Category: হবিগঞ্জ সদর

  • হবিগঞ্জে হজ্জ নিয়ে কটূক্তিকারী কথিত পীর কারাগারে

    হবিগঞ্জে হজ্জ নিয়ে কটূক্তিকারী কথিত পীর কারাগারে

    পবিত্র কাবা, মদিনা শরিফ, হজ ও ওমরাহ সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার উমানাথপুরের গুলে মদিনা দরবারের কথিত পীর আবুল বাশার আল কাদরীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. হাবিবুল্লাহ আজ রোববার দুপুরে এই আদেশ দেন।

    কথিত এই পীরকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারসহ দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে ক্ষুব্ধ বিভিন্ন ইসলামি সংগঠন বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনসহ নানান কর্মসূচি পালন করে আসছিল।

    ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের অভিযোগ এনে কিশোরগঞ্জ জজ আদালতের আইনজীবী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম মামুন বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আবুল বাশার আল কাদরীকে একমাত্র আসামি করে গত ১২ জানুয়ারি ভৈরব থানায় একটি মামলা করেন।

    বাদীপক্ষে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান ও অ্যাডভোকেট রহম আলীসহ বিপুল আইনজীবী এবং আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট মিয়া মো. ফেরদৌস মামলাটি পরিচালনা করেন।

    পরে ঢাকা হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গত ১৮ জানুয়ারি চার সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের আদেশ দেন।

    মামলার আসামি  উমানাথপুরের গুলে মদিনা দরবারের কথিত পীর আবুল বাশার আল কাদরী হবিগঞ্জ শহরের ইনাতাবাদের এক মাহফিলে পবিত্র কাবা, মদিনা শরিফ, হজ ও ওমরাহকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দেন। সেইসঙ্গে নিজের দরবার শরিফকে হেরেম ঘোষণা দেওয়ার কথা বলেন। কথিত পীরের এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

  • হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    তাফহিম চৌধুরীঃ–  হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এবং প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জেলা সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। এ সময় জেলায় কর্মরত শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

    সম্প্রতি জেলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতিকে প্রাণনাশের হুমকি, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক কিবরিয়া চৌধুরীর উপর সন্ত্রাসী হামলা, হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসেসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুরুজ আলীর ওপর হামলা ও স্থানীয় দৈনিক খোয়াই-এর স্টাফ রিপোর্টার জুয়েল চৌধুরীর ওপর হামলার প্রতিবাদে এ মানববন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এমদাদুল হক সোহেলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূর উদ্দিনের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন– হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক, হবিগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল হাসান চৌধুরী তুহিন, হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাসেল চৌধুরী, সাবেক সভাপতি প্রদীপ দাশ সাগর, শাকিল চৌধুরী, চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এসএম সুরুজ আলী, জেলা সাংবাদিক ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম কোহিনুর, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজু, আরইউ সুমন, মতিউর রহমান মুন্না, আজমিরীগঞ্জের সেন্টু আহমেদ, মাধবপুরের শামসুল হক আল মামুন প্রমুখ।

  • পরীক্ষামূলক চালু হলো বৃন্দাবন কলেজের নিজস্ব নামে বাস

    পরীক্ষামূলক চালু হলো বৃন্দাবন কলেজের নিজস্ব নামে বাস

    পরীক্ষামূলক চালু হলো বৃন্দাবন সরকারি কলেজের নিজস্ব নামের বিশেষ বাস। দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন পূরণ হতে চলল বৃন্দাবন সরকারি কলেজ শিক্ষার্থীদের। শতশত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি ছিল কলেজ বাস সার্ভিস চালুর। দীর্ঘদিন পর অবশেষে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত প্রাণের দাবি পূরণ হল।

    আজ হবিগঞ্জ জেলার ৩টি স্থান থেকে পরীক্ষামূলক ছেড়ে কলেজে আসবে কলেজের নিজস্ব নামের বিশেষ এই বাস গুলো। পরীক্ষামূলক চালু হলেও আনুষ্টানিক ভাবে চালু হবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির এমপির উদ্ভোধনের মাধ্যমে।

    কলেজ সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার ৫টি রুটে এ বিশেষ ৫টি বাস চালু হবে। ১ম বাস মাধবপুর বাজার হতে ছেড়ে জগদিশপুর ও নসরতপুর রেল গেট হয়ে কলেজে আসবে। ২য় টি চুনারুঘাট হতে ছেড়ে শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশন হয়ে কলেজে আসবে। ৩য় বাস নবিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আউশকান্দি, বাহুবল, মিরপুর ও ধুলিয়াখাল হয়ে কলেজে আসবে। ৪র্থ বাস বানিয়াচং বড় বাজার থেকে ছেড়ে নতুন বাজার হয়ে কলেজে আসবে। এবং ৫ম বাস লাখাই মুড়াকরি হতে ছেড়ে বামঈ, বুল্লা, হয়ে কলেজে আসবে।

    পরীক্ষামূলক চালুহল বৃন্দাবন কলেজের নিজস্ব নামে বাস

    বাস গুলোর মালিক হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতি। এ সকল বাস মাসিক বাড়ায় হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতি থেকে নেয়া হয়েছে।

    বাসে শুধু বৃন্দাবন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা উঠতে পারবে। বাসে উঠতে বাধ্যতামূলক আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে। কলেজের বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের রোল বইতে দেখাগেছে।

    রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তারেকুল ইসলাম বলেন, “কলেজে ভর্তীর সময় থেকেই পরিবহন খরচ বাবদ মাসিক ২০ টাকা করে প্রদান করে আসছি। এর সূফল ভোগ করার একটি সুযোগ হল। কলেজের নামে বাস চালু হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।”

    বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সিজিল মিয়া বলেন “কলেজের নামে বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত। বিশেষ করে ধন্যবাদ দিতে চাই অধ্যক্ষ স্যারকে। চমৎকার একটি সেবা তিনি আমাদের কে উপহার দিয়েছেন।”

    এব্যপারে কলেজের অধ্যক্ষ এলিয়াস হুসেন বলেন, “পরীক্ষামূলক ভাবে আপাতত ৩টি বাস আমরা চালু করছি। এমপি মহোদয়ের উদ্ভোধনের মাধ্যমে ৫টি বাস আনুষ্টানিক যাত্রা শুরু করবে। এর জন্য শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত কোন টাকা প্রধান করতে হবে না। এটি বেসরকারি খাত হতে পরিচালিত হবে।”

  • শেখ হাসিনা মেডিক্যালের অধ্যক্ষকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

    শেখ হাসিনা মেডিক্যালের অধ্যক্ষকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

    যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগে হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাক্তার আবু সুফিয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    আজ সোমবার  দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১১ ঘটিকায় থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সংস্থাটির উপ-পরিচালক শামসুল আলম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    যাদের কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তারা হলেন- হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের ফিজিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. মো. শাহিন ভূঁইয়া, প্রভাষক পংকজ কান্তি গোস্বামী, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার মো. জাহাঙ্গীর খান ও ডা. কুদ্দুস মিয়া, এনাটমি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. প্রাণ কৃষ্ণ বসাক এবং পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক ডা. নাসিমা খানম ইভা।

    অভিযোগের বিষয়ে জানা যায়, হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আবু সুফিয়ান ও অন্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে যন্ত্রপাতি, সরঞ্জামাদি ও আসবাবপত্র কেনার নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

  • কাদিয়ানীদের কাফের ঘোষণা করতে হবে হবিগঞ্জে আল্লামা শফী

    কাদিয়ানীদের কাফের ঘোষণা করতে হবে হবিগঞ্জে আল্লামা শফী

    হবিগঞ্জ উমেদনগর জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক সভা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন’।

    গতকাল শুক্রবার সকাল হতে হবিগঞ্জ শহরের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে শুরু হয়ে আজ  সকালে ভোরে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই সম্মেলন।

    আখেরী মোনাজাত করেন হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

    সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা শায়খ আব্দুল মোমিন।

    প্রধান অতিথি হিসেবে থাকেন  হেফাজতে ইসলামীর নায়েবে আমির আল্লামা শাহ আহমেদ শফী।

    এই সময় তিনি বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    আল্লামা শফী বলেনঃ “কাদিয়ানীরা কাফের, তাদের কে রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের ঘোষণা করতে হবে, তাদের সাথে কোন সম্পর্ক করা যাবে না, তাদের কে মুসলমানদের কবর দেওয়া যাবে না এবং তাদের কে যারা কাফের মনে করবে না তারাও কাফের হয়ে যাবে”।

    তিনি আরো বলেন;- “শিক্ষার্থীদেরকে মোবাইলের নেতিবাচক প্রভাব হতে মুক্ত হয়ে লেখাপড়ায় আরো মনোযোগী হতে হবে।

    আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জীর গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।

    সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবক মাওলানা শুয়াইব আহমদ, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ।

    অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মরহুম আল্লামা তাফাজ্জুল হকের দুইপুত্র হাফেজ মাওলানা মাসরুরুল হক ও হাফেজ মাওলানা তাহফিমুল হক।

    সম্মেলনে দেশ বিদেশ হতে আগত ইসলামী চিন্তাবিদ ও বক্তাগন বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনের  আখেরি মোনাজাতে  জামিয়ার বর্তমান মুহতামিম মরহুম আল্লামা হবিগঞ্জীর সাহেবজাদা হাফেজ মাওলানা মাসরুরুল হক দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা চেয়েছেন।

  • হবিগঞ্জের সন্দীপ এখন সারাদেশের ” ট্যালেন্ট বয় “

    হবিগঞ্জের সন্দীপ এখন সারাদেশের ” ট্যালেন্ট বয় “

    একটানা প্রায় ৩ বছর আইনী লড়াইয়ের পর অবশেষে জয়ের দেখা পেল হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী সন্দীপ সুত্রধর। হাইকোর্টের আদেশে তার পরীক্ষার খাতা পুনঃ নিরীক্ষনের পর লাভ করলো ট্যালেন্টপুল বৃত্তি। শুধু তাই নয়, তার এই আইনী লড়াইয়ের কারণেই পাল্টে গেল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি অমানবিক নীতি। সন্দীপ এখন সারাদেশের ‘ট্যালেন্ট বয়’।

    জানা যায়, হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৬ সনের পিএসসি পরীক্ষায় এ প্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিল মেধাবী শিক্ষার্থী সন্দীপ সূত্রধর। কিন্তু বৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম না থাকায় সন্দেহ প্রবণ হয়ে উঠেন তার অভিভাবকরা।

    পরীক্ষার খাতা পুনঃ নিরীক্ষনের দাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেন সন্দীপের পিতা এডভোকেট সুধাংশু সূত্রধর। কিন্তু নীতিমালার দোহাই দিয়ে তার আবেদনটি অগ্রাহ্য করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এরপর অন্য কোন উপায় না পেয়ে ২০১৭ সালের ১০ জুলাই সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রীট পিটিশন (নং-৮৮৩২/২০১৭) দায়ের করেন সন্দীপের পিতা। পিটিশনের প্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৬ সনের সকল পিএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা ও নম্বরপত্র তলব করা হয়। খাতা ও নম্বরপত্র পর্যালোচনার পর আদালত নিশ্চিত হন সন্দীপ সুত্রধরকে তুলনামূলক কম নম্বর দেয়া হয়েছে। পরে নম্বরপত্র সংশোধন করে তার নাম বৃত্তিপ্রাপ্ততের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেন আদালত।

    আদালতের নির্দেশে ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর সন্দীপকে ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয় এবং বিষয়টির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে পত্র প্রেরণ করা হয়। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর একই তারিখে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি ও গ্রেজেড প্রকাশ করে।

    শুধু তাই নয়, রীট পিটিশনের আলোকে নীতিমালারও আংশিক পরিবর্তন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ফলে পরিবর্তিত নীতিমালা অনুযায়ী ২০২০ সাল থেকে ইচ্ছে করলেই যে কোন এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থী খাতা পুনঃ নিরীক্ষনের সুযোগ পাবে এবং সকল পরীক্ষার্থীর ফলাফল বিবরনীতে গ্রেডের সঙ্গে ‘প্রাপ্ত নম্বর’ উল্লেখ থাকবে।

  • হবিগঞ্জে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে চমক থাকছে নৌকা বাইছ

    হবিগঞ্জে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে চমক থাকছে নৌকা বাইছ

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে হবিগঞ্জ পুলিশ প্রশাসন।

    এই উপলক্ষে গতকাল সোমবার বিকেলে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা তার কার্যালয়ে এক পরামর্শ সভার আয়োজন করেন।

    পরামর্শ সভায় পুলিশ সুপার জানান, আগামী মাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে হবিগঞ্জে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে যাচ্ছে হবিগঞ্জ পুলিশ ।

    ৩টি ক্যাটাগরিতে এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পুরুষদের জন্য ২টি ক্যাটাগরি এবং মেয়েদের জন্য ১টি ক্যাটাগরি।

    যেহেতু হবিগঞ্জে মেয়েদের নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা কখনও হয়নি সেখানে আর মহিলাদের নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে না।

    প্রতিযোগীতায় পুরুষ ডিঙ্গি নৌকা মাঝির সংখ্যা ১ জন ও মাল্লার সংখ্যা ৭ জন থাকবে। প্রতিযোগিতায় বড় নৌকাগুলোতে মাঝি মাল্লা মিলিয়ে ৫০ জন বাইচে থাকবেন।

    পরামর্শ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) এসএম রাজু আহমেদ, সহকারি পুলিশ সুপার মানছুরা আক্তার, ডাঃ অসিত রঞ্জন দাশ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, ডিআইও-২ মোঃ আনিসুর রহমান, হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও এশিয়ান টিভির হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি এসএম সুরুজ আলী প্রমূখ।