Category: হবিগঞ্জ সদর

  • সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক স্বপরিবারে আমেরিকা গমন

    সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক স্বপরিবারে আমেরিকা গমন

    হবিগঞ্জের শায়েস্তগঞ্জ উপজেলার অনলাইন প্রেসক্লাবের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক এবং হবিগঞ্জ জেলা ফুটবল খেলোয়ার কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক স্বপরিবার আমেরিকা গমন করছেন। তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

    সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহ জালাল (রহঃ) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে কাতার বিমান এয়ারলাইন্স একটি ফ্লাইটে করে আমেরিকা মেশিগানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন।

    তিনি সময় সল্পতার কারনে জেলার ফুটবল খেলোয়ার কল্যান সমিতির, শায়েস্তাগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব সাংবাদিক, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা মানবাধিকার কমিশন, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা করতে না পারায় আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

    তিনি ফুটবল খেলোয়ার, সাংবাদিক সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয় স্বজনদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও দোয়া কামনা করেছেন।

    আব্দুর রাজ্জাক হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পৌর শহরের সুলতান মাহমুদপুর এলাকার মরহুম আব্দুল হাসিম এর ছেলে। বর্তমানে তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌর শহরের জগন্নাথপুর আবাসিক এলাকায় বসবাস করেছে।

  • অনির্বাণ একাডেমিক কেয়ার এর অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    অনির্বাণ একাডেমিক কেয়ার এর অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    অনির্বাণ একাডেমিক কেয়ার কর্তৃক আয়োজিত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান এবং অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গতকাল শুক্রবার অনুষ্টানটি আয়োজন করা হয়েছে তাদের কোচিং সেন্টারে।
    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান, এবং শাহ আলম সিদ্দিকী, পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ।

    উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা সূচক বক্তব্য দেওয়া হয়।

  • জেরিন এর লাশ ১১ দিন পর কবর থেকে উত্তোলন

    জেরিন এর লাশ ১১ দিন পর কবর থেকে উত্তোলন

    এসএসসি পরীক্ষার্থী মদিনাতুল কোবরা জেরিন হত্যার ঘটনায় ময়নাতদন্তের জন্য ১১ দিন পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।

    গতকাল দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে কবর থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়।

    তার আগে রোববার অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম শাহীনুর আক্তার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের আদেশ দেন।

    লাশ উত্তোলনকালে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) মাসুদ রানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মোঃ রবিউল ইসলাম, সহকারী কমিশনার শাহ আজিজ, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাসুক আলী।

    উল্লেখ্য, সদর উপজেলার ধল গ্রামের বাসিন্দা মদিনাতুল কোবরা জেরিন। গত ১৮ জানুয়ারি সকালে সদর উপজেলার রিচি এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

    পরদিন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের পরিবার প্রথমে এটিকে সড়ক দুর্ঘটনা মনে করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করে।

    পরে পুলিশের তদন্তে হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়। গ্রেফতার করা হয় সদর উপজেলার ধল গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেনকে। সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়।

  • জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটিতে হবিগঞ্জের চার নেতা

    জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটিতে হবিগঞ্জের চার নেতা

    জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছেন পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের। পার্টির নবম জাতীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত এবং গঠনতন্ত্রের ধারা ১২ এর ৩ উপধারা মোতাবেক তিনি এ কমিটি গঠন করেন।

    ঘোষিত কমিটিতে হবিগঞ্জের ৪ জন দলের বিভিন্ন পদে স্থান পেয়েছেন। এর মধ্যে সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শংকর পাল (হবিগঞ্জ), ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আহাদ উদ্দীন চৌধুরী শাহিন (হবিগঞ্জ)।

    এছাড়া কেন্দ্রিয় সদস্য হয়েছেন- শাহ আবদুল খায়ের (হবিগঞ্জ), তৌফিকুল ইসলাম তৌফিক (হবিগঞ্জ),

    এদিকে জিএম কাদের বুধবার কেন্দ্রীয় কমিটিতে আরও ২ জন উপদেষ্টা, ১ জন ভাইস চেয়ারম্যান, ১ জন যুগ্ম মহাসচিব, ৩১ জন সাংগঠনিক সম্পাদক, ২৩ জন বিভাগীয় সম্পাদক, ৩১ জন যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক, ২২ জন বিভাগীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক, ৯০ জন নির্বাহী সদস্য ও কেন্দ্রীয় সদস্যের নাম ঘোষণা করেন।

    উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য : লিয়াকত আলী খান (নেত্রকোনা), মুকসুদ ইবনে আবদুল আজিজ লামা (সিলেট)। ভাইস চেয়ারম্যান : লুৎফর রেজা খোকন (কুমিল্লা)। যুগ্ম মহাসচিব : বেলাল হোসেন (লক্ষ্মীপুর)।

    সাংগঠনিক সম্পাদক:

    শরিফুল ইসলাম (সরু) চৌধুরী (যশোর), অ্যাডভোকেট বখতিয়ার উদ্দীন খান ইকবাল (বরিশাল), নির্মল চন্দ্র দাস (নেত্রকোনা), হাজী মো. নাসির উদ্দীন সরকার (ঢাকা), হেলাল উদ্দীন (ঢাকা), আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবুর রহমান (রংপুর), অ্যাডভোকেট জুলফিকার হোসেন (দিনাজপুর), আব্দুস সাত্তার মোড়ল (সাতক্ষীরা), শাহজাহান মনসুর (বরগুনা), সৈয়দ মঞ্জুরুল হোসেন মঞ্জু (ঢাকা), তারেক আদেল (ঢাকা), ছালাউদ্দীন খোকা মোল্লা (নারায়ণগঞ্জ), মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল (রংপুর), আবদুর রাজ্জাক (রংপুর), সাইফুল ইসলাম (নারায়ণগঞ্জ), এনাম জয়নাল (টাঙ্গাইল), মাহমুদুর রহমান মুন্নি (বরিশাল), হুমায়ুন খান (মানিকগঞ্জ), আনোয়ার হোসেন তোতা (ঢাকা), আবু জাফর মো. অলিউল্লাহ চৌধুরী মাসুদ (চট্টগ্রাম), লিয়াকত চাকলাদার (বাগেরহাট), হাজী মো. ফারুক (ঢাকা), অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম (যশোর), লে. কর্নেল সাব্বির আহমেদ (যশোর), পারভীন তারেক (মানিকগঞ্জ), মোস্তফা কামাল ফারুক (বগুড়া), আনিসুর রহমান খান খোকন (ঢাকা), ফজলুল হক ফজলু (চাঁদপুর), মাহফির রহমান বাবুল (ময়মনসিংহ), সৈয়দ মো. ইখতেখার আহসান হাসান (কুমিল্লা), সাইফুদ্দীন খালেদ (সিলেট)।

    বিভাগীয় সম্পাদকমণ্ডলী:

    প্রচার সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুম (নারায়ণগঞ্জ), দফতর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ (মানিকগঞ্জ), কৃষিবিষয়ক সম্পাদক শাহাদত কবির চৌধুরী (চাঁদপুর), সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শংকর পাল (হবিগঞ্জ), ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আহাদ উদ্দীন চৌধুরী শাহিন (হবিগঞ্জ), সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আজমল হোসেন লেবু (রংপুর), তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু (মাদারীপুর), আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দীন আহমেদ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), যুব বিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুরুল হক মঞ্জু (গাজীপুর), শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম পাঠান (ঢাকা), শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. জামাল রানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আল জুবায়ের (বাগেরহাট), মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা কাজী শান্তা রশিদ (গোপালগঞ্জ), স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. মোস্তাফিজার রহমান আকাশ (ময়মনসিংহ), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. শাকিব রহমান (গাইবান্ধা), এনজিও বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আহমেদ (ময়মনসিংহ), সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এমএ রাজ্জাক খান (পটুয়াখালী), সাহিত্য ও কৃষ্টি বিষয়ক সম্পাদক সুমন আশরাফ (কুষ্টিয়া), শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু (মানিকগঞ্জ), ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জামাল উদ্দীন (কুমিল্লা), মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক রেজাউল করিম বাসেদ, প্রাদেশিক বিষয়ক সম্পাদক এম হাবিবুল্লাহ (মানিকগঞ্জ)।

    যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক:

    সাইফুল ইসলাম পিটু (ঢাকা), মো. মামুনুর রশিদ (জামালপুর), এসএম সালাউদ্দীন (ঢাকা), কাজী আবুল খায়ের (ঢাকা), জাকির হোসেন মৃধা (ঢাকা), নজরুল ইসলাম (পিরোজপুর), লিটন মিয়াজী (কুমিল্লা), নুরুল হক নুরু (ঢাকা), খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ অ্যাডভোকেট (নড়াইল), দেলোয়ার হোসেন খান মিলন (ঢাকা), বাহাদুল ইসলাম ইমতিয়াজ (ঢাকা), আবদুস সাত্তার গালিব (ঢাকা), হেলাল উদ্দীন (ময়মনসিংহ), জাকির হোসেন [বিডিআর মিলন] (ফেনী), আবু সাদেক সর্দার বাদল (ময়মনসিংহ), মজিবার রহমান মুজিব (ময়মনসিংহ), এসএম মোক্তাদির তিতাস (জয়পুরহাট), এসএস সামসুল হুদা মিয়া (বাগেরহাট), নুরুল ইসলাম ভুট্টু (কক্সবাজার), শাফিউল ইসলাম শাফি (রংপুর), ইঞ্জিনিয়ার এমএ সাত্তার (নরসিংদী), আক্তার হোসেন দেওয়ান (ঢাকা), এমএ সোবহান (ঢাকা), জুবায়ের আলম খান রবিন (মানিকগঞ্জ), অ্যাডভোকেট সেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী (বরিশাল), আজাহারুল ইসলাম সরকার (গাজীপুর), অ্যাডভোকেট তারেক মাহমুদ (কক্সবাজার), মনোয়ারা তাহের মানু (ঢাকা), মশিউর রহমান খান (নারায়ণগঞ্জ), মেজবাহুল চৌধুরী মিলন (রংপুর), আবু জাহের আল মাহমুদ মাখন সরকার (কুমিল্লা)।

    যুগ্ম বিভাগীয় সম্পাদকমণ্ডলী:

    যুগ্ম প্রচার সম্পাদক শরফুদ্দীন আহমেদ শিপু (ঢাকা), যুগ্ম দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম (ঢাকা), যুগ্ম দফতর সম্পাদক সমরেশ মণ্ডল মানিক (ঢাকা), যুগ্ম কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল (নোয়াখালী), যুগ্ম সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান খান (ফরিদপুর), যুগ্ম সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চৌধুরী গোলাম আহমেদ মিলু (ঢাকা), যুগ্ম ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ইয়াছির মেসবা (ঢাকা), যুগ্ম তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান কবির (নরসিংদী), যুগ্ম আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), যুগ্ম যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. দ্বীন ইসলাম শেখ (ঢাকা), যুগ্ম শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. শান্ত (বরিশাল), যুগ্ম শিল্প বিষয়ক সম্পাদক শহিদ উদ্দীন সেন্টু (ঢাকা), যুগ্ম ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ কারী আলহাজ ইসারুহুল্লাহ আসিফ (ঢাকা), যুগ্ম মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শাহনাজ পারভীন (ঢাকা), যুগ্ম স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. আবদুল্লাফাত্তাহ, যুগ্ম আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এসএম রহমান পারভেজ, যুগ্ম এনজিও বিষয়ক সম্পাদক মিল্টন খন্দকার (রাজবাড়ী), যুগ্ম সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. সেলিনা বেগম (ঝালকাঠি), যুগ্ম সাহিত্য এবং কৃষ্টি বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহিম আজাদ (ঢাকা দক্ষিণ), যুগ্ম শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ উদ্দীন (গাইবান্ধা), যুগ্ম ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ফয়সল দিদার দিপু (নীলফামারী), যুগ্ম মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দীন আহম্মদ গেরিলা (ঢাকা), যুগ্ম প্রাদেশিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দীন ভূঁইয়া (ঢাকা)।

    নির্বাহী সদস্য:

    খোরশেদ আরা হক (সাবেক সংসদ সদস্য) (কক্সবাজার), আলহাজ সামসুল হক তালুকদার (বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য) (টাঙ্গাইল), মো. জামাল হোসেন (সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান) (মুন্সীগঞ্জ), খান মো. ইসরাফিল খোকন (সাবেক সংসদ সদস্য) (ঢাকা), এটিএম আলমগীর (সাবেক সংসদ সদস্য) (কুমিল্লা), মোহাম্মদ উল্লাহ (সাবেক সংসদ সদস্য) (লক্ষ্মীপুর), আবুল হোসেন (বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য) (রাজশাহী), প্রফেসর সবিতা বেগম (সাবেক সংসদ সদস্য) (কিশোরগঞ্জ), নুরুদ্দীন আহমেদ (সাবেক সংসদ সদস্য) (ঝিনাইদহ), শাহানারা বেগম (সাবেক সংসদ সদস্য) (রংপুর), শওকত চৌধুরী (সাবেক সংসদ সদস্য) (নীলফামারী), ফরিদা শিকদার (ঢাকা), আমিনা হাসান (গাজীপুর), পারভিন ওসমান (নারায়ণগঞ্জ), খন্দকার মনিরুজ্জামান টিটু (ফরিদপুর), তাজুল ইসলাম (কুমিল্লা উত্তর), মোছা. রিতু নুর (ঢাকা), মফিজুর রহমান (কক্সবাজার), হাজী মো. আবুল কালাম আজাদ (ঢাকা), রাকিব হাসান চৌধুরী (গাইবান্ধা), ফজলে এলাহী সোহাগ (নোয়াখালী), কামরুল হুদা কাজল (ঢাকা), খোরশেদ আলম খুশু (চাঁদপুর), রশিদুল ইসলাম চৌধুরী (নীলফামারী), রফিকুল ইসলাম (ঢাকা), মীর আজগর আলী (ঢাকা), হাসান মঞ্জুর (নোয়াখালী), কাজী আবুল কাসেম (জয়পুরহাট), গোলাম মোস্তফা বাবু মণ্ডল (বগুড়া), মশিউর রহমান খান (নারায়ণগঞ্জ), খন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু (রাজবাড়ী), আবদুস সাত্তার (চট্টগ্রাম), আবু সাইদ স্বপন (নরসিংদী), মোস্তাফিজার রহমান নাইম (ঢাকা উত্তর), মেহেরুননেসা হেনা পন্নী (নরসিংদী), আবুল হাসনাত আহমেদ জুয়েল (ঝালকাঠি), মাহমুদুর রহমান মাসুদ (লক্ষ্মীপুর), অ্যাডভোকেট শাহজাহান আলী তালুকদার (বগুড়া), অ্যাডভোকেট ইউসুফ আজগর (কুমিল্লা), মো. আবদুস সাত্তার (ঢাকা), অ্যাডভোকেট হায়দার আলী (পাবনা), অ্যাডভোকেট ফয়েজুর রহমান চৌধুরী শাহিন (সুনামগঞ্জ), মীর আলফাজ উদ্দীন জসিম (বরিশাল), মো. নুরুজ্জামান (চাঁদপুর), সৈয়দ জাফর আহমেদ (কুমিল্লা), শাহাদত হোসেন মিল্টন (রাজবাড়ী), অ্যাডভোকেট মো. আবু তৈয়ব (লালমনিরহাট), মো. আলমগীর মিয়া (ফরিদপুর), আবু সাইদ আজাদ খুররম ভূঁইয়া (কিশোরগঞ্জ), বজলুর রহমান (নারায়ণগঞ্জ), কাজী মামুন (ঢাকা), নুরুজ্জামান (ঢাকা), জাকির হোসেন (গোপালগঞ্জ), বাসেদ আলী টিপু (গাজীপুর), দেলোয়ার হোসেন খান কামাল (ময়মনসিংহ), আশরাফ উদ্দীন খন্দকার (ফেনী), ওয়াহেদুর রহমান ওয়াহিদ (শরীয়তপুর), আবদুল্লা আল মামুন (বগুড়া), অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল চৌধুরী (রংপুর), নাসির উদ্দীন খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), ইঞ্জিনিয়ার মো. খোরশেদ আলম (খাগড়াছড়ি), অ্যাডভোকেট পারভেজ তালুকদার (রাঙ্গামাটি), আলহাজ মো. কামাল উদ্দীন তালুকদার (চট্টগ্রাম), হাবিুবুর রহমান সাংবাদিক (যশোর), আলহাজ মো. ইয়াকুব হোসেন (চট্টগ্রাম), নুরুচ্ছাফা সরকার (চট্টগ্রাম), এমএ সালাম (চট্টগ্রাম), শামসুল আলম (রংপুর), একেএম সাজ্জাদ পারভেজ (নীলফামারী), মো. সেকেন্দার আলী (লালমনিরহাট), মো. রেজাউর রাজি স্বপন চৌধুরী (ঠাকুরগাঁও), মো. সামসুজ্জামান রিন্টু (রাজশাহী), অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম সোনা (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), আলাউদ্দীন মৃধা (নাটোর), এআর আহমেদ সেলিম (কুমিল্লা), ওয়াহিদুর রহমান মোহন (কুমিল্লা), কাজী জালাল আহমেদ (কুমিল্লা), অ্যাডভোকেট নাসিম উদ্দীন মো. বায়েজিদ (নোয়াখালী), আবু নাসের বাদল (শেরপুর), খন্দকার মাইনুদ্দিন (কুমিল্লা), ছানা উল্লাহ শানু (নারায়ণগঞ্জ), আবু নইম ইকবাল (নারায়ণগঞ্জ), অ্যাডভোকেট খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ (নড়াইল), শেখ মো. সারোয়ার হোসেন (ঢাকা দক্ষিণ), মো. শাহরিয়ার জামিল জুয়েল (কুষ্টিয়া), আবদুল লতিফ রানা (যশোর), অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন (চুয়াডাঙ্গা), শেখ আজাহার হোসেন (সাতক্ষীরা), শেখ আসাদুজ্জামান আসুদ (সাতক্ষীরা), ঝুটন দত্ত (নেত্রকোনা)।

    কেন্দ্রীয় সদস্য:

    মলি­ক হাদিউজ্জামান (খুলনা), কে শৈ অং (বান্দরবান), বেগম জাহানারা মুকুল (ঢাকা), মনোয়ার-ই-খুদা চৌধুরী মন্টি (রাজবাড়ী), রাজু আহমেদ লাভলু (মানিকগঞ্জ), মামুনুর রহিম (টাঙ্গাইল), মাহবুবুর রহমান চৌধুরী (সিলেট), ড. ক্যাপ্টেন রেজাউল করিম চৌধুরী (নোয়াখালী), সাইদার রহমান বুলু (নীলফামারী), মো. আজম খান (চট্টগ্রাম), তাজ মো. শেখ (বগুড়া), জয়নাল আবেদীন (গাজীপুর), মো. ওমর আলী খান মান্নাফ (পাবনা), বজলুর রহমান (ঝালকাঠি), আলমগীর মিয়া উজ্জ্বল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), শহিদুল ইসলাম (জিএম শহীদ) (বরিশাল), অ্যাডভোকেট আশরাফ উদ্দীন রেনু (কিশোরগঞ্জ), আলহাজ মো. আবদুল বাতেন (মুন্সীগঞ্জ), কুতুবুদ্দীন আহমেদ (বীর মুক্তিযোদ্ধা) (মুন্সীগঞ্জ), এমদাদুল হক রুম্মন (চাঁদপুর), নিজামুদ্দীন সরকার (বগুড়া), আক্তারুজ্জামান খান (ফরিদপুর), সিকান্দার আলী মুকুল (পিরোজপুর), শফিকুর রহমান (কুমিল্লা), হাফেজ মাহমুদ আনোয়ার (চাঁদপুর), এমদাদ বারী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আলহাজ নোমান ইকবাল খসরু (রংপুর), ইঞ্জিনিয়ার এমএসএইচ সাইফুল ইসলাম শাহাদত (রংপুর), খন্দকার মোস্তাফিজার রহমান ডালিম (রাজশাহী), রাশেদ মাজমাদার (ঝিনাইদহ) মাহবুবুর রহমান (নোয়াখালী), একে খাজা মইনুদ্দীন (লালমনিরহাট), নাজমুল খান (লালমনিরহাট), সফুরা বেগম (রাজশাহী), রাজিয়া সুলতানা (ঢাকা), মো. আলতাফ হোসেন ভাট্টি (বরিশাল), আলমগীর হোসেন (কুমিল্লা), ফরিদ আলম (বরিশাল), অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম দুলাল (বরিশাল), হাসিনা ইমরান চৌধুরী (ফরিদপুর), এমডি রাকিব খান (নীলফামারী), মো. ফারুক শেঠ (চাঁদপুর), সাইদুর রহমান (চাঁদপুর), আবদুল বারেক (লক্ষ্মীপুর), শেখ মো. ফায়েজ উল্লাহ শিপন (লক্ষ্মীপুর), আরফান আলী (রাঙ্গামাটি), সরোয়ার হোসেন শাহিন (গাইবান্ধা), লায়ন মহিন উদ্দীন চৌধুরী (চট্টগ্রাম), মোমেনা বেগম মর্জিনা (কুড়িগ্রাম), ডা. মো. বাদশা আলমগীর (নীলফামারী), সোলায়মান সামি (দিনাজপুর), মোনাজাত চৌধুরী মিলন (দিনাজপুর), অ্যাডভোকেট সুধীর চন্দ্র শীল (দিনাজপুর), মুহিবুর রহমান (ঢাকা), রাহাত হোসেন (রাজশাহী), মোক্তার হোসেন (সিরাজগঞ্জ), হাফিজ উদ্দীন (ময়মনসিংহ), মশিউর রমান (ঢাকা), মো. তালেবুজ্জামান (নোয়াখালী), অ্যাডভোকেট এমএ সাত্তার (সাতক্ষীরা), রহিমা আক্তার আসমা সুলতানা (নেত্রকোনা), কেএম মোস্তফা (বরিশাল), নুরুন্নবী সুমন (ভোলা), হাসনা হেনা (ভোলা), আবু নসর ওহিদ কনা মিয়া (সুনামগঞ্জ), জাহাঙ্গীর আলম (সুনামগঞ্জ), সিরাজুল ইসলাম (ঢাকা উত্তর), মামুন হাসান মনির (ঢাকা উত্তর), আবদুল আজিজ খান (ঢাকা উত্তর), জহিরুল ইসলাম মিন্টু (ঢাকা উত্তর), আবুল হোসেন (ঢাকা উত্তর), শেখ মাসুক রহমান (ঢাকা দক্ষিণ), মো. মাহবুবুর রহমান খসরু (ঢাকা দক্ষিণ), মো. মেহবুব হাসান (ঢাকা দক্ষিণ), মো. রফিকুল ইসলাম (ঢাকা দক্ষিণ), অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম মামুন (গাজীপুর), অ্যাডভোকেট হাসান সাঈদ (মানিকগঞ্জ), মামুনুর রশিদ (নরসিংদী), ফররুখ আহমেদ (নরসিংদী), খন্দকার নাজিম উদ্দীন (টাঙ্গাইল), আবদুস সালাম চাকলাদার (টাঙ্গাইল), মোজাম্মেল হক (টাঙ্গাইল), মোতাহার হোসেন সিদ্দিক শাহিন (মাদারীপুর), অ্যাডভোকেট মাসুদার রহমান মাসুদ (শরীয়তপুর), অ্যাডভোকেট জিন্নাত আলী (ফরিদপুর), মেহেদী হাসান শিপন (কিশোরগঞ্জ), মুসা সরকার (ময়মনসিংহ), সামসুদ্দীন রিন্টু (রাজশাহী), নাজিম উদ্দিন (কক্সবাজার), আলেয়া খানম (নেত্রকোনা), জোসনা আক্তার (কুমিল্লা), মোছা. নাহিদা আক্তার চৌধুরী (সিলেট), মিনি খান (যশোর), মোছা. সামসুন্নাহার (নীলফামারী), মোছা. ফেরদৌসি হক ডিনা (গাইবান্ধা), মনোয়ারা পারভিন ইতি (ঢাকা দক্ষিণ), মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর (খুলনা), মো. ইসমাইল খান টিপু (খুলনা), নওয়াব আলী (মানিকগঞ্জ), সামসুল আলম (নীলফামারী), তছলিমা আকবর রুনা (ঢাকা), রিজিয়া খাতুন (কুড়িগ্রাম), মইনুদ্দীন ফরাজী (নরসিংদী), মো. শফিকুল ইসলাম (নোয়াখালী), শাহিন আলিম (লক্ষ্মীপুর), নুরুজ্জামান আসিফ (ঢাকা), লায়ন মো. মহিন উদ্দীন চৌধুরী (চট্টগ্রাম), জিয়াউর রহমান বিপুল (চাঁদপুর), অধ্যক্ষ কাজী মসিউর রহমান (গাইবান্ধা), শাহজাহান খান আবু (গাইবান্ধা), অ্যাডভোকেট ড. সামসুর রহমান (বগুড়া), শাহাবুদ্দিন পাটোয়ারী (কুমিল্লা), অ্যাডভোকেট কাজী রবিউল হক রবি (ফেনী), সোহেল রানা মিঠু (শেরপুর), ব্যারিস্টার কামরুজ্জামান স্বাধীন (ঝিনাইদহ), সাদেক আহমেদ নিপু (যশোর), ফায়েজুর রহমান শাহিন চৌধুরী (সুনামগঞ্জ), জেসমিন নুর প্রিয়াংকা (ঢাকা উত্তর), মো. শাহজাহান (ঢাকা দক্ষিণ), আজহারুল ইসলাম সাগর (গাজীপুর), অ্যাডভোকেট মোস্তফা জামান (গাজীপুর), আবদুস সালাম (মানিকগঞ্জ), আলেয়া খানম (ঢাকা দক্ষিণ), আনোয়ার হোসেন (ফরিদপুর), ইব্রাহিম খান (ঢাকা উত্তর), অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম (দিনাজপুর), ফেরদৌসি জোহা (রাজশাহী), ডা. সৈয়দ আবুল কাসেম (খুলনা), নুরুদ্দীন আহমেদ (বীর মুক্তিযোদ্ধা) (ঝিনাইদহ), নজরুল ইসলাম রানা (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), সাইফুল ইসলাম সেলিম (মেহেরপুর), জাহাঙ্গীর হোসেন (খুলনা), আকরাম আলী শাহিন (নারায়ণগঞ্জ), ইলিয়াস আলী (ঢাকা), মোস্তফা শফিকুল ইসলাম (খুলনা), আমানুল্লা আমান (চট্টগ্রাম), আরিফুল ইসলাম রুবেল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আবদুল হান্নান (শরীয়তপুর), অ্যাডভোকেট মো. আবুল হাসনাত মাসুম (নরসিংদী), মোহাম্মদ আলী খান (ঢাকা), মো. শরিফুল ইসলাম (গাজীপুর), এমএ হাসান (নারায়ণগঞ্জ), অধ্যক্ষ মোস্তফা চৌধুরী (ঢাকা), মামুনুর রহমান (নরসিংদী), লোকমান ভূঁইয়া রাজু (কুমিল্লা), অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম শামিম (মৌলভীবাজার), শরিফ আশরাফ আলম (গোপালগঞ্জ), শেখ হুমায়ুন কবির শাওন (বাগেরহাট), আবুল কাসেম (ময়মনসিংহ), শেখ মো. মসিউর রহমান বাদল (ঢাকা), মোহাম্মদ আলী শেখ (ঢাকা উত্তর), প্রকৌশলী শওকত আকন্দ আলমগীর (চাঁদপুর), কামাল উদ্দীন তালুকদার (চট্টগ্রাম), শফিকুল ইসলাম বাচ্চু (চট্টগ্রাম), মো. দাউদ মিয়া (ঢাকা), ব্যারিস্টার আবু মোর্শেদ ছাব্বির আহমেদ ইউসুফ (লক্ষ্মীপুর), অ্যাডভোকেট ড. মো. এনামুল হক (নওগাঁ), মমিন উদ দৌলা (সিরাজগঞ্জ), মো. আকবর আলী কালু (নওগাঁ), নজরুল ইসলাম সরদার (ঢাকা উত্তর), আক্তারুজ্জামান হাসান (রাজবাড়ী), মেহবুর হাসান (ঢাকা), হাজী আনোয়ার হোসেন (ফরিদপুর), মো. খলিলুর রহমান হাওলাদার (বরগুনা), আশরাফ উদ্দীন (চট্টগ্রাম), কুতুবুদ্দীন আহমেদ (নারায়ণগঞ্জ), মো. মামুন হাসান মনির (ঢাকা), আলমগীর কবির মজুমদার (কুমিল্লা), বশির উদ্দীন (সিলেট), গোলাম মোর্শেদ চুন্নু (বরিশাল), ফেরদৌস মনির (বরিশাল), নাসিরুদ্দীন হাওলাদার (বরিশাল), জাকির হোসেন জিকু (ঢাকা উত্তর), ইব্রাহিম খান (ঢাকা উত্তর), শেখ নেয়ামত উল্লাহ নবু (ঢাকা দক্ষিণ), জোনাকি মুন্সী (কুমিল্লা), শেখ মাসুক রহমান (ঢাকা দক্ষিণ), আবুল কালাম আজাদ (ঢাকা দক্ষিণ), চৌধুরী মিজানুর রহমান (ঢাকা দক্ষিণ), নজরুল ইসলাম (নোয়াখালী), হাসানুজ্জামান নাজিম (রংপুর), এবিএম হুমায়ুন কবির চৌধুরী (নওগাঁ), মোতাহার হোসেন মানিক (গাজীপুর), নাজমা শারমিন মিতু (নীলফামারী), মনির চৌধুরী (ময়মনসিংহ), বরিউল ইসলাম (নীলফামারী), রুনা লায়লা (নীলফামারী), কাজি মো. মশিউর রহমান (গাইবান্ধা), মোকসেদুল আলম (বগুড়া), প্রজেষ চাকমা (রাঙ্গামাটি), কবিতা ত্রিপুরা (রাঙ্গামাটি), মেহেরুজ্জামান (কক্সবাজার), মোশাররফ হোসেন দুলাল (কক্সবাজার), নাসির উদ্দীন সিদ্দিক (চট্টগ্রাম), আহমেদ হোসেন (চট্টগ্রাম দক্ষিণ), আমানুল্লাহ (চট্টগ্রাম দক্ষিণ), মো. সামসুল আলম (রংপুর), শাহনাজ শানু (রংপুর), মো. মামুনুর রশিদ মিলন (রংপুর), আলাউদ্দীন আহমেদ (ঢাকা), আতিউর রহমান বাবু (নীলফামারী), নার্গিস তৌহিদা জ্যোতি (নীলফামারী), কাজী মইনুল ইসলাম (নীলফামারী), সৈয়দ তানজিল আহমেদ (নীলফামারী), শাহজাহান আলী চৌধুরী (নীলফামারী), পিয়ারুল হক হিমেল (নীলফামারী), আসাদুল হক (লালমনিরহাট), কাজী আবদুল গফুর (দিনাজপুর), শাহিনুল ইসলাম (দিনাজপুর), মেছবাউল রহমান লাভলু (গাইবান্ধা), আবদুর রাজ্জাক মণ্ডল (গাইবান্ধা), মঞ্জুরুল হক সাচ্ছা (গাইবান্ধা), আর্জিনা আক্তার খুকি (গাইবান্ধা), অ্যাডভোকেট শাহেদ আলী জিন্নাহ (রাজশাহী), লুৎফর রহমান (রাজশাহী), আবদুল কাদের কদর (পাবনা), সুমাইয়া সুলতানা হ্যাপি (পাবনা), আবদুল গনি সরকার (বীর মুক্তিযোদ্ধা) (বগুড়া), ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান (নাটোর), অ্যাডভোকেট সোহেল রানা (নাটোর), অ্যাডভোকেট আলতাফ হোসেন (নওগাঁ), শফিকুল আলম তপন (ময়মনসিংহ), আঞ্জু আক্তার (ময়মনসিংহ), জাহেদুল ইসলাম পাপ্পু (ময়মনসিংহ), আবুল হাসনাত মো. তালহা (ময়মনসিংহ), শহিদ আমিনী রুমি (ময়মনসিংহ), আবদুল কুদ্দুস মানিক (কুমিল্লা), মোমেনা আক্তার (কুমিল্লা), মঞ্জুরুল ইসলাম শামিম (কুমিল্লা), ফেরদৌসি বেগম (কুমিল্লা), জয়নাল আবেদীন (গাজীপুর), কাজি মো. নাজমুল (কুমিল্লা), খন্দকার মাইনুদ্দীন (কুমিল্লা), জিয়াউদ্দীন আহমেদ তোহা (নোয়াখালী), মোতাহার হোসেন চৌধুরী (ফেনী), ভিপি জহির (ফেনী), কৃষিবিদ ইসা জাকারিয়া ভূঁইয়া (জামালপুর), আনোয়ার হোসেন (জামালপুর), আবদুস সাত্তার (জামালপুর), মওলানা খলিলুর রহমান সিদ্দীকি (জামালপুর), জাহাঙ্গীর হোসেন (খুলনা), এসএম মাসুদুর রহমান (খুলনা), তবারক হোসেন তপু (খুলনা), আবদুর ওদুদ মোড়ল (খুলনা), এসএম আসাদুজ্জামান ডলার (খুলনা), মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর (খুলনা), মনির হোসেন (নড়াইল), অশোক কুমার ঘোষ (নড়াইল), অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক (নড়াইল), সাইফুল ইসলাম সেলিম (মেহেরপুর), এসএম মোস্তফা আলম বুলবুল (মেহেরপুর), উসমান আলী চেয়ারম্যান (সিলেট), সাফিয়া পারভিন (সাতক্ষীরা), আনোয়ার হোসেন খান শান্ত (নেত্রকোনা), আবুল কাসেম (নেত্রকোনা), নজরুল ইসলাম কবিরাজ (বরিশাল), রফিকুল ইসলাম গফুর (বরিশাল), বশির আহমেদ ঝুনু (বরিশাল), আলহাজ নজরুল ইসলাম (বীর মুক্তিযোদ্ধা) (পিরোজপুর), নুরুজ্জামান লিটন (পিরোজপুর), আবদুল জলিল গাজী (ঝালকাঠি), অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দিপু (ঝালকাঠি), অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক (বরগুনা), খন্দকার মিজানুর রহমান লিটু (বরগুনা), অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম পলাশ (পটুয়াখালী), শাহ আবদুল খায়ের (হবিগঞ্জ), তৌফিকুল ইসলাম তৌফিক (হবিগঞ্জ), হারুন পাটোয়ারী (ঢাকা উত্তর), শফিকুল ইসলাম শফিক (চট্টগ্রাম উত্তর), হামিদ হাসান (ঢাকা উত্তর), সোহেল রহমান (ঢাকা উত্তর), লোকমান হোসেন বেঙ্গল (ঢাকা উত্তর), কেয়া মাসুদ (ঢাকা উত্তর), লায়ন মহিউদ্দীন তালুকদার মঞ্জু (ঢাকা উত্তর), ক্যাপ্টেন মো. জাকারিয়া হোসেন (ঢাকা উত্তর), হাজী মো. সাদেক আলী ছাব্বির (ঢাকা দক্ষিণ), এমএ কাইউম (ঢাকা দক্ষিণ), জাহাঙ্গীর আলম হাওলাদার (ঢাকা দক্ষিণ), মো. হুমায়ুন (ঢাকা দক্ষিণ), শাহ আলম তালুকদার (পটুয়াখালী), মো. মোখলেসুর রহমান বস্তু (জামালপুর), মিস নাজরিন (ঢাকা দক্ষিণ), আসমা আক্তার (ঢাকা দক্ষিণ), রমজান আলী ভূঁইয়া (ঢাকা), গোলাম কাদের (নারায়ণগঞ্জ), ডা. আজিজুর রহমান (গাজীপুর), জাকির হোসেন (গাজীপুর), আবুল কালাম আজাদ (গাজীপুর), শেখ মো. মাসুদ (গাজীপুর), আলতাফ উদ্দীন আহমেদ (বীর মুক্তিযোদ্ধা) (গাজীপুর), হারুনুর রশিদ (গাজীপুর), আবুল হোসেন (গাজীপুর), নজরুল ইসলাম (গাজীপুর), শফিকুল ইসলাম (গাজীপুর), সাইদুর রহমান শাহীন (গাজীপুর), নুরজাহান বেগম নুরী (গাজীপুর), বেলাল হোসেন খান (বীর মুক্তিযোদ্ধা) (মানিকগঞ্জ), মো. সামসুল হক (মানিকগঞ্জ), অ্যাডভোকেট হাসান সাইদ (মানিকগঞ্জ), এসএম দেলোয়ার (নরসিংদী), মফিজুল ইসলাম (বীর মুক্তিযোদ্ধা) (নরসিংদী), আবদুল মালেক (মানিকগঞ্জ), মোস্তাক হোসেন (টাঙ্গাইল), আক্তারুজ্জামান হাসান (রাজবাড়ী), আবদুল খালেক খোকন (মাদারীপুর), হাওলাদার মহিদুল ইসলাম (মাদারীপুর), আবদুল লতিফ সরকার (গাজীপুর), আতিকুর রহমান (ঢাকা), জামিরুল হক লিটন (বরিশাল), জোসনা আক্তার (মুন্সীগঞ্জ), কাকলী আক্তার কাঁকন (মুন্সীগঞ্জ), এসএস ইয়াহিয়া (ফরিদপুর), অ্যাডভোকেট শেখ মো. আবদুল ওহাব (কিশোরগঞ্জ), এসএম মনিরুজ্জামান (ঢাকা দক্ষিণ), শরিফ আশরাফুল আলম (গোপালগঞ্জ), ফজলুল হক (রংপুর), সাজিদ রওশন ইশান (রাজশাহী), মজিবার রহমান মুজিব (সিলেট), এম জসিম উদ্দীন জসিম (ইউএসএ), মো. আবদুর নুর বড় ভূঁইয়া (ইউএসএ), আবু তালেব মো. চান্দু (ইউএসএ), মাহবুবুর রহমান অনিক (ইউএসএ), আবদুর নুর (ইউএসএ), অ্যাডভোকেট এবাদ হোসেন (ইউকে), শাহেদ আহমেদ (ইউকে), একেএম আলমগীর (ফ্রান্স), হুমায়ুন কবির চৌধুরী (ফ্রান্স), নবিউল্লাহ আসিফ (জাপান), উর্মি হাজারী (বেলজিয়াম), আবদুর বশির (ইউকে), মো. লুৎফর রহমান (ইউএসএ), ফারুকুল ইসলাম প্রধান ফারুক (কুয়েত), এম জাকির হোসেন (ইউকে), মো. আবদুস সবুর শিকদার (সৌদি আরব), কামরুজ্জামান কাজল (সৌদি আরব), রেজাউল হায়াত রাজু (ইউকে), আতাউর রহমান আতা (ইউকে), হাজী মো. তোফায়েল আহমেদ (ইউকে), মাহবুবুর রহমান (ইউএসএ), নাসির উদ্দীন হেলাল (ইউকে), আলতাফ হোসেন (ইউএসএ), হারিস উদ্দীন আহমেদ (ইউএসএ), মুফতি মিয়া (ইউকে), ফয়জুর রহমান চৌধুরী (ইউকে), মনসুর আলম (ইউকে), আবদুল কাদের আবুল (ইউকে), রাহেল আহমেদ তালুকদার (ইতালি), নাসির সবুজ (ইউএসএ), মজিবার রহমান সরকার (ফ্রান্স), গোলাম জহিরুল করিম (ইউএসএ), সাজ্জাদ রশিদ (কানাডা), তানিয়া রহমান (মালয়েশিয়া), রুহেল (সৌদি আরব), রুহুল আমিন (ইউকে), সাজ্জাদুর রহমান ভূঁইয়া (ইউকে), মো. কামরুজ্জামান (ইউকে), আবদুল মমিন চৌধুরী বুলবুল (ইউকে), সামছুল ইসলাম সেলিম (বৈদেশিক), হাজী মাহমুদ (বৈদেশিক), আশরাফুল আলম খান ডাবলু (নাটোর), চৌধুরী মিজানুর রহমান (ঢাকা দক্ষিণ), হিরু বাবুল (ঢাকা দক্ষিণ)।

  • হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সকল ইউনিট, উপজেলা, পৌর এবং কলেজ কমিটি বিলুপ্ত

    হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সকল ইউনিট, উপজেলা, পৌর এবং কলেজ কমিটি বিলুপ্ত

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক হবিগঞ্জ জেলার সকল ইউনিট, উপজেলা, পৌর এবং কলেজ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করেন জেলা ছাত্রদল সভাপতি এমদাদুল হক ইমরান ও সাধারন সম্পাদক রুবেল আহমদ চৌধুরী।

    গত সোমবার বিকালে (২৭ জানুয়ারি) হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানয় যে, সংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষে মেয়াদ উর্ত্তীন ও পুর্নঃগঠনের অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ জেলার সকল ইউনিট, হবিগঞ্জ সদর, হবিগঞ্জ পৌরসভা, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, লাখাই উপজেলা, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা, শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, নবিগঞ্জ উপজেলা, নবিগঞ্জ সরকারি ডিগ্রী কলেজ, বাহুবল উপজেলা, মিরপুর সরকারি আলিফ সোবহান কলেজ, চুনারুঘাট উপজেলা, চুনারুঘাট পৌরসভা, চুনারুঘাট সরকারি কলেজ, মাধবপুর উপজেলা, মাধবপুর পৌরসভা, বানিয়াচং উপজেলা, বানিয়াচং জনাব আলী ডিগ্রী কলেজ, আজমিরীগঞ্জ উপজেলা, আজমিরীগঞ্জ পৌরসভার কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ ছাত্রদল হবিগঞ্জ জেলা প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ ছাত্রদল হবিগঞ্জ জেলার প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    এই সংবাদে তৃণমূল ছাত্রদল ও মাঠকর্মীদের মাঝে মিশ্র পতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের এই ভূমিকায় নতুন উদ্যমে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা ছাত্রদলের এক দায়িত্বশীল বলেন, “সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের অর্থনৈতিক অপকর্ম ঢাকতে তরিগড়ি করে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়েছে।”

    আরো পড়ুনঃ
    ছাত্রদল হবিগঞ্জ জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
    ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ মিছিল

    বিলুপ্ত কমিটির মাধবপুর উপজেলা সভাপতি মির্যা ইকরাম ‘হবিগঞ্জ নিউজ’কে বলেন, “এটি সম্পূর্ন অপমানমুলক একটি কাজ করা হয়েছে। নবিগঞ্জের তুচ্ছ ঘঠানকে কেন্দ্র করে কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করে নেয়া একটি সিদ্ধান্ত।”

    পৌর ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী রুমেল খান চৌধুরী বলেন, “ছাত্রদল তার আপন গতি ফিরে পাবে। প্রত্যাশা মেধাবী ও রাজপথের কর্মীদের মূল্যায়ন হবে।

    সদর থানা ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী শেখ মোঃ রাসেল হবিগঞ্জ নিউজ কে বলেন, আগামীর ছাত্রদল হবে সংগঠিত ও পকেটের লোক মুক্ত। তৃণমূল নেতৃবৃন্দের দাবি তারা এখন নব্বইয়ের ছাত্রদল চায়। আওয়ামী ও মাদকাসক্তদের হাত থেকে মুক্তি পাবে ঐতিহ্যেবাহী ছাত্রদল এই আশা করেন তিনি।

    বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী সৈয়দ আশরাফ আহমেদ ‘হবিগঞ্জ নিউজ’কে বলেন, “সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ছাত্রদলকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা থেকে ছাত্রদল এই কমিটিগুলিকে বিলুপ্ত করেছে। ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমান ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ শীঘ্রই রাজপথের কর্মীদের দ্বারা পুনরায় কমিটিগুলি গঠন করবেন এই প্রত্যাশা করি।”

    এই বিষয়ে জানতে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

  • হবিগঞ্জ বানিজ্য মেলায় বিক্রি হচ্ছে ভেজাল সামগ্রী

    হবিগঞ্জ বানিজ্য মেলায় বিক্রি হচ্ছে ভেজাল সামগ্রী

    হবিগঞ্জ কৃষি শিল্প ও বানিজ্য মেলায় নকল কসমেটিকস সহ মেয়াদউত্তীর্ণ জিনিসপত্রের খু্ঁজ মিলে।

    এই প্রেক্ষিতে গতকাল রোজ সোমবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আমিরুল ইসলাম মাসুদের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গতবছরের মত এবছরও হবিগঞ্জ বাণিজ্য মেলায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে নকল-ভেজাল ও নিম্নমানের কসমেটিকস। পাশাপাশি মেলা প্রাঙ্গনে স্থাপিত ফুসকা-চটপটির দোকানে পাওয়া যাচ্ছে মেয়াদউত্তীর্ণ কোমল পানীয়। পরিচালিত এক অভিযানে ফুটে ওঠে এ চিত্র।

    এ সময় মেলার পাঁচটি প্রসাধনী বিক্রয়কারী স্টল এবং একটি ফুসকা-চটপটির স্টলকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করে।

    অভিযান চলাকালে নকল ও ভেজাল প্রসাধনী বিক্রির অপরাধে গাজী গ্যালারীকে ৪ হাজার টাকা, মেয়াদহীন প্রসাধনী বিক্রির অপরাধে মিজান কসমেটিকসকে ১ হাজার টাকা, নাদিম কসমেটিকসকে ২ হাজার টাকা এবং নকল লেকমি প্রোডাক্ট বিক্রির অপরাধে লেকমি কসমেটিকস এর দুইটি স্টলকে ২ হাজার ও ৩ হাজার টাকা করে মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    একি সময়ে মেলা প্রাঙ্গনে স্থাপিত খাবারের দোকানগুলোতেও অভিযান চালানো হয়।অভিযানে ঢাকা চটপটি স্টলে বেশ কিছু মেয়াদউত্তীর্ণ কোমল পানীয় পাওয়া যায়।

    এ সময় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে অভিযানের খবর পেয়ে বেশিরভাগ স্টলই তাদের নকল ভেজাল ও মেয়াদউত্তীর্ণ পণ্য সরিয়ে ফেলে।

    তবে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মেলায় নিয়মিত তদারকি অভিযান পরিচালিত হবে বলে জনানো হয়েছে।

    অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আমিরুল ইসলাম মাসুদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে সার্বিক সহয়তায় ছিলেন এসআই খোরশেদের নেতৃত্বে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ও হবিগঞ্জ চেম্বারের প্রতিনিধি দেওয়ান মিয়া।

    এ সময় অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট ও পাম্পলেট বিতরণ করা হয়।

  • কাল থেকে ধর্মঘট জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন

    কাল থেকে ধর্মঘট জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন

    ঢাকা-সিলেট মহাড়কের মিরপুরে বাস শ্রমিকের উপর হামলার প্রতিবাদে ও মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশাসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে আগামীকাল ২৭ জানুয়ারি সকাল ৬টা থেকে অর্নিদিষ্টকাল ধর্মঘট পালন করবে হবিগঞ্জ জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন।

    গতকাল ধর্মঘটের সমিতির আওতাধীন বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

    গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় সংগঠনের কার্যালয়ে এক জরুরী সভায় এ ধর্মঘটের ঘোষণা করেন হবিগঞ্জ জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সজিব আলী।

    সংগঠনের সহ-সভাপতি শাহ হাবিবুর ররহমান আরজু সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সজিব আলীর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম সধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ সেলিম আহমেদ, প্রচার সম্পাদক আলী হোসেন, সদস্য আহমেদ চৌধুরী ছায়েদ, হাজী ফরিদ মিয়া, মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের আঞ্চলিক কমিটির সদস্য নূরুল আমিন লালন, আব্দুল হাই প্রমূখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, হাইকোটের নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্বেও মহাসড়কে সিএনজি অটোরিক্সাসহ বিভিন্ন অবৈধ যান বাহন চলাচল করছে।

    যার ফলে মহাসড়কে প্রায়ই দুঘর্টনা ঘটছে। পাশাপাশি বাহুবল উপজেলার মিরপুর পয়েন্ট ও শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজ পয়েন্টে অবৈধ গাড়ীর শ্রমিকদের হত্যাচারে সংগঠনের আওতাধীন বাসসহ পরিবহনগুলোর শ্রমিকরা নিরাপদে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছে না।

    গত ১৮ জানুয়ারী দুপুর প্রায় ১টার দিকে মিরপুর পয়েন্টে হবিগঞ্জ থেকে আউশকান্দি রোডে চলাচলরত ঢাকা মেট্রো জ-১৪-১৮৩০ নং বাস গাড়ীর শ্রমিকদের উপর সিএনজি অটোরিক্সার শ্রমিক নামধারী কিছু সন্ত্রাসী লাঠি, হকিষ্টিকসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।

    বাস হামলায় শ্রমিকরা গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ হাসপাতাল আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

    এ ঘটনায় বাহুবল মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু বাহুবল থানা কর্তৃপক্ষ মামলাটি আমলে নেননি এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা নেয়নি।

    এমন পরিস্থিতিতে ১৯ই জানুয়ারি সংগঠনের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মিরপুরের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামীদের ২৫ জানুয়ারির মধ্যে গ্রেফতার, মহাসড়কে সিএনজি অটোরিক্সাসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল, মিরপুর ও শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজ পয়েন্টে যানজট মুক্ত করার দাবি জাননো হয়। অন্যথায় শ্রমিকদের অনিদিষ্টকালে কর্মবিরতি পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    ওই সিদ্ধান্তের স্মারক পুলিশ সুপারের বরাবরে দেয়া হয়। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকরি কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় গতকাল জরুরী সভা ডাকে শ্রমিকরা।

    সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামীকাল ২৭ জানুয়ারি সকাল ৬টা থেকে অর্নিদিষ্টকাল কর্ম বিরতি (ধর্মঘট) পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    হবিগঞ্জ জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সজিব আলী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মিরপুরে বাস শ্রমিকের উপর হামলার প্রতিবাদে ও মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশাসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে আগামীকাল ২৭ জানুয়ারি সকাল ৬টা থেকে অর্নিদিষ্টকাল কর্মবিরতি পালন করা হবে। কর্মবিরতি পালনকালে আমাদের সংগঠনের আওতাধীন সকল প্রকার পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।