Category: হবিগঞ্জ সদর

  • হবিগঞ্জে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত মসজিদের ইমাম

    হবিগঞ্জে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত মসজিদের ইমাম

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ধল জামে মসজিদে আজানরত অবস্থায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন মাওলানা মহি উদ্দিন (৪৫) নামে মসজিদের ইমাম। রবিবার (৮ মার্চ) ফজরের নামাজের সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,  মসজিদে ফজরের নামাজের আজান দেয়ার সময় পেছন থেকে তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় এক যুবক। স্থানীয় লোকজন ইমামকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    সকালে মুসল্লিরা হামলাকারী মিনত আলীকে আটক করে পুলিশে দেয়।

    হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মাসুক আলী জানান, “ঘটনায় জড়িত এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।”

  • শহরের নোয়াহাটি পয়েন্টে পাওয়া গেল এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে

    শহরের নোয়াহাটি পয়েন্টে পাওয়া গেল এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে

    কে. এম. আবু বকর || ক্রাইম রিপোর্টার (স্পেশাল), হবিগঞ্জ নিউজ

    পলাশ সরকার ও সানি রায় নামে দুই বন্ধু গত ০২/০৩/২০২০ ইং রোজ সোমবার হবিগঞ্জ শহরের বাইপাস রোড দিয়ে হেঁটে নোয়াবাদ যাচ্ছিল। হঠাৎ তারা নোয়াবাদ পয়েন্টের কাছে এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে সেন্সলেস অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পায়। তখন রাত বাজে প্রায় ১২ টা । মানবতার টানে ও কৌতুহলী হয়ে তারা সামনে এগিয়ে যায় লোকটিকে সহযোগিতা করার জন্য। চারপাশ থেকে তখন আরও লোকজন এসে ভীড় জমায়।

    পলাশ ও সানি দুই বন্ধু হবিগঞ্জ নিউজকে জানায়, শহরের রাজনগর এলাকায় একটি ম্যাচে থেকে তারা পড়াশুনা করে। তাদের সাথে তখন আরেকজন ছিল। কে ছিল জানতে চাইলে পলাশ সরকার বলে, সে তার ভাতিজাকে নিয়ে তাদের বাড়িতে (নোয়াহাটি) যাচ্ছিল।

    তাছাড়াও এত রাতে হেঁটে নোয়াহাটি যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা জানায় রাতে কোন রিক্সা না পাওয়ায় তারা হেঁটে গল্প করতে করতে যাচ্ছিল।

    এছাড়াও হবিগঞ্জ নিউজ এর ক্রাইম রিপোর্টার পলাশ সরকারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, ঘটনাস্থলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে তারা কিছুক্ষণ পর চোখ খুলতে দেখতে পায়। তখন তারা আরও লক্ষ্য করে যে, লোকটি খুবই দুর্বল অবস্থায় আছে। তাছাড়াও তারা লোকটির পকেট গুলো কাটা দেখতে পায় । এতে তারা ধারণা করে বুঝতে পারে যে লোকটি অজ্ঞান পার্টি এবং চিনতাইকারীর কবলে পড়েছিল।

    সন্দেহ হওয়া মাত্র তারা হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি (অফিসার ইন চার্জ) এর সাথে তাৎক্ষণিক ফোনে যোগাযোগ করে। যোগাযোগ করার পর ওসি তাদেরকে অজ্ঞাত লোকটিকে নিয়ে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পৌঁছানোর কথা বলেন। সেখানে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন তাদেরকে। তারা ওসির কথামতো লোকটিকে নিয়ে সদর হাসপালে পৌঁছায়।

    পথের মধ্যে হাসপাতালে যেতে যেতে তারা লোকটির নাম জিজ্ঞাসা করলে লোকটি তার নাম “গোপাল বনিক” বলে জানায় পলাশ ও তার বন্ধুকে।

    এছাড়াও তারা তার বাড়ি ও ঠিকানা জানতে চাইলে সে প্রথমে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এবং পরে সিলেটের বাঘবাড়িতে বলে জানায়।

    পরবর্তীতে তারা লোকটিকে নিয়ে আনুমানিক ১২.২০ মিনিটের দিকে সদর হাসপাতালে পৌঁছানোর পর পুলিশের প্রতিনিধি দল অজ্ঞাত লোকটিকে গ্রহণ করে পলাশ সরকার ও তার বন্ধুদের কাছ থেকে সবকিছু জেনে তাদের বিদায় দেয়।

  • বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল জাতীয় রাজনীতির শ্রেষ্ঠ কবিতা

    বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল জাতীয় রাজনীতির শ্রেষ্ঠ কবিতা

    বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল জাতীয় রাজনীতির শ্রেষ্ঠ কবিতা। কিছু মানুষ প্রশ্ন তুলেন বঙ্গবন্ধু কেন ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। অথচ ভাল করে ভাষণটি পড়লেই দেখা যাবে এর ভিতরেই স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল।

    স্বাধীন কথাটি সরাসরি না বলার জন্য চাপ ছিল। কারণ এতে করে বাংলার আকাশের উপর থেকে লক্ষ লক্ষ গোলা নিক্ষেপ হত। এমনকি ১০ থেকে ২০ লাখ লোকের প্রাণহানি হত তখন। যদিও ছাত্রলীগ ও যুবকদের চাপ ছিল সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাবেক একান্ত সচিব ড. ফরাস উদ্দিন শনিবার সন্ধ্যায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে স্মৃতিচারণ ও গুণিজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে একক বক্তৃতা প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    ড. ফরাস উদ্দিন আরও বলেন, আমাদের শতজনমের সৌভাগ্য যে আমরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুকে পেয়েছিলাম। তার কারণেই আমরা একটি মানচিত্র, ভুখন্ড ও রাজনীতি করার পরিবেশ পেয়েছি। বিশেষ  একটি মর্যাদাবান জাতি হতে পেরেছি। তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতেন এবং মিশতেন।

    শিশুদেরকে বেশী ভালবাসতেন। তার জন্মদিনে শিশুরা আসলে আনন্দিত হতেন বেশী। জন্মদিনে জয়নুল আবেদীন, কামরুল হাসান, আব্দুর রাজ্জাক, নিলিমা ইব্রাহিম, আব্দুল্লা আল মুতি শরফুদ্দিনরা আসতেন। তিনি শিশুকালে ডানপিঠে হলেও ছিলেন দয়ালু এবং সৎ।

    সবাই বলে সোওরাওয়ার্দী তার রাজনৈতিক গুরু। আমার এখানে দ্বিমত হল তিনি তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন। তবে তার রাজনৈতিক গুরু তিনজন। শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, আব্দুল হাশিম ও নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু। তবে বসুর সহিংস দিকটি তিনি পরিহার করতেন।

    নেতাজী বলেছিলেন ‘‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি স্বাধীনতা দিব’’ আর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দিব’’। এখানেই তাদের দর্শনের পার্থক্য।

    তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর কেন ৯৫ হাজার আত্মসমর্পণকারীকে আটক করা হয়নি এবং বিচারের আওতায় আনা হয়নি। বঙ্গবন্ধু তখন চিন্তা করেছিলেন পাকিস্তানে আটক আমাদের ৫ লাখ লোকের কি অবস্থা হবে। যেখানে ড. ইব্রাহিম আর এস এ কামাল এর মত লোক ছিলেন।

    ১৯২১ সালে যদি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় না হত তাহলে এখানকার লোকজন শিক্ষিত হত না এবং বঙ্গবন্ধুও সৃষ্টি হত না। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত কঠোর ও লক্ষ্যের পথে অবিচল। তিনি পরিকল্পনা এবং কৌশল বদল করলেও লক্ষ্য কখনও পরিবর্তন করেননি।

    ১৯৪৭ সালেই তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের। তিনি সংকল্পের দিক থেকে ছিলেন কঠোর আর মনের দিক থেকে নরম। ইস্পাত কঠিন এই মানুষ কারও কাছে মাথা নত করার মানুষ ছিলেন না। আর তিনি ছিলেন প্রচন্ড জাতীয়তাবাদী। আর জাতীয়তাবাদীরা কখনও পালিয়ে যায় না। বঙ্গবন্ধু কখনও পালিয়ে যাননি।

    ড. ফরাস উদ্দিন বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সারা বিশ্বে  ছিলো মহামন্দা। শস্যের খড়া এবং মূল্যস্ফীতির কারণে ধানের দাম ৩গুণ, গমের দাম আড়াইগুণ আর পেট্রলের দাম বাড়ে তিনগুণ।

    বঙ্গবন্ধু টিসিবি গঠন আর কৃষকদের লক্ষাধিক সার্টিফিকেট মামলা তুলে নিয়েছিলেন। কৃষিতে ভর্তুকী দিয়েছিলেন। ৭৪-৭৫ সালে প্রবৃদ্ধি হয় ৭.৮ ভাগ। তবুও হায়েনার দল তাকে পছন্দ করেনি। বাকশাল নিয়ে অনেকেই জড়োসড়ো হলেও আমি মনে করি বাকশাল প্রোগ্রাম খুব প্রয়োজন ছিল।

    ঢাকা থেকে শাসন সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন জমির আইল তুলে দিয়ে সমবায় ভিত্তিক কৃষি করার। কিন্তু মানুষকে এ ব্যাপারে ভুল বোঝানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দেশে অরাজকতা হয়েছে। পরে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে দেশের প্রবৃদ্ধিকে ৮.১৩ ভাগে নিয়ে যান। যা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ তিনটি প্রবৃদ্ধির একটি।

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতিকে প্রশংসা করেছেন ভারতের নোবেল বিজয়ী অমর্ত্যসেন ও পাকিস্তানী অর্থনীতিবিদ মাহবুবুল হক। বাজার অর্থনীতিতে দ্রুত সমৃদ্ধি আনতে হলে কিছু বৈষম্য হবে।

    সামনে বাংলাদেশের অর্থনীতির মডেল হবে শিল্প নির্ভর। আমাদেরকে বস্ত্রখাতে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ বছরে আমাদেরকে ৬শ’ কোটি ডলারের বস্ত্র আমদানী করতে হয়। বস্ত্র শিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ ঘটাতে হবে।

    এতে করে স্ব-কর্মসংস্থান হবে। জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়বে। আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। এতে করে দারিদ্র এবং বৈষম্য কমবে।

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার স্পেশাল ইকনোমিক জোন নিয়ে তিনি বলেন, শুনেছি এই ইকনোমিক জোন নিয়ে অনেকেই ষড়যন্ত্র ও দলবাজি করছে। এটি বাস্তবায়ন করা জরুরী।

    এখানেই বস্ত্র শিল্প হতে পারে। হবিগঞ্জের মাটিতে বস্ত্র শিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র শিল্প বিকাশের ভাল সম্ভাবনা রয়েছে।

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী।

    অনুষ্ঠানে ৭ মার্চের ভাষণের উপর প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ড. ফরাস উদ্দিনকে ক্রেস্ট ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়।

  • হবিগঞ্জে বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত

    হবিগঞ্জে বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত

    প্রতি বছরের মতো এবারও হবিগঞ্জে বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) জালাল স্টেডিয়ামে এ ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করে দুই শূণ্য শূন্য ছয় পরিবার।

    দিনব্যাপী নানান আয়োজনের মধ্যে গান-বাজনার পাশা-পাশি চলে পিঠে-পুলির আয়োজন। আর ঘুড়ি-নাটাই নিয়ে দুরন্তপনা প্রতিযোগীতা। মাঠে বসে পিঠা ও ঘুড়ি নাটাইয়ের স্টল।

    হবিগঞ্জে বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনে সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, সাবেক মেয়র শহিদ উদ্দিন চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক, দৈনিক খোয়াই পত্রিকার সম্পাদক শামীম আহসান, অগ্রনী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার শাহ জয়নাল আবেদীন রাসেল প্রমুখ। ঘুড়ি উৎসবে সভাপতিত্ব করেন দুই শুন্য শুন্য ছয় এর সভাপকি আব্দুল কাইয়ুম।

    হবিগঞ্জে বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত

    অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

  • ভারতে মুসলমান হত্যার প্রতিবাদে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল

    ভারতে মুসলমান হত্যার প্রতিবাদে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল

     

    গতকাল শুক্রবার বাদ জুমা হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় সুন্নী জামে মসজিদ প্রাঙ্গন হইতে মসজিদ সমন্বয় সুন্নী সংগ্রাম পরিষদের আহবানে ভারতের দিল্লীতে মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন স্থাপনায় অগ্নিসংযোগসহ নির্বিচারে মুসলমানদের হত্যার প্রতিবাদে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

    মিছিলটি চৌধুরী বাজার মোড়ে প্রবেশ করলে শহরের বিভিন্ন মসজিদ হতে খন্ড খন্ড মিছিল সংযুক্ত হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ঐতিহ্যবাহী কোর্ট মসজিদের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

    সংগঠনের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ রইছ মিয়া অসুস্থতার কারণে গাড়ীতে বসে মিছিলটির নেতৃত্ব দেন। হাফেজ মাওঃ রেজাউল করিম ও মাওঃ কে.এম ওয়াহাব নাঈমীর পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান আউয়াল, সেক্রেটারী কাজী মাওঃ এম.এ জলিল, শাহী ঈদগাহের খতিব মাওঃ গোলাম মোস্তফা নবীনগরী, চৌধুরীবাজার কেন্দ্রীয় সুন্নী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওঃ আব্দুল মজিদ পিরিজপুরী, মুফতি মুজিবুর রহমান, মুফতি আবুল বাশার হানাফী, হাফেজ মাওঃ আব্দুস সহিদ, মোফাচ্ছির রায়হান মুফতি প্রমুখ।

    সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, যে ভারতবর্ষ মুসলমান সম্রাটগণ শত শত বৎসর রাজত্ব পরিচালনা করেছেন কোনদিন মুসলমান সম্রাটগণ কোন হিন্দু হত্যা বা নির্যাতন করেন নাই। যদি সেদিন মুসলিম সম্রাটগণ হিন্দুদের ভারতবর্ষ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছা করতেন, তাহলে ভারতে আজ একটা হিন্দু খোঁজে পাওয়া যেত না। সেই ভারতের দিল্লীতে হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকার আজ মুসলমানদেরকে তাড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠেছে।

    মুসলমানদের মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন স্থাপনা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে। মুসলমানদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। অবিলম্বে সেই নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করার জন্য এবং হত্যাকারীদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানানো হয়।

    মুসলমানদের রক্তে রঞ্জিত হাত নিয়ে নরেন্দ্র মোদি যেন বাংলাদেশে আসতে না পারে সেই জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতিও সমাবেশ থেকে দাবী জানানো হয়। অবিলম্বে যদি ভারতের মুসলমানদের প্রতি নির্যাতন নিপীড়ন বন্ধ করা না হয় তাহলে বাংলার মুসলমানগণ ঐক্যবদ্ধভাবে ভারতীয় মুসলমানদের রার জন্য চুড়ান্ত আন্দোলন সংগ্রামের ডাক দিবে। পরিশেষে সারা বিশ্বের মুসলমানদের রার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাত পরিচালনা করেন আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

  • ভারতে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করল কোর্ট মসজিদের মুসল্লিরা

    ভারতে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করল কোর্ট মসজিদের মুসল্লিরা

    ভারতের দিল্লিতে মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন খানকায় অগ্নি সংযোগ সহ মুসলিমদের হত্যা করার প্রতিবাদে বিশাল এক বিক্ষোভ মিছিল করেছে শহরের ঐতিহ্যবাহী কোর্ট জামে মসজিদের ধর্ম্প্রাণ মুসল্লি, ইমাম, খতিব ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা।

    শুক্রবার (০৬ মার্চ) জুম্মার নামাজের পর মসজিদ প্রাঙ্গন থেকে এক বিশাল মিছিল বের করা হয়।

    মিছিলে নেতৃত্ব দেন স্থানীয় উপজেলা পরিষদ এর ভাইস চেয়ারম্যান ও মসজিদ কমিটির সদস্য জনাব মাহবুবুর রহমান আউয়াল।

    মিছিলে অত্র মসজিদের খতিব জনাব গোলাম মোস্তফা নবীনগরী, অত্র মসজিদের হাফিজি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক সহ আরও অনেক ওলামায়ে কেরাম গণ উপস্থিত ছিলেন।

    মিছিলটি শহরের মেইন রোড হয়ে চৌধুরী বাজারের দিকে এগিয়ে যায়। এক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় মিছিল সাথে মিলিত হয়ে পুনরায় শহর প্রদক্ষিণ করে কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গনে এসে জমায়েত হয়।

    মসজিদ প্রাঙ্গনে জমায়েত হয়ে কেন্দ্রীয় মিছিলের সাথে একাত্বতা পোষণ করে বিশাল এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়।

    প্রতিবাদ সভায় কেন্দ্রীয় সুন্নি জামে মসজিদের খতিব জনাব আব্দুল মজিদ ফিরোজপুরী, হবিগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসার মুফাসসির মাওলানা ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, মুফতি মুজিবুর রহমান আল কাদরী, কাজী নাজমুল হোসেন, কাজী আব্দুল জলিল, সৈয়দ আজহার আহমেদ সহ আরও অনেকে বক্তব্য প্রদান করেন।

    সভা শেষে মাওলানা ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ভারতের নির্যাতিত মুসলিমদের জন্য দোয়া করেন। এছাড়াও তিনি বিশ্ব মুসলিমের নিরাপত্তা ও শান্তি কামণায় দোয়া করেন।

  • ৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

    ৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় ৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি

    উদ্বোধন হওয়া প্রকল্পগুলো হলো-২ কোটি ৭ লাখ আনোয়ারপুর থেকে গোপালগঞ্জ রাস্তা মেরামত, ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে তিতুখাই-চাঁনপুর ভায়া মির্জাপুর সড়ক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ এবং ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে মরাবতাই, লংলা ও আনোয়ারপুর জালালাবাদ খাল খনন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করেছে।

    এছাড়া একই দপ্তরের মাধ্যমে নির্মিতব্য ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে রিচি চক বাজারের উন্নয়ন কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এমপি আবু জাহির।

    উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে  উপস্থিত ছিলেন এলজিইডি’র হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রকৌশলী ওবায়দুল বাশার, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, হবিগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র পরিচালক ও যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান শামীম, রিচি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরী পারভেজ প্রমুখ।

    উদ্বোধনকালে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় এমপি আবু জাহির বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সকল উন্নয়নের পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক উন্নতি হয়েছে। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই।