজার শিক্ষার্থীর নিকটে ৩৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮টি নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে।